নিউইয়র্ক ১১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কে বাংলাদেশী নিখোঁজ মাহফুজার স্বামীকে ওয়ান্টেড ঘোষণা

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০১৬
  • / ৮০৭ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: ব্রঙ্কসে বসবাসকারী বাংলাদেশী মাহফুজা রহমান (৩০) নিখোঁজের রহস্য আরো ঘনিভূত হচ্ছে। দিন যতই যাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহ ঢাল পালা ছড়াচ্ছে। মাহফুজার ঘনিষ্ঠজন থেকে শুরু করে কাউকে সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে না এনওয়াইপিডি। এরই মধ্যে তারা মাহফুজার স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরীকে ওয়ান্টেড ঘোষণা করেছে। মাহফুজা এবং তার স্বামী সর্বশেষ কাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করেছে তা খতিয়ে দেখছে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ। এনওয়াইপিডি কর্মকর্তারা তার সন্ধান অব্যাহত রেখেছে এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশ থেকেও তাকে ফেরত আনার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে এমন ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা-রক্ষা বাহিনী বা গোয়েন্দারা যেমনি কাজ করছেন তেমনিভাবে বসে নেই ব্রঙ্কস বাংলাদেশ কমিউনিটিও। তারাও নানা কর্মসূচী নিয়ে মাঠে নেমেছে মাহফুজা যাতে উদ্ধার হয় সে লক্ষে।
দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বাংলাদেশের আইন শৃঙ্কলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। মাহফুজার স্বামীর গ্রামের বাড়ী কুমিল্লায় সম্ভাব্য খোঁজ নিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে পুলিশ। মোহাম্মদ চৌধুরীর ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে বাংলাদেশের পুলিশের সদর দপ্তর থেকে কুমিল্লা পুলিশকে নির্দ্দেশ দেয়া হয়েছে। রোববার পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তরকে কোন খবর না দেয়ায় ধারণা করা হচ্ছে মোহাম্মদ চৌধুরী অন্যত্র আত্মগোপন করে আছেন। ফলে পুলিশের সন্দেহ আরো বেড়ে যাচ্ছে।
Missing Notice from NYPDসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিউইয়র্ক পুলিশের ৫২ ডিটেকটিভ স্কোয়াড, মাহফুজার স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরীর ছবি সহ পোষ্টার ছেপে তার খোজ দিতে সবার সহায়তা চেয়েছে। ‘ওয়ান্টেড ফর মিসিং’ শিরোনামের পোষ্টার ছাপিয়ে ব্রঙ্কস ডিটেকটিভ ব্যুরোকে তথ্য দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মাহফুজা রহমানের সন্ধানে বাংলাদেশী আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল এর উদ্যোগে তার বাসার সামনে একটি প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসুচি পালিত হয়েছে শনিবার দুপুরে। কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ এন মজুমদার বলেন, কেউ যদি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যায় তাহলে আই ৯৪ ফরম পূরণ করে দেশ ছাড়েন। কিন্তু কেউ জানেন না এটা ঠিক না। এছাড়া তিনি ভেলভিউ হাসপাতালে চাকুরি করার সময় সব তথ্য দিয়েছিলেন তাহলে তার সম্পর্কে জানতে এতে বেগ পেতে হবে কেন। আমরা দ্রুত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সব কিছু প্রকাশ করুক সেটা চাই।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ব্রঙ্কস এর ১৯৮ স্ট্রিটে, ইস্ট ২২ বাসায় ভাড়া থাকতেন বাংলাদেশী পরিবার মাহফুজা রহমান এবং তার স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরী। তাদের ৯ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ছিল।
ডিসেম্বরের ৮ তারিখ সর্বশেষ মাহফুজা তার কর্মস্থল বেলভ্যু হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আর কাজে ফেরেন নি। মাহফুজার স্বামী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন যে মাহফুজা দেশে গিয়েছেন কোন এক আত্বীয়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে।
এর পর ৯ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে দেশে চলে যান মোহাম্মদ চৌধুরী। কিন্তু তার আর কোন খোঁজ নেই বলে অভিযোগ প্রতিবেশী আর ব্রঙ্কস বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতাদের।
সর্বশেষ নিউইয়র্ক পুলিশ ব্রঙ্কসের ওই বাড়ির আঙিনা খুড়ে নিখোঁজ মাহফুজাকে কোনভাবে হত্যা করে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে কিনা তার অনুসন্ধান চালিয়েছে। কোন হদিস না পেয়ে মাহফুজার নিখোঁজ পোস্টার ছেপেছে তারা। এমনকি তার স্বামীর নামে ও পোষ্টার ছেপে, জন সাধারণের সহায়তা চেয়েছে।
