নিউইয়র্ক ১১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

দলের নেতাদের ‘শায়েস্তায়’ বিএনপির কাছে যুক্তরাষ্ট্র আ. লীগ সভাপতি

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০১৫
  • / ৫০৭ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজের দলে প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীদের ‘শায়েস্তা’ করতে বিএনপির সহায়তা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। সোমবার (১৬ মার্চ) নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হয়।
অভিযোগের সপক্ষে একটি ভিডিও দেখিয়েছেন নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের নেতারা, যাতে সিদ্দিকুর রহমানকে গত রোববার (১৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেখা যায়। ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাংবাদিক সম্মেলনস্থলে সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে তার সমর্থক কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখা যায়।
ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাটকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা হয়ে গেছে। কথা শেষ। উনারা (আওয়ামী লীগ নেতারা) পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে যে, উনারা বাদে কেউ যদি আওয়ামী লীগের নাম নিয়ে আসে তাহলে তাদেরকে বান্দে (বেঁধে) রেখে দেব।’
এরপর সিদ্দিকুরের সঙ্গে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্য থেকে বলা হয়, এটাই শেষ কথা। তারপর সিদ্দিকুরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতারা সবাই ওই স্থান ত্যাগ করেন।
দলের যুক্তরাষ্ট্র সভাপতির বিরুদ্ধে সংিবাদিক সম্মেলনে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরনবী কমান্ডার ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের সাথে আঁতাত করে সিদ্দিকুর রহমান আমাদের শায়েস্তা করতে চান’। ‘আমরা তার (সিদ্দিকুর) অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করি বলে আমাদেরকে বিএনপি-জামায়াত দিয়ে শায়েস্তার ষড়যন্ত্র করছেন তিনি।’
তবে সিদ্দিকুর তার বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগের বিষয়ে বলেন, এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক।
প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের ষড়যন্ত্রকারী রিজভী আহমেদ সিজার বিএনপির ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হবেন বলে খবর পেয়ে সেখানে যান সিদ্দিকুর।
অন্যদিকে বিএনপি সাংবাদিক সম্মেলনস্থলের প্রবেশ পথে অবস্থান নেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারাও। সিজারকে দেখলেই ধাওয়া দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। ওই সময় সিদ্দিকুরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা সরাসরি ঢুকে যান বিএনপির সাংবাদিক সম্মেলনস্থলে। সেখানেই বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ সম্রাটের সঙ্গে কথা হয় তাদের।
সাংবাদিক সম্মেলনে নূরনবী কমান্ডার যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, সিদ্দিকুর অযাচিতভাবে নিউইয়র্ক মহানগর কমিটির বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন।
নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরীকে অব্যাহতির নোটিস দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এর আগেও যারাই তার (সিদ্দিকুর) অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করেছে, তাদেরকেই বহিষ্কারের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সভানেত্রীর (শেখ হাসিনা) ধমকে ওই সব বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে বাধ্য হয়েছেন।’
সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসিব মামুন ও মহিউদ্দিন দেওয়ান এবং প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম ছিলেন। এই তিনজনকে সিদ্দিকুর বহিষ্কারের নোটিস দিয়েছিলেন, পরে তা প্রত্যাহার হয়।
নূরনবী দাবি করেন, দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের মতোই নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়। ফলে এই কমিটির কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার কেবল শেখ হাসিনার।
তবে সিদ্দিকুর বলেন, ‘সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার স্বাক্ষরেই নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়েছে। তাই ওই কমিটির কাউকে বহিষ্কার/অব্যাহতির ক্ষমতা আমার রয়েছে।’
নূরনবী বলেন, ‘সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানের আগে যে সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা দরকার, তার কোনোটিই তিনি জানেন না। সাংগঠনিক রীতি সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান থাকলে এ ধরনের তৎপরতায় লিপ্ত হতে পারতেন না তিনি (সিদ্দিকুর)।’ তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে স্বৈরাচার ভর করেছে। স্বৈরাচারমুক্ত না হতে পারলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।’
নোয়াখালী অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরনবী দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দন্ডিত সিজারের বাবা নোয়াখালীর মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন যে একাত্তরে রাজাকার ছিলেন, সে তথ্য প্রকাশ করায় মামুনের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। ‘তাই কি আমরা সিদ্দিকুর রহমানের রোষানলে পড়েছি?’
সিদ্দিকুরের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তুলে নূরনবী বলেন, ‘এর আগে তিনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। কথায় কথায় হাই কমান্ডের দোহাই দিয়ে সহজ-সরল কর্মীদের বিভ্রান্ত করেন তিনি।’ নূরনবীর সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে থাকা সবাই সিদ্দিকুরের সমালোচনা করেন।
সাংবাদিবক সম্মেলনে ছিলেন নিউইয়র্ক রাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নূরুজ্জামান সর্দার, সহ সভাপতি দরুদ মিয়া রনেল, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের মিয়া, প্রজন্ম একাত্তরের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি শিবলী সাদিক শিবলু, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভানেত্রী মুর্শেদা জামান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদের নেতা শরাফ সরকার, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মিনহাজ শরীফ রাসেল ও সহ সভাপতি মাসুদ হোসেন সিরাজি, ব্রুকলিন আওয়ামী লীগের নেতা ইসমত হক খোকন প্রমুখ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

