নিউইয়র্ক ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

জামালপুর জেলা সমিতি থেকে ৭ জন বরখাস্ত ॥ যথাযথ সময়ই নির্বাচন : ইসি

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০১৫
  • / ৫৭২ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: জামালপুর জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিন্নাত আলী খোকার পরিচালনায় সমিতির কার্যকরী কমিটির এক সভা গত ২৯ মার্চ জ্যামাইকার হিলসাইডস্থ ঘরোয়া রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির ৭জন সদস্যকে সমিতির সংবিধানের আর্টিকেল সপ্তমের অনুচ্ছেদ-২ এর ধারায় তাদেরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বস্কিৃতরা হলেন- যথাক্রমে ডা. মকুল, নাজমুল হক, মোর্শেদা জামান, খন্দকার আবু মুরাদ, আলমগীর খান, মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান সিদ্দিক (স¤্রাট) ও মশিউর রহমান জাষ্টিস।
সভায় নেতৃবৃন্দ বহিস্কৃতদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগে বলেন, গত ২২ মার্চ’২০১৫ ঐ সকল সদস্যবৃন্দ সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে অসাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় পদত্যাগ ও সংবিধান পরিপন্থি নানাবিধ মিথ্যা অপপ্রচারে জামালপুর জেলা সমিতির সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী সকলের ঐক্যেমতে তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বরখাস্তকারীরা কমিটির সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থী না হলে তারা চূড়ান্তভাবে কার্যকরী কমিটি থেকে বহি:স্কৃত হবে এবং তাদের শূন্য পদ পুরনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠী ও কতিপয় ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে গত ২০ বছর যাবৎ ঐতিহ্যবাহী জামালপুর জেলা সমিতিকে দ্বিধা বিভক্ত করে আসছে এবং তারই ধারাবাহীকতায় এবারও সেই চিহ্নিত মহল নির্বাচনের প্রাক্কালে সমিতিকে দ্বিখন্ডিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এবং নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ভয়ে এবারও তারা নানাবিধ ওজুহাত দেখিয়ে ও মিথ্যাচার করে নির্বাচনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপ্রচেষ্টা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয় ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফরম জমা দেওয়ার পর পরই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তাদের জমা দেওয়া সকলের ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফি ফেরৎ নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপর অসাংগঠনিকভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। নেতৃবৃন্দ বলেন ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফি অফেরৎ যোগ্য কিন্তু কোন জামালপুরবাসী যদি জামালপুর জেলা সমিতির ভোটার না হতে চায়, তাহলে তাকে সমিতির সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিতভাবে রেজিষ্ট্রেশন ফি ফেরত চাহিয়া আবেদন করিলে সমিতির নেতৃবৃন্দ তা বিবেচনা করিয়া দেখিবেন। এছাড়াও নেতৃবৃন্দ বলেন জামালপুর জেলা সমিতি যমুনা নদীর পাড় নয় যেটা দূর্যোগ এলেই ভেঙ্গে যাবে। জামালপুর জেলা সমিতির ভিত্তি অনেক শক্তিশালী, কোন কুচক্রিমহল যতই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাক না কেন জামালপুর জেলা সমিতি তার নিজ্বস্ব গতিতেই চলবে।
