নিউইয়র্ক ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ‘বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংবাদপত্র’ শীষর্ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৪
  • / ১০৭৯ বার পঠিত

নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংবাদপত্র’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১৪ অক্টোবর। সেমিনারে অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও নন্দিত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন এবং বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সম্পাদক ও টক-শো আলোচক নঈম নিজাম। সেমিনারের আয়োজন করে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব। জ্যাকস হাইটসের পালকী পার্টি হলে আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক নাজমুল আহসান এবং সেমিনার পরিচালনা করেন প্রেসকøাবের সাধারণ সম্পাদক ও এটিএন বাংলা’র যুক্তরাষ্ট্র কার্যালয়ের বার্তা সম্পাদক দর্পণ কবীর ও প্রবাস পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ। সেমিনারের প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর আলোচনা করতে গিয়ে অতিথিরা বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা ছড়িয়ে পড়ছে বলে বাংলা সাহিত্যও আজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। তারা বলেছেন, একজন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক দুজনেই বিবেক নিয়ে কাজ করেন এবং তারা সমাজ তথা রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করছেন। সাংবাদিকদের মধ্যে অনৈক্য থাকলে সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তারা বলেন, দেশে আজ মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, লেখক-সাহিত্যকরা ভাগ হয়ে যাচ্ছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। এটা কাম্য নয়।

তারা আরো বলেন, আমাদের দেশ গঠনের জন্য বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা জরুরি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র সম্পর্কে বক্তারা বলেছেন, সু-শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। যে কোন আইনের খড়গ মুক্ত সাংবাদিকতাকে বাধা গ্রস্থ করে। দেশের সাংবাদিক সমাজকেও রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি থেকে নিজেদের বিরত রাখতে হবে। সাংবাদিকরাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে দেশ তথা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারেন। আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে কথা সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বাংলা সাহিত্যের উপর বক্তব্য রাখেন এবং সাংবাদিতার উপর বক্তব্য রাখেন নঈম নিজাম। সমবেত সাংবাদিক-সুধীজনের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।

NYBPress

সেমিনারে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, আমি যখন কালের কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক হলাম তখন অনেকে ভয় পেয়ে গেলেন মনে করলেন আমার সাহিত্য শেষ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অনেক বড় সাহিত্যিক সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক ছিলেন। আনন্দ বাজার পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সন্তোষ কুমার ঘোষ সাহিত্যের এবং সাংবাদিকার ভাষাকে এক করে দিলেন। তিনি সাহিত্যের সঙ্গে সাংবাদিকতা ভাষাকে অন্য এক মাত্রা এনে দেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের বিবেক তবে এখন তা অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। মুক্তিযোদ্ধ, শিক্ষক, সাহিত্যক সাংবাদিকরা যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক ছায়া তলে বিভিক্ত হয়ে যেতে দেখি কখন আমি বুঝি আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। আজকের দিনে সেই সাহসিকার সাংবাদিকতা আর পাই না। একটি বিচিত্র সমাজে আমরা সববাস করছি। বাংলাদেশকে বদলে দেবার জন্য আমাদের কিছু সৃজনশীল কিছু সাহসী মানুষ দরকার। সেই কাজটি করতে পারে আমাদের সাংবাদিকরা। তিনি আরো বলেন, একজন লেখক ও সাংবাদিক সমাজ তথা রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করেন। তারা দুজনেই বিবেক নিয়ে কাজ করেন

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সাংবদিক মঈনুদ্দিন নাসের, ঠিকানা পত্রিকার সম্পাদক লাবলু আনসার, এখন সময় পত্রিকার সম্পাদক কাজী শামসুল হক, আজকাল পত্রিকার সম্পাদক আহমেদ মূসা, সাংবাদিক আনোয়ার হোসাইন মঞ্জু, কলামিষ্ট বেলাল বেগ, সাংবাদিক শরীফ শাহাবুদ্দিন, মুজাহিদ আনসারী, মীর শিবলি, তাওহিদুল ইসলাম, সঞ্জীবন কুমার, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, ব্যবসায়ী সাঈদ রহমান মান্নান ও জেবিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান। সেমিনারে ছড়া পাঠ করেন মনজুর কাদের।

নঈম নিজাম বলেন, বাংলাদেশের সাহিত্য এবং সাংবাদিকাতা দুটি বিষয় গভির ভাবে জড়িত। নানান মত এবং পথ থাকবে কিন্তু দেশের সংবিধানের এবং চেতনার সঙ্গে কোনো বিরোধ থকবে না। আমেরিকা যখন ইরাক বা আফগানিস্তানে যুদ্ধে যায় তখন এখানকার মূল পত্রিকাগুলো সে দেশের নিরিহ মানুষের কথা বিস্তর ভাবে লিখতে পারে না। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন যারা উইনিয়ন সাংবাদিকতা তথা নেতৃত্ব করেন তাদের অনেকে কখনোই সাংবাদিকতা করেন নাই। কেউ কেউ অখ্যাত পত্রিকার সাংবাদিক। তাদের জন্য আমাদের ঐক্য হচ্ছে না। তারা ইউনিয়নের নেতা হয়ে বিরোধ জিইয়ে রাখেন। সাংবদিক মঈনুদ্দিন নাসের, বাংলাদেশে সাংবাদিকতার উপর খড়গ নেমে এসেছে। তার কোনো তার প্রতিবাদ করছে না। আমি তাদের ধিক্কার জানাই। বাংলাদেশে আজ সাংবাদিকরা নিজেরা নিজেদের বিরোধীতা করছে।

সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক আহমেদ মূসা বলেন, আমাদের পরবর্তী প্রজমন্ম যেনো ভুল বাংলা ভাষা না শিখে তার দায়িত্ব সাংবাদিক এবং সাহিত্যকদের নিতে হবে। সাপ্তাহিক ঠিকানার সম্পাদক লাবলু আনসার তার বক্তব্যে লতিফ সিদ্দিকী প্রবাসি সাংবাদিকদের এবং সংবাদ পত্র সম্পর্কে যে মন্তব্য করেন তার প্রতিবাদ করে তার গ্রেফতারের দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যক ইমদাদুল হক মিলনকে প্রেস ক্লাবের স্মারক কোটপিন পড়িয়ে দেন মীর ই ওয়াজিদ শিবলী । বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পদক নঈম নিজামকে কোটপিন পড়িয়ে দেন রিজু মোহাম্মদ ।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন খবর ডট কমের সহ-সম্পাদক মো: মশিউর রহমান মজুমদার, বর্ণমালা পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, প্রবাস পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ওয়ালীউল আলম, দৈনিক ইত্তেফাক-এর যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি ও বাঙালী’র প্রতিবেদক শহীদুল ইসলাম, দৈনিক ভোরের কাগজ-এর যুগ্ম বার্তা সম্পাদক শামীম আহমেদ, এবিএন নিউজ এজেন্সীর সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ, এটিএন বাংলা’র সাংবাদিক কানু দত্ত, এটিএন নিউজ এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি রিজু মোহাম্মদ, সাপ্তাহিক ২০০০ এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরণ, সাপ্তাহিক-এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি নিহার সিদ্দিকী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও সুধীজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি এ্যাক্টিভিষ্ট নাসরিন চৌধুরী, শাহাদাত সবুজ, লুৎফা শাহীন, এটর্নী মঈন চৌধুরী, তোফাজ্জল লিটন, শাহাদাত হোসেন, বিশ্বজিত সাহা, সাজ্জাদ হোসাইন, ফারহানা চৌধুরী, জাহাঙ্গীর মিয়া, শাহাদাত হোসেন, নূরে আজম বাবু প্রমুখ।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ‘বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংবাদপত্র’ শীষর্ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ১১:১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৪

নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংবাদপত্র’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১৪ অক্টোবর। সেমিনারে অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও নন্দিত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন এবং বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সম্পাদক ও টক-শো আলোচক নঈম নিজাম। সেমিনারের আয়োজন করে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব। জ্যাকস হাইটসের পালকী পার্টি হলে আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক নাজমুল আহসান এবং সেমিনার পরিচালনা করেন প্রেসকøাবের সাধারণ সম্পাদক ও এটিএন বাংলা’র যুক্তরাষ্ট্র কার্যালয়ের বার্তা সম্পাদক দর্পণ কবীর ও প্রবাস পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ। সেমিনারের প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর আলোচনা করতে গিয়ে অতিথিরা বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা ছড়িয়ে পড়ছে বলে বাংলা সাহিত্যও আজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। তারা বলেছেন, একজন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক দুজনেই বিবেক নিয়ে কাজ করেন এবং তারা সমাজ তথা রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করছেন। সাংবাদিকদের মধ্যে অনৈক্য থাকলে সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তারা বলেন, দেশে আজ মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, লেখক-সাহিত্যকরা ভাগ হয়ে যাচ্ছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। এটা কাম্য নয়।

তারা আরো বলেন, আমাদের দেশ গঠনের জন্য বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা জরুরি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র সম্পর্কে বক্তারা বলেছেন, সু-শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। যে কোন আইনের খড়গ মুক্ত সাংবাদিকতাকে বাধা গ্রস্থ করে। দেশের সাংবাদিক সমাজকেও রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি থেকে নিজেদের বিরত রাখতে হবে। সাংবাদিকরাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে দেশ তথা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারেন। আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে কথা সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বাংলা সাহিত্যের উপর বক্তব্য রাখেন এবং সাংবাদিতার উপর বক্তব্য রাখেন নঈম নিজাম। সমবেত সাংবাদিক-সুধীজনের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।

