নিউইয়র্ক ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

সাইবার নিরাপত্তা বিল বাতিলের আহ্বান সিপিজে’র

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬
  • / ৬১৭ বার পঠিত

ঢাকা: বাংলাদেশে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিলটি বাতিল করার আহবান জানিয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক সংগঠন দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। ২৪ আষ্ট সংগঠনটির নিজস্ব ওয়েবসাইটে ‘প্রপোজড সাইবার-সিকিউরিটি বিল থ্রেটেনস মিডিয়া ফ্রিডম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এমন আহবান জানানো হয়। এতে আশঙ্কা করা হয়, প্রস্তাবিত ওই বিলটি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের জন্য হুমকি। বলা হয়, প্রস্তাবিত ওই বিলটি অনুযায়ী যদি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অনলাইন মিডিয়া রাষ্ট্রবিরোধী, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি ও জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি এমন ধারণা প্রচার করছে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
উল্রেক্য, গত ২২ আগষ্ট ‘দ্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০১৬’ নামের এ বিলটি অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রিপরিষদ। বর্তমানে এটি জাতীয় সংসদে মুলতবি অবস্থায় আছে। যদি এ বিলটি সংসদে পাস হয়ে আইনে পরিণত হয় তাহলে তার অধীনে একটি নতুন এজেন্সি তৈরি করা হবে। তাদের কাজ হবে কেউ নীতির লঙ্ঘন করছে কিনা তা নজরদারি করা। এর আওতায় থাকবে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। নজরদারি করা হবে কেউ এসব মিডিয়া ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছে কিনা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানছে কিনা, শত্রæতার জন্ম দিচ্ছে কিনা এবং আইনশৃঙ্খলায় কোনো ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে কিনা। এ বিলটি আইনে পরিণত হলে এর দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে থাকবে যাবজ্জীবন কারাদন্ড।
সিপিজের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি শন ক্রিসপিন বলেছেন, যদি প্রস্তাবিত সাইবার অপরাধ বিষয়ক বিলটি পাস হয়ে আইনে পরিণত হয় তাহলে তাতে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কণ্ঠ চেপে ধরা হবে। সুষ্ঠু সমালোচনামূলক মন্তব্যের সঙ্গে প্রস্তাবিত বিলের ভাষায় ভয়ানক সংঘাত রয়েছে। তাই আমরা জাতীয় সংসদের প্রতি দৃঢ়তার সঙ্গে এ বিলটি প্রত্যাখ্যান করার আহবান জানাই। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হলে তাতে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।
সিপিজে’র ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা যখন ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে তখনই বিধিনিষেধ মূলক এই প্রস্তাব আনা হয়েছে। (দৈনিক মানবজমিন)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

সাইবার নিরাপত্তা বিল বাতিলের আহ্বান সিপিজে’র

প্রকাশের সময় : ০৭:০৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬

ঢাকা: বাংলাদেশে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিলটি বাতিল করার আহবান জানিয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক সংগঠন দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। ২৪ আষ্ট সংগঠনটির নিজস্ব ওয়েবসাইটে ‘প্রপোজড সাইবার-সিকিউরিটি বিল থ্রেটেনস মিডিয়া ফ্রিডম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এমন আহবান জানানো হয়। এতে আশঙ্কা করা হয়, প্রস্তাবিত ওই বিলটি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের জন্য হুমকি। বলা হয়, প্রস্তাবিত ওই বিলটি অনুযায়ী যদি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অনলাইন মিডিয়া রাষ্ট্রবিরোধী, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি ও জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি এমন ধারণা প্রচার করছে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
উল্রেক্য, গত ২২ আগষ্ট ‘দ্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০১৬’ নামের এ বিলটি অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রিপরিষদ। বর্তমানে এটি জাতীয় সংসদে মুলতবি অবস্থায় আছে। যদি এ বিলটি সংসদে পাস হয়ে আইনে পরিণত হয় তাহলে তার অধীনে একটি নতুন এজেন্সি তৈরি করা হবে। তাদের কাজ হবে কেউ নীতির লঙ্ঘন করছে কিনা তা নজরদারি করা। এর আওতায় থাকবে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। নজরদারি করা হবে কেউ এসব মিডিয়া ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছে কিনা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানছে কিনা, শত্রæতার জন্ম দিচ্ছে কিনা এবং আইনশৃঙ্খলায় কোনো ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে কিনা। এ বিলটি আইনে পরিণত হলে এর দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে থাকবে যাবজ্জীবন কারাদন্ড।
সিপিজের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি শন ক্রিসপিন বলেছেন, যদি প্রস্তাবিত সাইবার অপরাধ বিষয়ক বিলটি পাস হয়ে আইনে পরিণত হয় তাহলে তাতে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কণ্ঠ চেপে ধরা হবে। সুষ্ঠু সমালোচনামূলক মন্তব্যের সঙ্গে প্রস্তাবিত বিলের ভাষায় ভয়ানক সংঘাত রয়েছে। তাই আমরা জাতীয় সংসদের প্রতি দৃঢ়তার সঙ্গে এ বিলটি প্রত্যাখ্যান করার আহবান জানাই। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হলে তাতে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।
সিপিজে’র ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা যখন ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে তখনই বিধিনিষেধ মূলক এই প্রস্তাব আনা হয়েছে। (দৈনিক মানবজমিন)