নিউইয়র্ক ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কের প্রিন্ট মিডিয়া নতুন সঙ্কটের মুখে

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:৩০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪
  • / ৭৪৫ বার পঠিত

নিউইয়র্কের প্রিন্ট মিডিয়াগুলো (সংবাদপত্র) নতুন সঙ্কটের মুখে পড়ছে। নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশী ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ারগুলোর (টিভি) সম্প্রচার বৃদ্ধির পাশাপাশি বিজ্ঞাপন মার্কেটিং বেড়ে যাওয়ায় সংবাদপত্রগুলো এই সঙ্কটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। নিউইয়র্কে প্রায় দুই ডজনের মতো প্রিন্ট মিডিয়া প্রকাশিত হচ্ছে। এরমধ্যে যোগ হয়েছে বাংলাদেশের দেড় ডজনাধিক ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। এই মিডিয়াগুলোর মধ্যে ৪/৫টি ইতিমধ্যেই নিউইয়র্কে অফিস নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে এটিএন, এনটিভি, চ্যানেল আই প্রভৃতি টিভি’র পর নতুন নতুন কয়েকটি মিডিয়া (টিভি) নিউইয়র্কে তাদের অফিস অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এজন্য বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে কোন কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অফিস নেয়ার হয়েছে বা হচ্ছে বলে জানা গেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকার সীমিত মার্কেটে বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রিন্ট মিডিয়াগুলো যেখানে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রকাশনা অব্যহত রাখা হয়েছে সেই মার্কেটেই ইলেক্টনিক মিডিয়াগুলোর বাণিজ্যিক ব্যবসা নতুন করে সঙ্কটে ফেলছে প্রিন্ট মিডিয়াগুলোকে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যেকোন মিডিয়ার প্রকাশনা বা সম্প্রচার অব্যহত রাখার প্রধান অবলম্বন হচ্ছে বিজ্ঞাপন। আর সঙ্গত কারণেই প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে ইলেক্টনিক মিডিয়ার বিজ্ঞাপন রেট (মূল্য) বেশী। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী কমিউনিটির সীমিত বাজারে প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি ইলেক্টনিক মিডিয়াগুলোর বিজ্ঞাপনের বাজার নতুন সমস্যায় ফেলছে বিজ্ঞাপনদাতাদেরকেও। এরমধ্যে কোন কোন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ‘লাইভ’ অনুষ্ঠান সম্প্রচার নতুন সঙ্কটের জন্ম দিয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই অনেক সংগঠন তাদের অনুষ্ঠান টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারে আগ্রহী হয়ে পড়ছে এবং এজন্য মোটা অংকের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে প্রিন্ট মিডিয়াগুলোর বিজ্ঞাপন পাওয়ার পথ সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে।
২. এদিকে নিউইয়র্কের অনেক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনদাতার বিনানুমতিতেই বিজ্ঞাপন প্রকাশের অভিযোগ উঠছে। একটি মিডিয়ায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপন দেখে অরেকটি মিডিয়া তা প্রকাশ করে বিল আদায় করছে। আবার এসব বিল না পেয়ে অভিযোগও করা হচ্ছে ‘বিল’ না দেয়ার। এনিয়ে বিব্রত সংশ্লিস্টরা। তারা বলছেন, অনেক মিডিয়া ‘বিজ্ঞাপনকে হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে। বিজ্ঞাপন দিলেও সমস্যা (বিল প্রদান) না দিলেও সমস্যা (নানা হুমকী)। এসব প্রশ্ন উঠছে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের চায়ের আড্ডায়। তাদের প্রশ্ন আমরা আমাদের পছন্দমত বিজ্ঞাপন দেবে। কিন্তু একটি মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিলে আরেকটি মিডিয়া (যাদের প্রচার সংখ্যা প্রশ্নবিদ্ধ) বিজ্ঞাপনটি চাচ্ছেন বা কোন কোন মিডিয়া বিনানুমতিতে তা প্রকাশ করে বিল চাচ্ছেন যা রীতিমত বিব্রত।
৩. চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন মিডিয়াগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয় ‘শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের অনুষ্ঠানে একমাত্র বক্তা পাকিস্তানী!’ ও ‘রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার জন্য ফারহানা চৌধুরীকে ৭ হাজার ডলার ঋণ প্রদান : এম আজিজের বদান্যতা’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র ‘নন্দিত বাংলাদেশী কিশোর ৪৮ ঘন্টার ব্যবধানে নিন্দিত’, সাপ্তাহিক ঠিকানায় প্রকাশিত ‘ক্যাবীরা সাবধান’, ‘তরুনী মালিহার আতœহত্যার নেপথ্যে’, ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের ভয়ে জীবন বাঁচাতে দেশত্যাগ ছায়েদ আলীর : ৩৭৩ দিনে আমেরিকায় আসার করুণ কাহিনী’, ‘যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নয়া কমিটি হচ্ছে’ ও ‘বিপুল অর্থ হাতিয়ে লাপাত্তা আরেকটি ট্রাভেল এজেন্সী’ শীর্ষক খবর পাঠকমহলে আলোচিত হয়েছে। ২৬ ডিসেম্বর’২০১৪ (সাপ্তাহিক পরিচয়)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কের প্রিন্ট মিডিয়া নতুন সঙ্কটের মুখে