আর এই ঘটনাকে রহস্যজনক ভেবে, তার খোজের দাবীতে নিউইয়র্ক পুলিশ সহ বাংলাদেশস্থ প্রশাসন যেন কাজ করে সে দাবীতে স্থানীয়রা এক বিক্ষোভোর আয়োজন করে ১২ মার্চ শনিবার দুপুরে।
এর মধ্যে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ এবং ডিটেশটিভ ব্যুরো পুলিশ তদন্তে নেমেছে। তবে অধিকতর তদন্তে যাবার আগে স্থানীয় এলাকাবাসী আর বাংলাদেশী কমিউনিটির সাহায্য চেয়েছে কুমিল্লার মোহাম্মদ চৌধুরীকে খুঁজে পেতে।
মাহফুজার নিখোঁজের ঘটনার খবর ইতিমধ্যেই মূলধারার টিভি মিডিয়াসহ কমিউনিটির মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার হয়েছে। এদিকে তার স্বামী ও কন্যারও সঠিক সন্ধান মিলছে না।
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ গত ৭ মার্চ সোমবার তাদের বাড়ীর আঙ্গীনায় গর্ত করে কুকুর দিয়ে তল্লাশী চালিয়েছে। এর আগে পুরো বাড়ী তল্লাশী করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুলিশ তার নিখোঁজ রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।
Mahfuza Rahman_bronx Picউল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্বাবদ্যালয় থেকে রসায়নে মার্সটার্স ডিগ্রীধারী মাহফুজা রহমান নিউইয়র্কের হান্টার কলেজ থেকে নাসিং-এ ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়া ২০১৪ সালে তিনি লাগোর্ডিয়া কলেজ থেকে এসোসিয়েট ডিগ্রী অর্জন করেন। গত ৮ ডিসেম্বর থেকে তার কোন সন্ধান নেই। মাহফুজা রহমানের স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরী (৩৮) জানিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশে তার নিকট আত্মীয় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন, তিনি তাদের দেখতে গিয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফিরে আসার কথা। কিন্তু তিন মাসেও ফিরে আসায় বা কাজে যোগ না দেয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার স্বামীকে এবং বাসায় ফোন করেন। বার বার ফোন করেও কোন উত্তর না পেয়ে তারা পুলিশকে অবহিত করেন।
পুলিশ রিপোর্টের পর ব্রঙ্কসের পুলিশ এটিকে নিখোঁজ ধরেই তল্লাশিতে নামে। পুলিশ গত ৭ মার্চ মাহফুজা রহমানের কিংসব্রিজ হেইটস এলাকার ইস্ট ১৯৮ স্ট্রিটের বাসায় যায়। মাহফুজা রহমান ৮ ডিসেম্বর বেলভিউ হাসপাতালে কাজ শেষে বিকেলে ৪টা ৩০ মিনিটের সময় বাসার উদ্দেশ্যে রাওয়ানা হয়েছিলেন। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কে বাংলাদেশী নিখোঁজ মাহফুজার স্বামীকে ওয়ান্টেড ঘোষণা

প্রকাশের সময় : ১০:১৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০১৬

নিউইয়র্ক: ব্রঙ্কসে বসবাসকারী বাংলাদেশী মাহফুজা রহমান (৩০) নিখোঁজের রহস্য আরো ঘনিভূত হচ্ছে। দিন যতই যাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহ ঢাল পালা ছড়াচ্ছে। মাহফুজার ঘনিষ্ঠজন থেকে শুরু করে কাউকে সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে না এনওয়াইপিডি। এরই মধ্যে তারা মাহফুজার স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরীকে ওয়ান্টেড ঘোষণা করেছে। মাহফুজা এবং তার স্বামী সর্বশেষ কাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করেছে তা খতিয়ে দেখছে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ। এনওয়াইপিডি কর্মকর্তারা তার সন্ধান অব্যাহত রেখেছে এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশ থেকেও তাকে ফেরত আনার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে এমন ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা-রক্ষা বাহিনী বা গোয়েন্দারা যেমনি কাজ করছেন তেমনিভাবে বসে নেই ব্রঙ্কস বাংলাদেশ কমিউনিটিও। তারাও নানা কর্মসূচী নিয়ে মাঠে নেমেছে মাহফুজা যাতে উদ্ধার হয় সে লক্ষে।
দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বাংলাদেশের আইন শৃঙ্কলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। মাহফুজার স্বামীর গ্রামের বাড়ী কুমিল্লায় সম্ভাব্য খোঁজ নিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে পুলিশ। মোহাম্মদ চৌধুরীর ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে বাংলাদেশের পুলিশের সদর দপ্তর থেকে কুমিল্লা পুলিশকে নির্দ্দেশ দেয়া হয়েছে। রোববার পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তরকে কোন খবর না দেয়ায় ধারণা করা হচ্ছে মোহাম্মদ চৌধুরী অন্যত্র আত্মগোপন করে আছেন। ফলে পুলিশের সন্দেহ আরো বেড়ে যাচ্ছে।
