নিউইয়র্ক ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

খালেদা জিয়ার উপর হামলা সরকারের সন্ত্রাসী, অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিপ্রকাশ : ২৪ ঘন্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবী

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০১:১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০১৫
  • / ৯১১ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারণাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে হামলার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, খালেদা জিয়ার উপর হামলা সরকারের সন্ত্রাসী, অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিপ্রকাশ। তারা এই হামলার জন্য দায়ী সন্ত্রাসীদেরকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার ও বিচার দাবী করেছেন। তারা বলেন, হামলা, মামলা আর সন্ত্রাস করে স্বৈরাচারী কায়দায় কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, আওয়ামী লীগও পারবে না।
সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ ফুডকোর্ট রেষ্টুরেন্টে ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। জনাকীর্ণ এই সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সামসুল ইসলাম মজনু।
এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মজিবুর রহমান মজুমদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু। সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ সভাপতি ইলিয়াস আহমেদ মাস্টার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন ও নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, ছৈয়দুল হক, সাবেক কোষাধ্যক্ষ শাহাদৎ হোসেন, বিএনপি নেতা ও ঢাকার সাবেক কমিশনার আলী হোসেরন, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি আন্দোলন-এর আহ্বায়ক এডভোকেট খায়রুল বাশার ও সদস্য সচিব ডা. জাহিদ দেওয়ান শামীম প্রমুখ উস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সামসুল ইসলাম মজনু বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে গিয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করে ভাঙচুর চালিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে তাকে হত্যার করার উদ্দেশে হামলার তীব নিন্দা এবং আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই সকল সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
লিখিতত বক্তব্যে বলা হয়: গত ২০ এপ্রিল তৃতীয় দিনের মত সিটি নির্বাচনে দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় বের হন খালেদা জিয়া। গুলশানের বাসা থেকে বের হয়ে বিকাল পাঁচটার পর কাওরান বাজাররের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। খালেদা জিয়া গাড়িতে বসেই রাস্তার দুই পাশের লোকজনকে হাত নেড়ে শুছেচ্ছা জানান। তার গাড়ির পেছনে ছিল চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, কর্মকর্তা ও মিডিয়াকর্মীদের কয়েকটি গাড়ি। গাড়িবহর ধীরে ধীরে কিচেন মার্কেটের দিকে এগোতে থাকে। বাপেক্স ভবনের সামনে গাড়িবহর থামানোর পর সেখানে স্থানীয় লোকজন ও নেতাকর্মীরা জড়ো হন। এ সময় খালেদা জিয়ার গাড়ির ওপরের কাচ সরিয়ে হ্যান্ডমাইকে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। বক্তৃতা চলাকালেই আশপাশের ভবনের ওপর থেকে খালেদা জিয়ার অবস্থান লক্ষ্য করে ইটের টুকরো ছোড়া শুরু হয়। বিষয়টি লক্ষ্য করে খালেদা জিয়া নিজেই হামলাকারীদের উদ্দেশে বলেন, হামলা বন্ধ করেন। এরপরও ইটপাটকেল ছোড়া বন্ধ হয়নি। এ সময় আওয়ামী লীগের কর্মীরা জয় বাংলা সহ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা স্লেগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও দলের কর্মীরা তৎপর হলে আওয়ামী লীগ কর্মীরা কিছুটা পেছনে চলে যান। তাদের একটি অংশ ওয়াসা ভবনেরর সামনের ও সামিট ভবনের সামনের রাস্তায় মিছিল করছিল। একপর্যায়ে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের পেছন থেকে গুলি, হামলা ও ভাঙচুর শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে খালেদা জিয়াকে গাড়িতে রেখে চারপাশে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দল সিএসএফের সদস্য। ফজলুল করিম, ফারকি হোসেন ও গাড়িচালক শাহজাদাসহ কয়েকজন আহত হন। হামলার সময় ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারীরা যে যেদিকে পারেন পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। হামলা চলাকালেই খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের কাছেই কয়েকজন পুলিশ সদস্য অবস্থান করছিলেন। ওই এলাকা আগে থেকে দায়িত্বে থাকা এই পুলিশ সদস্যরা প্রথমে আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলাকারীদের ঠেকানোর চেষ্টা করে তোপের মুখে পড়েন। একপর্যায়ে তারাও সেখান থেকে সরে যান। হামলা চলাকালেই খালেদা জিয়ার গাড়িবহর পেট্রোবাংলা ভবনের দিকে নিরাপদে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে সামনের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা থাকায় হামলাকারীরা বেশ কিছুক্ষণ বহরের পিচু পিচু ধাওয়া করে। হামলার সময় ছবি তুলতে গেল আওয়ামী লীগ কর্মীদের হামলার শিকার হন কয়েকজন ফটো সাংবাদিক। এক পর্যায়ে গাড়িবহর চলতে শুরু করলে হামলাকারীরা পেছন ফিরে মিছিল শুরু করে। কাওরান বাজারের মাটি, ছাত্রলীগের ঘাঁটি বলে তাদের মিছিল দিতে দেখা যায়। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর বিজিএমইএ ভবন-এর সামনের রাস্তা দিয়ে মগবাজার হয়ে কাকরাইলে দিকে চলে যায়। এ সময় ওই এলাকার রাস্তায় কয়েক দফা ঘুরে বেইলি রোড থেকে ঢাকা দক্ষিণে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের পক্ষে প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় তার বহরে দলীয় নেতা-কর্মীরাও যোগ দেন। বেইলি রোড থেকে মালিবাগ মোড় হয়ে শাহজাহানপুর মোড়ে পৌঁছান খালেদা জিয়া। সেখানে দলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান করছিলেন। পরে খিলগাঁও রেলগেট, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া ও আশপাশের এলাকায় প্রচারণা চালান খালেদা জিয়া। মঙ্গলবারও নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় ঢাকা ফকিরাপুল এলাকায় আবারো ও খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। দুভার্গ্যজনক হলেও সরকারের আসনে বসে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাই মিথ্যাচার করছে। যেখানে ভিডিও ফোটেজ দেখে সব কিছু চেনা যায় সেখানে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। একবিংশী শতাব্দীতে এসেও সাধারণ মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা চলছে।
সামসুল ইসলাম মজনু বলেন, আসন্ন সিটি করেপোরেশন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই সরকার এ ধরনের ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী তান্ডবের আশ্রয় গ্রহণ করেছে। এটি সরকারের অগন্ত্রাতিক, ফ্যাসিষ্ট ও সন্ত্রাসী চরিত্রের প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা অতি সম্পতি বিএনপি চেয়ারপাসনকে নিবাচনী প্রচারণায় বেরুলে প্রতিহত করার যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাই তাদের সশন্ত্র গুন্ডাদের সোমবার ও মঙ্গলবার সন্ত্রাসী হামলায় উস্কানি দিয়েছে। পুলিশের আইজিপিও নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে প্রতিহত করতে প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের জন্য ওপেন বক্তব্য দিয়েছে। আওয়ামী গুন্ডা বাহিনীকে খালেদা জিয়ার ওপর হামলা করার জন্য এই উস্কানি দিয়েছে। আমরা সরকারকে স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যহত রেখে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনী প্রচারনা থেকে বিরত রাখা যাবে না। জনসর্মথনের যে ¯্রােত দেখা যাচ্ছে তিন সিটিতেই বিজয় লাভ করবে বিএনপি’র প্রার্থীরা।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়: ‘অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’ ও তার দোসরা উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে একের পর এক সিটি নির্বাচনে আচরণ বিধি লংঘন করে চলেছে। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অতিসত্ত্বর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী এবং সিটি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ট করার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। জনগণ আগামী ২৮ এপ্রিল সিটি নির্বাচনে গুলি, বুলেট, রক্তের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দেবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, এমদাদুল হক কামাল, বাকির আজাদ, এমলাক হোসেন ফয়সাল, চৌধুরী সালেহ, আমিনুল ইসলাম, মাকসুদুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী রাজা, শরিফুল খালিস্তর, সৈয়দ এনাম, মহিলাদল নেত্রী শাহানা খানম, আফরোজা বেগম রোজী, সুবর্ণা আলম লিজা, সাবেক ছাত্রনেতা মার্শাল মুরাদ, যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা আহবাব হোসেন খান, বিলাল চৌধুরী, শেখ হায়দার আলী, রেজাউল আজাদ ভূইয়া, হোসেন আমান, জাহিদ খান, কাজী আমিনুল ইসলাম স্বপন, নাজিম চৌধুরী রিংকু, মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ, আব্দুস সামাদ টিটু, উত্তম বনিক, ইমরান আহমেদ, তানভির চৌধুরী, নূরুল ইসলাম, মাহবুব আলম, ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মাহবুব আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, দেশে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। আমরা ‘অবৈধ সরকার’-এর অধীনে নয়, নির্বাচন কমিশনের