নিউইয়র্ক ০৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের রেজ্যুলেশন ফোর-ফর্টি-টু’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪
  • / ৪২২ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্পেশালাইজড স্কুলগুলোতে ভর্তির নিয়ম কানুন পরিবর্তনের জন্য সম্প্রতি সিটি কাউন্সিল যে রেজ্যুলেশন এনেছে, তা এশিয়ান বিশেষ করে বাংলাদেশী প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের, এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তির পথ রুদ্ধ করে দেবে বলে মনে করছেন অনেকেই। ৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার, সিটি কাউন্সিলে এক হিয়ারিং শেষে টাইম টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাতকারে, রেজ্যুলেশনটির বিরুদ্ধে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরলেন খান টিউটোরিয়ালের সিইও সহ বিভিন্ন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নিউইয়র্কের সিটি হলের সামনে ছিলো প্রতিবাদী মানুষের জটলা। গেলো ক’দিনে নিউইয়র্ক জুড়ে অনেক প্রতিবাদের ভীড়ে, এদিনের প্রতিবাদটি একটু অন্যরকম। রেজ্যুলেশন ফোর-ফর্টি-টু’র বিরুদ্ধে তাদের এই প্রতিবাদ। কিন্তু কেনো সেটি? সেটি জানতে ফিরে তাকাতে হবে একটু পেছনের দিকে। নিউইয়র্কের বিভিন্ন প্রান্তে ব্রঙ্কস সায়েন্স, ব্রুকলিন টেক, স্টাইভেসেন্ট, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড টেক, কুইন্স এসএস ফর দ্য সায়েন্সেস, এইচএসএমএসই, ব্রুকলিন ল্যাটিন কিংবা এইচএসএএস মতো স্পেশালাইশড স্কুল গুলো থেকে, বছরের পর বছর ধরে মেধাধী বহু শিক্ষার্থী, কৃতিত্বের সাথে তাদের উচ্চশিক্ষা শেষ করেছেন, দেশ ও সমাজের জন্য রেখে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের এই বিশেষায়িত স্কুলগুলো থেকে পাশ করে বেড়োনোদের মধ্যে ১৪ জন নোবেল জয়ীও রয়েছেন। এসব বিশেষায়িত স্কুলগুলোতে ভর্তি হতে হলে একটি প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রমান করতে হয়। বাংলাদেশী বহু মেধাবী শিক্ষার্থী এসব স্পেশালাইজড স্কুলে কৃতিত্বের সাথে পড়াশুনা করে আসলেও সম্প্রতি সিটি কাউন্সিলের নতুন রেজ্যুলেশনটি তাতে বাঁধ সেধেছে। কারণ এতোদিনের প্রচলিত পরীক্ষার বাইরে এতে আরো অনেক নতুন নতুন রিকোয়ারমেন্টস যোগ করার কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি মেধাবী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢোকার পথ বন্ধ করে দেবে বলেই মনে করছেন প্রখ্যাত খান টিউটোরিয়ালের সিইও ডক্টর ইভান খান।
গেলো বহু বছর ধরে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা এসব স্পেশালাইজড স্কুলগুলোতে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন, তাই সিটি কাউন্সিলের এ রেজ্যুলেশনটি যেনো পাশ না হতে পারে, সেজন্য নিজেদের দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরলেন প্রবাসীরা।
সিটি হলের সামনে এ সময় বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন এশিয়ান কমিউনিটি রেজ্যুলেশন ফোর-ফর্টি-টু’র বিরুদ্ধে নানা শ্লোগা দেয়ার পাশাপাশি প্ল্যাকার্ডও প্রদর্শন করেন। (টাইম টেলিভিশন)

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের রেজ্যুলেশন ফোর-ফর্টি-টু’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

প্রকাশের সময় : ০৭:২১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্পেশালাইজড স্কুলগুলোতে ভর্তির নিয়ম কানুন পরিবর্তনের জন্য সম্প্রতি সিটি কাউন্সিল যে রেজ্যুলেশন এনেছে, তা এশিয়ান বিশেষ করে বাংলাদেশী প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের, এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তির পথ রুদ্ধ করে দেবে বলে মনে করছেন অনেকেই। ৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার, সিটি কাউন্সিলে এক হিয়ারিং শেষে টাইম টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাতকারে, রেজ্যুলেশনটির বিরুদ্ধে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরলেন খান টিউটোরিয়ালের সিইও সহ বিভিন্ন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নিউইয়র্কের সিটি হলের সামনে ছিলো প্রতিবাদী মানুষের জটলা। গেলো ক’দিনে নিউইয়র্ক জুড়ে অনেক প্রতিবাদের ভীড়ে, এদিনের প্রতিবাদটি একটু অন্যরকম। রেজ্যুলেশন ফোর-ফর্টি-টু’র বিরুদ্ধে তাদের এই প্রতিবাদ। কিন্তু কেনো সেটি? সেটি জানতে ফিরে তাকাতে হবে একটু পেছনের দিকে। নিউইয়র্কের বিভিন্ন প্রান্তে ব্রঙ্কস সায়েন্স, ব্রুকলিন টেক, স্টাইভেসেন্ট, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড টেক, কুইন্স এসএস ফর দ্য সায়েন্সেস, এইচএসএমএসই, ব্রুকলিন ল্যাটিন কিংবা এইচএসএএস মতো স্পেশালাইশড স্কুল গুলো থেকে, বছরের পর বছর ধরে মেধাধী বহু শিক্ষার্থী, কৃতিত্বের সাথে তাদের উচ্চশিক্ষা শেষ করেছেন, দেশ ও সমাজের জন্য রেখে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের এই বিশেষায়িত স্কুলগুলো থেকে পাশ করে বেড়োনোদের মধ্যে ১৪ জন নোবেল জয়ীও রয়েছেন। এসব বিশেষায়িত স্কুলগুলোতে ভর্তি হতে হলে একটি প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রমান করতে হয়। বাংলাদেশী বহু মেধাবী শিক্ষার্থী এসব স্পেশালাইজড স্কুলে কৃতিত্বের সাথে পড়াশুনা করে আসলেও সম্প্রতি সিটি কাউন্সিলের নতুন রেজ্যুলেশনটি তাতে বাঁধ সেধেছে। কারণ এতোদিনের প্রচলিত পরীক্ষার বাইরে এতে আরো অনেক নতুন নতুন রিকোয়ারমেন্টস যোগ করার কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি মেধাবী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢোকার পথ বন্ধ করে দেবে বলেই মনে করছেন প্রখ্যাত খান টিউটোরিয়ালের সিইও ডক্টর ইভান খান।
গেলো বহু বছর ধরে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা এসব স্পেশালাইজড স্কুলগুলোতে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন, তাই সিটি কাউন্সিলের এ রেজ্যুলেশনটি যেনো পাশ না হতে পারে, সেজন্য নিজেদের দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরলেন প্রবাসীরা।
সিটি হলের সামনে এ সময় বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন এশিয়ান কমিউনিটি রেজ্যুলেশন ফোর-ফর্টি-টু’র বিরুদ্ধে নানা শ্লোগা দেয়ার পাশাপাশি প্ল্যাকার্ডও প্রদর্শন করেন। (টাইম টেলিভিশন)