নিউইয়র্ক ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের মেলায় প্রাণের টান : জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা ২৪ এপ্রিল

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৭:০২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৬
  • / ১৫৯৯ বার পঠিত

চট্টগ্রাম: লালদীঘির মাঠি ঘরে রাজ্যের ব্যস্ততা। মাঠভর্তি নাগরদোলা। তার পাশে তৈরি হচ্ছে উঁচু মঞ্চ। সড়কের দুপাশের ফুটপাতজুড়ে জিনিসের স্তুপ। কেউ গাঁইট খুলে পণ্যের পসরা সাজাচ্ছেন, কেউ ছাউনির ব্যবস্থা করতে টানাচ্ছেন শামিয়ানা। এর মধ্যে আধখোলা গাঁইট থেকেই জিনিসপত্র দেখছেন ক্রেতারা। চলছে দরদাম। কেনাকাটা শুরু হলো বলে। এ চিত্র ২৩ এপ্রিল শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে মানুষের আনাগোনা। বাড়ছে হাঁকডাক। সব বয়সীর ভিড়ে মুখর হয়ে উঠছে আন্দরকিল্লা-লালদীঘির পাড়। বছরজুড়ে অপেক্ষা যেন এই ব্যস্ততার! ২৪ এপ্রিল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা। চলবে ২৬ এপ্রিল মঙ্গলবার পর্যন্ত। প্রতিবারের মতো এবারও এক দিন আগে জমে গেছে মেলা। বলীখেলা হবে ২৫ এপ্রিল সোমবার বিকেলে। ১৯০৯ সালে শুরু হওয়া এই আয়োজনের এবার ১০৭তম আসর।
লালদীঘি মাঠের পাশের ফুটপাতে বসে দ্রুত হাতে বাচ্চাদের খেলনার গাড়ি টমটম ও চরকি তৈরি করছেন পাঁচ-ছয়জন কারিগর। বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার খোলসা গ্রাম থেকে এসেছেন তাঁরা। সেই দলের কারিগর মোহাম্মদ সেলিম বলেন, টমটম আর চরকি বানানোর সরঞ্জাম নিয়ে আমরা দুই দিন আগে এসেছি। এরপর থেকেই বিরামহীনভাবে তৈরি করছি খেলনা। মেলায় এই খেলনা দুটি বেশি চলে। টমটম ১০ ও চরকি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। সেলিমের পাশে বসা আরেক কারিগর আনোয়ার হোসেন জানান, তাঁরা প্রতিজন চার থেকে পাঁচ শ গাড়ি তৈরি করেন। সবগুলো মেলায় বিক্রি করে তবেই যাবেন।
বছর ঘুরে এল জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা। রোববার থেকে শুরু হবে মেলার আনুষ্ঠানিকতা। এবারও নগরের আন্দরকিল্লা মোড় থেকে লালদীঘির পাড় ঘিরে আগেভাগে জমে গেছে মেলা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পণ্য নিয়ে এসেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কারিগরেরা। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থেকে আসা একদল কারিগর নিজেদের তৈরি ছোটদের খেলনা ‘টমটম’ ও ‘চরকি’ সাজিয়ে বসেছেন।
মাঠ থেকে কোর্ট বিল্ডিং ফটকের দিকে পা বাড়াতেই চোখে পড়ল নানা পণ্যে দোকানিরা পসরা সাজাচ্ছেন। সিলেট থেকে আসা মকবুল হোসেন এনেছেন পাটের দোলনা ও হাতপাখা। তিনি মেলায় আসছেন ১৫ বছর ধরে। মকবুল বলেন, ‘মেলায় আসার জন্য কমপক্ষে তিন মাস আগে থেকে প্রস্তুতি নিই। মেলায় বিক্রি ভালোই হয়। তাই প্রতিবছর চলে আসি।’ তাঁর পাশে খেলনা ও মাটির তৈরি পুতুল নিয়ে বসা নগরের দেওয়ানহাটের মোবারক হোসেনের কাছে লাভ-ক্ষতি না, মেলায় আসাই বড় কথা।
