নিউইয়র্ক ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

জ্যাকব মিল্টনের অনুষ্ঠানে সাদাফী : টাইম টিভি’র সিইও আবু তাহেরের ব্যাখ্যা

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০১৬
  • / ৬৮৯ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: টাইম টেলিভিশনের সিইও আবু তাহের তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে টাইম টিভিতে জ্যাকব মিল্টনের অনুষ্ঠানে ইসরাইলী নাগরিক সাফাদীর যোগদান এবং অনুষ্ঠান বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ব্যাখ্যায় তিনি বলেন- ২৫ মে বুধবার। রাত আনুমানিক ৯টা। ফোন করলেন জ্যাকব মিল্টন। টাইম টিভি স্টুডিওতে একজন অতিথি নিয়ে আসতে চান। বললেন খুবই আলোচিত ব্যক্তিত্ব। জ্যাকব মিল্টনের নিজস্ব অনুষ্ঠানের জন্য সাক্ষাতকার রেকর্ড করতে চান। টাইম টেলিভিশন স্টুডিও একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। কেউ কোন অনুষ্ঠান করতে চাইলে অর্থের বিনিময়ে ভাড়া নিতে পারেন।
রাত ১০টার খবর প্রচারের কিছুক্ষণ পর তারা এলেন। সাথে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বলে পরিচিত জাহিদ এফ সর্দার ও একজন আগুন্তক। দেখে মনে হচ্ছিল বিদেশী। স্টুডিও তখনও রেডি হয়নি। তাই তারা কিছুক্ষণ স্টুডিওর সামনে দাঁড়ালেন।
নিজেরাই নিজেদের সাথে কথা বলছেন। যেহেতু বলা হয়েছে- টাইম টেলিভিশনের কেউ তার সাথে কথা বলতে পারবে না। সেজন্য এনিয়ে কারো ব্যস্ততা নেই।
অপেক্ষার এক পর্যায়ে জাহিদ সর্দার এবং জ্যাকব মিল্টন অতিথিকে নিয়ে এলেন টাইম টেলিভিশন অফিসে।
জ্যাকব মিল্টন পরিচয় দিয়ে বললেন, ইনি সেই ব্যক্তি যার সাথে আসলাম চৌধুরীর দেখা হয়েছিল। যাকে নিয়ে চলছে দেশে বিদেশে চরম বিতর্ক। ইসরাইলী মেনদি সাফাদী হ্যান্ড সেইক করে পরিচয় দিলেন। একটু বিস্মিতই হলাম। শুনেছি তিনি নাকি মোসাদের এজেন্ট।
স্বাভাবিক কুশলাদি বিনিময়ের পর জানতে চাইলাম তার প্রতিক্রিয়া ও আসলাম চৌধুরীর সাথে বৈঠকের বিস্তারিত। একজন সাংবাদিক হিসেবে এধরনের সাবজেক্ট নিয়ে কৌতুহল থাকাটাই স্বাভাবিক।
এরই মধ্যে তারা স্টুডিওতে গেলেন। চলে যাওয়ার আগে টাইম টেলিভিশনের জন্য একটি সাক্ষাতকার নিতে আগ্রহ প্রকাশ করলাম। মেনদি বললেন, সাদির অনুমতি লাগবে। কথা বললেন একাকী। এরপর রাজী হলেন।
রাত অনেক হয়েছে। লোকজন নেই। তার সাক্ষাতকার নেয়া হলো। মেনদি বার বার মানবাধিকার নিয়ে কথা বলছিলেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টিও তুলে আনলেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের পেছনে সরকারের হাত রয়েছে বলে দাবী করলেন।
ইসরাইলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনের অসংখ্য অভিযোগ। সেই ইসরাইলেরই নাগরিক এবং রক্ষনশীল লিকুইদ পার্টি নেতা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলছেন। বিষয়টিকে নিতান্তই মেকি এবং কৃত্রিম বলেই মনে হলো।
এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে, ফিলিস্তিনে ইসরাইলী নির্যাতনের খবর কে উড়িয়ে দিলেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে আসলাম চৌধুরীর সাথে বৈঠক প্রসঙ্গ সাফাদী বললেন, ভারতীয় ক্ষমতাসীন বিজেপি দলের যুব গ্রুপের এক সম্মেলনে দিল্লী গিয়েছিলাম। সেখানে আসলাম চৌধুরীর সাথে ফটোসেশন ছাড়া আর কিছুই হয়নি।
সাক্ষাৎকার শেষ। সাফাদি এবং সাক্ষাতকারের কপি নিয়ে চলে যান তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) এটা আপলোড করা বিভিন্ন অনলাইন ও সোস্যাল মিডিয়াতে।
বিষয়টি আলোচনায় আসার পর টাইম টেলিভিশনকে জড়িয়ে অনেকেই মিথ্যা ও বানোয়াট কাহিনী রচনা করছেন।
আমরা র্দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, একটি মিডিয়ার কাজ হচ্ছে তথ্য সরবরাহ। টাইম টেলিভিশন তাই করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।
টাইম টেলিভিশন কোন দল বা গ্রুপের মুখপাত্র নয়। এটি হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সুখদুঃখের প্রতিচ্ছবি। কমিউনিটিকে অবাধ তথ্য প্রবাহের মহান ব্রত ও অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শু করেছে টাইম টেলিভিশন।
এই দায়বদ্ধতা বাস্তবায়নে অভিষ্ট লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাবে সবার প্রি টাইম টেলিভিশন।- ফেইস বুক থেকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

