নিউইয়র্ক ১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

২৪ জুলাই জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে ব্লাড ড্রাইভ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০১৬
  • / ৫৫৪ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) নর্থ আমেরিকা’র নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার এবং এনওয়াই ব্লাড সেন্টারের যৌথ উদ্যোগ ২৪ জুলাই রোবার ব্লাড ড্রাইভ কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। ঐদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে এই কর্মসূচী চলবে। এতে ১৬ বছর থেকে ৭২ বছর বয়সী সুস্থ্য যেকেউ ব্লাড ডোনেশন করতে পারবেন। এই কর্মসূচী সফল করতে কমিউনিটির সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
বিএমএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপরোক্ত তথ্য জানানো হয়। ১৫ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সিটির জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউস্থ স্টার কাবাব এন্ড রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. এম রহমান। এরপর ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি ডা. জাহাঙ্গীর আলম। সাংবাদিক সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন বিএমএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) ডা. শাহ আলম, ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচীর আহ্বায়ক ডা. শাহ নাজমুল আলম ও ডা. নাফিসুর রহমান। এসময় ডা. সুরাইয়া জাহান ও ডা. মহসিনা রহমান উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
BMA Press Confa.-2সাংবাদিক সম্মেলনে বিএমএ নেতৃবৃন্দ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালে ব্লাডের চাহিদা বেড়ে যায়। যদিও এখন ব্লাডের কোন সংকট নেই। তারপরও এই গরমের সময় নিয়মিত ব্লাড ডোনারদের ভ্যাকেশন থাকা, স্কুল বন্ধ থাকা, সড়ক দূর্ঘটনা বেড়ে যাওয়া প্রভৃতি কারণে ব্লাডের চাহিদা বেড়ে যায়। সবদিক বিবেচনায় বিএমএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচীর আওতায় সংগৃহীত ব্লাড নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারে যথাযথভাবে সংরক্ষিত থাকবে এবং আর্তমানবতার সেবায় কাজে লাগানো হবে।
বিএমএ নেতৃবৃন্দ বলেন, কর্মব্যস্ত পেশার বাইরে সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই বিএমএ ও নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। তারা বলেন, বিএমএ’র উদ্যোগে এটাই প্রথম উদ্যোগ আর আমাদের মূল টার্গেট প্রবাসী বাংলাদেশী বা বাংলাদেশী-আমেরিকান।
সাংবাদিক সম্মেলনে বিএমএ নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন মানুষের দেহে প্রকৃতগতভাবেই প্রতি তিনমাস পর পর নতুন ব্লাড তৈরী হয়। ফলে একজন সুস্থ্য মানুষ প্রতি তিন মাস পর পর ব্লাড ডোনেশন করতে পারেন। আর জীবন বাঁচানোর জন্য ব্লাডের বিকল্প নেই। ব্লাড কৃত্তিমভাবে তৈরীও করা যায় না। তাই যেকোন মুমুর্ষ মানুষকে বাঁচাতে ব্লাড রিজার্ভ (সংরক্ষণ) রাখা জরুরী। আর ১৬ বছর থেকে ৭২ বছর বয়সী সুস্থ্য যেকেউ ব্লাড ডোনেশন করতে পারবেন। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরাও ব্লাড ডোনেট করতে পারবেন। এতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, ভয়েরও কিছু নেই। ব্লাড ডোনেশন করতে নিজের ইচ্ছোটাই যথেষ্ট।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারের একটি অ্যাম্বুলেন্সে চারটি বেডে এক সাথে চাজনের ব্লাড সংগ্রহ করা হবে। এর আগে সংশ্লিষ্ট ডোনারের প্রাথমিক চেকআপ-এর ব্যবস্থা থাকবে। এজন্য বিএমএ’র পক্ষ থেকে ১০/১৫ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের সাথে আরো ১০/১২জন ভলেন্টিয়ার থাকবে। ব্লাড ডোনারদের বিএমএ ও নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারের পক্ষ থেকে দু’টি টি-শার্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচীটি সফল করতে তারা মিডিয়ার পাশাপাশি সকল সামাজিক সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনএ নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা আমাদের কর্মব্যবস্ত জীবনের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডও করতে চাই। ভালো কাজে নিজেদেও সম্পৃক্ত রাখতে চাই, প্রবাসে দেশের মুখ আর বাংলাদেশী-আমেরিকান ডাক্তার হিসেবে পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চাই। তারা বলেন, আগামী দিনে বিএমএ’র ব্লাড ডোনেশন কর্মসুচী অব্যাহত থাকবে। আর এই কর্মসূচী সফল করতে সবার সহযোগিতায় কমিউনিটিকে উদ্ধুব্ধ করতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

