নিউইয়র্ক ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আহমেদ আর নেই : কমিউনিটি শোকাহত

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০১৫
  • / ৬৭০ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট সমাজকর্মী রশিদ আহমেদ (৬৬) আর নেই। দীর্ঘ প্রায় চার মাস হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে লড়াই করে অবশেষে সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৭ জুন সোমবার সকাল ৬টায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। মৃত্যুকালে রশিদ আহমেদ স্ত্রী জাহানারা আহমেদ, এক পুত্র রাজীব আহমেদ, দুই কন্যা শারমিন আহমেদ ও আইরিন আহমেদ এবং বড় কন্যার জামাতা ফরিদ আহমেদ সহ বহু আতœীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খী ও বন্ধু-বান্ধব রেখে যান।
বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক নিউইয়র্কের ট্রাষ্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি রশিদ আহমেদের মৃত্যুর খবর জানাজানির পর কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার ইন্তেকালে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ সোসাইটি, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ও সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ সহ কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি সক্রিয় ছিলেন। বাংলাদেশ সোসাইটির বিগত নির্বাচনে ‘কামাল-রহীম’ প্যানেলের পক্ষে তার ভূমিকা ছিলো স্মরণযোগ্য। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ তাকে দেখতে যান।
Rashid Ahmed w Doughterতার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রশিদ আহমেদ দীর্ঘ চার বৎসর যাবত পেনক্রীয়াটেক নেকরোসেক্টমিতে ভুগছিলেন। অসুস্থ্যতার জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারী প্রথমে তাকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২৩ মার্চ তাকে সিটির ম্যানহাটানাস্থ কর্নেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি কর্নেল হাসপাতালের ৫ম ফ্লোরের সাউথ ৪০৯ নং কেবিনে মূলত: ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ছিলেন। মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। এছাড়া দুই সপ্তাহ আগে তার অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং ৭ জুন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ গ্রামের সন্তান রশিদ আহমেদ ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে জাহানারা আহমেদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন এবং ১৯৮৮ সালে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্র আসেন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হওয়ার পর প্রথমে তিনি ম্যানহাটানের ডাউনটাউনে আবাস গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে কুইন্সের করোনায় নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করেন। সর্বশেষ তিনি পরিবার-পরিজনসহ উডসাইডের নিজস্ব বাসায় থাকতেন। রশিদ আহমেদ এক সময় ট্রাভেল এজেন্সী ও রেষ্টুরেন্টের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে মরহুম রশিদ আহমেদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
রোববার (৭ জুন) মাগরিব রশিদ আহমেদের নামাজে জানাযা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে (জেএমসি) অনুষ্ঠিত হয়। জেএমসি মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ এই জানাযা নামাজে ইমামতি করেন। বিভিন্ন রাজনৈতি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কমিউনিটির সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক লোক জানাজায় অংশ নেন। এছাড়া রোববার বাদ এশা ব্রঙ্কসস্থ পার্কচেষ্টার জামে মসজিদে মরহুমের বিদেহী আতœার শান্তি কামনায় বিশেষ মুনাজাত ও দোয়া করা হয়। সোমবার (৮ জুন) অপরাহ্নে তার মরদেহ লং আইলান্ডস্থ ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল মুসলিম কবরাস্থানে দাফন করার করার কথা।
শোক প্রকাশ: বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ রশিদ আহমেদের ইন্তেকালে কমিউনিটি নেতৃবন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। পৃথক পৃথক শোক বার্তায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আতœার শান্তি কামনা ও তার শোক সন্তপ্ত পরিবারে প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
শোক প্রকাশকারী উল্লেখযোগ্য কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন: নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার, সাবেক সভাপতি কমাল আহমেদ, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সভাপতি বদরুল হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি এম এ কাইয়ুম, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন, বিশিষ্ট রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম রহীম, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল শাহীন, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সভাপতি মিসবাহ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আলম, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কমিউনিটি বোর্ড মেম্বর মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, বর্তমান সভাপতি বিলাল চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সেবুল মিয়া, ওজনপার্ক বাংলাদেশী-আমেরিকান ডেমোক্র্যাটিক কাউন্সিল-এর সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবীর চৌধুরী, বাংলাদেশী আমেরিকান ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক সোসাইটির সভাপতি অŸ্দুস শহীদ, সহ সভাপতি জকি উদ্দিন চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সোলেমান আলী, আব্দুল হাসিম হাসনু, টিপু চৌধুরী, আহবাব হোসেন খোকন, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম ও মইনুজ্জামান চৌধুরী, কমিউনিটি নেতা হাজী নাসির উদ্দিন, শাহেদ আহমদ, তৌফিকুর রহমান ফাুরক, শামীম মিয়া সেবুল, আব্দুল বাছির খান প্রমুখ।
এছাড়াও সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পাদক/সিইও আবু তাহের, নির্বাহী সম্পাদক নিয়াজ মাখদুম এবং বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান ও আবিদুর রহীম ভূঁইয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আহমেদের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আতœার শান্তি কামনা করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আহমেদ আর নেই : কমিউনিটি শোকাহত