Missing Notice from NYPDসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিউইয়র্ক পুলিশের ৫২ ডিটেকটিভ স্কোয়াড, মাহফুজার স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরীর ছবি সহ পোষ্টার ছেপে তার খোজ দিতে সবার সহায়তা চেয়েছে। ‘ওয়ান্টেড ফর মিসিং’ শিরোনামের পোষ্টার ছাপিয়ে ব্রঙ্কস ডিটেকটিভ ব্যুরোকে তথ্য দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মাহফুজা রহমানের সন্ধানে বাংলাদেশী আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল এর উদ্যোগে তার বাসার সামনে একটি প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসুচি পালিত হয়েছে শনিবার দুপুরে। কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ এন মজুমদার বলেন, কেউ যদি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যায় তাহলে আই ৯৪ ফরম পূরণ করে দেশ ছাড়েন। কিন্তু কেউ জানেন না এটা ঠিক না। এছাড়া তিনি ভেলভিউ হাসপাতালে চাকুরি করার সময় সব তথ্য দিয়েছিলেন তাহলে তার সম্পর্কে জানতে এতে বেগ পেতে হবে কেন। আমরা দ্রুত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সব কিছু প্রকাশ করুক সেটা চাই।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ব্রঙ্কস এর ১৯৮ স্ট্রিটে, ইস্ট ২২ বাসায় ভাড়া থাকতেন বাংলাদেশী পরিবার মাহফুজা রহমান এবং তার স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরী। তাদের ৯ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ছিল।
ডিসেম্বরের ৮ তারিখ সর্বশেষ মাহফুজা তার কর্মস্থল বেলভ্যু হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আর কাজে ফেরেন নি। মাহফুজার স্বামী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন যে মাহফুজা দেশে গিয়েছেন কোন এক আত্বীয়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে।
এর পর ৯ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে দেশে চলে যান মোহাম্মদ চৌধুরী। কিন্তু তার আর কোন খোঁজ নেই বলে অভিযোগ প্রতিবেশী আর ব্রঙ্কস বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতাদের।
সর্বশেষ নিউইয়র্ক পুলিশ ব্রঙ্কসের ওই বাড়ির আঙিনা খুড়ে নিখোঁজ মাহফুজাকে কোনভাবে হত্যা করে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে কিনা তার অনুসন্ধান চালিয়েছে। কোন হদিস না পেয়ে মাহফুজার নিখোঁজ পোস্টার ছেপেছে তারা। এমনকি তার স্বামীর নামে ও পোষ্টার ছেপে, জন সাধারণের সহায়তা চেয়েছে।
আর এই ঘটনাকে রহস্যজনক ভেবে, তার খোজের দাবীতে নিউইয়র্ক পুলিশ সহ বাংলাদেশস্থ প্রশাসন যেন কাজ করে সে দাবীতে স্থানীয়রা এক বিক্ষোভোর আয়োজন করে ১২ মার্চ শনিবার দুপুরে।
এর মধ্যে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ এবং ডিটেশটিভ ব্যুরো পুলিশ তদন্তে নেমেছে। তবে অধিকতর তদন্তে যাবার আগে স্থানীয় এলাকাবাসী আর বাংলাদেশী কমিউনিটির সাহায্য চেয়েছে কুমিল্লার মোহাম্মদ চৌধুরীকে খুঁজে পেতে।
মাহফুজার নিখোঁজের ঘটনার খবর ইতিমধ্যেই মূলধারার টিভি মিডিয়াসহ কমিউনিটির মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার হয়েছে। এদিকে তার স্বামী ও কন্যারও সঠিক সন্ধান মিলছে না।
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ গত ৭ মার্চ সোমবার তাদের বাড়ীর আঙ্গীনায় গর্ত করে কুকুর দিয়ে তল্লাশী চালিয়েছে। এর আগে পুরো বাড়ী তল্লাশী করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুলিশ তার নিখোঁজ রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।
Mahfuza Rahman_bronx Picউল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্বাবদ্যালয় থেকে রসায়নে মার্সটার্স ডিগ্রীধারী মাহফুজা রহমান নিউইয়র্কের হান্টার কলেজ থেকে নাসিং-এ ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়া ২০১৪ সালে তিনি লাগোর্ডিয়া কলেজ থেকে এসোসিয়েট ডিগ্রী অর্জন করেন। গত ৮ ডিসেম্বর থেকে তার কোন সন্ধান নেই। মাহফুজা রহমানের স্বামী মোহাম্মদ চৌধুরী (৩৮) জানিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশে তার নিকট আত্মীয় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন, তিনি তাদের দেখতে গিয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফিরে আসার কথা। কিন্তু তিন মাসেও ফিরে আসায় বা কাজে যোগ না দেয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার স্বামীকে এবং বাসায় ফোন করেন। বার বার ফোন করেও কোন উত্তর না পেয়ে তারা পুলিশকে অবহিত করেন।
পুলিশ রিপোর্টের পর ব্রঙ্কসের পুলিশ এটিকে নিখোঁজ ধরেই তল্লাশিতে নামে। পুলিশ গত ৭ মার্চ মাহফুজা রহমানের কিংসব্রিজ হেইটস এলাকার ইস্ট ১৯৮ স্ট্রিটের বাসায় যায়। মাহফুজা রহমান ৮ ডিসেম্বর বেলভিউ হাসপাতালে কাজ শেষে বিকেলে ৪টা ৩০ মিনিটের সময় বাসার উদ্দেশ্যে রাওয়ানা হয়েছিলেন। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)