নিউইয়র্ক ০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : বার্তা সংস্থার ভূয়া খবরে বলি হলেন আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৫
  • / ৯১৬ বার পঠিত

মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব যখন চরমে তখন নিউইয়র্ক থেকে প্রেরীত ‘এনা’ নামক একটি বার্তা সংস্থার ভূয়া খবরের জের হিসেবে দল থেকে সাসপেন্ড হলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। সেই সাথে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী ও যুগ্ম সম্পাদক আইরীন পারভীনসহ আরো ৮জন। গত ৬ ডিসেম্বর জ্যাকসন হাইটসের একটি হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কার্যকরী পরিষদের অর্ধেকেরও বেশী সদস্য যোগদান করেন বলে সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ দাবী করেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ ও দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। সভার আগেই সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান মিডিয়াকে জানিয়ে দেন যে সাধারণ সম্পাদকের ডাকা সভা অনুমোদিত সভা নয়। তারপরও সভা চালিয়ে যান সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সভাপতি ড. সিদ্দিক ৮ডিসেম্বর সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের জরুরী সভা আহ্বান করেন। এই সভায় কার্যকরী পরিষদ ছাড়াও সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় বেশ কয়েকজন বক্তা তাদের ভাষায় ‘অসাংগঠনিক কার্যকলাপ’-এর নিন্দা জানান এবং সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী সহ নানা অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। সভায় সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে ঢুকতে না দেয়ায় বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলেও তাদেরকে সভাপতি আহুত সভায় প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। সভা শেষ না হতেই ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা খবরডটকম-এ এনা পরিবেশিত ‘যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী দ্বন্দ চরমে : বিভক্ত সাধারণ সভা : পুলিশ ডাকাডাকি পাল্টাপাল্টি বহিষ্কারের উৎসব চলছে’ শীর্ষক একটি খবর ছাপা হয়ে যায় এবং খবরটিতে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কারের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে ঢাকার একাধিক অনলাইন মিডিয়ায় এনা’র ভূয়া খবরটি প্রকাশিত হয়। এই খবরে দলের মধ্যে মাহবুব-সাজ্জাদ-নিজাম গ্রুপে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরদিন অপরাহ্নে সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তার স্ত্রীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সভাপতিকে বহিষ্কারের আগে সাজ্জাদ ও তার সহযোগীরা এনা পরিবেশিত খবরটি অদৌ সঠিক কিনা তা যাচাই-বাছাই করারও প্রয়োজন মনে করেননি। যে সভাপতির সাথে গত সাড়ে তিন বছর নিরলসভাবে কাজ করলেন, বৈঠক করেছেন শুধু একটি ভূয়া খবরকে ভিত্তি করে তাকে (সভাপতি) বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ। একবার এটকুও ভেবে দেখলেন না যে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন, তাকে সাধারণ সম্পাদক কোন প্রকার সাংগঠনিক রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে মিডিয়ায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করে বহিষ্কার করে দিচ্ছেন। দু-একজন ছাড়া এটা সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকে কেউই আশা করেননি। সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদের এই কান্ডজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কানে যাওয়া মাত্রই তিনি সাজ্জাদকে সাসপেন্ড এবং অন্য আটজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়কে দায়িত্ব প্রদান করেন। সাসপেন্ড ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের খবর নিউইয়র্কে আসা মাত্রই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে তোলপাড় শুরু হয়। পরবর্তীতে ১২ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে দলের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের অবহিত করেন সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। এই সিদ্ধান্তে সাজ্জাদকে সাসপেন্ড করার কারণ হিসেবে তার পুত্র সুইট কর্তৃক আওয়ামী নবীন লীগ গঠন করে চাঁদাবাজী করার অভিযোগও করা হয়। জানা গেছে, সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ কর্তৃকা সভাপতি সহ আরো কয়েকজনকে মিডিয়ার ‘ভূয়া খবর’-এর মাধ্যমে নেপথ্যে কাজ করেছেন কয়েক বছর ধরে সভাপতি ড. সিদ্দিকের প্রতি ক্ষুব্ধ নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা। সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদকে ব্যবহার করে খবরডটকম-এর সাথে ঘনিষ্ট ঐ নেতা ড. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য এনা’র মাধ্যমে ‘ভূয়া খবর’টি ছাপিয়ে সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদের রাজনৈতিক জীবনের এতো বড় ক্ষতি করলেন। এমন কথাই বলছেন রাজনীতি সচেতন একাধিক প্রবাসী।
উল্লেখ্য, খবরডটকম-এ পাঠানো সব খবরই তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই না করে ছাপানো এবারই প্রথম নয়। আগেও আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি-কে কেন্দ্র করে অনেক ‘ভূয়া খবর’ খবরডটকম-এ প্রকাশিত হয়েছে। ভূয়া খবরের ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ পাঠালে তা ওয়েব সাইট থেকে তুলে ফেললেও এর আগে ক্ষতি যা হবার তা হয়েই যায়। ১৮ ডিসেম্বর’২০১৫
(সাপ্তাহিক পরিচয়)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : বার্তা সংস্থার ভূয়া খবরে বলি হলেন আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ

