নিউইয়র্ক ১২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : হাসিনাকে সংলাপে বসার তাগিদ মোদী’র শীর্ষক আজকাল’র খবর ভিত্তিহীন

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • / ১৫৮৯ বার পঠিত

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক আজকাল-এর চলতি সংখ্যার ‘হাসিনাকে সংলাপে বসার তাগিদ মোদির’ শীর্ষক লীড আইটেমটি (প্রতিবেদন) ভিত্তিহীন বলেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্র। ৩০ জানুয়ারী শুক্রবার প্রকাশিত ‘আজকাল রিপোর্ট’-এর বরাতে সাপ্তাহিক আজকাল-এ খবরটি শিরোনাম করা হয়। খবরটি সাপ্তাহিক আজকাল-এর বরাতে ঢাকার দৈনিক ‘আমাদের সময়.কম’ নিউজ পোর্টালে প্রকাশের পর টনক নড়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল প্রতিবেদনটির প্রতিবাদ জানান। ফলে প্রতিবেদনটি আমাদের সময় তুলে নেয় এবং ব্যাখ্যা প্রদান করে। ‘হাসিনা খালেদা সংলাপে বসার অনুরোধের খবরটি ভিত্তিহীন’ শীর্ষক আমাদের সময়.কম-এর ব্যাখ্যায় বলা হয়:
‘এম এ আহাদ শাহীন : যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘আজকাল’ পত্রিকায় ‘হাসিনাকে সংলাপে বসার তাগিদ মোদির’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি আমরা প্রকাশ করেছিলাম। ঐ খবরে বলা হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে বিরোধীদলের সাথে সংলাপে বসার তাগিদ দেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল আমাদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সংলাপে বসার তাগিদ দিয়েছেন মর্মে প্রকাশিত খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য। এমত অবস্থায় আমরা উপরোক্ত খবরটি ‘আমাদের সময় ডটকম’ থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি’। (আমাদের সময়.কম : ৩০/০১/২০১৫)
প্রতিবেদনটি ‘ভিত্তিহীন’ কিনা সে ব্যাপারের আজকাল-কর্তৃপক্ষের কোন ব্যাখা এ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিবেদনটি নিয়ে বিভিন্ন সহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। যেহেতু খবরটি আজকাল-এর নিজস্ব এবং এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট সেইহেতু ঐ প্রতিবেদনের সকল দায়দায়িত্ব আজকাল কর্তৃপক্ষের। প্রতিবেদনটি প্রকাশও করা হয়েছে ‘আজকাল রিপোর্ট’ নামে। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আজকাল-এর প্রতিবেদনটি নি:সন্দেহে গুরুত্ববহণ করে। আমরা জানিনা ঐ প্রতিবেদন সম্পর্কে সরকার আজকাল কর্তৃপক্ষকে কিছু বলেছে কিনা। কিন্তু প্রতিবেদনটি যদি ভিত্তিহীন হয় তাহলে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে আজকাল-এর সাংবাদিকতা। সচেতন পাঠকদের প্রত্যাশা আজকাল যেহেতু সাপ্তাহিক পত্রিকা। তাই আজকাল-এর আগামী সংখ্যায় অবশ্যই প্রতিবেদনটির ব্যাপারে আজকাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখা জরুরী। আজকাল কর্তৃপক্ষ আজকাল-এর ওয়েবসাইটেও ব্যাখা দিয়ে পাঠকদের কাছে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে পারে।
২.
