নিউইয়র্ক ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : বাংলা পত্র-পত্রিকার শিরোনাম ও বাস্তবতা

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৫
  • / ৯৬৩ বার পঠিত

নিউইয়র্কে বাংলা মিডিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সচেতন পাঠকের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে পত্রিকাগুলো ফ্রি হওয়ার পর থেকেই কোন কোন মিডিয়ার সম্পাদনায় দূর্বলতা অনেকেরই দৃষ্টি কেড়েছে। কোন কোন মিডিয়ার দায়সারাভাবের সম্পাদনার ফলে নানা ভূলত্রুটি থাকা, ঢাকার পত্রিকার নিউজ/প্রতিবেদন/প্রবন্ধ/নিবন্ধ/ফিচার ‘কাট এন্ড পেস্ট’ই বেশী। আবার কোন কোন মিডিয়ায় এসবের চেয়ে বিজ্ঞাপনের সংখ্যাই বেশী। যেনো কেবল বিজ্ঞাপনের জন্যই মিডিয়ার আতœপ্রকাশ। অপরদিকে কোন কোন মিডিয়ার হেডলাইন নিয়ে নানা কথা কমিউনিটির সচেতন পাঠক মহলে। বিশেষ করে ঢাকার পত্রিকার হেডলাইন ছাড়াও কোন কোন মিডিয়ার ‘নিজস্ব হেডলাইন’-এর বিষয়বস্তুর সাথে বাস্তবতার কোন মিলই খুজে পাওয়া যায় না। অনেকটা ‘মনগড়া’ রিপোর্ট। ২/১টি মিডিয়াতো বছরের পর বছর ধরেই ‘অ্যামনেষ্টি’র খবর ছেপে যাচ্ছে। ইমিগ্রেশন বিষয়ে ‘তিলের মতো খবরকে তাল’ বানিয়ে পরিবেশন করছে কয়েকটি মিডিয়া। আবার অনেক মিডিয়ায় স্থানীয় খবর গুরুত্বই পাচ্ছে না, অথচ খবরটি স্থানীয় পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর। এর কারণ নিউইয়র্কের কয়েকটি বিজ্ঞাপন সর্বস্ব পত্রিকার মতো দেখতে কাগজে সংবাদ লেখার মতো কোন লোকই নেই।
২.
অতি সম্প্রতি নিউইয়র্কের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরকে কেন্দ্র করে অপর একটি পত্রিকা ও টিভি ও পত্রিকা’র দুই কর্মকর্তা খবর প্রকাশকারী পত্রিকারটির সম্পাদককে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যে গালিগালাজ করেছেন। বিষয়টি কমিউনিটির মিডিয়ামহলে আলোচিত-সমালোচিত হচ্ছে। এনিয়ে কোন কোন সম্পাদক/সাংবাদিক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, প্রকাশিত খবরে কেউ আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে বা খবরটি মিথ্যা হলে তার প্রতিবাদ করা যেতে পারে। প্রয়োজনে আইনের আশ্রয়ও নেয়ার সুযোগ রয়েছে। তা না করে এক সম্পাদক অপর সম্পাদককে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করবেন বা দেখে নেয়ার হুমকী-ধামকী দেবেন, এটা দু:খজনক। এটা সাংবাদিক/সম্পাদকদের জন্য মোটেই শোভন নয়। এমনটি হওয়া কিছুতেই উচিৎও নয়। কিছু কিছু পেশা আছে যেসব পেশায় নিজেকে ‘সকল আবেগ, অনুভূতি, ব্যক্তিগত রাগ-ক্ষোভ, ভাল-মন্দ, চাওয়া-পাওয়া’র উর্ধ্বে রেখে নিজেকে প্রকাশ করতে হয়। সাংবাদিকতা এমনি এক পেশা। যে পেশায় শীততাপ নিয়ন্ত্রিত আরাম-আয়েশের পাশাপাশি নানা ঝড়-ঝঞ্জা, হরতাল-ধর্মঘট, মিছিল-মিটিং এমনকি যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকেও একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিককে দায়িত্ব পালন করতে হয়। আর তাই একজন সাংবাদিক বা সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেয়ার আগে নিজের পেশাগত মর্যাদা ও অবস্থানের কথা ভেবে দেখা উচিৎ।
৩.
