নিউইয়র্ক ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

ঢাকায় নৃশংস খুন হলেন নিউইয়র্ক প্রবাসী মনসুর রহমান : কমিউনিতে শোক : অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০১৫
  • / ৯৯৯ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: সামারের ছুটিতে নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়ে নিজ বাড়িতে ডাকতদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হলেন মোহাম্মদ মনসুর রহমান নামের ৫৫ বছরের এক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। হত্যাকান্ডটি ঘটেছে ঢাকার ভাসানটেক এলাকায়। ঢাকার স্থানীয় সময় রোববার ইফতারের পরবর্তী সময়ে এই হত্যাকান্ডটি ঘটে। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বসবাসকারী যুক্তরাষ্ট্রের পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট (গ্রীণকার্ড ধারী) মোহাম্মদ মনসুর গত ১১ জুন দুই মাসের জন্য স্বপরিবারে ঢাকায় বেড়াতে যান। উঠেন ক্যান্টনমেন্ট তথা ভাসানটেক মিলিটারি চেকপোস্টের কাছে ২৬৬ নম্বর চার তলা বাড়ির ৩ তলার নিজ ফ্লাটে। ১২ জুলাই রোববার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় ৮/১০ জন সশস্ত্র ব্যাক্তি চতুর্থ তলার ফ্লাটে ঢুকে মোহাম্মদ মনসুরের স্ত্রী সন্তান ও শ্বাশুরী’সহ অন্যান্যদের হাতপা বেঁধে ফেলে স্বর্ণলংকার ও নগদ টাকা পয়সা লুট করতে থাকে। এসময় মোহাম্মদ মনসুর বাইরে থেকে বাসায় ফিরে ডাকাতদের মুখোমুখি হন। ডাকাতরা তার গলায়, পেটে ও পিঠে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে মালামাল নিয়ে চলে যায়।
Mohammad Mansurনিষ্ঠুর ও বর্বরতম হত্যাকান্ডের শিকার মনসুর রহমান হত্যার খবর পেয়ে ভাসানটেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার এবং মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেন। ভাসানটেক থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, ‘নিহত মনসুর আলী ইফতারের সময় বাসার বাইরে ছিলেন। রাত ৮টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখেন ৮-৯ জন অস্ত্রধারী যুবক তার স্ত্রী, মেয়ে ও নাতি-নাতনিদের জিম্মি করে রেখেছে। ডাকাতরা বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ মালামাল লুট করছে। তিনি চিৎকার করার চেষ্টা করলে ডাকাতরা তাকে ধরে ফেলে। মুখ চেপে ধরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। ডাকাতরা বাসা থেকে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।’
ওসি আরও জানান, ডাকাতিকালে অস্ত্রের মুখে বাসার লোকজনকে বেঁধে ফেলে ডাকাতরা। তাদের মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দেয় যাতে কেউ চিৎকার করতে না পারে। ডাকাতি শেষে চলে যাওয়ার পর প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পান। তারা বাসার লোকজনের হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দেন এবং মুমূর্ষু অবস্থায় মনসুর আলীকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে সিআইডি পুুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করেছে।’
মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার কাইয়ুমুজ্জামান জানান, ‘সংঘবদ্ধ ডাকাতরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। পুলিশ প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে ডাকাতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়াও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী, প্রতিবেশী ও অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।’ক্যান্টনমেন্টের পাশে নিরাপত্তাবেষ্টিত একটি এলাকায় রোমহর্ষক এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ডাকাতদের গ্রেফতার দাবি করেন।
এদিকে, নিহত মোহাম্মদ মনসুর নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার ইস্ট এভিনিউর ১৪১০ নম্বর ভবনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। তার এই নির্মম হত্যাকান্ডের খবরে কমিউনিটিতে নেমে আসে শোকের ছায়া।