নিউইয়র্ক থেকে প্রায় দুই ডজনের মতো সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এসব পত্রিকার মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি পত্রিকা ছাড়া অন্য পত্রিকাগুলোর মধ্যে পেশাগত দক্ষতার বড় অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। অনেক পত্রিকায় প্রকাশিত ঢাকার মিডিয়াগুলোর খবর নিজেদের ‘নিজস্ব খবর/প্রতিবেদন বা রিপোর্ট’ বলে প্রকাশ করছে। নিউইয়র্কের বার্তা সংস্থাগুলোর খবরও অনেক মিডিয়ায় ‘নিজস্ব খবর/প্রতিবেদন বা রিপোর্ট’ বলে প্রকাশ করছে। যা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং অপেশাদার। শুধু তাই নয় অনেক মিডিয়ায় খবরগুলোর ‘ক্রেডিট লাইন’ দিতেও চরমভাবে কার্পণ্য করা হচ্ছে। যা দু:খজনক। এনিয়ে কমিউনিটির সচেতন মহল সহ মিডিয়ামহলেও আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে সমাজের বিবেক বলে পরিচিত আর সাংবাদিকতার মতো মহান পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গরা এমন জেনেশুনে এমন অনৈতিক ও দায়িত্বহীন কাজ কিভাবে করছেন! যারা সমাজের আদর্শ তারাই যদি আদর্শহীন কাজ করেন তাহলে সমাজ কোথা থেকে শিখবে। অভিজ্ঞমহলের মতামত মিডিয়া মিডিয়ার মতোই হওয়া উচিৎ। অকৃতজ্ঞের মতো কাট-এন্ড পেস্ট পত্রিকা প্রকাশ করে নিজেদের সাংবাদিক, সম্পাদক বা প্রকাশক ভাববার কোন আবকাশ আছে কি?
চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য মিডিয়াগুলোর মধ্যে বার্তা সংস্থা ইউএনএ পরিবেশিত ‘উত্তরবঙ্গ ফাউন্ডেশন ও হবিগঞ্জ সমিতির প্রশংসিত উদ্যোগ ॥ শীতে কাঁপছে বাংলাদেশ : প্রবাসের সংগঠনগুলো নীরব!’ শীর্ষক খবরসহ সাপ্তাহিক বাঙালী’র ‘নিউইয়র্কে দুই কেন্দ্রীয় নেতার তৎপরতা ॥ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা নাখোশ’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার ‘যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি : আদর্শ-লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এক হলেও ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচী’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র ‘মাফিয়ার কবলে ইয়েলো ট্যাক্সি ড্রাইভাররা’ শীর্ষক প্রতিবেদন পাঠকমহলে আলোচিত হয়েছে। ৩০ জানুয়ারী’২০১৫ (সাপ্তাহিক পরিচয়)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : হাসিনাকে সংলাপে বসার তাগিদ মোদী’র শীর্ষক আজকাল’র খবর ভিত্তিহীন

প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক আজকাল-এর চলতি সংখ্যার ‘হাসিনাকে সংলাপে বসার তাগিদ মোদির’ শীর্ষক লীড আইটেমটি (প্রতিবেদন) ভিত্তিহীন বলেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্র। ৩০ জানুয়ারী শুক্রবার প্রকাশিত ‘আজকাল রিপোর্ট’-এর বরাতে সাপ্তাহিক আজকাল-এ খবরটি শিরোনাম করা হয়। খবরটি সাপ্তাহিক আজকাল-এর বরাতে ঢাকার দৈনিক ‘আমাদের সময়.কম’ নিউজ পোর্টালে প্রকাশের পর টনক নড়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল প্রতিবেদনটির প্রতিবাদ জানান। ফলে প্রতিবেদনটি আমাদের সময় তুলে নেয় এবং ব্যাখ্যা প্রদান করে। ‘হাসিনা খালেদা সংলাপে বসার অনুরোধের খবরটি ভিত্তিহীন’ শীর্ষক আমাদের সময়.কম-এর ব্যাখ্যায় বলা হয়:
‘এম এ আহাদ শাহীন : যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘আজকাল’ পত্রিকায় ‘হাসিনাকে সংলাপে বসার তাগিদ মোদির’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি আমরা প্রকাশ করেছিলাম। ঐ খবরে বলা হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে বিরোধীদলের সাথে সংলাপে বসার তাগিদ দেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল আমাদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সংলাপে বসার তাগিদ দিয়েছেন মর্মে প্রকাশিত খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য। এমত অবস্থায় আমরা উপরোক্ত খবরটি ‘আমাদের সময় ডটকম’ থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি’। (আমাদের সময়.কম : ৩০/০১/২০১৫)
