নিউইয়র্ক ১১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

কংগ্রেম্যানদের নামে ‘ভূয়া বিবৃতি’ : যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিতে নয়া মেরুকরণ!

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৫
  • / ৯৮৯ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ছয়জন সদস্যের নামে চলমান আন্দোলনের পক্ষে ‘ভূয়া বিবৃতি’ প্রকাশের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা বিব্রত, দলের দু’জন বৈদেশিক দূত ও বিশেষ উপদেষ্টার পদ কেন্দ্র কর্তৃক প্রত্যাহারের পর উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নানা প্রশ্ন বিরাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অভ্যন্তরে। পক্ষে-বিপক্ষে প্রশ্ন উঠেছে ‘ভূয়া বিবৃতি’র জন্য দায়ী ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার ও জাহিদ এফ সরদার সাদী’র ঘটনার সাথে জড়িত থাকা না থাকার বিষয়। প্রশ্ন উঠেছে বিএনপিতে তাদের অবস্থান কি? এদিকে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পক্ষে দলের অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী-মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সাংবাদিক সম্মেলনে দ্বিধা-ত্রিধা বিভক্ত বিএনপির কোন কোন নেতার উপস্থিতি সাংবাদিক সম্মেলনটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। প্রশ্ন উঠেছে কেন্দ্রীয় নেতা খোকার সাংবাদিক সম্মেলনে বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতাদের উপস্থিতি কি আদৌ দরকার ছিলো।
অনুসন্ধান চলছে কে, কিভাবে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ছয়জন সদস্যের নামে ‘ভূয়া বিবৃতি’ প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রের আগ্রহে এব্যাপারে তলিয়ে দেখছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক। প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করছেন চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতা সাদেক হোসেন খোকা নিজেও। কেউ বলছেন ‘ভূয়া বিবৃতি’র জন্য ডা. মজিবুর ও সাদী দায়ী, কেউ বলছেন সাদী এককভাবে দায়ী। কেউ বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাথে সংশ্লিষ্ট অতি উৎসাহী কেউ কেউ ‘ভূয়া বিবৃতি’র ঘটনার জন্য দায়ী।
এদিকে উল্লেখিত ঘটনার সাথে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার জড়িত নন বলে দাবী করেছেন। গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই দাবী করলেও ঐ ঘটনার সাথে জাহিদ এফ সরদার সাদীর জড়িত থাকা-না থাকার বিষয়ে কোন বক্তব্য জানা যায়নি। এব্যাপারে সাদীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইতিপূর্বে তার (সাদী) বিরুদ্ধে নানা অনৈতিকতা ও গ্রেফতার বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিস্তারিত খবর প্রকাশিত হয়। সেই খবর প্রকাশের পর আড়ালেই রয়েছেন সাদী। তার দায়-দায়িত্ব কেউ নিচ্ছেন না।
‘ভুয়া বিবৃতি’র ঘটনায় ব্যক্তিগতভাবে বিবৃতবোধ করছেন কেন্দ্রীয় নেতা সাদেক হোসেন খোকা স্বয়ং। কেননা, ঐ ঘটনার সাথে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদারের নাম জড়িয়ে পড়েছে। আর ডা. মজুমদার তার (খোকা) ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং চিকিৎসা বিষয়ক সমন্বয়কারী। উল্লেখ্য, সাদেক হোসেন খোকা ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং নিউইয়র্কে তার চিকিৎসা চলছে।
সূত্রমতে, কেন্দ্রীয় নেতা সাদেক হোসেন খোকার সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকলেও ডা. মজুমদারসহ তার অনুসারীরা অনুপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে নানা গুঞ্জন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি পরিবারে। জানা গেছে, কথাছিলো কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নামে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে একটি চেয়ার থাকবে আর সেই চেয়ার থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। এব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের ঐক্যমতও ছিলো। কিন্তু সাংবাদিক সম্মেলন শুরুর আগে আকস্মিকভাবে পরিস্থিতি পাল্টে যায় স্থানীয় বিএনপি’র নেতারা তার আশপাশে অবস্থান নেয়।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসম্যানদের নামে ‘ভুয়া বিবৃতি’ প্রদানের ঘটনা দল, দেশ ও দেশের জনগণকে বহি:বিশ্বে ছোট করা হয়েছে। এটি চরম হিনমন্যতার কাজ হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সাথে দায়ী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী তাদের। সেই সাথে দলের মধ্যে ‘চেইন অব কমান্ড‘ ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিকল্প নেই বলে তারা অভিমত প্রকাশ করেন।
অপরদিকে ‘ভুয়া বিবৃতি’র ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিতে নয়া মেরুকরণ চলছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটির প্রত্যাশায় গ্রুপ বদলের ঘটনা ঘটছে। ইতিমধ্যেই ভেঙ্গেছে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার ও জিল্লুর রহমান জিল্লু গংদের গ্রুপ। গ্রুপভূক্ত হয়েছেন আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিল্লু গংরা। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটির সভাপতির দৌড়ে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিল্লু, শরাফত হোসেন বাবু শক্তিশালী প্রার্থী। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য সামসুল ইসলাম মজনু, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, আকতার হোসেন বাদল, জসিম ভূঁইয়া প্রমুখ শক্তিশালী প্রার্থী।
কিন্তু কংগ্রেসম্যানদের নামে ‘ভুয়া বিবৃতি’ প্রকাশের পর আপাতত: যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সভাপতি পদ প্রার্থীর দৌড়ে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার পিছিয়ে বলেছেন বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

কংগ্রেম্যানদের নামে ‘ভূয়া বিবৃতি’ : যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিতে নয়া মেরুকরণ!

