নিউইয়র্ক ১১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে ভাসানীর মত সাহসী নেতার দরকার

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৫
  • / ৮৯৭ বার পঠিত

নিউইয়র্ক:কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ঢাকা সিটির সাবেকমেয়র সাদেকহোসেনখোকা বলেছেন, মওলানা ভাসানীযে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন সেই বাংলাদেশ আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আজ যেভাবে বাংলাদেশ, দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা চলছে এমন বাংলাদেশ তিনি চাননি। বাংলাদেশের বর্তমান এই ক্রান্তিকালে ভাসানীর মত সাহসী একজন নেতার দরকার ছিল।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, আফ্রো-এশিয়া ল্যাটিন আমেরিকার মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভাসানী স্মৃতি পরিষদ নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
সিটির জ্যাকসন হাইটসস্থ হাটবাজার মিলনায়তনে ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এই সভার সভাপতিত্ব করেন ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক নিউইয়র্কের সাবেক সহ সভাপতি কাজী আজহারুল হক মিলন।
সভায় কী নোট স্পীকার ছিলেন আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি নিউইয়র্ক-এর চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু। আলোচনায় অংশ নেন সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট মঈনুদ্দীন নাসের, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন খান, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ ডা. ওয়াজেদ এ খান, বাংলা টাইমস-এর উপদেষ্টা সম্পাদক তাসের মাহমুদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আলী ইমাম শিকদার, ড. আনিসুজ্জামান, জনপ্রিয় নাট্যাভিনেত্রী রেখা আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ সভাপতি মনিরুল ইসলাম ও ওয়াসী চৌধুরী, সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট কাজী ফৌজিয়া প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির সদস্য সচিব নাজমুল আলম শ্যামল।
সভায় সাদেকহোসেনখোকা বলেন, মওলানা ভাসানী শাসকদের মুখের ওপর ন্যায় কথা বলতে কখনো পিছনে হটেননি। ভাসানী ছিলেন অতি সাধারণ একজন মানুষ। যিনি গরীব ওমেহনতি মানুষের জন্য তার জীবদ্দশায় লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। একইভাবে স্বাধীকার আন্দোলনে তার মতনেতা উপমহাদেশে একজনও ছিলেন না। যার বলিষ্ঠনেতৃত্ব ও সাহস এবং সমর্থনেই পূর্ব বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, তার আদর্শে বাংলাদেশ পরিচালিত হলেদেশে ধনী-গরীবেরকোন ব্যবধান থাকতো না।
আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু বলেন, মওলানা ভাসানীকে যারা কাছে থেকে দেখেছেন বা তাঁর সাথে থেকে রাজনীতি করেছেন কেবল তারাই ভালো করে বলতে পারবেন হুজুর ভাসানী কেমন মানুষ ছিলেন। তিনি এমন একজন নেতা ছিলেন যার জীবনটাই ছিলো নিপিড়ীত-নির্যাতিত মজলুম মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী একাধারে রাজনৈতিক নেতা অপরদিকে অধ্যাত্বিক গুরুও ছিলেন। শুধু বাংলাদেশ নয় গণ চীনসহ ল্যাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে তার যথেষ্ট সম্মান ছিলো। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাকে শ্রদ্ধার সাথেই দেখতেন। ১৯৫৭’র ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন, উনসত্তুরের প্রাকৃতিক দূর্যোগ আর ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সাথে স্বরণ করবে। তিনি মানুষকে শুধু দিয়ে গেছেন, নিজের জন্য কিছুই নেননি- এমন রাজনীতিক ছিলেন মওলানা ভাসানী। তার কাছ থেকে আমাদের শিক্ষার অনেক কিছুই রয়েছে।