প্রতিবেদনটি ‘ভিত্তিহীন’ কিনা সে ব্যাপারের আজকাল-কর্তৃপক্ষের কোন ব্যাখা এ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিবেদনটি নিয়ে বিভিন্ন সহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। যেহেতু খবরটি আজকাল-এর নিজস্ব এবং এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট সেইহেতু ঐ প্রতিবেদনের সকল দায়দায়িত্ব আজকাল কর্তৃপক্ষের। প্রতিবেদনটি প্রকাশও করা হয়েছে ‘আজকাল রিপোর্ট’ নামে। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আজকাল-এর প্রতিবেদনটি নি:সন্দেহে গুরুত্ববহণ করে। আমরা জানিনা ঐ প্রতিবেদন সম্পর্কে সরকার আজকাল কর্তৃপক্ষকে কিছু বলেছে কিনা। কিন্তু প্রতিবেদনটি যদি ভিত্তিহীন হয় তাহলে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে আজকাল-এর সাংবাদিকতা। সচেতন পাঠকদের প্রত্যাশা আজকাল যেহেতু সাপ্তাহিক পত্রিকা। তাই আজকাল-এর আগামী সংখ্যায় অবশ্যই প্রতিবেদনটির ব্যাপারে আজকাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখা জরুরী। আজকাল কর্তৃপক্ষ আজকাল-এর ওয়েবসাইটেও ব্যাখা দিয়ে পাঠকদের কাছে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে পারে।
২.
নিউইয়র্ক থেকে প্রায় দুই ডজনের মতো সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এসব পত্রিকার মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি পত্রিকা ছাড়া অন্য পত্রিকাগুলোর মধ্যে পেশাগত দক্ষতার বড় অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। অনেক পত্রিকায় প্রকাশিত ঢাকার মিডিয়াগুলোর খবর নিজেদের ‘নিজস্ব খবর/প্রতিবেদন বা রিপোর্ট’ বলে প্রকাশ করছে। নিউইয়র্কের বার্তা সংস্থাগুলোর খবরও অনেক মিডিয়ায় ‘নিজস্ব খবর/প্রতিবেদন বা রিপোর্ট’ বলে প্রকাশ করছে। যা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং অপেশাদার। শুধু তাই নয় অনেক মিডিয়ায় খবরগুলোর ‘ক্রেডিট লাইন’ দিতেও চরমভাবে কার্পণ্য করা হচ্ছে। যা দু:খজনক। এনিয়ে কমিউনিটির সচেতন মহল সহ মিডিয়ামহলেও আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে সমাজের বিবেক বলে পরিচিত আর সাংবাদিকতার মতো মহান পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গরা এমন জেনেশুনে এমন অনৈতিক ও দায়িত্বহীন কাজ কিভাবে করছেন! যারা সমাজের আদর্শ তারাই যদি আদর্শহীন কাজ করেন তাহলে সমাজ কোথা থেকে শিখবে। অভিজ্ঞমহলের মতামত মিডিয়া মিডিয়ার মতোই হওয়া উচিৎ। অকৃতজ্ঞের মতো কাট-এন্ড পেস্ট পত্রিকা প্রকাশ করে নিজেদের সাংবাদিক, সম্পাদক বা প্রকাশক ভাববার কোন আবকাশ আছে কি?
চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য মিডিয়াগুলোর মধ্যে বার্তা সংস্থা ইউএনএ পরিবেশিত ‘উত্তরবঙ্গ ফাউন্ডেশন ও হবিগঞ্জ সমিতির প্রশংসিত উদ্যোগ ॥ শীতে কাঁপছে বাংলাদেশ : প্রবাসের সংগঠনগুলো নীরব!’ শীর্ষক খবরসহ সাপ্তাহিক বাঙালী’র ‘নিউইয়র্কে দুই কেন্দ্রীয় নেতার তৎপরতা ॥ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা নাখোশ’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার ‘যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি : আদর্শ-লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এক হলেও ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচী’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র ‘মাফিয়ার কবলে ইয়েলো ট্যাক্সি ড্রাইভাররা’ শীর্ষক প্রতিবেদন পাঠকমহলে আলোচিত হয়েছে। ৩০ জানুয়ারী’২০১৫ (সাপ্তাহিক পরিচয়)