জেলগেটের পাশে বসা ঝাড়ু বিক্রেতা বাঁশখালীর বাদশা মিয়া ও পটিয়ার মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, জায়গা পাবেন না দেখে আগেভাগে বসে গেছেন। তা ছাড়া এক দিন আগে থেকে বেচাকেনা শুরু হয়। এই কয়েক দিন এখানে খাওয়া, এখানেই ঘুমানো।
লালদীঘির পাড়ের হাবিব ব্যাংক ভবনের নিচে ফুলের টব নিয়ে বসেছেন সাভারের ধামরাই থেকে আসা মোহাম্মদ ইসকান্দর। তিনি বলেন, ‘এই মেলায় এসে চট্টগ্রামের মানুষের সঙ্গে বছরে একবার দেখা হয়। বেশ কয়েক বছর ধরে আসায় লোকজনও পরিচিত হয়ে গেছে।’
Ctitagong_Boishak Pic-2প্রতিবারের মতো এবারও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে হাতপাখা, মাটির টব, পাটি, ছোটদের খেলনা, আসবাব; ঘর সাজানোর উপকরণ বড় ফুলদানি, প্লাস্টিকের ফুল, ফ্লোর ম্যাট প্রভৃতি; হস্তশিল্পের মধ্যে রয়েছে পাটের শিকে, দোলনা ও থলে; মৃৎশিল্পের সামগ্রী সানকি, চাড়ি, বড় পাত্র মোটকা, ঢাকনা ও ভুঁই। এ ছাড়া ফলের বীজ, গাছের চারা, চাঁই, ডালা, কুলা, আঁড়ি, তামা ও কাঁসার তৈজসপত্র, দা-বঁটি, খুন্তি, ঝাড়ু, বেলুনি, পিঁড়িসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসই রয়েছে। এমনকি খরগোশ, বিচিত্র পাখিও বিক্রি হয় এখানে। এত সবকিছু আছে আর মেলায় মুড়ি-মুড়কির দোকান থাকবে না, তা কী করে হয়। ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে বিভিন্ন খাবারের দোকান। এসব দোকানে বিক্রি রয়েছে গজা, খই, মুড়ি-খইয়ের মোয়া, তিলের মোয়া, চিনিমাখা ছোলাবুট, মুড়ি, বাতাসা, নাড়ু, ভুট্টা, জিলাপি, মিষ্টি, দই, চানাচুর, আচারসহ মৌসুমি ফল। চট্টগ্রামের আনাচকানাচে তো বটেই, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সাভার, নরসিংদী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফেনী, সিলেট, ময়মনসিংহ থেকে বিক্রেতারা এসেছেন পণ্যসামগ্রী নিয়ে।
লালদীঘি পেট্রলপাম্প ঘিরে বসেছে মৃৎশিল্পের নানা সামগ্রীর বিক্রেতারা। অনেকে ফুলদানিতে রং করছেন। বাকিরা সারি সারি করে রাখছেন ফুলদানি ও রঙিন টব। বড় একটি ফুলদানি দেখার সময় কথা হয় গৃহিণী হালিমা আকতারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এমন অনেক জিনিস আছে যেগুলো মেলা ছাড়া পাওয়া যায় না। এক জায়গায় দা-বঁটি থেকে শুরু করে টব, ঝাড়ু, পাটি এমমকি আসবাবপত্রও পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড় ব্যাপার এখান কেনা জিনিসপত্রগুলো টেকসই হয়।’ সিনেমা প্যালেসের দিকে আসতে চোখে পড়ল আস্ত খাট-চৌকির দোকান। আছে শোকেস ডাইনিং টেবিলও।
ঘুরে দেখা যায়, আন্দরকিল্লা মোড় থেকে লালদীঘির চারদিক, হজরত আমানত শাহ (রহ.) মাজার পেরিয়ে জেল সড়ক, দক্ষিণে বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বর পেরিয়ে কোতোয়ালি থানার মোড়, পশ্চিমে কেসিদে সড়ক, সিনেমা প্যালেস হয়ে টিঅ্যান্ডটি অফিস পর্যন্ত বিশাল এলাকাজুড়ে মেলা বসেছে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর বাংলা সনের ১১, ১২ ও ১৩ বৈশাখ জব্বারের বলীখেলা উপলক্ষে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ছবি: সৌরভ দাশ (প্রথম আলো)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের মেলায় প্রাণের টান : জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা ২৪ এপ্রিল