তত্বাবধানে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন আন্দোলনেরই অংশ। সরকার তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে বলেই নির্বাচনী প্রচারণাকালে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে হামলা চালিয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. মুজিব বলেন, তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন বিএনপির একমাত্র দাবী। এই দাবীতে আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে। অপর এক প্রশ্নের উত্তর তিনি পুলিশ বাহিনীর ভূমিকাকে দু:খজনক আখ্যায়িত করে বলেন, সরকারের দালালাই দেশকে অসভ্য দেশে পরিণত করছে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডা, মুজিব বলেন, দেশে কে বা কারা জঙ্গীবাদের সাথে জড়িত তা দেশের মানুষ জানেন। বিএনপি নয়, যারা ৩০ হাজার জাসদ-এর নেতা-কর্মী হত্যা করেছে, যারা সিরাজ সিকদারকে হত্যা করেছে তারাই জঙ্গী। এ প্রসঙ্গে জিল্লুর রহমান জিল্লু বলেন, ফিলিস্তীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় যারা আন্দোলন-সংগ্রাম করছে তারা যে অর্থে জঙ্গী, সেই অর্থে দেশ-দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য যদি বিএনপির আন্দোলনকে জঙ্গীবাদের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে তার জন্য আমরা ‘গর্বিত’।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. মুজিব বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি হলে দলের যেমন বিভক্তি থাকবে না, তেমনী অনেক সমস্যা কেটে যাবে। তবে আমাদের পরিচয় আমরা জিয়ার সৈনিক, বিএনপির কর্মী।
এক প্রশ্নের উত্তরে জিল্লুর রহমান জিল্লু বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান, ঢাকার সাবেক মেয়র ব্যক্তিগত কাজে নিউইয়র্কের বাইরে থাকায় আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেনি। তাবে তিনি ঢাকায় খালেদা জিয়ার গাী বহরে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ঢাকায় নারীদের উপর বখাদের নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এজন্য আওয়ামী সন্ত্রাসীরাই দায়ী।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে জিল্লর রহমান বলেন, ‘অবৈধ সরকার’-এর অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ড আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির আন্দোলন চলবে। সেই সাথে হাসানুল হক ইনু সহ সরকারের ‘ক্রিমিনাল’দের নিউইয়র্কে প্রতিহত করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

খালেদা জিয়ার উপর হামলা সরকারের সন্ত্রাসী, অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিপ্রকাশ : ২৪ ঘন্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবী

প্রকাশের সময় : ০১:১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০১৫

নিউইয়র্ক: ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারণাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে হামলার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, খালেদা জিয়ার উপর হামলা সরকারের সন্ত্রাসী, অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিপ্রকাশ। তারা এই হামলার জন্য দায়ী সন্ত্রাসীদেরকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার ও বিচার দাবী করেছেন। তারা বলেন, হামলা, মামলা আর সন্ত্রাস করে স্বৈরাচারী কায়দায় কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, আওয়ামী লীগও পারবে না।
সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ ফুডকোর্ট রেষ্টুরেন্টে ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। জনাকীর্ণ এই সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সামসুল ইসলাম মজনু।
এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মজিবুর রহমান মজুমদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু। সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ সভাপতি ইলিয়াস আহমেদ মাস্টার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন ও নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, ছৈয়দুল হক, সাবেক কোষাধ্যক্ষ শাহাদৎ হোসেন, বিএনপি নেতা ও ঢাকার সাবেক কমিশনার আলী হোসেরন, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি আন্দোলন-এর আহ্বায়ক এডভোকেট খায়রুল বাশার ও সদস্য সচিব ডা. জাহিদ দেওয়ান শামীম প্রমুখ উস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সামসুল ইসলাম মজনু বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে গিয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করে ভাঙচুর চালিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে তাকে হত্যার করার উদ্দেশে হামলার তীব নিন্দা এবং আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই সকল সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
