নিউইয়র্ক ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

জয়’সহ শীর্ষ দূর্নীতিবাজদের তথ্য ফাঁস করে দেবো

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০২:৪০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০১৫
  • / ৫৬৬ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের কথিত ৩০০ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতির তথ্য ফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত রিজভী আহমেদ সিজারের, বিয়াল্লিশ মাসের কারাভোগ শুরু হয়েছে ২০ এপ্রিল সোমবার থেকে। কারাগারে যাবার আগ মুহূর্তে ১৮ এপ্রিল শনিবার, কানেকটিকাটের নিজ বাড়ীতে এক জরুরী সংবাদিক সম্মেলন ডাকেন সিজার, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন শুধু জয়ই নয় বরং বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারাও জড়িত এ ঘটনায়। তবে অচিরেই জয়সহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সবার নাম প্রকাশ পাবে এমনটিই জানিয়েছেন সিজার।
নিজের কাছে সব তথ্য আছে এবং সময় হলেই তা সবার কাছে প্রকাশ করবেন বলে জানান তিনি। সিজার জানান, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রধানমন্ত্রীর পুত্রের এসব জালিয়াতির কথা জানতে পেরেই তিনি আগ্রহী হন, ঘটনার গভীরে কি আছে তা জানতে। আর এ ক্ষেত্রে নিজ বন্ধু ও এফবিআই’এর সাবেক এক কর্মকর্তার সহায়তা নেন তিনি। বিভিন্ন মিডিয়ায় জয়ের তথ্য নেয়ার জন্য ঐ এফবিআই এজেন্টকে মোটা অংকের অর্থ দেয়ার সংবাদ প্রচারিত হলেও সিজার তা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন এজন্য এফবিআই এজেন্টকে মাত্র ১ হাজার ডলার দিয়েছিলেন তিনি। সিজার এ সময় বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কারা কারা এ লেনদেনের সাথে যুক্ত তার সব প্রমাণই তার কাছে আছে। সময় হলেই সব কিছু মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ করবেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে সিজার বলেন, শুধু জয় কিংবা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ই নয় বরং যুক্তরাষ্ট্রে সরকার দলীয় কিছু নেতা-কর্মীও জয়ের এই অর্থ কেলেংকারীর সাথে যুক্ত। তাদের কেউ কেউ জয়ের সঙ্গে যৌথ একাউন্টের মাধ্যমে বিপুল আর্থিক লেনদেন করেছে বলেও জানান সিজার। আর এজন্য বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছেন তারা। এসব নেতাকর্মীদের সব তথ্যও তার কাছে আছে বলে জানিয়েছেন সিজার। সিজার আরো বলেন, শুধু অর্থ কেলেংকারীই নয় যুক্তরাষ্ট্রের আইন ভঙ্গের কারণে এর আগেও জয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে।
সিজার বলেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছিলো না তার এই তথ্য সংগ্রহের পেছনে। বরং দেশপ্রেম এবং বর্তমানে দেশে যে অস্বাভাবিক লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হয়েছে, তার প্রতিরোধের জন্যই তার এই তথ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা। এ কাজটি করতে যেয়ে তাকে জেলে যেতে হচ্ছে যা পুরো পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের ওপরই প্রভাব ফেলবে, সেসব জেনেও তিনি ঝুঁকি নিয়েছেন শুধুমাত্র দেশের ভালোর জন্যই। তিনি বলেন, এই দুর্নীতির পেছনে যারা জড়িত আছেন তাদের সব তথ্য অচিরেই বেরিয়ে আসবে। কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নয় বরং দেশের স্বার্থে; একজন দেশপ্রেমিক হিসেবেই, বিশাল এই দুর্নীতির রহস্য উদঘাটনে তৎপর হন তিনি।
সিজার বলেন, জেলে গেলেও থেমে থাকবেনা তার এই অনুসন্ধান। কাজ চলছে এবং অচিরেই প্রমাণসহ এসব অভিযোগের সত্যতা সবার সামনে তুলে ধরবেন তিনি। উল্লেখ্য, গেলো ১৪ মার্চ নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এ বিষয়ে সংবাদিক সম্মেলন করতে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বাঁধার কারণে তা পন্ড হয়ে যায়। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