জ্যাকব মিল্টনের অনুষ্ঠানে সাদাফী : টাইম টিভি’র সিইও আবু তাহেরের ব্যাখ্যা

প্রকাশের সময় : ১১:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০১৬

নিউইয়র্ক: টাইম টেলিভিশনের সিইও আবু তাহের তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে টাইম টিভিতে জ্যাকব মিল্টনের অনুষ্ঠানে ইসরাইলী নাগরিক সাফাদীর যোগদান এবং অনুষ্ঠান বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ব্যাখ্যায় তিনি বলেন- ২৫ মে বুধবার। রাত আনুমানিক ৯টা। ফোন করলেন জ্যাকব মিল্টন। টাইম টিভি স্টুডিওতে একজন অতিথি নিয়ে আসতে চান। বললেন খুবই আলোচিত ব্যক্তিত্ব। জ্যাকব মিল্টনের নিজস্ব অনুষ্ঠানের জন্য সাক্ষাতকার রেকর্ড করতে চান। টাইম টেলিভিশন স্টুডিও একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। কেউ কোন অনুষ্ঠান করতে চাইলে অর্থের বিনিময়ে ভাড়া নিতে পারেন।
রাত ১০টার খবর প্রচারের কিছুক্ষণ পর তারা এলেন। সাথে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বলে পরিচিত জাহিদ এফ সর্দার ও একজন আগুন্তক। দেখে মনে হচ্ছিল বিদেশী। স্টুডিও তখনও রেডি হয়নি। তাই তারা কিছুক্ষণ স্টুডিওর সামনে দাঁড়ালেন।
নিজেরাই নিজেদের সাথে কথা বলছেন। যেহেতু বলা হয়েছে- টাইম টেলিভিশনের কেউ তার সাথে কথা বলতে পারবে না। সেজন্য এনিয়ে কারো ব্যস্ততা নেই।
অপেক্ষার এক পর্যায়ে জাহিদ সর্দার এবং জ্যাকব মিল্টন অতিথিকে নিয়ে এলেন টাইম টেলিভিশন অফিসে।
জ্যাকব মিল্টন পরিচয় দিয়ে বললেন, ইনি সেই ব্যক্তি যার সাথে আসলাম চৌধুরীর দেখা হয়েছিল। যাকে নিয়ে চলছে দেশে বিদেশে চরম বিতর্ক। ইসরাইলী মেনদি সাফাদী হ্যান্ড সেইক করে পরিচয় দিলেন। একটু বিস্মিতই হলাম। শুনেছি তিনি নাকি মোসাদের এজেন্ট।
স্বাভাবিক কুশলাদি বিনিময়ের পর জানতে চাইলাম তার প্রতিক্রিয়া ও আসলাম চৌধুরীর সাথে বৈঠকের বিস্তারিত। একজন সাংবাদিক হিসেবে এধরনের সাবজেক্ট নিয়ে কৌতুহল থাকাটাই স্বাভাবিক।
এরই মধ্যে তারা স্টুডিওতে গেলেন। চলে যাওয়ার আগে টাইম টেলিভিশনের জন্য একটি সাক্ষাতকার নিতে আগ্রহ প্রকাশ করলাম। মেনদি বললেন, সাদির অনুমতি লাগবে। কথা বললেন একাকী। এরপর রাজী হলেন।
রাত অনেক হয়েছে। লোকজন নেই। তার সাক্ষাতকার নেয়া হলো। মেনদি বার বার মানবাধিকার নিয়ে কথা বলছিলেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টিও তুলে আনলেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের পেছনে সরকারের হাত রয়েছে বলে দাবী করলেন।
ইসরাইলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনের অসংখ্য অভিযোগ। সেই ইসরাইলেরই নাগরিক এবং রক্ষনশীল লিকুইদ পার্টি নেতা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলছেন। বিষয়টিকে নিতান্তই মেকি এবং কৃত্রিম বলেই মনে হলো।
এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে, ফিলিস্তিনে ইসরাইলী নির্যাতনের খবর কে উড়িয়ে দিলেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে আসলাম চৌধুরীর সাথে বৈঠক প্রসঙ্গ সাফাদী বললেন, ভারতীয় ক্ষমতাসীন বিজেপি দলের যুব গ্রুপের এক সম্মেলনে দিল্লী গিয়েছিলাম। সেখানে আসলাম চৌধুরীর সাথে ফটোসেশন ছাড়া আর কিছুই হয়নি।
সাক্ষাৎকার শেষ। সাফাদি এবং সাক্ষাতকারের কপি নিয়ে চলে যান তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) এটা আপলোড করা বিভিন্ন অনলাইন ও সোস্যাল মিডিয়াতে।
বিষয়টি আলোচনায় আসার পর টাইম টেলিভিশনকে জড়িয়ে অনেকেই মিথ্যা ও বানোয়াট কাহিনী রচনা করছেন।
আমরা র্দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, একটি মিডিয়ার কাজ হচ্ছে তথ্য সরবরাহ। টাইম টেলিভিশন তাই করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।
টাইম টেলিভিশন কোন দল বা গ্রুপের মুখপাত্র নয়। এটি হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সুখদুঃখের প্রতিচ্ছবি। কমিউনিটিকে অবাধ তথ্য প্রবাহের মহান ব্রত ও অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শু করেছে টাইম টেলিভিশন।
এই দায়বদ্ধতা বাস্তবায়নে অভিষ্ট লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাবে সবার প্রি টাইম টেলিভিশন।- ফেইস বুক থেকে।