নিউইয়র্ক ০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

যে কারণে বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

হককথা ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪
  • / ৪৯ বার পঠিত

যৌন সম্পর্কের বিষয়ে মুখ বন্ধ রাখতে পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় যদি সাবেক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রার্থী হ‌ওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত জটিলতা দেখা না দেয়, তাহলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে এ বছরের নভেম্বর মাসে সম্ভবত আবার প্রতিযোগিতা হতে যাচ্ছে তার।

ধারণা করা হচ্ছে, ভোটদাতাদের কাছে প্রধান উদ্বেগের বিষয় হবে অর্থনীতি, কিন্তু দোদুল্যমান ভোটদাতাদের মধ্যে গাজা ও ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচনে পররাষ্ট্রনীতির একটি ভূমিকা থাকবে বলেও মনে করছেন অনেকে।

দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্সে ডিলার্ড ইউনিভার্সিটির আরবান স্টাডিজ এন্ড পাবলিক পলিসি বিভাগের অধ্যাপক রবার্ট কলিন্স বলেন, ‘অনুমান করা হচ্ছে এবারের নির্বাচন হবে খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং খুব সামান্য ভোটের ব্যবধানে এর ফলাফল নির্ধারিত হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে খুব অল্প সংখ্যক ভোটার ঠিক করতে পারেন, কে হবেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট।’

সংবাদমাধ্যম ভয়েস অফ আমেরিকাকে ম্যাসাচুসেটস এর সঙ্গীত শিক্ষক লাওরি স্কালার বলেন এই নির্বাচন অন্য নির্বাচনগুলি থেকে আলাদা মনে হচ্ছে কারণ গাজার যুদ্ধ হচ্ছে তরুণ ডেমক্র্যাটদের জন্য ‘এক চরম মূহুর্ত’।

স্কালার বলেন, ‘তারা তৃতীয় কোন দলের প্রার্থিকে বেছে নিতে চায় কিংবা সম্পূর্ণভাবে ভোট দানে অস্বীকৃতি জানাতে পারে, আমার মনে হয় এমন অনেক উদারপন্থি তরুণ ভোটদাতা রয়েছেন যারা আগামি নভেম্বরে বাইডেনকে ভোট দেবেন না আর তাতেই আমি শঙ্কিত যে এর মানে হচ্ছে ট্রাম্প জিতে যাবেন।’

আমেরিকান তরুণরা গাজার দিকে মনোনিবেশ করছেন। হারভার্ডের কেনেডি স্কুল অফ গভর্ণমেন্ট এক জরিপে দেখেছে যে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী আমেরিকানরা গাজায় স্থায়ী অস্ত্র বিরতিকে বিপুল ভাবে সমর্থন করে।

লুইজিয়ানার শৃভপোর্টের একজন গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী ব্রুকলিন বার্ডি বলছেন ২০২০ সালে তিনি বাইডেনকে সমর্থন করেছিলেন, কিন্তু ২০২৪ সালে তা করবেন না।

বার্ডি ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেন, ‘কোন ভাবেই এই হেমন্তে ‘জেনোসাইড জো’ আমার ভোট পাবেন না। তিনি চলমান জাতিগোষ্ঠিগত শুদ্ধিকরণে সন্তুষ্ট।’

তার অর্থ এ নয় যে তিনি পরিবর্তে ট্রাম্পকে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ব্যবসায়ী হিসেবে ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার সময়টা অর্থনীতির জন্য ভাল ছিল কিন্তু আমি এমন কাউকে সমর্থন করতে পারি না ইসরায়েলের প্রতি যার এমন অবিচল সমর্থন ও আনুগত্য রয়েছে। ভাবছি তৃতীয় কোন পক্ষকে আমি ভোট দেবো, কিন্তু এখনও আমি নিশ্চিত নই।’

তবে বর্তমান স্নায়ু যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ডিপ ষ্টেট ভূমিকা রাখতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ডিপ ষ্টেটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।

কংগ্রেস যখন ইউক্রেনের জন্য তহবিল দিতে বিলম্ব করছিল তখন তা বরাদ্দের জন্য ডিপ ষ্টেট ভূমিকা রেখেছিল।