NYBPress

সেমিনারে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, আমি যখন কালের কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক হলাম তখন অনেকে ভয় পেয়ে গেলেন মনে করলেন আমার সাহিত্য শেষ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অনেক বড় সাহিত্যিক সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক ছিলেন। আনন্দ বাজার পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সন্তোষ কুমার ঘোষ সাহিত্যের এবং সাংবাদিকার ভাষাকে এক করে দিলেন। তিনি সাহিত্যের সঙ্গে সাংবাদিকতা ভাষাকে অন্য এক মাত্রা এনে দেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের বিবেক তবে এখন তা অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। মুক্তিযোদ্ধ, শিক্ষক, সাহিত্যক সাংবাদিকরা যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক ছায়া তলে বিভিক্ত হয়ে যেতে দেখি কখন আমি বুঝি আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। আজকের দিনে সেই সাহসিকার সাংবাদিকতা আর পাই না। একটি বিচিত্র সমাজে আমরা সববাস করছি। বাংলাদেশকে বদলে দেবার জন্য আমাদের কিছু সৃজনশীল কিছু সাহসী মানুষ দরকার। সেই কাজটি করতে পারে আমাদের সাংবাদিকরা। তিনি আরো বলেন, একজন লেখক ও সাংবাদিক সমাজ তথা রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করেন। তারা দুজনেই বিবেক নিয়ে কাজ করেন

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সাংবদিক মঈনুদ্দিন নাসের, ঠিকানা পত্রিকার সম্পাদক লাবলু আনসার, এখন সময় পত্রিকার সম্পাদক কাজী শামসুল হক, আজকাল পত্রিকার সম্পাদক আহমেদ মূসা, সাংবাদিক আনোয়ার হোসাইন মঞ্জু, কলামিষ্ট বেলাল বেগ, সাংবাদিক শরীফ শাহাবুদ্দিন, মুজাহিদ আনসারী, মীর শিবলি, তাওহিদুল ইসলাম, সঞ্জীবন কুমার, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, ব্যবসায়ী সাঈদ রহমান মান্নান ও জেবিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান। সেমিনারে ছড়া পাঠ করেন মনজুর কাদের।

নঈম নিজাম বলেন, বাংলাদেশের সাহিত্য এবং সাংবাদিকাতা দুটি বিষয় গভির ভাবে জড়িত। নানান মত এবং পথ থাকবে কিন্তু দেশের সংবিধানের এবং চেতনার সঙ্গে কোনো বিরোধ থকবে না। আমেরিকা যখন ইরাক বা আফগানিস্তানে যুদ্ধে যায় তখন এখানকার মূল পত্রিকাগুলো সে দেশের নিরিহ মানুষের কথা বিস্তর ভাবে লিখতে পারে না। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন যারা উইনিয়ন সাংবাদিকতা তথা নেতৃত্ব করেন তাদের অনেকে কখনোই সাংবাদিকতা করেন নাই। কেউ কেউ অখ্যাত পত্রিকার সাংবাদিক। তাদের জন্য আমাদের ঐক্য হচ্ছে না। তারা ইউনিয়নের নেতা হয়ে বিরোধ জিইয়ে রাখেন। সাংবদিক মঈনুদ্দিন নাসের, বাংলাদেশে সাংবাদিকতার উপর খড়গ নেমে এসেছে। তার কোনো তার প্রতিবাদ করছে না। আমি তাদের ধিক্কার জানাই। বাংলাদেশে আজ সাংবাদিকরা নিজেরা নিজেদের বিরোধীতা করছে।

সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক আহমেদ মূসা বলেন, আমাদের পরবর্তী প্রজমন্ম যেনো ভুল বাংলা ভাষা না শিখে তার দায়িত্ব সাংবাদিক এবং সাহিত্যকদের নিতে হবে। সাপ্তাহিক ঠিকানার সম্পাদক লাবলু আনসার তার বক্তব্যে লতিফ সিদ্দিকী প্রবাসি সাংবাদিকদের এবং সংবাদ পত্র সম্পর্কে যে মন্তব্য করেন তার প্রতিবাদ করে তার গ্রেফতারের দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যক ইমদাদুল হক মিলনকে প্রেস ক্লাবের স্মারক কোটপিন পড়িয়ে দেন মীর ই ওয়াজিদ শিবলী । বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পদক নঈম নিজামকে কোটপিন পড়িয়ে দেন রিজু মোহাম্মদ ।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন খবর ডট কমের সহ-সম্পাদক মো: মশিউর রহমান মজুমদার, বর্ণমালা পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, প্রবাস পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ওয়ালীউল আলম, দৈনিক ইত্তেফাক-এর যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি ও বাঙালী’র প্রতিবেদক শহীদুল ইসলাম, দৈনিক ভোরের কাগজ-এর যুগ্ম বার্তা সম্পাদক শামীম আহমেদ, এবিএন নিউজ এজেন্সীর সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ, এটিএন বাংলা’র সাংবাদিক কানু দত্ত, এটিএন নিউজ এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি রিজু মোহাম্মদ, সাপ্তাহিক ২০০০ এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরণ, সাপ্তাহিক-এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি নিহার সিদ্দিকী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও সুধীজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি এ্যাক্টিভিষ্ট নাসরিন চৌধুরী, শাহাদাত সবুজ, লুৎফা শাহীন, এটর্নী মঈন চৌধুরী, তোফাজ্জল লিটন, শাহাদাত হোসেন, বিশ্বজিত সাহা, সাজ্জাদ হোসাইন, ফারহানা চৌধুরী, জাহাঙ্গীর মিয়া, শাহাদাত হোসেন, নূরে আজম বাবু প্রমুখ।