মনজুর আহমেদ বলেন, মওলানা ভাসানী হুজুর ছিলেন এক অধ্যাত্বিক ও রাজনৈতিক গুরু। তিনিই প্রথম পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখান। আর মলোনা ভাসানীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্পর্ক পিতা-পুত্রের মতো। যা অনেক অনুষ্ঠানে, তাদের মধ্যকার অনেক বক্তব্য প্রমাণ পাওয়া যায়। মনজুর আহমেদ বলেন, ভাসানী ছিলেন সত্যিকারের জনদরদী জননেতা। যে কারণে তার নিজের জন্য কিছুই রেখে যাননি, চাননি ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করতে, চাননি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার স্বাদ নিতে। হুজুর ভাসানীকে নিয়ে গবেষণা করলে তাঁর সম্পর্কে আরো অনেক কিছুই জানা যাবে। তিনি বলেন, তার মতো নেতার বড় প্রয়োজন।
মঈনুদ্দীন নাসের বলেন, মওলানা ভাসানীকে আরো জানতে হবে। এজন্য দরকার তাকে নিয়ে আর তার কর্মকান্ড নিয়ে গবেষণা করা।
আওলাদ হোসেন খান বলেন, মওলানা ভাসানী বেঁচে থাকলে আজ আমাদেরকে এমন বাংলাদেশ দেখতে হতো না। তিনি ছিলেন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াকু সৈনিক, একজন সাহসী রাজনৈতিক নেতা। তার ‘খামোশ’ উচ্চারণকে অনেকেই ভয় পেতো।
অনুষ্ঠানে মওলানা ভাসানীর বিদেহী আতœার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
মওলানা ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ভাসানী স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গঠিত মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির অন্যান্য কর্মকর্তারা হলেন: প্রধান সমন্বয়কারী- লুৎফর রহমান (বাবু), যুগ্ম আহ্বায়ক- সাহাদৎ হোসেন ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আনোয়ার তুহিন, যুগ্ম সদস্য সচিব- ইকতারুজ্জামান ও রফিকুল ইসলাম ডলার। এছাড়া সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আতাউর রহমান আতা, ফারুক হোসেন মজুমদার, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আলী হোসেন, রুহুল আমিন সিদ্দিক, সাদি মিন্টু, জাকির হাওলাদার, মানিক, বক্সার সেলিম, মীর নিজামুল হক, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, সৈয়দ আকিকুর রহমান, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আকতার হোসেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে ভাসানীর মত সাহসী নেতার দরকার

প্রকাশের সময় : ১১:১৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৫

নিউইয়র্ক:কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ঢাকা সিটির সাবেকমেয়র সাদেকহোসেনখোকা বলেছেন, মওলানা ভাসানীযে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন সেই বাংলাদেশ আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আজ যেভাবে বাংলাদেশ, দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা চলছে এমন বাংলাদেশ তিনি চাননি। বাংলাদেশের বর্তমান এই ক্রান্তিকালে ভাসানীর মত সাহসী একজন নেতার দরকার ছিল।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, আফ্রো-এশিয়া ল্যাটিন আমেরিকার মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভাসানী স্মৃতি পরিষদ নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
সিটির জ্যাকসন হাইটসস্থ হাটবাজার মিলনায়তনে ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এই সভার সভাপতিত্ব করেন ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক নিউইয়র্কের সাবেক সহ সভাপতি কাজী আজহারুল হক মিলন।
সভায় কী নোট স্পীকার ছিলেন আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি নিউইয়র্ক-এর চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু। আলোচনায় অংশ নেন সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট মঈনুদ্দীন নাসের, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন খান, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ ডা. ওয়াজেদ এ খান, বাংলা টাইমস-এর উপদেষ্টা সম্পাদক তাসের মাহমুদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আলী ইমাম শিকদার, ড. আনিসুজ্জামান, জনপ্রিয় নাট্যাভিনেত্রী রেখা আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ সভাপতি মনিরুল ইসলাম ও ওয়াসী চৌধুরী, সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট কাজী ফৌজিয়া প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির সদস্য সচিব নাজমুল আলম শ্যামল।