প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৫

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ছয়জন সদস্যের নামে চলমান আন্দোলনের পক্ষে ‘ভূয়া বিবৃতি’ প্রকাশের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা বিব্রত, দলের দু’জন বৈদেশিক দূত ও বিশেষ উপদেষ্টার পদ কেন্দ্র কর্তৃক প্রত্যাহারের পর উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নানা প্রশ্ন বিরাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অভ্যন্তরে। পক্ষে-বিপক্ষে প্রশ্ন উঠেছে ‘ভূয়া বিবৃতি’র জন্য দায়ী ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার ও জাহিদ এফ সরদার সাদী’র ঘটনার সাথে জড়িত থাকা না থাকার বিষয়। প্রশ্ন উঠেছে বিএনপিতে তাদের অবস্থান কি? এদিকে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পক্ষে দলের অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী-মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সাংবাদিক সম্মেলনে দ্বিধা-ত্রিধা বিভক্ত বিএনপির কোন কোন নেতার উপস্থিতি সাংবাদিক সম্মেলনটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। প্রশ্ন উঠেছে কেন্দ্রীয় নেতা খোকার সাংবাদিক সম্মেলনে বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতাদের উপস্থিতি কি আদৌ দরকার ছিলো।
অনুসন্ধান চলছে কে, কিভাবে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ছয়জন সদস্যের নামে ‘ভূয়া বিবৃতি’ প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রের আগ্রহে এব্যাপারে তলিয়ে দেখছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক। প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করছেন চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতা সাদেক হোসেন খোকা নিজেও। কেউ বলছেন ‘ভূয়া বিবৃতি’র জন্য ডা. মজিবুর ও সাদী দায়ী, কেউ বলছেন সাদী এককভাবে দায়ী। কেউ বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাথে সংশ্লিষ্ট অতি উৎসাহী কেউ কেউ ‘ভূয়া বিবৃতি’র ঘটনার জন্য দায়ী।
এদিকে উল্লেখিত ঘটনার সাথে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার জড়িত নন বলে দাবী করেছেন। গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই দাবী করলেও ঐ ঘটনার সাথে জাহিদ এফ সরদার সাদীর জড়িত থাকা-না থাকার বিষয়ে কোন বক্তব্য জানা যায়নি। এব্যাপারে সাদীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইতিপূর্বে তার (সাদী) বিরুদ্ধে নানা অনৈতিকতা ও গ্রেফতার বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিস্তারিত খবর প্রকাশিত হয়। সেই খবর প্রকাশের পর আড়ালেই রয়েছেন সাদী। তার দায়-দায়িত্ব কেউ নিচ্ছেন না।
‘ভুয়া বিবৃতি’র ঘটনায় ব্যক্তিগতভাবে বিবৃতবোধ করছেন কেন্দ্রীয় নেতা সাদেক হোসেন খোকা স্বয়ং। কেননা, ঐ ঘটনার সাথে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদারের নাম জড়িয়ে পড়েছে। আর ডা. মজুমদার তার (খোকা) ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং চিকিৎসা বিষয়ক সমন্বয়কারী। উল্লেখ্য, সাদেক হোসেন খোকা ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং নিউইয়র্কে তার চিকিৎসা চলছে।
সূত্রমতে, কেন্দ্রীয় নেতা সাদেক হোসেন খোকার সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকলেও ডা. মজুমদারসহ তার অনুসারীরা অনুপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে নানা গুঞ্জন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি পরিবারে। জানা গেছে, কথাছিলো কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নামে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে একটি চেয়ার থাকবে আর সেই চেয়ার থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। এব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের ঐক্যমতও ছিলো। কিন্তু সাংবাদিক সম্মেলন শুরুর আগে আকস্মিকভাবে পরিস্থিতি পাল্টে যায় স্থানীয় বিএনপি’র নেতারা তার আশপাশে অবস্থান নেয়।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসম্যানদের নামে ‘ভুয়া বিবৃতি’ প্রদানের ঘটনা দল, দেশ ও দেশের জনগণকে বহি:বিশ্বে ছোট করা হয়েছে। এটি চরম হিনমন্যতার কাজ হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সাথে দায়ী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী তাদের। সেই সাথে দলের মধ্যে ‘চেইন অব কমান্ড‘ ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিকল্প নেই বলে তারা অভিমত প্রকাশ করেন।
অপরদিকে ‘ভুয়া বিবৃতি’র ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিতে নয়া মেরুকরণ চলছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটির প্রত্যাশায় গ্রুপ বদলের ঘটনা ঘটছে। ইতিমধ্যেই ভেঙ্গেছে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার ও জিল্লুর রহমান জিল্লু গংদের গ্রুপ। গ্রুপভূক্ত হয়েছেন আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিল্লু গংরা। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটির সভাপতির দৌড়ে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিল্লু, শরাফত হোসেন বাবু শক্তিশালী প্রার্থী। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য সামসুল ইসলাম মজনু, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, আকতার হোসেন বাদল, জসিম ভূঁইয়া প্রমুখ শক্তিশালী প্রার্থী।
কিন্তু কংগ্রেসম্যানদের নামে ‘ভুয়া বিবৃতি’ প্রকাশের পর আপাতত: যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সভাপতি পদ প্রার্থীর দৌড়ে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার পিছিয়ে বলেছেন বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)