প্রকাশের সময় : ০৭:০২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৬

চট্টগ্রাম: লালদীঘির মাঠি ঘরে রাজ্যের ব্যস্ততা। মাঠভর্তি নাগরদোলা। তার পাশে তৈরি হচ্ছে উঁচু মঞ্চ। সড়কের দুপাশের ফুটপাতজুড়ে জিনিসের স্তুপ। কেউ গাঁইট খুলে পণ্যের পসরা সাজাচ্ছেন, কেউ ছাউনির ব্যবস্থা করতে টানাচ্ছেন শামিয়ানা। এর মধ্যে আধখোলা গাঁইট থেকেই জিনিসপত্র দেখছেন ক্রেতারা। চলছে দরদাম। কেনাকাটা শুরু হলো বলে। এ চিত্র ২৩ এপ্রিল শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে মানুষের আনাগোনা। বাড়ছে হাঁকডাক। সব বয়সীর ভিড়ে মুখর হয়ে উঠছে আন্দরকিল্লা-লালদীঘির পাড়। বছরজুড়ে অপেক্ষা যেন এই ব্যস্ততার! ২৪ এপ্রিল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা। চলবে ২৬ এপ্রিল মঙ্গলবার পর্যন্ত। প্রতিবারের মতো এবারও এক দিন আগে জমে গেছে মেলা। বলীখেলা হবে ২৫ এপ্রিল সোমবার বিকেলে। ১৯০৯ সালে শুরু হওয়া এই আয়োজনের এবার ১০৭তম আসর।
লালদীঘি মাঠের পাশের ফুটপাতে বসে দ্রুত হাতে বাচ্চাদের খেলনার গাড়ি টমটম ও চরকি তৈরি করছেন পাঁচ-ছয়জন কারিগর। বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার খোলসা গ্রাম থেকে এসেছেন তাঁরা। সেই দলের কারিগর মোহাম্মদ সেলিম বলেন, টমটম আর চরকি বানানোর সরঞ্জাম নিয়ে আমরা দুই দিন আগে এসেছি। এরপর থেকেই বিরামহীনভাবে তৈরি করছি খেলনা। মেলায় এই খেলনা দুটি বেশি চলে। টমটম ১০ ও চরকি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। সেলিমের পাশে বসা আরেক কারিগর আনোয়ার হোসেন জানান, তাঁরা প্রতিজন চার থেকে পাঁচ শ গাড়ি তৈরি করেন। সবগুলো মেলায় বিক্রি করে তবেই যাবেন।
বছর ঘুরে এল জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা। রোববার থেকে শুরু হবে মেলার আনুষ্ঠানিকতা। এবারও নগরের আন্দরকিল্লা মোড় থেকে লালদীঘির পাড় ঘিরে আগেভাগে জমে গেছে মেলা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পণ্য নিয়ে এসেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কারিগরেরা। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থেকে আসা একদল কারিগর নিজেদের তৈরি ছোটদের খেলনা ‘টমটম’ ও ‘চরকি’ সাজিয়ে বসেছেন।
মাঠ থেকে কোর্ট বিল্ডিং ফটকের দিকে পা বাড়াতেই চোখে পড়ল নানা পণ্যে দোকানিরা পসরা সাজাচ্ছেন। সিলেট থেকে আসা মকবুল হোসেন এনেছেন পাটের দোলনা ও হাতপাখা। তিনি মেলায় আসছেন ১৫ বছর ধরে। মকবুল বলেন, ‘মেলায় আসার জন্য কমপক্ষে তিন মাস আগে থেকে প্রস্তুতি নিই। মেলায় বিক্রি ভালোই হয়। তাই প্রতিবছর চলে আসি।’ তাঁর পাশে খেলনা ও মাটির তৈরি পুতুল নিয়ে বসা নগরের দেওয়ানহাটের মোবারক হোসেনের কাছে লাভ-ক্ষতি না, মেলায় আসাই বড় কথা।
জেলগেটের পাশে বসা ঝাড়ু বিক্রেতা বাঁশখালীর বাদশা মিয়া ও পটিয়ার মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, জায়গা পাবেন না দেখে আগেভাগে বসে গেছেন। তা ছাড়া এক দিন আগে থেকে বেচাকেনা শুরু হয়। এই কয়েক দিন এখানে খাওয়া, এখানেই ঘুমানো।
লালদীঘির পাড়ের হাবিব ব্যাংক ভবনের নিচে ফুলের টব নিয়ে বসেছেন সাভারের ধামরাই থেকে আসা মোহাম্মদ ইসকান্দর। তিনি বলেন, ‘এই মেলায় এসে চট্টগ্রামের মানুষের সঙ্গে বছরে একবার দেখা হয়। বেশ কয়েক বছর ধরে আসায় লোকজনও পরিচিত হয়ে গেছে।’
Ctitagong_Boishak Pic-2প্রতিবারের মতো এবারও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে হাতপাখা, মাটির টব, পাটি, ছোটদের খেলনা, আসবাব; ঘর সাজানোর উপকরণ বড় ফুলদানি, প্লাস্টিকের ফুল, ফ্লোর ম্যাট প্রভৃতি; হস্তশিল্পের মধ্যে রয়েছে পাটের শিকে, দোলনা ও থলে; মৃৎশিল্পের সামগ্রী সানকি, চাড়ি, বড় পাত্র মোটকা, ঢাকনা ও ভুঁই। এ ছাড়া ফলের বীজ, গাছের চারা, চাঁই, ডালা, কুলা, আঁড়ি, তামা ও কাঁসার তৈজসপত্র, দা-বঁটি, খুন্তি, ঝাড়ু, বেলুনি, পিঁড়িসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসই রয়েছে। এমনকি খরগোশ, বিচিত্র পাখিও বিক্রি হয় এখানে। এত সবকিছু আছে আর মেলায় মুড়ি-মুড়কির দোকান থাকবে না, তা কী করে হয়। ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে বিভিন্ন খাবারের দোকান। এসব দোকানে বিক্রি রয়েছে গজা, খই, মুড়ি-খইয়ের মোয়া, তিলের মোয়া, চিনিমাখা ছোলাবুট, মুড়ি, বাতাসা, নাড়ু, ভুট্টা, জিলাপি, মিষ্টি, দই, চানাচুর, আচারসহ মৌসুমি ফল। চট্টগ্রামের আনাচকানাচে তো বটেই, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সাভার, নরসিংদী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফেনী, সিলেট, ময়মনসিংহ থেকে বিক্রেতারা এসেছেন পণ্যসামগ্রী নিয়ে।
লালদীঘি পেট্রলপাম্প ঘিরে বসেছে মৃৎশিল্পের নানা সামগ্রীর বিক্রেতারা। অনেকে ফুলদানিতে রং করছেন। বাকিরা সারি সারি করে রাখছেন ফুলদানি ও রঙিন টব। বড় একটি ফুলদানি দেখার সময় কথা হয় গৃহিণী হালিমা আকতারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এমন অনেক জিনিস আছে যেগুলো মেলা ছাড়া পাওয়া যায় না। এক জায়গায় দা-বঁটি থেকে শুরু করে টব, ঝাড়ু, পাটি এমমকি আসবাবপত্রও পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড় ব্যাপার এখান কেনা জিনিসপত্রগুলো টেকসই হয়।’ সিনেমা প্যালেসের দিকে আসতে চোখে পড়ল আস্ত খাট-চৌকির দোকান। আছে শোকেস ডাইনিং টেবিলও।
ঘুরে দেখা যায়, আন্দরকিল্লা মোড় থেকে লালদীঘির চারদিক, হজরত আমানত শাহ (রহ.) মাজার পেরিয়ে জেল সড়ক, দক্ষিণে বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বর পেরিয়ে কোতোয়ালি থানার মোড়, পশ্চিমে কেসিদে সড়ক, সিনেমা প্যালেস হয়ে টিঅ্যান্ডটি অফিস পর্যন্ত বিশাল এলাকাজুড়ে মেলা বসেছে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর বাংলা সনের ১১, ১২ ও ১৩ বৈশাখ জব্বারের বলীখেলা উপলক্ষে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ছবি: সৌরভ দাশ (প্রথম আলো)