দলের নেতাদের ‘শায়েস্তায়’ বিএনপির কাছে যুক্তরাষ্ট্র আ. লীগ সভাপতি

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০১৫

নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজের দলে প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীদের ‘শায়েস্তা’ করতে বিএনপির সহায়তা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। সোমবার (১৬ মার্চ) নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হয়।
অভিযোগের সপক্ষে একটি ভিডিও দেখিয়েছেন নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের নেতারা, যাতে সিদ্দিকুর রহমানকে গত রোববার (১৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেখা যায়। ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাংবাদিক সম্মেলনস্থলে সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে তার সমর্থক কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখা যায়।
ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাটকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা হয়ে গেছে। কথা শেষ। উনারা (আওয়ামী লীগ নেতারা) পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে যে, উনারা বাদে কেউ যদি আওয়ামী লীগের নাম নিয়ে আসে তাহলে তাদেরকে বান্দে (বেঁধে) রেখে দেব।’
এরপর সিদ্দিকুরের সঙ্গে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্য থেকে বলা হয়, এটাই শেষ কথা। তারপর সিদ্দিকুরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতারা সবাই ওই স্থান ত্যাগ করেন।
দলের যুক্তরাষ্ট্র সভাপতির বিরুদ্ধে সংিবাদিক সম্মেলনে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরনবী কমান্ডার ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের সাথে আঁতাত করে সিদ্দিকুর রহমান আমাদের শায়েস্তা করতে চান’। ‘আমরা তার (সিদ্দিকুর) অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করি বলে আমাদেরকে বিএনপি-জামায়াত দিয়ে শায়েস্তার ষড়যন্ত্র করছেন তিনি।’
তবে সিদ্দিকুর তার বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগের বিষয়ে বলেন, এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক।
প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের ষড়যন্ত্রকারী রিজভী আহমেদ সিজার বিএনপির ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হবেন বলে খবর পেয়ে সেখানে যান সিদ্দিকুর।
অন্যদিকে বিএনপি সাংবাদিক সম্মেলনস্থলের প্রবেশ পথে অবস্থান নেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারাও। সিজারকে দেখলেই ধাওয়া দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। ওই সময় সিদ্দিকুরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা সরাসরি ঢুকে যান বিএনপির সাংবাদিক সম্মেলনস্থলে। সেখানেই বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ সম্রাটের সঙ্গে কথা হয় তাদের।
সাংবাদিক সম্মেলনে নূরনবী কমান্ডার যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, সিদ্দিকুর অযাচিতভাবে নিউইয়র্ক মহানগর কমিটির বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন।
নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরীকে অব্যাহতির নোটিস দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এর আগেও যারাই তার (সিদ্দিকুর) অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করেছে, তাদেরকেই বহিষ্কারের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সভানেত্রীর (শেখ হাসিনা) ধমকে ওই সব বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে বাধ্য হয়েছেন।’
সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসিব মামুন ও মহিউদ্দিন দেওয়ান এবং প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম ছিলেন। এই তিনজনকে সিদ্দিকুর বহিষ্কারের নোটিস দিয়েছিলেন, পরে তা প্রত্যাহার হয়।
নূরনবী দাবি করেন, দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের মতোই নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়। ফলে এই কমিটির কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার কেবল শেখ হাসিনার।
তবে সিদ্দিকুর বলেন, ‘সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার স্বাক্ষরেই নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়েছে। তাই ওই কমিটির কাউকে বহিষ্কার/অব্যাহতির ক্ষমতা আমার রয়েছে।’
নূরনবী বলেন, ‘সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানের আগে যে সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা দরকার, তার কোনোটিই তিনি জানেন না। সাংগঠনিক রীতি সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান থাকলে এ ধরনের তৎপরতায় লিপ্ত হতে পারতেন না তিনি (সিদ্দিকুর)।’ তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে স্বৈরাচার ভর করেছে। স্বৈরাচারমুক্ত না হতে পারলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।’
নোয়াখালী অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরনবী দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দন্ডিত সিজারের বাবা নোয়াখালীর মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন যে একাত্তরে রাজাকার ছিলেন, সে তথ্য প্রকাশ করায় মামুনের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। ‘তাই কি আমরা সিদ্দিকুর রহমানের রোষানলে পড়েছি?’
সিদ্দিকুরের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তুলে নূরনবী বলেন, ‘এর আগে তিনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। কথায় কথায় হাই কমান্ডের দোহাই দিয়ে সহজ-সরল কর্মীদের বিভ্রান্ত করেন তিনি।’ নূরনবীর সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে থাকা সবাই সিদ্দিকুরের সমালোচনা করেন।
সাংবাদিবক সম্মেলনে ছিলেন নিউইয়র্ক রাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নূরুজ্জামান সর্দার, সহ সভাপতি দরুদ মিয়া রনেল, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের মিয়া, প্রজন্ম একাত্তরের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি শিবলী সাদিক শিবলু, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভানেত্রী মুর্শেদা জামান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদের নেতা শরাফ সরকার, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মিনহাজ শরীফ রাসেল ও সহ সভাপতি মাসুদ হোসেন সিরাজি, ব্রুকলিন আওয়ামী লীগের নেতা ইসমত হক খোকন প্রমুখ।