প্রকাশের সময় : ১০:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৫

মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব যখন চরমে তখন নিউইয়র্ক থেকে প্রেরীত ‘এনা’ নামক একটি বার্তা সংস্থার ভূয়া খবরের জের হিসেবে দল থেকে সাসপেন্ড হলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। সেই সাথে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী ও যুগ্ম সম্পাদক আইরীন পারভীনসহ আরো ৮জন। গত ৬ ডিসেম্বর জ্যাকসন হাইটসের একটি হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কার্যকরী পরিষদের অর্ধেকেরও বেশী সদস্য যোগদান করেন বলে সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ দাবী করেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ ও দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। সভার আগেই সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান মিডিয়াকে জানিয়ে দেন যে সাধারণ সম্পাদকের ডাকা সভা অনুমোদিত সভা নয়। তারপরও সভা চালিয়ে যান সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সভাপতি ড. সিদ্দিক ৮ডিসেম্বর সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের জরুরী সভা আহ্বান করেন। এই সভায় কার্যকরী পরিষদ ছাড়াও সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় বেশ কয়েকজন বক্তা তাদের ভাষায় ‘অসাংগঠনিক কার্যকলাপ’-এর নিন্দা জানান এবং সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী সহ নানা অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। সভায় সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে ঢুকতে না দেয়ায় বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলেও তাদেরকে সভাপতি আহুত সভায় প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। সভা শেষ না হতেই ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা খবরডটকম-এ এনা পরিবেশিত ‘যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী দ্বন্দ চরমে : বিভক্ত সাধারণ সভা : পুলিশ ডাকাডাকি পাল্টাপাল্টি বহিষ্কারের উৎসব চলছে’ শীর্ষক একটি খবর ছাপা হয়ে যায় এবং খবরটিতে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কারের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে ঢাকার একাধিক অনলাইন মিডিয়ায় এনা’র ভূয়া খবরটি প্রকাশিত হয়। এই খবরে দলের মধ্যে মাহবুব-সাজ্জাদ-নিজাম গ্রুপে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরদিন অপরাহ্নে সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তার স্ত্রীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সভাপতিকে বহিষ্কারের আগে সাজ্জাদ ও তার সহযোগীরা এনা পরিবেশিত খবরটি অদৌ সঠিক কিনা তা যাচাই-বাছাই করারও প্রয়োজন মনে করেননি। যে সভাপতির সাথে গত সাড়ে তিন বছর নিরলসভাবে কাজ করলেন, বৈঠক করেছেন শুধু একটি ভূয়া খবরকে ভিত্তি করে তাকে (সভাপতি) বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ। একবার এটকুও ভেবে দেখলেন না যে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন, তাকে সাধারণ সম্পাদক কোন প্রকার সাংগঠনিক রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে মিডিয়ায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করে বহিষ্কার করে দিচ্ছেন। দু-একজন ছাড়া এটা সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকে কেউই আশা করেননি। সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদের এই কান্ডজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কানে যাওয়া মাত্রই তিনি সাজ্জাদকে সাসপেন্ড এবং অন্য আটজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়কে দায়িত্ব প্রদান করেন। সাসপেন্ড ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের খবর নিউইয়র্কে আসা মাত্রই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে তোলপাড় শুরু হয়। পরবর্তীতে ১২ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে দলের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের অবহিত করেন সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। এই সিদ্ধান্তে সাজ্জাদকে সাসপেন্ড করার কারণ হিসেবে তার পুত্র সুইট কর্তৃক আওয়ামী নবীন লীগ গঠন করে চাঁদাবাজী করার অভিযোগও করা হয়। জানা গেছে, সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ কর্তৃকা সভাপতি সহ আরো কয়েকজনকে মিডিয়ার ‘ভূয়া খবর’-এর মাধ্যমে নেপথ্যে কাজ করেছেন কয়েক বছর ধরে সভাপতি ড. সিদ্দিকের প্রতি ক্ষুব্ধ নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা। সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদকে ব্যবহার করে খবরডটকম-এর সাথে ঘনিষ্ট ঐ নেতা ড. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য এনা’র মাধ্যমে ‘ভূয়া খবর’টি ছাপিয়ে সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদের রাজনৈতিক জীবনের এতো বড় ক্ষতি করলেন। এমন কথাই বলছেন রাজনীতি সচেতন একাধিক প্রবাসী।
উল্লেখ্য, খবরডটকম-এ পাঠানো সব খবরই তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই না করে ছাপানো এবারই প্রথম নয়। আগেও আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি-কে কেন্দ্র করে অনেক ‘ভূয়া খবর’ খবরডটকম-এ প্রকাশিত হয়েছে। ভূয়া খবরের ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ পাঠালে তা ওয়েব সাইট থেকে তুলে ফেললেও এর আগে ক্ষতি যা হবার তা হয়েই যায়। ১৮ ডিসেম্বর’২০১৫
(সাপ্তাহিক পরিচয়)