নিউইয়র্ক ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

জ্যামাইকায় চোর দম্পতি গ্রেফতার : কমিউনিটিতে চাঞ্চল্য

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০১৫
  • / ৭৮৯ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: সিটির জ্যামাইকার হিলসাইডস্থ বাংলাদেশী মালিকানাধীন একটি ফ্যাশন হাউজ থেকে পোশাক চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক বাংলাদেশী চোর দম্পতি। তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গত ৩ মে রোববার এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর জ্যামাইকাবাসী বাংলাদেশীসহ কমিউনিটিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন বাংলাদেশী মধ্য বয়সী এক দম্পতি হিলসাইড এভিনিস্থ বাংলাদেশী মালিকানাধীন ফেব্রিক্স প্লাস নামক একটি ফ্যাশন স্টোরে ক্রেতা হিসেবে ঢুকে কেনাকাটার ভান করে একপর্যায়ে ঐ দম্পতি আবুল হোসেন বিক্রেতার সাথে কথা বলার সময় তার স্ত্রী মাহফুজা ডালিম কৌশলে চেইন লাগানো ট্রলি ব্যাগে চুরি করা মাল রাখতে গেলে ধরা পড়েন। সিকিউরিটি ক্যামেরায় তাদের চুরির ঘটনা ধরা পড়ে। ঘটনার সময় তারা চুরিকৃত সামগ্রী নিয়ে স্টোরে সামনে অপেক্ষমান গাড়ীতে উঠার সময় তাদেরকে সনাক্ত করা হয়। এই দম্পতির বিরুদ্ধে গত ২৬ এপ্রিল একই স্টোরে চুরি করার রেকর্ড রয়েছে সিকিউরিটি ক্যামেরায়। চুরির ঘটনার পর স্টোরটির অন্যতম স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ ইসলাম পুলিশ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে চুরির অভিযোগে হাতেনাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। আটককৃত আবুল হোসেনের বাড়ী বরিশালের বাকেরগঞ্জ। নিউইয়র্কের একটি ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানীতে কর্মরত অবস্থায় আবুল হোসেন কর্তৃক বিপুল পরিমান অর্থ ও মালামাল হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
আরো জানা গেছে, চুরির দায়ে গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন দম্পতি ‘পেশাজীবী চোর’। বিভিন্ন স্টোরে ক্রেতা সেজে জিনিসপত্র চুরি করে জীবিকা নির্বাহ করাই তাদের কাজ। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে তারা এই চুরি পেশার সাথে জড়িত। বিখ্যাত মেসিস সহ বিভিন্ন স্টোরে চুরির দায়ে ইতিপূর্বে এই দম্পতি একাধিকবার আটক হন। আবুল হোসেন দম্পতির সাথে আরো অনেকেই চুরি পেশার সাথে জড়িত বলে সূত্র জানান। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, চুরির অভিযোগে আটক জামিনে রয়েছেন এবং কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টে মামলার পরবর্তী তারিখ ২ নভেম্বর।
কমিউনিটির পরিচিত মুখ, কমিউনিটি বোর্ড-৮ এর সদস্য এবং ফেব্রিক্স প্লাস-এর অন্যতম স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার তাদের স্টোরে প্রকাশ্য দিবালোকে চুরির ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ এবং চুরি রোধে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সতর্ক থাকার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

জ্যামাইকায় চোর দম্পতি গ্রেফতার : কমিউনিটিতে চাঞ্চল্য

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০১৫

নিউইয়র্ক: সিটির জ্যামাইকার হিলসাইডস্থ বাংলাদেশী মালিকানাধীন একটি ফ্যাশন হাউজ থেকে পোশাক চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক বাংলাদেশী চোর দম্পতি। তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গত ৩ মে রোববার এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর জ্যামাইকাবাসী বাংলাদেশীসহ কমিউনিটিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন বাংলাদেশী মধ্য বয়সী এক দম্পতি হিলসাইড এভিনিস্থ বাংলাদেশী মালিকানাধীন ফেব্রিক্স প্লাস নামক একটি ফ্যাশন স্টোরে ক্রেতা হিসেবে ঢুকে কেনাকাটার ভান করে একপর্যায়ে ঐ দম্পতি আবুল হোসেন বিক্রেতার সাথে কথা বলার সময় তার স্ত্রী মাহফুজা ডালিম কৌশলে চেইন লাগানো ট্রলি ব্যাগে চুরি করা মাল রাখতে গেলে ধরা পড়েন। সিকিউরিটি ক্যামেরায় তাদের চুরির ঘটনা ধরা পড়ে। ঘটনার সময় তারা চুরিকৃত সামগ্রী নিয়ে স্টোরে সামনে অপেক্ষমান গাড়ীতে উঠার সময় তাদেরকে সনাক্ত করা হয়। এই দম্পতির বিরুদ্ধে গত ২৬ এপ্রিল একই স্টোরে চুরি করার রেকর্ড রয়েছে সিকিউরিটি ক্যামেরায়। চুরির ঘটনার পর স্টোরটির অন্যতম স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ ইসলাম পুলিশ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে চুরির অভিযোগে হাতেনাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। আটককৃত আবুল হোসেনের বাড়ী বরিশালের বাকেরগঞ্জ। নিউইয়র্কের একটি ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানীতে কর্মরত অবস্থায় আবুল হোসেন কর্তৃক বিপুল পরিমান অর্থ ও মালামাল হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
আরো জানা গেছে, চুরির দায়ে গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন দম্পতি ‘পেশাজীবী চোর’। বিভিন্ন স্টোরে ক্রেতা সেজে জিনিসপত্র চুরি করে জীবিকা নির্বাহ করাই তাদের কাজ। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে তারা এই চুরি পেশার সাথে জড়িত। বিখ্যাত মেসিস সহ বিভিন্ন স্টোরে চুরির দায়ে ইতিপূর্বে এই দম্পতি একাধিকবার আটক হন। আবুল হোসেন দম্পতির সাথে আরো অনেকেই চুরি পেশার সাথে জড়িত বলে সূত্র জানান। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, চুরির অভিযোগে আটক জামিনে রয়েছেন এবং কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টে মামলার পরবর্তী তারিখ ২ নভেম্বর।
কমিউনিটির পরিচিত মুখ, কমিউনিটি বোর্ড-৮ এর সদস্য এবং ফেব্রিক্স প্লাস-এর অন্যতম স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার তাদের স্টোরে প্রকাশ্য দিবালোকে চুরির ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ এবং চুরি রোধে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সতর্ক থাকার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।