এ বিষয়ে নিউইয়র্কে মোহাম্মদ মনসুরের আত্মিয় আমির হোসেন জানান, ‘আমার বোনের জামাই মনসুর রহমান ছিলেন একজন সদালাপি মানুষ। তিনি পরিবারের সদ্যদের নিয়ে বাংলাদেশে বেড়াতে যান। কিন্তু এইভাবে বর্বরতম হত্যাকান্ডের শিকার হবেন কল্পনাও করতে পারিনি আমরা। আমরা এই নৃসংশ হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করছি। অবিলম্বে নিউইর্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও দূতাবাস এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন সেই প্রত্যাশা করছি।’ আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে এসব কথা বলছেন আমির হোসেন।
নিহত মনসুর রহমানের খবর জানতে যোগাযোগ করা হয় নিউইয়র্ক প্রবাসী তার বায়রা ভাই শাহরিয়ার ভুঁইয়া সাথে। তিনিও ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। জানান, ‘মনসুর ভাইকে এভাবে হত্যা করে আসামীরা পালিয়ে যাবে; এটা কোন দেশের বাসিন্দা আমরা? এরকম ঘটনায় ভবিষ্যতে প্রবাসীরা দেশে যাওয়া বন্ধ করে দিবে। যে দেশে জীবনের নিরাপত্তা নাই সেই দেশে কী করে নতুন প্রজন্মদের নিয়ে আমরা বেড়াতে যাবো; বিনিয়োগ করবো?’ এমন প্রশ্ন রেখে শাহরিয়ার ভুঁইয়া বলেন, ‘যারা এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে; তারা ভাষানটেকেরই প্রভাবশালী কেউ। মনসুর ভাই চিনে ফেলায় তাকে নির্মম ভাবে হত্যার পর মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।
কর্ম জীবনে মনসুর রহমান এর আগে সৌদি আরবে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। নিউইয়র্ক এসেও একটি কনস্ট্রাকশন ফার্মে কিছুদিন কাজ করেছেন। তার দুই মেয়ের মধ্যে একজন বাংলাদেশে বসবাস করছেন। সেখানে মেয়ে ও মেয়ের জামাই ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত। ছোট মেয়ে বাবা-মায়ের সাথে নিউইয়র্কে বসবাস করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

ঢাকায় নৃশংস খুন হলেন নিউইয়র্ক প্রবাসী মনসুর রহমান : কমিউনিতে শোক : অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

প্রকাশের সময় : ০৬:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০১৫

নিউইয়র্ক: সামারের ছুটিতে নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়ে নিজ বাড়িতে ডাকতদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হলেন মোহাম্মদ মনসুর রহমান নামের ৫৫ বছরের এক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। হত্যাকান্ডটি ঘটেছে ঢাকার ভাসানটেক এলাকায়। ঢাকার স্থানীয় সময় রোববার ইফতারের পরবর্তী সময়ে এই হত্যাকান্ডটি ঘটে। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বসবাসকারী যুক্তরাষ্ট্রের পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট (গ্রীণকার্ড ধারী) মোহাম্মদ মনসুর গত ১১ জুন দুই মাসের জন্য স্বপরিবারে ঢাকায় বেড়াতে যান। উঠেন ক্যান্টনমেন্ট তথা ভাসানটেক মিলিটারি চেকপোস্টের কাছে ২৬৬ নম্বর চার তলা বাড়ির ৩ তলার নিজ ফ্লাটে। ১২ জুলাই রোববার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় ৮/১০ জন সশস্ত্র ব্যাক্তি চতুর্থ তলার ফ্লাটে ঢুকে মোহাম্মদ মনসুরের স্ত্রী সন্তান ও শ্বাশুরী’সহ অন্যান্যদের হাতপা বেঁধে ফেলে স্বর্ণলংকার ও নগদ টাকা পয়সা লুট করতে থাকে। এসময় মোহাম্মদ মনসুর বাইরে থেকে বাসায় ফিরে ডাকাতদের মুখোমুখি হন। ডাকাতরা তার গলায়, পেটে ও পিঠে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে মালামাল নিয়ে চলে যায়।