লিখিতত বক্তব্যে বলা হয়: গত ২০ এপ্রিল তৃতীয় দিনের মত সিটি নির্বাচনে দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় বের হন খালেদা জিয়া। গুলশানের বাসা থেকে বের হয়ে বিকাল পাঁচটার পর কাওরান বাজাররের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। খালেদা জিয়া গাড়িতে বসেই রাস্তার দুই পাশের লোকজনকে হাত নেড়ে শুছেচ্ছা জানান। তার গাড়ির পেছনে ছিল চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, কর্মকর্তা ও মিডিয়াকর্মীদের কয়েকটি গাড়ি। গাড়িবহর ধীরে ধীরে কিচেন মার্কেটের দিকে এগোতে থাকে। বাপেক্স ভবনের সামনে গাড়িবহর থামানোর পর সেখানে স্থানীয় লোকজন ও নেতাকর্মীরা জড়ো হন। এ সময় খালেদা জিয়ার গাড়ির ওপরের কাচ সরিয়ে হ্যান্ডমাইকে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। বক্তৃতা চলাকালেই আশপাশের ভবনের ওপর থেকে খালেদা জিয়ার অবস্থান লক্ষ্য করে ইটের টুকরো ছোড়া শুরু হয়। বিষয়টি লক্ষ্য করে খালেদা জিয়া নিজেই হামলাকারীদের উদ্দেশে বলেন, হামলা বন্ধ করেন। এরপরও ইটপাটকেল ছোড়া বন্ধ হয়নি। এ সময় আওয়ামী লীগের কর্মীরা জয় বাংলা সহ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা স্লেগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও দলের কর্মীরা তৎপর হলে আওয়ামী লীগ কর্মীরা কিছুটা পেছনে চলে যান। তাদের একটি অংশ ওয়াসা ভবনেরর সামনের ও সামিট ভবনের সামনের রাস্তায় মিছিল করছিল। একপর্যায়ে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের পেছন থেকে গুলি, হামলা ও ভাঙচুর শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে খালেদা জিয়াকে গাড়িতে রেখে চারপাশে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দল সিএসএফের সদস্য। ফজলুল করিম, ফারকি হোসেন ও গাড়িচালক শাহজাদাসহ কয়েকজন আহত হন। হামলার সময় ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারীরা যে যেদিকে পারেন পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। হামলা চলাকালেই খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের কাছেই কয়েকজন পুলিশ সদস্য অবস্থান করছিলেন। ওই এলাকা আগে থেকে দায়িত্বে থাকা এই পুলিশ সদস্যরা প্রথমে আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলাকারীদের ঠেকানোর চেষ্টা করে তোপের মুখে পড়েন। একপর্যায়ে তারাও সেখান থেকে সরে যান। হামলা চলাকালেই খালেদা জিয়ার গাড়িবহর পেট্রোবাংলা ভবনের দিকে নিরাপদে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে সামনের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা থাকায় হামলাকারীরা বেশ কিছুক্ষণ বহরের পিচু পিচু ধাওয়া করে। হামলার সময় ছবি তুলতে গেল আওয়ামী লীগ কর্মীদের হামলার শিকার হন কয়েকজন ফটো সাংবাদিক। এক পর্যায়ে গাড়িবহর চলতে শুরু করলে হামলাকারীরা পেছন ফিরে মিছিল শুরু করে। কাওরান বাজারের মাটি, ছাত্রলীগের ঘাঁটি বলে তাদের মিছিল দিতে দেখা যায়। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর বিজিএমইএ ভবন-এর সামনের রাস্তা দিয়ে মগবাজার হয়ে কাকরাইলে দিকে চলে যায়। এ সময় ওই এলাকার রাস্তায় কয়েক দফা ঘুরে বেইলি রোড থেকে ঢাকা দক্ষিণে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের পক্ষে প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় তার বহরে দলীয় নেতা-কর্মীরাও যোগ দেন। বেইলি রোড থেকে মালিবাগ মোড় হয়ে শাহজাহানপুর মোড়ে পৌঁছান খালেদা জিয়া। সেখানে দলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান করছিলেন। পরে খিলগাঁও রেলগেট, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া ও আশপাশের এলাকায় প্রচারণা চালান খালেদা জিয়া। মঙ্গলবারও নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় ঢাকা ফকিরাপুল এলাকায় আবারো ও খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। দুভার্গ্যজনক হলেও সরকারের আসনে বসে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাই মিথ্যাচার করছে। যেখানে ভিডিও ফোটেজ দেখে সব কিছু চেনা যায় সেখানে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। একবিংশী শতাব্দীতে এসেও সাধারণ মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা চলছে।