সাপ্তাহিক রানার-এর সম্পাদক পদে এনামুর রেজা দীপু আর নেই। ‘রানার থেকে দীপুর পদত্যাগ সংক্রান্ত খবরটি প্রথম প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব আমেরিকা (ইউএনএ)। সাংবাদিক দীপুর পদত্যাগের খবরটি নিউইয়র্কের মিডিয়ামহলে আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে ইউএনএ’র খবরে সাংবাদিক দীপুর বরাত দিয়ে এমন কিছু কথা বা বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে যা ‘সাংবাদিকতার ভাষা’ নয় বলে অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এব্যাপারে ইউএনএ সম্পাদক সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ইউএনএ’র সম্পাদক হিসেবে রিপোর্টর সকল দায় আমার নিজের। তবে খবরটি পরিবেশনে আরো সতর্ক হওয়া উচিৎ ছিলো। বিশেষ করে খবরে ভাষার ব্যবহার প্রয়োগে। খবরটিতে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা ‘সংবাদপত্রে ব্যবহারে ভাষা নয় বা হওয়া উচিৎ নয়’। ইউএনএ সম্পাদক বলেন, ভবিষ্যতে খবর পরিবেশনের সময় ভাষা প্রয়োগের ব্যাপারে যথাযথ সম্পাদনা ব্যাপারে আরো সজাগ দৃষ্টি রাখা হবে’।
এদিকে সাপ্তাহিক আজকাল-এর সম্পাদক পদ থেকে মনজুর আহমদ গত ২৬ মার্চ বৃহস্প্রতিবার রাতে পদত্যাগ করার খবরটি জানাজানি হলে নিউইয়র্কের মিডিয়ামহলে ব্যাপক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।
৪.
চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বাংলা প্রিন্ট মিডিয়াগুলো মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয়-এর নিয়মিত কলাম ‘নিউইয়র্কের প্রেসনোট’ ছাড়াও ‘প্রবাসে মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা নিয়ে না প্রশ্ন’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র ‘নিউইয়র্ক কনস্যুলেট গেটে উৎপাতের অভিযোগ’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র ‘প্রশ্নের মুখে আটলান্টায় ড. ইউনূসের সম্মেলন’, ‘দূর্বত্তের গুলিতে প্রাণ গেলো বাঙলাদেশী ক্যাবী বাবুলের’, ‘সংসারে ভাঙ্গন ও মামলা মোকদ্দমা বাড়ছে : দেনমোহরের অর্থ আদায় আমেরিকান আইনে কতটুকু যুক্তিযুক্ত?’ শীর্ষক খবর পাঠক মহলে আলোচিত হয়েছে। ০৩ এপ্রিল’২০১৫ (সাপ্তাহিক পরিচয়)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : বাংলা পত্র-পত্রিকার শিরোনাম ও বাস্তবতা

প্রকাশের সময় : ০৮:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৫

নিউইয়র্কে বাংলা মিডিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সচেতন পাঠকের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে পত্রিকাগুলো ফ্রি হওয়ার পর থেকেই কোন কোন মিডিয়ার সম্পাদনায় দূর্বলতা অনেকেরই দৃষ্টি কেড়েছে। কোন কোন মিডিয়ার দায়সারাভাবের সম্পাদনার ফলে নানা ভূলত্রুটি থাকা, ঢাকার পত্রিকার নিউজ/প্রতিবেদন/প্রবন্ধ/নিবন্ধ/ফিচার ‘কাট এন্ড পেস্ট’ই বেশী। আবার কোন কোন মিডিয়ায় এসবের চেয়ে বিজ্ঞাপনের সংখ্যাই বেশী। যেনো কেবল বিজ্ঞাপনের জন্যই মিডিয়ার আতœপ্রকাশ। অপরদিকে কোন কোন মিডিয়ার হেডলাইন নিয়ে নানা কথা কমিউনিটির সচেতন পাঠক মহলে। বিশেষ করে ঢাকার পত্রিকার হেডলাইন ছাড়াও কোন কোন মিডিয়ার ‘নিজস্ব হেডলাইন’-এর বিষয়বস্তুর সাথে বাস্তবতার কোন মিলই খুজে পাওয়া যায় না। অনেকটা ‘মনগড়া’ রিপোর্ট। ২/১টি মিডিয়াতো বছরের পর বছর ধরেই ‘অ্যামনেষ্টি’র খবর ছেপে যাচ্ছে। ইমিগ্রেশন বিষয়ে ‘তিলের মতো খবরকে তাল’ বানিয়ে পরিবেশন করছে কয়েকটি মিডিয়া। আবার অনেক মিডিয়ায় স্থানীয় খবর গুরুত্বই পাচ্ছে না, অথচ খবরটি স্থানীয় পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর। এর কারণ নিউইয়র্কের কয়েকটি বিজ্ঞাপন সর্বস্ব পত্রিকার মতো দেখতে কাগজে সংবাদ লেখার মতো কোন লোকই নেই।
২.