প্রকাশের সময় : ১১:৩০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪

নিউইয়র্কের প্রিন্ট মিডিয়াগুলো (সংবাদপত্র) নতুন সঙ্কটের মুখে পড়ছে। নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশী ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ারগুলোর (টিভি) সম্প্রচার বৃদ্ধির পাশাপাশি বিজ্ঞাপন মার্কেটিং বেড়ে যাওয়ায় সংবাদপত্রগুলো এই সঙ্কটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। নিউইয়র্কে প্রায় দুই ডজনের মতো প্রিন্ট মিডিয়া প্রকাশিত হচ্ছে। এরমধ্যে যোগ হয়েছে বাংলাদেশের দেড় ডজনাধিক ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। এই মিডিয়াগুলোর মধ্যে ৪/৫টি ইতিমধ্যেই নিউইয়র্কে অফিস নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে এটিএন, এনটিভি, চ্যানেল আই প্রভৃতি টিভি’র পর নতুন নতুন কয়েকটি মিডিয়া (টিভি) নিউইয়র্কে তাদের অফিস অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এজন্য বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে কোন কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অফিস নেয়ার হয়েছে বা হচ্ছে বলে জানা গেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকার সীমিত মার্কেটে বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রিন্ট মিডিয়াগুলো যেখানে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রকাশনা অব্যহত রাখা হয়েছে সেই মার্কেটেই ইলেক্টনিক মিডিয়াগুলোর বাণিজ্যিক ব্যবসা নতুন করে সঙ্কটে ফেলছে প্রিন্ট মিডিয়াগুলোকে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যেকোন মিডিয়ার প্রকাশনা বা সম্প্রচার অব্যহত রাখার প্রধান অবলম্বন হচ্ছে বিজ্ঞাপন। আর সঙ্গত কারণেই প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে ইলেক্টনিক মিডিয়ার বিজ্ঞাপন রেট (মূল্য) বেশী। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী কমিউনিটির সীমিত বাজারে প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি ইলেক্টনিক মিডিয়াগুলোর বিজ্ঞাপনের বাজার নতুন সমস্যায় ফেলছে বিজ্ঞাপনদাতাদেরকেও। এরমধ্যে কোন কোন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ‘লাইভ’ অনুষ্ঠান সম্প্রচার নতুন সঙ্কটের জন্ম দিয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই অনেক সংগঠন তাদের অনুষ্ঠান টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারে আগ্রহী হয়ে পড়ছে এবং এজন্য মোটা অংকের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে প্রিন্ট মিডিয়াগুলোর বিজ্ঞাপন পাওয়ার পথ সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে।
২. এদিকে নিউইয়র্কের অনেক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনদাতার বিনানুমতিতেই বিজ্ঞাপন প্রকাশের অভিযোগ উঠছে। একটি মিডিয়ায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপন দেখে অরেকটি মিডিয়া তা প্রকাশ করে বিল আদায় করছে। আবার এসব বিল না পেয়ে অভিযোগও করা হচ্ছে ‘বিল’ না দেয়ার। এনিয়ে বিব্রত সংশ্লিস্টরা। তারা বলছেন, অনেক মিডিয়া ‘বিজ্ঞাপনকে হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে। বিজ্ঞাপন দিলেও সমস্যা (বিল প্রদান) না দিলেও সমস্যা (নানা হুমকী)। এসব প্রশ্ন উঠছে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের চায়ের আড্ডায়। তাদের প্রশ্ন আমরা আমাদের পছন্দমত বিজ্ঞাপন দেবে। কিন্তু একটি মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিলে আরেকটি মিডিয়া (যাদের প্রচার সংখ্যা প্রশ্নবিদ্ধ) বিজ্ঞাপনটি চাচ্ছেন বা কোন কোন মিডিয়া বিনানুমতিতে তা প্রকাশ করে বিল চাচ্ছেন যা রীতিমত বিব্রত।
৩. চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন মিডিয়াগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয় ‘শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের অনুষ্ঠানে একমাত্র বক্তা পাকিস্তানী!’ ও ‘রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার জন্য ফারহানা চৌধুরীকে ৭ হাজার ডলার ঋণ প্রদান : এম আজিজের বদান্যতা’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র ‘নন্দিত বাংলাদেশী কিশোর ৪৮ ঘন্টার ব্যবধানে নিন্দিত’, সাপ্তাহিক ঠিকানায় প্রকাশিত ‘ক্যাবীরা সাবধান’, ‘তরুনী মালিহার আতœহত্যার নেপথ্যে’, ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের ভয়ে জীবন বাঁচাতে দেশত্যাগ ছায়েদ আলীর : ৩৭৩ দিনে আমেরিকায় আসার করুণ কাহিনী’, ‘যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নয়া কমিটি হচ্ছে’ ও ‘বিপুল অর্থ হাতিয়ে লাপাত্তা আরেকটি ট্রাভেল এজেন্সী’ শীর্ষক খবর পাঠকমহলে আলোচিত হয়েছে। ২৬ ডিসেম্বর’২০১৪ (সাপ্তাহিক পরিচয়)