নিউইয়র্ক ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

৩৯ প্রার্থীই বৈধ ॥ শুরু হলো প্রচারণা আর হিসাব-নিকাশ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • / ৬০০ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ সোসাইটি’র আসন্ন দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদের ১৯ পদে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৩৯ জনেরই প্রার্থীতা বৈধ হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের পর নির্বাচন কমিশন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ৭ সেপ্টেম্বর বুধবার চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। ফলে দুই প্যানেলের ১৯জন প্রার্থী ছাড়াও সভাপতি পদে একজন স্বতত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামলেন। এদিকে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর পরই আনুষ্ঠানিকভাবে পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সোসাইটির ভোটার তথা কমিউনিটিতে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা আর হিসাব-নিকাশ। উল্লেখ্য, আগামী ৩০ আক্টোবর রোববার বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন। এবার সোসাইটির ভোটার হচ্ছেন সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৫৫১ জন। সিটির ৫টি নির্বাচনী কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- কুইন্সের গুলশান ট্যারেস বা ‘ঢাকা ক্লাব’, ব্রুকলীনের পাঞ্জাব হল, ওজন পার্কের মদিনা হল, ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেস। এছাড়া জ্যামাইকাতেও একটি ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সোসাইটির এবারের নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই নানা আলোচনা আর গুঞ্জন শুরু হয়েছে কমিউনিটিতে। নির্বাচন শুরুর প্রাক্কালে সোসাইটির সাবেক সভাপতি এম আজিজ ও কামাল আহমেদের সমর্থনে ‘রহিম-খোকন’ প্যানেল ঘোষণার পর আকস্মিকভাবে প্যানেল পরিবর্তন করে ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেল ঘোষণা করা হয়। আর এই হিসেব-নিকেশে সভাপতি পদ ছেড়ে সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন সোসাইটির বিদায় সাধারণ সম্পাদক আ. রহিম হাওলাদার। আর প্যানেল থেকে সরে যান সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আহবাব হোসেন খোকন। অপরদিকে সোসাইটির বর্তমান সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ‘নির্বাচন করবেন কি করবেন না’ এমন দোদুল্যতায় শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে আসেন এবং ‘কুনু-আজম’ প্যানেল ঘোষণা দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোসাইটির নির্বাচনে বর্তমান কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশ কর্মকর্তাই একটি প্যানেলভূক্ত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু নানা কারণে এই হিসেব-নিকেশ পাল্টে যায়। ফলে কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশ কর্মকর্তা বিভক্ত হয়ে দুই প্যানেল থেকে আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। আর বর্তমান কমিটির আলোচিত কর্মকর্তাদের মধ্যে সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান ও কার্যকরী পরিষদ সদস্য সৈয়দ ইলিয়াস খসরু এবার প্রার্থী হননি। অপরদিকে সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরী সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ফলে কমিউনিটিতে প্যানেল দু’টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা, হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
সোসাইটির এবারের নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীরা ছাড়াও আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান চৌধুরী, ‘কুনু-আজম’ প্যানেলের সিনিয়র সহ সভাপতি পদপ্রার্থী জেবিবিএ’র সহ সভাপতি মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ অপর সহ সভাপতি পদপ্রার্থী বৃহত্তর নোয়াখারী সমিতির সাবেক সভাপতি শফি আলম লাল, আপ্যায়ন ও ক্রীড়া সম্পাদক পদ প্রার্থী বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় ফুটবলার সম্্রাট হোসেন এমিলি, তরুণ সংগঠন একই প্যানেলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মদ রিজু, ‘কামাল-রুহুল‘ প্যানেলের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব, কার্যকরী পরিষদ সদস্য বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম প্রমুখ।
সোসাইটির নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেল। এই প্যানেল দু’টির বিপরীতে সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সোসাইটির বর্তমান সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরী। ‘কুনু-আজম’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোসাইটির বর্তমান সভাপতি আজমল হোসেন কুনু আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউএসএ ইনক’র সাবেক সভাপতি কাজী সাখাওয়াত হোসেন (কাজী আজম)। অপরদিকে ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোসাইটির সাবেক সভাপতি কামাল আহমেদ আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোসাইটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আমীন সিদ্দিকী। উল্লেখ্য, সোসাইটির সভাপতি পদের প্রার্থীদ্বয় একই এলাকা আর্থাৎ সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার সন্তান এবং তারা উভয়েই জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র সাবেক সভাপতি। এছাড়াও কামাল আহমেদ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিয়ানীবাজারবাসীদের সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি আর আজমল হোসেন কুনু এই সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