Mohammad Mansurনিষ্ঠুর ও বর্বরতম হত্যাকান্ডের শিকার মনসুর রহমান হত্যার খবর পেয়ে ভাসানটেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার এবং মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেন। ভাসানটেক থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, ‘নিহত মনসুর আলী ইফতারের সময় বাসার বাইরে ছিলেন। রাত ৮টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখেন ৮-৯ জন অস্ত্রধারী যুবক তার স্ত্রী, মেয়ে ও নাতি-নাতনিদের জিম্মি করে রেখেছে। ডাকাতরা বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ মালামাল লুট করছে। তিনি চিৎকার করার চেষ্টা করলে ডাকাতরা তাকে ধরে ফেলে। মুখ চেপে ধরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। ডাকাতরা বাসা থেকে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।’
ওসি আরও জানান, ডাকাতিকালে অস্ত্রের মুখে বাসার লোকজনকে বেঁধে ফেলে ডাকাতরা। তাদের মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দেয় যাতে কেউ চিৎকার করতে না পারে। ডাকাতি শেষে চলে যাওয়ার পর প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পান। তারা বাসার লোকজনের হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দেন এবং মুমূর্ষু অবস্থায় মনসুর আলীকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে সিআইডি পুুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করেছে।’
মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার কাইয়ুমুজ্জামান জানান, ‘সংঘবদ্ধ ডাকাতরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। পুলিশ প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে ডাকাতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়াও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী, প্রতিবেশী ও অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।’ক্যান্টনমেন্টের পাশে নিরাপত্তাবেষ্টিত একটি এলাকায় রোমহর্ষক এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ডাকাতদের গ্রেফতার দাবি করেন।
এদিকে, নিহত মোহাম্মদ মনসুর নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার ইস্ট এভিনিউর ১৪১০ নম্বর ভবনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। তার এই নির্মম হত্যাকান্ডের খবরে কমিউনিটিতে নেমে আসে শোকের ছায়া।
এ বিষয়ে নিউইয়র্কে মোহাম্মদ মনসুরের আত্মিয় আমির হোসেন জানান, ‘আমার বোনের জামাই মনসুর রহমান ছিলেন একজন সদালাপি মানুষ। তিনি পরিবারের সদ্যদের নিয়ে বাংলাদেশে বেড়াতে যান। কিন্তু এইভাবে বর্বরতম হত্যাকান্ডের শিকার হবেন কল্পনাও করতে পারিনি আমরা। আমরা এই নৃসংশ হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করছি। অবিলম্বে নিউইর্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও দূতাবাস এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন সেই প্রত্যাশা করছি।’ আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে এসব কথা বলছেন আমির হোসেন।
নিহত মনসুর রহমানের খবর জানতে যোগাযোগ করা হয় নিউইয়র্ক প্রবাসী তার বায়রা ভাই শাহরিয়ার ভুঁইয়া সাথে। তিনিও ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। জানান, ‘মনসুর ভাইকে এভাবে হত্যা করে আসামীরা পালিয়ে যাবে; এটা কোন দেশের বাসিন্দা আমরা? এরকম ঘটনায় ভবিষ্যতে প্রবাসীরা দেশে যাওয়া বন্ধ করে দিবে। যে দেশে জীবনের নিরাপত্তা নাই সেই দেশে কী করে নতুন প্রজন্মদের নিয়ে আমরা বেড়াতে যাবো; বিনিয়োগ করবো?’ এমন প্রশ্ন রেখে শাহরিয়ার ভুঁইয়া বলেন, ‘যারা এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে; তারা ভাষানটেকেরই প্রভাবশালী কেউ। মনসুর ভাই চিনে ফেলায় তাকে নির্মম ভাবে হত্যার পর মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।
কর্ম জীবনে মনসুর রহমান এর আগে সৌদি আরবে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। নিউইয়র্ক এসেও একটি কনস্ট্রাকশন ফার্মে কিছুদিন কাজ করেছেন। তার দুই মেয়ের মধ্যে একজন বাংলাদেশে বসবাস করছেন। সেখানে মেয়ে ও মেয়ের জামাই ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত। ছোট মেয়ে বাবা-মায়ের সাথে নিউইয়র্কে বসবাস করছেন।