নিউইয়র্ক ১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

রেকর্ড সংখ্যক ভোটার ১৮,১৭৫ ॥ আয় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ডলার ॥ ডা. মিয়া সহ কর্মকর্তাদের প্রবেশাধিকারে বাধায় মিশ্র প্রত্রিয়া

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ জুলাই ২০১৬
  • / ৬৩১ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের ‘মাদার সংগঠন’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ সোসাইটি ইন্্ক’র আসন্ন দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ঘিরে এবার রেকর্ড সংখ্যক সদস্য/ভোটার হয়েছেন ১৮ হাজার ১৭৫ জন। এরমধ্যে আজীবন সদস্য রয়েছেন এক হাজার ৮০৮জন। নতুন সদস্য/ভোটার বাবদ সোসাইটির আয় হয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ডলার। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জন্য ৩০ জুন বৃহস্প্রতিবার ছিলো সোসাইটির সদস্য/ভোটার হওয়ার শেষ দিন। উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন প্যানেলের পক্ষ থেকে এদিন বিপুল সংখ্যক সদস্য/ভোটারের আবেদনপত্র জমা দেয়া হয়। এদিকে সোসাইটির আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ইতিপূর্বে ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের নাম ঘোষণা করা হলেও অতিসম্প্রতি ‘প্রতিবাদী প্যানেল’ হিসেবে ‘শাহাদৎ-ওসমান’ অথবা ‘শওকত-ওসমান’ প্যানেল সোসাইটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে জানা গেছে। অপরদিকে সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. মইনুল হোসেন মিয়া, ট্রাষ্টি বোর্ডের সাবেক সদস্য মকবুল রহিম চুনুই, সোসাইটির আপ্যায়ন সম্পাদক সৈয়দ এনায়েত আলী প্রমুখ কর্মকর্তা সন্ধ্যা ছয়টার পর সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করতে চাইলে তারা বাধার সম্মুখীন হন। এনিয়ে কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সোসাইটির কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কড়া নিরাপত্তায় গত ৩০ জুন বৃহস্প্রতিবার বাংলাদেশ সোসাইটি অফিসে সদস্য/ভোটারের আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়। সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদারের নেতৃত্বে কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তারা আবেদনপত্রগুলো গ্রহণ করেন। এদিন দুই হাজারের মতো আবেদনপত্র জমা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঐদিন বিকেল ছয়টায় সোসাইটির প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয় এবং সাংবাদিক ছাড়া আর কাউকে সোসাইটি অফিসে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এই সময়ের মধ্যে যারা আবেদনপত্রসহ সোসাইটি অফিসে ছিলেন শুধু তাদের কাছ থেকেই আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়। এসময় ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সোসাইটির কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. মইনুল হোসেন মিয়া ছয়টার পর সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করতে চাইলে তাকেও ঢুকতে দেয়া হয়নি। অপরদিকে সদস্য/ভোটারের আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় একটি প্যানেলের পক্ষ থেকে অর্থ জমা দিতে সময় নেয়ায় অপর প্যানেলের কর্মকর্তারা আপত্তি জানালে সেখানে দুই প্যানেলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কেউ কেউ বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে সোসাইটির কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সূত্র মতে, ছয়টার পর যাতে কেউ সদস্য/ভোটার ফর্ম নিয়ে সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে না পারেন বা এনিয়ে যাতে জনমনে কোন বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয় সেজন্যই ছয়টার পর কাউকে সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এনিয়ে ভুলবুঝাবুঝির কোন অবকাশ নেই।
সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য ছিলো সোসাইটিকে গণমুখী সংগঠনে পরিণত করা। তার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সদস্য/ভোটার বৃদ্ধির উপর জোর দেয়া হয়। আমাদের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এখন প্রয়োজন সোসাইটির সকল কর্মকান্ডে সবার অংশগ্রহণ।
এব্যাপারে সোসাইটির আপ্যায়ন সম্পাদক সৈয়দ এনায়েত আলী বলেন, আমি মনে করি কার্যকরী পরিষদ আর ট্রাষ্ট্রি বোর্ডের কর্মকর্তারা সোসাইটির যেকোন কর্মকান্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখতে পারার পাশাপাশি যেকোন সিদ্ধান্তে অংশ নিতে পারেন। কিন্তু সোসাইটির সদস্য/ভোটার হওয়ার শেষ দিনে কেন আমাদেরকে সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে দেয়া হলো না তা বোধগম্য নয়। বিশেষ করে আমি নিজে বর্তমান কমিটির আপ্যায়ন সম্পাদক হিসেবে ঐদিন সোসাইটি অফিসে ইফতার সরবরাহের দায়িত্বও ছিলো আমার। আমি সেই দায়িত্ব পালন করার পর সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।
এদিকে বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের বিপরীতে কমিউনিটির পরিচিত মুখ, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির সাবেক সভাপতি শাহাদৎ হোসেন ও সোসাইটির বর্তমান সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘শাহাদৎ-ওসমান’ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে আভাষ পাওয়া গেছে। তবে এই প্যানেলে শাহাদৎ-এর স্থলে সোসাইটির সাবেক সাহিত্য সম্পাদক খান শওকত অন্তর্ভূক্ত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্যানেলটি হবে ‘শওকত-ওসমান’ প্যানেল।
আরো উল্লেখ্য, আগামী আক্টোবর মাসে সোসাইটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা। সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ টিপু সুলতানকে প্রদান নির্বাচন কমিশনার করে ইতিমধ্যেই ৫ সদস্যেও নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন: জামান তপন, আব্দুল হাকিম মিয়া, মো: আনোয়ার হোসেন ও ইউনুস সরকার।(সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