সভায় সাদেকহোসেনখোকা বলেন, মওলানা ভাসানী শাসকদের মুখের ওপর ন্যায় কথা বলতে কখনো পিছনে হটেননি। ভাসানী ছিলেন অতি সাধারণ একজন মানুষ। যিনি গরীব ওমেহনতি মানুষের জন্য তার জীবদ্দশায় লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। একইভাবে স্বাধীকার আন্দোলনে তার মতনেতা উপমহাদেশে একজনও ছিলেন না। যার বলিষ্ঠনেতৃত্ব ও সাহস এবং সমর্থনেই পূর্ব বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, তার আদর্শে বাংলাদেশ পরিচালিত হলেদেশে ধনী-গরীবেরকোন ব্যবধান থাকতো না।
আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু বলেন, মওলানা ভাসানীকে যারা কাছে থেকে দেখেছেন বা তাঁর সাথে থেকে রাজনীতি করেছেন কেবল তারাই ভালো করে বলতে পারবেন হুজুর ভাসানী কেমন মানুষ ছিলেন। তিনি এমন একজন নেতা ছিলেন যার জীবনটাই ছিলো নিপিড়ীত-নির্যাতিত মজলুম মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী একাধারে রাজনৈতিক নেতা অপরদিকে অধ্যাত্বিক গুরুও ছিলেন। শুধু বাংলাদেশ নয় গণ চীনসহ ল্যাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে তার যথেষ্ট সম্মান ছিলো। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাকে শ্রদ্ধার সাথেই দেখতেন। ১৯৫৭’র ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন, উনসত্তুরের প্রাকৃতিক দূর্যোগ আর ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সাথে স্বরণ করবে। তিনি মানুষকে শুধু দিয়ে গেছেন, নিজের জন্য কিছুই নেননি- এমন রাজনীতিক ছিলেন মওলানা ভাসানী। তার কাছ থেকে আমাদের শিক্ষার অনেক কিছুই রয়েছে।
মনজুর আহমেদ বলেন, মওলানা ভাসানী হুজুর ছিলেন এক অধ্যাত্বিক ও রাজনৈতিক গুরু। তিনিই প্রথম পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখান। আর মলোনা ভাসানীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্পর্ক পিতা-পুত্রের মতো। যা অনেক অনুষ্ঠানে, তাদের মধ্যকার অনেক বক্তব্য প্রমাণ পাওয়া যায়। মনজুর আহমেদ বলেন, ভাসানী ছিলেন সত্যিকারের জনদরদী জননেতা। যে কারণে তার নিজের জন্য কিছুই রেখে যাননি, চাননি ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করতে, চাননি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার স্বাদ নিতে। হুজুর ভাসানীকে নিয়ে গবেষণা করলে তাঁর সম্পর্কে আরো অনেক কিছুই জানা যাবে। তিনি বলেন, তার মতো নেতার বড় প্রয়োজন।
মঈনুদ্দীন নাসের বলেন, মওলানা ভাসানীকে আরো জানতে হবে। এজন্য দরকার তাকে নিয়ে আর তার কর্মকান্ড নিয়ে গবেষণা করা।
আওলাদ হোসেন খান বলেন, মওলানা ভাসানী বেঁচে থাকলে আজ আমাদেরকে এমন বাংলাদেশ দেখতে হতো না। তিনি ছিলেন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াকু সৈনিক, একজন সাহসী রাজনৈতিক নেতা। তার ‘খামোশ’ উচ্চারণকে অনেকেই ভয় পেতো।
অনুষ্ঠানে মওলানা ভাসানীর বিদেহী আতœার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
মওলানা ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ভাসানী স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গঠিত মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির অন্যান্য কর্মকর্তারা হলেন: প্রধান সমন্বয়কারী- লুৎফর রহমান (বাবু), যুগ্ম আহ্বায়ক- সাহাদৎ হোসেন ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আনোয়ার তুহিন, যুগ্ম সদস্য সচিব- ইকতারুজ্জামান ও রফিকুল ইসলাম ডলার। এছাড়া সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আতাউর রহমান আতা, ফারুক হোসেন মজুমদার, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আলী হোসেন, রুহুল আমিন সিদ্দিক, সাদি মিন্টু, জাকির হাওলাদার, মানিক, বক্সার সেলিম, মীর নিজামুল হক, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, সৈয়দ আকিকুর রহমান, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আকতার হোসেন।