সামসুল ইসলাম মজনু বলেন, আসন্ন সিটি করেপোরেশন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই সরকার এ ধরনের ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী তান্ডবের আশ্রয় গ্রহণ করেছে। এটি সরকারের অগন্ত্রাতিক, ফ্যাসিষ্ট ও সন্ত্রাসী চরিত্রের প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা অতি সম্পতি বিএনপি চেয়ারপাসনকে নিবাচনী প্রচারণায় বেরুলে প্রতিহত করার যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাই তাদের সশন্ত্র গুন্ডাদের সোমবার ও মঙ্গলবার সন্ত্রাসী হামলায় উস্কানি দিয়েছে। পুলিশের আইজিপিও নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে প্রতিহত করতে প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের জন্য ওপেন বক্তব্য দিয়েছে। আওয়ামী গুন্ডা বাহিনীকে খালেদা জিয়ার ওপর হামলা করার জন্য এই উস্কানি দিয়েছে। আমরা সরকারকে স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যহত রেখে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনী প্রচারনা থেকে বিরত রাখা যাবে না। জনসর্মথনের যে ¯্রােত দেখা যাচ্ছে তিন সিটিতেই বিজয় লাভ করবে বিএনপি’র প্রার্থীরা।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়: ‘অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’ ও তার দোসরা উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে একের পর এক সিটি নির্বাচনে আচরণ বিধি লংঘন করে চলেছে। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অতিসত্ত্বর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী এবং সিটি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ট করার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। জনগণ আগামী ২৮ এপ্রিল সিটি নির্বাচনে গুলি, বুলেট, রক্তের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দেবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, এমদাদুল হক কামাল, বাকির আজাদ, এমলাক হোসেন ফয়সাল, চৌধুরী সালেহ, আমিনুল ইসলাম, মাকসুদুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী রাজা, শরিফুল খালিস্তর, সৈয়দ এনাম, মহিলাদল নেত্রী শাহানা খানম, আফরোজা বেগম রোজী, সুবর্ণা আলম লিজা, সাবেক ছাত্রনেতা মার্শাল মুরাদ, যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা আহবাব হোসেন খান, বিলাল চৌধুরী, শেখ হায়দার আলী, রেজাউল আজাদ ভূইয়া, হোসেন আমান, জাহিদ খান, কাজী আমিনুল ইসলাম স্বপন, নাজিম চৌধুরী রিংকু, মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ, আব্দুস সামাদ টিটু, উত্তম বনিক, ইমরান আহমেদ, তানভির চৌধুরী, নূরুল ইসলাম, মাহবুব আলম, ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মাহবুব আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, দেশে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। আমরা ‘অবৈধ সরকার’-এর অধীনে নয়, নির্বাচন কমিশনের তত্বাবধানে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন আন্দোলনেরই অংশ। সরকার তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে বলেই নির্বাচনী প্রচারণাকালে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে হামলা চালিয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. মুজিব বলেন, তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন বিএনপির একমাত্র দাবী। এই দাবীতে আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে। অপর এক প্রশ্নের উত্তর তিনি পুলিশ বাহিনীর ভূমিকাকে দু:খজনক আখ্যায়িত করে বলেন, সরকারের দালালাই দেশকে অসভ্য দেশে পরিণত করছে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডা, মুজিব বলেন, দেশে কে বা কারা জঙ্গীবাদের সাথে জড়িত তা দেশের মানুষ জানেন। বিএনপি নয়, যারা ৩০ হাজার জাসদ-এর নেতা-কর্মী হত্যা করেছে, যারা সিরাজ সিকদারকে হত্যা করেছে তারাই জঙ্গী। এ প্রসঙ্গে জিল্লুর রহমান জিল্লু বলেন, ফিলিস্তীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় যারা আন্দোলন-সংগ্রাম করছে তারা যে অর্থে জঙ্গী, সেই অর্থে দেশ-দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য যদি বিএনপির আন্দোলনকে জঙ্গীবাদের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে তার জন্য আমরা ‘গর্বিত’।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. মুজিব বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি হলে দলের যেমন বিভক্তি থাকবে না, তেমনী অনেক সমস্যা কেটে যাবে। তবে আমাদের পরিচয় আমরা জিয়ার সৈনিক, বিএনপির কর্মী।
এক প্রশ্নের উত্তরে জিল্লুর রহমান জিল্লু বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান, ঢাকার সাবেক মেয়র ব্যক্তিগত কাজে নিউইয়র্কের বাইরে থাকায় আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেনি। তাবে তিনি ঢাকায় খালেদা জিয়ার গাী বহরে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ঢাকায় নারীদের উপর বখাদের নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এজন্য আওয়ামী সন্ত্রাসীরাই দায়ী।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে জিল্লর রহমান বলেন, ‘অবৈধ সরকার’-এর অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ড আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির আন্দোলন চলবে। সেই সাথে হাসানুল হক ইনু সহ সরকারের ‘ক্রিমিনাল’দের নিউইয়র্কে প্রতিহত করা হবে।