অতি সম্প্রতি নিউইয়র্কের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরকে কেন্দ্র করে অপর একটি পত্রিকা ও টিভি ও পত্রিকা’র দুই কর্মকর্তা খবর প্রকাশকারী পত্রিকারটির সম্পাদককে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যে গালিগালাজ করেছেন। বিষয়টি কমিউনিটির মিডিয়ামহলে আলোচিত-সমালোচিত হচ্ছে। এনিয়ে কোন কোন সম্পাদক/সাংবাদিক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, প্রকাশিত খবরে কেউ আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে বা খবরটি মিথ্যা হলে তার প্রতিবাদ করা যেতে পারে। প্রয়োজনে আইনের আশ্রয়ও নেয়ার সুযোগ রয়েছে। তা না করে এক সম্পাদক অপর সম্পাদককে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করবেন বা দেখে নেয়ার হুমকী-ধামকী দেবেন, এটা দু:খজনক। এটা সাংবাদিক/সম্পাদকদের জন্য মোটেই শোভন নয়। এমনটি হওয়া কিছুতেই উচিৎও নয়। কিছু কিছু পেশা আছে যেসব পেশায় নিজেকে ‘সকল আবেগ, অনুভূতি, ব্যক্তিগত রাগ-ক্ষোভ, ভাল-মন্দ, চাওয়া-পাওয়া’র উর্ধ্বে রেখে নিজেকে প্রকাশ করতে হয়। সাংবাদিকতা এমনি এক পেশা। যে পেশায় শীততাপ নিয়ন্ত্রিত আরাম-আয়েশের পাশাপাশি নানা ঝড়-ঝঞ্জা, হরতাল-ধর্মঘট, মিছিল-মিটিং এমনকি যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকেও একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিককে দায়িত্ব পালন করতে হয়। আর তাই একজন সাংবাদিক বা সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেয়ার আগে নিজের পেশাগত মর্যাদা ও অবস্থানের কথা ভেবে দেখা উচিৎ।
৩.
সাপ্তাহিক রানার-এর সম্পাদক পদে এনামুর রেজা দীপু আর নেই। ‘রানার থেকে দীপুর পদত্যাগ সংক্রান্ত খবরটি প্রথম প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব আমেরিকা (ইউএনএ)। সাংবাদিক দীপুর পদত্যাগের খবরটি নিউইয়র্কের মিডিয়ামহলে আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে ইউএনএ’র খবরে সাংবাদিক দীপুর বরাত দিয়ে এমন কিছু কথা বা বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে যা ‘সাংবাদিকতার ভাষা’ নয় বলে অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এব্যাপারে ইউএনএ সম্পাদক সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ইউএনএ’র সম্পাদক হিসেবে রিপোর্টর সকল দায় আমার নিজের। তবে খবরটি পরিবেশনে আরো সতর্ক হওয়া উচিৎ ছিলো। বিশেষ করে খবরে ভাষার ব্যবহার প্রয়োগে। খবরটিতে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা ‘সংবাদপত্রে ব্যবহারে ভাষা নয় বা হওয়া উচিৎ নয়’। ইউএনএ সম্পাদক বলেন, ভবিষ্যতে খবর পরিবেশনের সময় ভাষা প্রয়োগের ব্যাপারে যথাযথ সম্পাদনা ব্যাপারে আরো সজাগ দৃষ্টি রাখা হবে’।
এদিকে সাপ্তাহিক আজকাল-এর সম্পাদক পদ থেকে মনজুর আহমদ গত ২৬ মার্চ বৃহস্প্রতিবার রাতে পদত্যাগ করার খবরটি জানাজানি হলে নিউইয়র্কের মিডিয়ামহলে ব্যাপক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।
৪.
চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বাংলা প্রিন্ট মিডিয়াগুলো মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয়-এর নিয়মিত কলাম ‘নিউইয়র্কের প্রেসনোট’ ছাড়াও ‘প্রবাসে মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা নিয়ে না প্রশ্ন’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র ‘নিউইয়র্ক কনস্যুলেট গেটে উৎপাতের অভিযোগ’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র ‘প্রশ্নের মুখে আটলান্টায় ড. ইউনূসের সম্মেলন’, ‘দূর্বত্তের গুলিতে প্রাণ গেলো বাঙলাদেশী ক্যাবী বাবুলের’, ‘সংসারে ভাঙ্গন ও মামলা মোকদ্দমা বাড়ছে : দেনমোহরের অর্থ আদায় আমেরিকান আইনে কতটুকু যুক্তিযুক্ত?’ শীর্ষক খবর পাঠক মহলে আলোচিত হয়েছে। ০৩ এপ্রিল’২০১৫ (সাপ্তাহিক পরিচয়)