নেতৃবৃন্দ, বলেন ২০০৭-২০০৯ নির্বাচনের পর ইতিহাসের অযোগ্য সভাপতি ডা. মুকুল একবছরের মাথায় সমিতিরি কোন হিসেব নিকাশ না দিয়েই অপরাগতা প্রকাশ করে পদত্যাগ করেন। এবং সে থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ সুরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক ডিউক খানের নেতৃত্বে জামালপুর জেলা সমিতির সকল কার্যক্রম সুস্থভাবে পরিচালিত হয় এবং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরই নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। কিন্তুু পদচ্যুত সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো: নাজমুল হককে আহ্বায়ক করে নির্বাচন প্রস্তুতি গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নাজমুল হক ও মোর্শেদা জামানের অন্ত দ্বন্দের কারণে নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হলে নাজমুল হক নিজেই সভাপতি ও আলমগীর খানকে সাধারণ সম্পাদক করে জামাল পুর জেলা সমিতির পরিবর্তে আরেকটি সমিতির জন্ম দিয়ে জামালপুর বাসীর মধ্যে দ্বিধা বিভক্তির চেষ্টা করে, কিন্তু সাধারণ জামালপুরবাসীর সম্পৃক্ততা না থাকার কারণে বেশী দিন টিকে থাকতে পারেনি। পরবর্তীতে আবারো মোহাম্মদ সুরুজ্জামান ও ডিউক খানের দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনের উদ্যোগ নিলে সেই চিহ্নিত গোষ্ঠী ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফরম জমা দিলেও বকেয়া ফি জমা না দেওয়ার কারনে নির্বাচন বাধাগ্রস্থ হয়। সমিতির শতভাগ সদিচ্ছা থাকার সত্ত্বেও, ঐ সকল চিহ্নিত গোষ্ঠীর স্বেচ্ছাচারীতা ও অসাংগঠনিক কার্যকলাপের জন্য বার বার নির্বাচন ব্যাহত হয়। সমিতির সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী কোন কমিটি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কমিটি সমিতির সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কিন্তু জামালপুর জেলা সমিতির বৃহৎস্বার্থে নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ উদারতা প্রকাশ করেন এবং সমিতির কার্যক্রমকে আরো বেগবান করার লক্ষ্যে সকল দ্বিধা দন্দ্বের অবসান গঠিয়ে সকল পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সালেহ শফিক গেন্দাকে সভাপতি ও জিন্নাত আলী খোকাকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট্র একটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এবং এই কমিটির নেতৃত্বে জামালপুর জেলা সমিতির কার্যক্রম অত্যান্ত সফলতার সাথে পরিচালিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে সমিতির ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক জামালপুরবাসীকে নিয়ে পিকনিক সহ জামালপুরের গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সংবর্ধনা দিয়েছেন। এ ছাড়াও এই কমিটির মূল দায়িত্ব হচ্ছে সমিতির সাংবিধানিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করে জামালপুর বাসীদের ঐক্যবদ্ধ করে সর্বোচ্চ ভোটার সংগ্রহ করার মাধ্যমে একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির করে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক একটি গ্রহন যোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া। এরই সুত্র ধরে বর্তমান কমিটির আগামী নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন এর ফরম সংগ্রহ করে যাচ্ছে। যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত। ভোটার সংগ্রহ শেষ হলে নির্বাচন কমিশন পূর্ণগঠনের মাধ্যমে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত কার্যকরী সভায় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ওয়াদুদ, মোহাম্মদ সুরুজ্জামান, বাদল রহমান জিল্লু, ডিউক খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদ কাব্য, খন্দকার মারুফ, শংকর বিশ্বাস ও মোহাম্মদ ফরিদ আলম। এছাড়াও পর্যবেক্ষক হিসেবে জামালপুর বাসীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আক্তার আজাদ জগলু ও মোহাম্মদ জাহের আলী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

