নিউইয়র্ক ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪, ১১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

মতপার্থক্য দূর করুণ : আ’লীগ-বিএনপি নেত্রীকে জাতিসংঘ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • / ৭৩৭ বার পঠিত

জাতিসংঘ: বাংলাদেশের অবনতিশীল পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। এখনও ঘটেনি এমন বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করেও প্রকাশ করা হয়েছে উদ্বেগ। রাজনৈতিক মতপার্থক্য মিটিয়ে সমস্যার সমাধানে অব্যাহতভাবে প্রধান দু’দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে জাতিসংঘ। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ-সমাবেশ করার অনুমতি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব জাতিগোষ্ঠীর সর্বোচ্চ এ সংস্থা। ৫ ফেব্রুয়ারী জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান- বাংলাদেশ ও গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। বাংলাদেশে পরিস্থিতি দৃশ্যত ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বিরোধী দলের নেত্রীর কার্যালয়ের বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রয়োগ করছে সরকার। তাই এ বিষয়ে মহাসচিবের প্রতিক্রিয়া কি তা জানতে আমি উদগ্রিব। এ পরিস্থিতিতে ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স অথবা জাতিসংঘ অন্য কোনভাবে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে কিনা? বেসামরিক লোকজনের বিষয়ে কি করবেন সে বিষয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তারা। জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশে এতে কি প্রভাব পড়তে পারে?
এ প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে আলাদা এবং এ মিশনের সঙ্গে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই। শান্তিরক্ষী মিশন নিয়ন্ত্রণ করে এ সংক্রান্ত মিশন। আপনারা জানেন যে, বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। আমাদের ডিপার্টমেন্ট ফর পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স-এর সিনিয়র কর্মকর্তা সহ অন্য কর্মকর্তারা বার বার বাংলাদেশ সফর করেছেন। তারা বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কিভাবে সঙ্কটের সমাধান করা যায় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন। আপনারা আরও জানেন যে, এখনও ঘটেনি এমন বিষয়ে আমরা অব্যাহতভাবে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে আসছি। আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি সহিংসতার বিষয়ে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করতে দিতে আমরা সরকারকে উৎসাহী করছি এবং অব্যাহতভাবে তা করে যাচ্ছি। এছাড়াও প্রধান দু’দল যাতে তাদের মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলতে পারে তা নিশ্চিত করতে আমরা তাদের নেতাদের সঙ্গে অব্যাহতভাবে যোগাযোগ রেখে যাব।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

মতপার্থক্য দূর করুণ : আ’লীগ-বিএনপি নেত্রীকে জাতিসংঘ

প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

জাতিসংঘ: বাংলাদেশের অবনতিশীল পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। এখনও ঘটেনি এমন বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করেও প্রকাশ করা হয়েছে উদ্বেগ। রাজনৈতিক মতপার্থক্য মিটিয়ে সমস্যার সমাধানে অব্যাহতভাবে প্রধান দু’দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে জাতিসংঘ। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ-সমাবেশ করার অনুমতি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব জাতিগোষ্ঠীর সর্বোচ্চ এ সংস্থা। ৫ ফেব্রুয়ারী জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান- বাংলাদেশ ও গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। বাংলাদেশে পরিস্থিতি দৃশ্যত ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বিরোধী দলের নেত্রীর কার্যালয়ের বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রয়োগ করছে সরকার। তাই এ বিষয়ে মহাসচিবের প্রতিক্রিয়া কি তা জানতে আমি উদগ্রিব। এ পরিস্থিতিতে ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স অথবা জাতিসংঘ অন্য কোনভাবে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে কিনা? বেসামরিক লোকজনের বিষয়ে কি করবেন সে বিষয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তারা। জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশে এতে কি প্রভাব পড়তে পারে?
এ প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে আলাদা এবং এ মিশনের সঙ্গে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই। শান্তিরক্ষী মিশন নিয়ন্ত্রণ করে এ সংক্রান্ত মিশন। আপনারা জানেন যে, বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। আমাদের ডিপার্টমেন্ট ফর পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স-এর সিনিয়র কর্মকর্তা সহ অন্য কর্মকর্তারা বার বার বাংলাদেশ সফর করেছেন। তারা বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কিভাবে সঙ্কটের সমাধান করা যায় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন। আপনারা আরও জানেন যে, এখনও ঘটেনি এমন বিষয়ে আমরা অব্যাহতভাবে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে আসছি। আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি সহিংসতার বিষয়ে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করতে দিতে আমরা সরকারকে উৎসাহী করছি এবং অব্যাহতভাবে তা করে যাচ্ছি। এছাড়াও প্রধান দু’দল যাতে তাদের মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলতে পারে তা নিশ্চিত করতে আমরা তাদের নেতাদের সঙ্গে অব্যাহতভাবে যোগাযোগ রেখে যাব।