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০১৫

নিউইয়র্ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট সমাজকর্মী রশিদ আহমেদ (৬৬) আর নেই। দীর্ঘ প্রায় চার মাস হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে লড়াই করে অবশেষে সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৭ জুন সোমবার সকাল ৬টায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। মৃত্যুকালে রশিদ আহমেদ স্ত্রী জাহানারা আহমেদ, এক পুত্র রাজীব আহমেদ, দুই কন্যা শারমিন আহমেদ ও আইরিন আহমেদ এবং বড় কন্যার জামাতা ফরিদ আহমেদ সহ বহু আতœীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খী ও বন্ধু-বান্ধব রেখে যান।
বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক নিউইয়র্কের ট্রাষ্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি রশিদ আহমেদের মৃত্যুর খবর জানাজানির পর কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার ইন্তেকালে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ সোসাইটি, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ও সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ সহ কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি সক্রিয় ছিলেন। বাংলাদেশ সোসাইটির বিগত নির্বাচনে ‘কামাল-রহীম’ প্যানেলের পক্ষে তার ভূমিকা ছিলো স্মরণযোগ্য। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ তাকে দেখতে যান।
Rashid Ahmed w Doughterতার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রশিদ আহমেদ দীর্ঘ চার বৎসর যাবত পেনক্রীয়াটেক নেকরোসেক্টমিতে ভুগছিলেন। অসুস্থ্যতার জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারী প্রথমে তাকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২৩ মার্চ তাকে সিটির ম্যানহাটানাস্থ কর্নেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি কর্নেল হাসপাতালের ৫ম ফ্লোরের সাউথ ৪০৯ নং কেবিনে মূলত: ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ছিলেন। মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। এছাড়া দুই সপ্তাহ আগে তার অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং ৭ জুন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ গ্রামের সন্তান রশিদ আহমেদ ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে জাহানারা আহমেদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন এবং ১৯৮৮ সালে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্র আসেন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হওয়ার পর প্রথমে তিনি ম্যানহাটানের ডাউনটাউনে আবাস গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে কুইন্সের করোনায় নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করেন। সর্বশেষ তিনি পরিবার-পরিজনসহ উডসাইডের নিজস্ব বাসায় থাকতেন। রশিদ আহমেদ এক সময় ট্রাভেল এজেন্সী ও রেষ্টুরেন্টের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে মরহুম রশিদ আহমেদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
রোববার (৭ জুন) মাগরিব রশিদ আহমেদের নামাজে জানাযা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে (জেএমসি) অনুষ্ঠিত হয়। জেএমসি মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ এই জানাযা নামাজে ইমামতি করেন। বিভিন্ন রাজনৈতি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কমিউনিটির সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক লোক জানাজায় অংশ নেন। এছাড়া রোববার বাদ এশা ব্রঙ্কসস্থ পার্কচেষ্টার জামে মসজিদে মরহুমের বিদেহী আতœার শান্তি কামনায় বিশেষ মুনাজাত ও দোয়া করা হয়। সোমবার (৮ জুন) অপরাহ্নে তার মরদেহ লং আইলান্ডস্থ ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল মুসলিম কবরাস্থানে দাফন করার করার কথা।
শোক প্রকাশ: বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ রশিদ আহমেদের ইন্তেকালে কমিউনিটি নেতৃবন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। পৃথক পৃথক শোক বার্তায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আতœার শান্তি কামনা ও তার শোক সন্তপ্ত পরিবারে প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
শোক প্রকাশকারী উল্লেখযোগ্য কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন: নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার, সাবেক সভাপতি কমাল আহমেদ, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সভাপতি বদরুল হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি এম এ কাইয়ুম, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন, বিশিষ্ট রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম রহীম, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল শাহীন, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সভাপতি মিসবাহ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আলম, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কমিউনিটি বোর্ড মেম্বর মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, বর্তমান সভাপতি বিলাল চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সেবুল মিয়া, ওজনপার্ক বাংলাদেশী-আমেরিকান ডেমোক্র্যাটিক কাউন্সিল-এর সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবীর চৌধুরী, বাংলাদেশী আমেরিকান ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক সোসাইটির সভাপতি অŸ্দুস শহীদ, সহ সভাপতি জকি উদ্দিন চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সোলেমান আলী, আব্দুল হাসিম হাসনু, টিপু চৌধুরী, আহবাব হোসেন খোকন, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম ও মইনুজ্জামান চৌধুরী, কমিউনিটি নেতা হাজী নাসির উদ্দিন, শাহেদ আহমদ, তৌফিকুর রহমান ফাুরক, শামীম মিয়া সেবুল, আব্দুল বাছির খান প্রমুখ।
এছাড়াও সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পাদক/সিইও আবু তাহের, নির্বাহী সম্পাদক নিয়াজ মাখদুম এবং বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান ও আবিদুর রহীম ভূঁইয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আহমেদের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আতœার শান্তি কামনা করেছেন।