জয়’সহ শীর্ষ দূর্নীতিবাজদের তথ্য ফাঁস করে দেবো

প্রকাশের সময় : ০২:৪০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০১৫

নিউইয়র্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের কথিত ৩০০ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতির তথ্য ফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত রিজভী আহমেদ সিজারের, বিয়াল্লিশ মাসের কারাভোগ শুরু হয়েছে ২০ এপ্রিল সোমবার থেকে। কারাগারে যাবার আগ মুহূর্তে ১৮ এপ্রিল শনিবার, কানেকটিকাটের নিজ বাড়ীতে এক জরুরী সংবাদিক সম্মেলন ডাকেন সিজার, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন শুধু জয়ই নয় বরং বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারাও জড়িত এ ঘটনায়। তবে অচিরেই জয়সহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সবার নাম প্রকাশ পাবে এমনটিই জানিয়েছেন সিজার।
নিজের কাছে সব তথ্য আছে এবং সময় হলেই তা সবার কাছে প্রকাশ করবেন বলে জানান তিনি। সিজার জানান, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রধানমন্ত্রীর পুত্রের এসব জালিয়াতির কথা জানতে পেরেই তিনি আগ্রহী হন, ঘটনার গভীরে কি আছে তা জানতে। আর এ ক্ষেত্রে নিজ বন্ধু ও এফবিআই’এর সাবেক এক কর্মকর্তার সহায়তা নেন তিনি। বিভিন্ন মিডিয়ায় জয়ের তথ্য নেয়ার জন্য ঐ এফবিআই এজেন্টকে মোটা অংকের অর্থ দেয়ার সংবাদ প্রচারিত হলেও সিজার তা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন এজন্য এফবিআই এজেন্টকে মাত্র ১ হাজার ডলার দিয়েছিলেন তিনি। সিজার এ সময় বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কারা কারা এ লেনদেনের সাথে যুক্ত তার সব প্রমাণই তার কাছে আছে। সময় হলেই সব কিছু মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ করবেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে সিজার বলেন, শুধু জয় কিংবা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ই নয় বরং যুক্তরাষ্ট্রে সরকার দলীয় কিছু নেতা-কর্মীও জয়ের এই অর্থ কেলেংকারীর সাথে যুক্ত। তাদের কেউ কেউ জয়ের সঙ্গে যৌথ একাউন্টের মাধ্যমে বিপুল আর্থিক লেনদেন করেছে বলেও জানান সিজার। আর এজন্য বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছেন তারা। এসব নেতাকর্মীদের সব তথ্যও তার কাছে আছে বলে জানিয়েছেন সিজার। সিজার আরো বলেন, শুধু অর্থ কেলেংকারীই নয় যুক্তরাষ্ট্রের আইন ভঙ্গের কারণে এর আগেও জয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে।
সিজার বলেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছিলো না তার এই তথ্য সংগ্রহের পেছনে। বরং দেশপ্রেম এবং বর্তমানে দেশে যে অস্বাভাবিক লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হয়েছে, তার প্রতিরোধের জন্যই তার এই তথ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা। এ কাজটি করতে যেয়ে তাকে জেলে যেতে হচ্ছে যা পুরো পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের ওপরই প্রভাব ফেলবে, সেসব জেনেও তিনি ঝুঁকি নিয়েছেন শুধুমাত্র দেশের ভালোর জন্যই। তিনি বলেন, এই দুর্নীতির পেছনে যারা জড়িত আছেন তাদের সব তথ্য অচিরেই বেরিয়ে আসবে। কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নয় বরং দেশের স্বার্থে; একজন দেশপ্রেমিক হিসেবেই, বিশাল এই দুর্নীতির রহস্য উদঘাটনে তৎপর হন তিনি।
সিজার বলেন, জেলে গেলেও থেমে থাকবেনা তার এই অনুসন্ধান। কাজ চলছে এবং অচিরেই প্রমাণসহ এসব অভিযোগের সত্যতা সবার সামনে তুলে ধরবেন তিনি। উল্লেখ্য, গেলো ১৪ মার্চ নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এ বিষয়ে সংবাদিক সম্মেলন করতে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বাঁধার কারণে তা পন্ড হয়ে যায়। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)