২৪ জুলাই জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে ব্লাড ড্রাইভ

প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০১৬

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) নর্থ আমেরিকা’র নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার এবং এনওয়াই ব্লাড সেন্টারের যৌথ উদ্যোগ ২৪ জুলাই রোবার ব্লাড ড্রাইভ কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। ঐদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে এই কর্মসূচী চলবে। এতে ১৬ বছর থেকে ৭২ বছর বয়সী সুস্থ্য যেকেউ ব্লাড ডোনেশন করতে পারবেন। এই কর্মসূচী সফল করতে কমিউনিটির সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
বিএমএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপরোক্ত তথ্য জানানো হয়। ১৫ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সিটির জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউস্থ স্টার কাবাব এন্ড রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. এম রহমান। এরপর ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি ডা. জাহাঙ্গীর আলম। সাংবাদিক সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন বিএমএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) ডা. শাহ আলম, ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচীর আহ্বায়ক ডা. শাহ নাজমুল আলম ও ডা. নাফিসুর রহমান। এসময় ডা. সুরাইয়া জাহান ও ডা. মহসিনা রহমান উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
BMA Press Confa.-2সাংবাদিক সম্মেলনে বিএমএ নেতৃবৃন্দ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালে ব্লাডের চাহিদা বেড়ে যায়। যদিও এখন ব্লাডের কোন সংকট নেই। তারপরও এই গরমের সময় নিয়মিত ব্লাড ডোনারদের ভ্যাকেশন থাকা, স্কুল বন্ধ থাকা, সড়ক দূর্ঘটনা বেড়ে যাওয়া প্রভৃতি কারণে ব্লাডের চাহিদা বেড়ে যায়। সবদিক বিবেচনায় বিএমএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচীর আওতায় সংগৃহীত ব্লাড নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারে যথাযথভাবে সংরক্ষিত থাকবে এবং আর্তমানবতার সেবায় কাজে লাগানো হবে।
বিএমএ নেতৃবৃন্দ বলেন, কর্মব্যস্ত পেশার বাইরে সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই বিএমএ ও নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। তারা বলেন, বিএমএ’র উদ্যোগে এটাই প্রথম উদ্যোগ আর আমাদের মূল টার্গেট প্রবাসী বাংলাদেশী বা বাংলাদেশী-আমেরিকান।
সাংবাদিক সম্মেলনে বিএমএ নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন মানুষের দেহে প্রকৃতগতভাবেই প্রতি তিনমাস পর পর নতুন ব্লাড তৈরী হয়। ফলে একজন সুস্থ্য মানুষ প্রতি তিন মাস পর পর ব্লাড ডোনেশন করতে পারেন। আর জীবন বাঁচানোর জন্য ব্লাডের বিকল্প নেই। ব্লাড কৃত্তিমভাবে তৈরীও করা যায় না। তাই যেকোন মুমুর্ষ মানুষকে বাঁচাতে ব্লাড রিজার্ভ (সংরক্ষণ) রাখা জরুরী। আর ১৬ বছর থেকে ৭২ বছর বয়সী সুস্থ্য যেকেউ ব্লাড ডোনেশন করতে পারবেন। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরাও ব্লাড ডোনেট করতে পারবেন। এতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, ভয়েরও কিছু নেই। ব্লাড ডোনেশন করতে নিজের ইচ্ছোটাই যথেষ্ট।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারের একটি অ্যাম্বুলেন্সে চারটি বেডে এক সাথে চাজনের ব্লাড সংগ্রহ করা হবে। এর আগে সংশ্লিষ্ট ডোনারের প্রাথমিক চেকআপ-এর ব্যবস্থা থাকবে। এজন্য বিএমএ’র পক্ষ থেকে ১০/১৫ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের সাথে আরো ১০/১২জন ভলেন্টিয়ার থাকবে। ব্লাড ডোনারদের বিএমএ ও নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারের পক্ষ থেকে দু’টি টি-শার্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচীটি সফল করতে তারা মিডিয়ার পাশাপাশি সকল সামাজিক সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনএ নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা আমাদের কর্মব্যবস্ত জীবনের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডও করতে চাই। ভালো কাজে নিজেদেও সম্পৃক্ত রাখতে চাই, প্রবাসে দেশের মুখ আর বাংলাদেশী-আমেরিকান ডাক্তার হিসেবে পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চাই। তারা বলেন, আগামী দিনে বিএমএ’র ব্লাড ডোনেশন কর্মসুচী অব্যাহত থাকবে। আর এই কর্মসূচী সফল করতে সবার সহযোগিতায় কমিউনিটিকে উদ্ধুব্ধ করতে হবে।