নিউইয়র্ক ০৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

বাংলাদেশ মানেই রানা প্লাজা আর দারিদ্র্য নয়

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪
  • / ৬৯০ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বাংলাদেশের সত্যিকার চিত্র জানে না। তারা বাংলাদেশ বলতে বোঝে রানাপ্লাজার বীভৎসতা আর দারিদ্র্য। তবে এই ভুল ভাঙাতে দেশে ফিরে এদেশের সত্যিকার উন্নয়নের চিত্রটা বারবার বলবেন বলে অঙ্গীকার করলেন ঢাকায় বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে যাওয়া সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মজিনা বলেন, ‘পরিণত সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে সেসব মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এখন যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক দৃঢ় ও গভীর। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বাংলাদেশ বলতেই মনে করে রানাপ্লাজা আর দারিদ্র্য। তারা এখানকার প্রকৃত চিত্র জানে না। আমি মনে করি, এটা এদেশের গোটা চিত্র নয়, সামান্য অংশ। আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে কথা দিয়েছি, এ কথাই আমরা দেশের মানুষকে বলতেই থাকবো।’

মজিনা জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

বাংলাদেশ মানেই রানা প্লাজা আর দারিদ্র্য নয়

প্রকাশের সময় : ০৮:২১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪

যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বাংলাদেশের সত্যিকার চিত্র জানে না। তারা বাংলাদেশ বলতে বোঝে রানাপ্লাজার বীভৎসতা আর দারিদ্র্য। তবে এই ভুল ভাঙাতে দেশে ফিরে এদেশের সত্যিকার উন্নয়নের চিত্রটা বারবার বলবেন বলে অঙ্গীকার করলেন ঢাকায় বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে যাওয়া সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মজিনা বলেন, ‘পরিণত সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে সেসব মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এখন যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক দৃঢ় ও গভীর। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বাংলাদেশ বলতেই মনে করে রানাপ্লাজা আর দারিদ্র্য। তারা এখানকার প্রকৃত চিত্র জানে না। আমি মনে করি, এটা এদেশের গোটা চিত্র নয়, সামান্য অংশ। আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে কথা দিয়েছি, এ কথাই আমরা দেশের মানুষকে বলতেই থাকবো।’

মজিনা জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।