‘কুনু-আজম’ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি- আজমল হোসেন কুনু, সিনিয়র সহ সভাপতি- মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, সহ সভাপতি- শফি আলম লাল, সাধারণ সম্পাদক- কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, কোষাধ্যক্ষ- নিশান রহিম, সহ সাধারণ সম্পাদক- মফিজুল ইসলাম ভুইয়া রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক- এ.কে.এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মোহাম্মদ সেলিম ইব্রাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মদ রিজু, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মোহাম্মদ খান টিপু, সাহিত্য সম্পাদক- শেখ হায়দার আলী, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- স¤্রাট হোসেন এমিলি, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- ওয়াহিদ কাজী এলিন, কার্যকরী পরিষদ সদস্য- কাজী তোফায়েল ইসলাম, সরোয়ার খান বাবু, জামাল উদ্দিন, এমডি আশ্রাব আলী খান লিটন, আবুল কে আকন্দ ও শাহনাজ আলম লিপি।
‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি- কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ সভাপতি- আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ সভাপতি- আ. খালেক খায়ের, সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ রুহুল আমিন সিদ্দীকি, কোষাধ্যক্ষ- মোহাম্মদ আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক- সৈয়দ এমকে জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক- আবুল কালাম ভুইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মনিকা রায়, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- নাদির এ আইয়ুব, সাহিত্য সম্পাদক- নাসির উদ্দীন আহমদ, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- মোহাম্মদ এম হোসেন, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- আহসান হাবিব, প্রচার সম্পাদক- সিরাজুল হক জালাল এবং কার্যকরী পরিষদ সদস্য- মোহাম্মদ সাদি মিন্টু, আবুল কাসেম চৌধুরী, ফারহান চৌধুরী, মোহাম্মদ আজাদ বাকির, মাইনুদ্দীন মাহবুব ও মইনুল ইসলাম। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

৩৯ প্রার্থীই বৈধ ॥ শুরু হলো প্রচারণা আর হিসাব-নিকাশ

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ সোসাইটি’র আসন্ন দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদের ১৯ পদে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৩৯ জনেরই প্রার্থীতা বৈধ হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের পর নির্বাচন কমিশন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ৭ সেপ্টেম্বর বুধবার চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। ফলে দুই প্যানেলের ১৯জন প্রার্থী ছাড়াও সভাপতি পদে একজন স্বতত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামলেন। এদিকে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর পরই আনুষ্ঠানিকভাবে পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সোসাইটির ভোটার তথা কমিউনিটিতে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা আর হিসাব-নিকাশ। উল্লেখ্য, আগামী ৩০ আক্টোবর রোববার বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন। এবার সোসাইটির ভোটার হচ্ছেন সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৫৫১ জন। সিটির ৫টি নির্বাচনী কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- কুইন্সের গুলশান ট্যারেস বা ‘ঢাকা ক্লাব’, ব্রুকলীনের পাঞ্জাব হল, ওজন পার্কের মদিনা হল, ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেস। এছাড়া জ্যামাইকাতেও একটি ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সোসাইটির এবারের নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই নানা আলোচনা আর গুঞ্জন শুরু হয়েছে কমিউনিটিতে। নির্বাচন শুরুর প্রাক্কালে সোসাইটির সাবেক সভাপতি এম আজিজ ও কামাল আহমেদের সমর্থনে ‘রহিম-খোকন’ প্যানেল ঘোষণার পর আকস্মিকভাবে প্যানেল পরিবর্তন করে ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেল ঘোষণা করা হয়। আর এই হিসেব-নিকেশে সভাপতি পদ ছেড়ে সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন সোসাইটির বিদায় সাধারণ সম্পাদক আ. রহিম হাওলাদার। আর প্যানেল থেকে সরে যান সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আহবাব হোসেন খোকন। অপরদিকে সোসাইটির বর্তমান সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ‘নির্বাচন করবেন কি করবেন না’ এমন দোদুল্যতায় শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে আসেন এবং ‘কুনু-আজম’ প্যানেল ঘোষণা দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোসাইটির নির্বাচনে বর্তমান কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশ কর্মকর্তাই একটি প্যানেলভূক্ত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু নানা কারণে এই হিসেব-নিকেশ পাল্টে যায়। ফলে কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশ কর্মকর্তা বিভক্ত হয়ে দুই প্যানেল থেকে আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। আর বর্তমান কমিটির আলোচিত কর্মকর্তাদের মধ্যে সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান ও কার্যকরী পরিষদ সদস্য সৈয়দ ইলিয়াস খসরু এবার প্রার্থী হননি। অপরদিকে সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরী সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ফলে কমিউনিটিতে প্যানেল দু’টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা, হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
সোসাইটির এবারের নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীরা ছাড়াও আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান চৌধুরী, ‘কুনু-আজম’ প্যানেলের সিনিয়র সহ সভাপতি পদপ্রার্থী জেবিবিএ’র সহ সভাপতি মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ অপর সহ সভাপতি পদপ্রার্থী বৃহত্তর নোয়াখারী সমিতির সাবেক সভাপতি শফি আলম লাল, আপ্যায়ন ও ক্রীড়া সম্পাদক পদ প্রার্থী বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় ফুটবলার সম্্রাট হোসেন এমিলি, তরুণ সংগঠন একই প্যানেলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মদ রিজু, ‘কামাল-রুহুল‘ প্যানেলের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব, কার্যকরী পরিষদ সদস্য বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম প্রমুখ।
সোসাইটির নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেল। এই প্যানেল দু’টির বিপরীতে সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সোসাইটির বর্তমান সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরী। ‘কুনু-আজম’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোসাইটির বর্তমান সভাপতি আজমল হোসেন কুনু আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউএসএ ইনক’র সাবেক সভাপতি কাজী সাখাওয়াত হোসেন (কাজী আজম)। অপরদিকে ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোসাইটির সাবেক সভাপতি কামাল আহমেদ আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সোসাইটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আমীন সিদ্দিকী। উল্লেখ্য, সোসাইটির সভাপতি পদের প্রার্থীদ্বয় একই এলাকা আর্থাৎ সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার সন্তান এবং তারা উভয়েই জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র সাবেক সভাপতি। এছাড়াও কামাল আহমেদ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিয়ানীবাজারবাসীদের সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি আর আজমল হোসেন কুনু এই সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
‘কুনু-আজম’ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি- আজমল হোসেন কুনু, সিনিয়র সহ সভাপতি- মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, সহ সভাপতি- শফি আলম লাল, সাধারণ সম্পাদক- কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, কোষাধ্যক্ষ- নিশান রহিম, সহ সাধারণ সম্পাদক- মফিজুল ইসলাম ভুইয়া রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক- এ.কে.এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মোহাম্মদ সেলিম ইব্রাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মদ রিজু, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মোহাম্মদ খান টিপু, সাহিত্য সম্পাদক- শেখ হায়দার আলী, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- স¤্রাট হোসেন এমিলি, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- ওয়াহিদ কাজী এলিন, কার্যকরী পরিষদ সদস্য- কাজী তোফায়েল ইসলাম, সরোয়ার খান বাবু, জামাল উদ্দিন, এমডি আশ্রাব আলী খান লিটন, আবুল কে আকন্দ ও শাহনাজ আলম লিপি।
‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি- কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ সভাপতি- আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ সভাপতি- আ. খালেক খায়ের, সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ রুহুল আমিন সিদ্দীকি, কোষাধ্যক্ষ- মোহাম্মদ আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক- সৈয়দ এমকে জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক- আবুল কালাম ভুইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মনিকা রায়, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- নাদির এ আইয়ুব, সাহিত্য সম্পাদক- নাসির উদ্দীন আহমদ, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- মোহাম্মদ এম হোসেন, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- আহসান হাবিব, প্রচার সম্পাদক- সিরাজুল হক জালাল এবং কার্যকরী পরিষদ সদস্য- মোহাম্মদ সাদি মিন্টু, আবুল কাসেম চৌধুরী, ফারহান চৌধুরী, মোহাম্মদ আজাদ বাকির, মাইনুদ্দীন মাহবুব ও মইনুল ইসলাম। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)