চার মাস পর অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশ।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

যে কারণে বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

যৌন সম্পর্কের বিষয়ে মুখ বন্ধ রাখতে পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় যদি সাবেক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রার্থী হ‌ওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত জটিলতা দেখা না দেয়, তাহলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে এ বছরের নভেম্বর মাসে সম্ভবত আবার প্রতিযোগিতা হতে যাচ্ছে তার।

ধারণা করা হচ্ছে, ভোটদাতাদের কাছে প্রধান উদ্বেগের বিষয় হবে অর্থনীতি, কিন্তু দোদুল্যমান ভোটদাতাদের মধ্যে গাজা ও ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচনে পররাষ্ট্রনীতির একটি ভূমিকা থাকবে বলেও মনে করছেন অনেকে।

দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্সে ডিলার্ড ইউনিভার্সিটির আরবান স্টাডিজ এন্ড পাবলিক পলিসি বিভাগের অধ্যাপক রবার্ট কলিন্স বলেন, ‘অনুমান করা হচ্ছে এবারের নির্বাচন হবে খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং খুব সামান্য ভোটের ব্যবধানে এর ফলাফল নির্ধারিত হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে খুব অল্প সংখ্যক ভোটার ঠিক করতে পারেন, কে হবেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট।’

সংবাদমাধ্যম ভয়েস অফ আমেরিকাকে ম্যাসাচুসেটস এর সঙ্গীত শিক্ষক লাওরি স্কালার বলেন এই নির্বাচন অন্য নির্বাচনগুলি থেকে আলাদা মনে হচ্ছে কারণ গাজার যুদ্ধ হচ্ছে তরুণ ডেমক্র্যাটদের জন্য ‘এক চরম মূহুর্ত’।

স্কালার বলেন, ‘তারা তৃতীয় কোন দলের প্রার্থিকে বেছে নিতে চায় কিংবা সম্পূর্ণভাবে ভোট দানে অস্বীকৃতি জানাতে পারে, আমার মনে হয় এমন অনেক উদারপন্থি তরুণ ভোটদাতা রয়েছেন যারা আগামি নভেম্বরে বাইডেনকে ভোট দেবেন না আর তাতেই আমি শঙ্কিত যে এর মানে হচ্ছে ট্রাম্প জিতে যাবেন।’

আমেরিকান তরুণরা গাজার দিকে মনোনিবেশ করছেন। হারভার্ডের কেনেডি স্কুল অফ গভর্ণমেন্ট এক জরিপে দেখেছে যে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী আমেরিকানরা গাজায় স্থায়ী অস্ত্র বিরতিকে বিপুল ভাবে সমর্থন করে।

লুইজিয়ানার শৃভপোর্টের একজন গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী ব্রুকলিন বার্ডি বলছেন ২০২০ সালে তিনি বাইডেনকে সমর্থন করেছিলেন, কিন্তু ২০২৪ সালে তা করবেন না।

বার্ডি ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেন, ‘কোন ভাবেই এই হেমন্তে ‘জেনোসাইড জো’ আমার ভোট পাবেন না। তিনি চলমান জাতিগোষ্ঠিগত শুদ্ধিকরণে সন্তুষ্ট।’

তার অর্থ এ নয় যে তিনি পরিবর্তে ট্রাম্পকে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ব্যবসায়ী হিসেবে ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার সময়টা অর্থনীতির জন্য ভাল ছিল কিন্তু আমি এমন কাউকে সমর্থন করতে পারি না ইসরায়েলের প্রতি যার এমন অবিচল সমর্থন ও আনুগত্য রয়েছে। ভাবছি তৃতীয় কোন পক্ষকে আমি ভোট দেবো, কিন্তু এখনও আমি নিশ্চিত নই।’

তবে বর্তমান স্নায়ু যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ডিপ ষ্টেট ভূমিকা রাখতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ডিপ ষ্টেটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।

কংগ্রেস যখন ইউক্রেনের জন্য তহবিল দিতে বিলম্ব করছিল তখন তা বরাদ্দের জন্য ডিপ ষ্টেট ভূমিকা রেখেছিল।

চার মাস পর অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশ।