নিউইয়র্ক ০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

ক্যান্সার রোধে বিয়ে

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০১৪
  • / ১৮৬১ বার পঠিত

‘দিল্লি কা লাড্ডু’ খাইলেও পস্তাবেন, না খাইলেও পস্তাবেন- এটি বিয়ে নিয়ে বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ। তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, যারা দিল্লি কা লাড্ডু খাবেন না তারা সত্যিই পস্তাবেন। খবর সাইন্স ডেইলি

ব্রিগহেম ইয়ং ইউনিভার্সিটি-এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা বিয়ে করেছেন তাদের ক্যান্সারে আক্রান্তের হার কম। অবিবাহিতরা বিবাহিতদের চেয়ে শতকরা ৩৫ ভাগ বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। ৪০ বছরের ডাটা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ৪০ বছরের বেশি বয়সী প্রায় সাড়ে ৪ লাখ নরওয়ে নারী-পুরুষের ওপর গবেষণা করে এ তথ্য প্রকাশ করেন গবেষকরা।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ১৯৭০-১৯৭৮ সালে অবিবাহিত পুরুষ বিবাহিতদের চেয়ে ১৮ ভাগ ও মেয়েরা ১৭ ভাগ বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। ২০০৫-২০০৭ সালে এসে এ পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ৩৫ ও ২২ ভাগে। ‘বিএমসি পাবলিক হেলথ’ জার্নালে এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। বিবাহিতদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে থাকার হার অবিবাহিতদের চেয়ে বেশি। এ জন্য সঙ্গীর সেবাযত্ন, সাহস, ভালোবাসা কাজ করে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তাই সুস্থ্ দেহ আর সুন্দর জীবনের জন্য দিল্লি কা লাড্ডু যে জরুরি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

ক্যান্সার রোধে বিয়ে

প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০১৪

‘দিল্লি কা লাড্ডু’ খাইলেও পস্তাবেন, না খাইলেও পস্তাবেন- এটি বিয়ে নিয়ে বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ। তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, যারা দিল্লি কা লাড্ডু খাবেন না তারা সত্যিই পস্তাবেন। খবর সাইন্স ডেইলি

ব্রিগহেম ইয়ং ইউনিভার্সিটি-এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা বিয়ে করেছেন তাদের ক্যান্সারে আক্রান্তের হার কম। অবিবাহিতরা বিবাহিতদের চেয়ে শতকরা ৩৫ ভাগ বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। ৪০ বছরের ডাটা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ৪০ বছরের বেশি বয়সী প্রায় সাড়ে ৪ লাখ নরওয়ে নারী-পুরুষের ওপর গবেষণা করে এ তথ্য প্রকাশ করেন গবেষকরা।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ১৯৭০-১৯৭৮ সালে অবিবাহিত পুরুষ বিবাহিতদের চেয়ে ১৮ ভাগ ও মেয়েরা ১৭ ভাগ বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। ২০০৫-২০০৭ সালে এসে এ পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ৩৫ ও ২২ ভাগে। ‘বিএমসি পাবলিক হেলথ’ জার্নালে এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। বিবাহিতদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে থাকার হার অবিবাহিতদের চেয়ে বেশি। এ জন্য সঙ্গীর সেবাযত্ন, সাহস, ভালোবাসা কাজ করে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তাই সুস্থ্ দেহ আর সুন্দর জীবনের জন্য দিল্লি কা লাড্ডু যে জরুরি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।