রেকর্ড সংখ্যক ভোটার ১৮,১৭৫ ॥ আয় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ডলার ॥ ডা. মিয়া সহ কর্মকর্তাদের প্রবেশাধিকারে বাধায় মিশ্র প্রত্রিয়া

প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ জুলাই ২০১৬

নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের ‘মাদার সংগঠন’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ সোসাইটি ইন্্ক’র আসন্ন দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ঘিরে এবার রেকর্ড সংখ্যক সদস্য/ভোটার হয়েছেন ১৮ হাজার ১৭৫ জন। এরমধ্যে আজীবন সদস্য রয়েছেন এক হাজার ৮০৮জন। নতুন সদস্য/ভোটার বাবদ সোসাইটির আয় হয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ডলার। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জন্য ৩০ জুন বৃহস্প্রতিবার ছিলো সোসাইটির সদস্য/ভোটার হওয়ার শেষ দিন। উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন প্যানেলের পক্ষ থেকে এদিন বিপুল সংখ্যক সদস্য/ভোটারের আবেদনপত্র জমা দেয়া হয়। এদিকে সোসাইটির আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ইতিপূর্বে ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের নাম ঘোষণা করা হলেও অতিসম্প্রতি ‘প্রতিবাদী প্যানেল’ হিসেবে ‘শাহাদৎ-ওসমান’ অথবা ‘শওকত-ওসমান’ প্যানেল সোসাইটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে জানা গেছে। অপরদিকে সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. মইনুল হোসেন মিয়া, ট্রাষ্টি বোর্ডের সাবেক সদস্য মকবুল রহিম চুনুই, সোসাইটির আপ্যায়ন সম্পাদক সৈয়দ এনায়েত আলী প্রমুখ কর্মকর্তা সন্ধ্যা ছয়টার পর সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করতে চাইলে তারা বাধার সম্মুখীন হন। এনিয়ে কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সোসাইটির কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কড়া নিরাপত্তায় গত ৩০ জুন বৃহস্প্রতিবার বাংলাদেশ সোসাইটি অফিসে সদস্য/ভোটারের আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়। সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদারের নেতৃত্বে কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তারা আবেদনপত্রগুলো গ্রহণ করেন। এদিন দুই হাজারের মতো আবেদনপত্র জমা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঐদিন বিকেল ছয়টায় সোসাইটির প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয় এবং সাংবাদিক ছাড়া আর কাউকে সোসাইটি অফিসে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এই সময়ের মধ্যে যারা আবেদনপত্রসহ সোসাইটি অফিসে ছিলেন শুধু তাদের কাছ থেকেই আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়। এসময় ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সোসাইটির কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. মইনুল হোসেন মিয়া ছয়টার পর সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করতে চাইলে তাকেও ঢুকতে দেয়া হয়নি। অপরদিকে সদস্য/ভোটারের আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় একটি প্যানেলের পক্ষ থেকে অর্থ জমা দিতে সময় নেয়ায় অপর প্যানেলের কর্মকর্তারা আপত্তি জানালে সেখানে দুই প্যানেলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কেউ কেউ বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে সোসাইটির কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সূত্র মতে, ছয়টার পর যাতে কেউ সদস্য/ভোটার ফর্ম নিয়ে সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে না পারেন বা এনিয়ে যাতে জনমনে কোন বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয় সেজন্যই ছয়টার পর কাউকে সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এনিয়ে ভুলবুঝাবুঝির কোন অবকাশ নেই।
সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য ছিলো সোসাইটিকে গণমুখী সংগঠনে পরিণত করা। তার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সদস্য/ভোটার বৃদ্ধির উপর জোর দেয়া হয়। আমাদের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এখন প্রয়োজন সোসাইটির সকল কর্মকান্ডে সবার অংশগ্রহণ।
এব্যাপারে সোসাইটির আপ্যায়ন সম্পাদক সৈয়দ এনায়েত আলী বলেন, আমি মনে করি কার্যকরী পরিষদ আর ট্রাষ্ট্রি বোর্ডের কর্মকর্তারা সোসাইটির যেকোন কর্মকান্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখতে পারার পাশাপাশি যেকোন সিদ্ধান্তে অংশ নিতে পারেন। কিন্তু সোসাইটির সদস্য/ভোটার হওয়ার শেষ দিনে কেন আমাদেরকে সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে দেয়া হলো না তা বোধগম্য নয়। বিশেষ করে আমি নিজে বর্তমান কমিটির আপ্যায়ন সম্পাদক হিসেবে ঐদিন সোসাইটি অফিসে ইফতার সরবরাহের দায়িত্বও ছিলো আমার। আমি সেই দায়িত্ব পালন করার পর সোসাইটি অফিসে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।
এদিকে বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে ‘কুনু-আজম’ ও ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের বিপরীতে কমিউনিটির পরিচিত মুখ, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির সাবেক সভাপতি শাহাদৎ হোসেন ও সোসাইটির বর্তমান সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘শাহাদৎ-ওসমান’ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে আভাষ পাওয়া গেছে। তবে এই প্যানেলে শাহাদৎ-এর স্থলে সোসাইটির সাবেক সাহিত্য সম্পাদক খান শওকত অন্তর্ভূক্ত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্যানেলটি হবে ‘শওকত-ওসমান’ প্যানেল।
আরো উল্লেখ্য, আগামী আক্টোবর মাসে সোসাইটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা। সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ টিপু সুলতানকে প্রদান নির্বাচন কমিশনার করে ইতিমধ্যেই ৫ সদস্যেও নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন: জামান তপন, আব্দুল হাকিম মিয়া, মো: আনোয়ার হোসেন ও ইউনুস সরকার।(সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)