জামালপুর জেলা সমিতি থেকে ৭ জন বরখাস্ত ॥ যথাযথ সময়ই নির্বাচন : ইসি

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০১৫

নিউইয়র্ক: জামালপুর জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিন্নাত আলী খোকার পরিচালনায় সমিতির কার্যকরী কমিটির এক সভা গত ২৯ মার্চ জ্যামাইকার হিলসাইডস্থ ঘরোয়া রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির ৭জন সদস্যকে সমিতির সংবিধানের আর্টিকেল সপ্তমের অনুচ্ছেদ-২ এর ধারায় তাদেরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বস্কিৃতরা হলেন- যথাক্রমে ডা. মকুল, নাজমুল হক, মোর্শেদা জামান, খন্দকার আবু মুরাদ, আলমগীর খান, মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান সিদ্দিক (স¤্রাট) ও মশিউর রহমান জাষ্টিস।
সভায় নেতৃবৃন্দ বহিস্কৃতদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগে বলেন, গত ২২ মার্চ’২০১৫ ঐ সকল সদস্যবৃন্দ সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে অসাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় পদত্যাগ ও সংবিধান পরিপন্থি নানাবিধ মিথ্যা অপপ্রচারে জামালপুর জেলা সমিতির সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী সকলের ঐক্যেমতে তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বরখাস্তকারীরা কমিটির সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থী না হলে তারা চূড়ান্তভাবে কার্যকরী কমিটি থেকে বহি:স্কৃত হবে এবং তাদের শূন্য পদ পুরনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠী ও কতিপয় ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে গত ২০ বছর যাবৎ ঐতিহ্যবাহী জামালপুর জেলা সমিতিকে দ্বিধা বিভক্ত করে আসছে এবং তারই ধারাবাহীকতায় এবারও সেই চিহ্নিত মহল নির্বাচনের প্রাক্কালে সমিতিকে দ্বিখন্ডিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এবং নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ভয়ে এবারও তারা নানাবিধ ওজুহাত দেখিয়ে ও মিথ্যাচার করে নির্বাচনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপ্রচেষ্টা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয় ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফরম জমা দেওয়ার পর পরই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তাদের জমা দেওয়া সকলের ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফি ফেরৎ নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপর অসাংগঠনিকভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। নেতৃবৃন্দ বলেন ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফি অফেরৎ যোগ্য কিন্তু কোন জামালপুরবাসী যদি জামালপুর জেলা সমিতির ভোটার না হতে চায়, তাহলে তাকে সমিতির সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিতভাবে রেজিষ্ট্রেশন ফি ফেরত চাহিয়া আবেদন করিলে সমিতির নেতৃবৃন্দ তা বিবেচনা করিয়া দেখিবেন। এছাড়াও নেতৃবৃন্দ বলেন জামালপুর জেলা সমিতি যমুনা নদীর পাড় নয় যেটা দূর্যোগ এলেই ভেঙ্গে যাবে। জামালপুর জেলা সমিতির ভিত্তি অনেক শক্তিশালী, কোন কুচক্রিমহল যতই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাক না কেন জামালপুর জেলা সমিতি তার নিজ্বস্ব গতিতেই চলবে।
নেতৃবৃন্দ, বলেন ২০০৭-২০০৯ নির্বাচনের পর ইতিহাসের অযোগ্য সভাপতি ডা. মুকুল একবছরের মাথায় সমিতিরি কোন হিসেব নিকাশ না দিয়েই অপরাগতা প্রকাশ করে পদত্যাগ করেন। এবং সে থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ সুরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক ডিউক খানের নেতৃত্বে জামালপুর জেলা সমিতির সকল কার্যক্রম সুস্থভাবে পরিচালিত হয় এবং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরই নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। কিন্তুু পদচ্যুত সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো: নাজমুল হককে আহ্বায়ক করে নির্বাচন প্রস্তুতি গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নাজমুল হক ও মোর্শেদা জামানের অন্ত দ্বন্দের কারণে নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হলে নাজমুল হক নিজেই সভাপতি ও আলমগীর খানকে সাধারণ সম্পাদক করে জামাল পুর জেলা সমিতির পরিবর্তে আরেকটি সমিতির জন্ম দিয়ে জামালপুর বাসীর মধ্যে দ্বিধা বিভক্তির চেষ্টা করে, কিন্তু সাধারণ জামালপুরবাসীর সম্পৃক্ততা না থাকার কারণে বেশী দিন টিকে থাকতে পারেনি। পরবর্তীতে আবারো মোহাম্মদ সুরুজ্জামান ও ডিউক খানের দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনের উদ্যোগ নিলে সেই চিহ্নিত গোষ্ঠী ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফরম জমা দিলেও বকেয়া ফি জমা না দেওয়ার কারনে নির্বাচন বাধাগ্রস্থ হয়। সমিতির শতভাগ সদিচ্ছা থাকার সত্ত্বেও, ঐ সকল চিহ্নিত গোষ্ঠীর স্বেচ্ছাচারীতা ও অসাংগঠনিক কার্যকলাপের জন্য বার বার নির্বাচন ব্যাহত হয়। সমিতির সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী কোন কমিটি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কমিটি সমিতির সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কিন্তু জামালপুর জেলা সমিতির বৃহৎস্বার্থে নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ উদারতা প্রকাশ করেন এবং সমিতির কার্যক্রমকে আরো বেগবান করার লক্ষ্যে সকল দ্বিধা দন্দ্বের অবসান গঠিয়ে সকল পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সালেহ শফিক গেন্দাকে সভাপতি ও জিন্নাত আলী খোকাকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট্র একটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এবং এই কমিটির নেতৃত্বে জামালপুর জেলা সমিতির কার্যক্রম অত্যান্ত সফলতার সাথে পরিচালিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে সমিতির ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক জামালপুরবাসীকে নিয়ে পিকনিক সহ জামালপুরের গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সংবর্ধনা দিয়েছেন। এ ছাড়াও এই কমিটির মূল দায়িত্ব হচ্ছে সমিতির সাংবিধানিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করে জামালপুর বাসীদের ঐক্যবদ্ধ করে সর্বোচ্চ ভোটার সংগ্রহ করার মাধ্যমে একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির করে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক একটি গ্রহন যোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া। এরই সুত্র ধরে বর্তমান কমিটির আগামী নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন এর ফরম সংগ্রহ করে যাচ্ছে। যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত। ভোটার সংগ্রহ শেষ হলে নির্বাচন কমিশন পূর্ণগঠনের মাধ্যমে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত কার্যকরী সভায় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ওয়াদুদ, মোহাম্মদ সুরুজ্জামান, বাদল রহমান জিল্লু, ডিউক খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদ কাব্য, খন্দকার মারুফ, শংকর বিশ্বাস ও মোহাম্মদ ফরিদ আলম। এছাড়াও পর্যবেক্ষক হিসেবে জামালপুর বাসীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আক্তার আজাদ জগলু ও মোহাম্মদ জাহের আলী।