নিউইয়র্ক ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

যুবদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটিতে সভাপতি মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নয়ন

হককথা ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
  • / ৪৫ বার পঠিত

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ছয় সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল ও দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে নুরুল ইসলাম সোহেলকে। মঙ্গলবার সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বলা হয়, পরে পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত হবে।

আব্দুল মোনায়েম মুন্না সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে ১১ মাস কারাগারে ছিলেন। এর আগে ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তৃণমূল থেকে ওঠে আসা মুন্না মাঠের নেতা হিসাবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত। নুরুল ইসলাম নয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ক্লিন ইমেজের এ নেতাও ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনের পাশাপাশি সব আন্দোলনে তিনিও রাজপথে ছিলেন।

মুন্না ও নয়ন যুগান্তরের কাছে অভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তারা জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের ওপর আস্থা রেখে যে নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন-তার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

ক্ষোভ, হেভিওয়েটদের রাজনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা : নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি পদে ‘অতি মূল্যায়নে’ সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সংগঠনের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির প্রভাবশালী জ্যেষ্ঠ নেতাদের রাজনীতি করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।

যুবদলের সাবেক একাধিক সহসভাপতি যুগান্তরকে জানান, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্য ও দক্ষদের রাখা হয়েছে। যে কারণে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু বাকি চার পদে যাদের রাখা হয়েছে সেই পদের জন্য তারা ততটা যোগ্য নন। এ চার নেতা অতীতে যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পদে থাকলেও তাদের নেই কোনো নিজস্ব কর্মীবাহিনী। অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন নেতা থাকলেও সিনিয়র সহসভাপতি, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক ও দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের কেন রাখা হয়েছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।

সাবেক নেতারা জানান, বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি হিসাবে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন পল। ওই কমিটিতে তার আগে ১৬ জন সহসভাপতি ছিলেন। এর মধ্যে মামুন হাসানের মতো রাজপথের নেতাকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এখন পলের নিচে সাবেক সহসভাপতি যারা ছিলেন তারা কেউ রাজনীতি করতে চাইবেন না। তাছাড়া কোনো কারণে সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান সিনিয়র সহসভাপতি। আগের কমিটিতে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে থাকা পল কিভাবে সারা দেশ সামলাবেন? আর ১৬ জন সাবেক সহসভাপতিকে রাজনীতি করার জন্য কোথায় জায়গা দেওয়া হবে?

একইভাবে বিল্লাল হোসেন তারেককে প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এই নেতা আগের কমিটিতে ১২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার আগে শফিকুল ইসলাম মিল্টন (১১ মাস ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন), গোলাম মাওলা শাহীন, আনোয়ারুল হক রয়েল, কামাল আনোয়ারের মতো হেভিওয়েট নেতা ছিলেন, তাদের কোথায় পদ দেওয়া হবে? এ ছাড়া আগের কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। অথচ আগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারের বিরুদ্ধে সাড়ে তিনশ মামলা রয়েছে, তাকে মূল্যায়ন করা হয়নি।

একইভাবে আগের কমিটির হেভিওয়েট নেতা সাঈদ ইকবাল টিটু, আসাদুজ্জামান পলাশ, আব্দুল করিম সরকার, মহানগর দক্ষিণের খন্দকার এনামুল হক এনামসহ আরও অন্তত ৩০ জন নেতা আছেন, তাদের কীভাবে মূল্যায়ন করবে-এমন প্রশ্ন নেতাকর্মীদের।

যুবদলের নতুন কমিটি নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় দুই নেতার মূল্যায়ন জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিটি ভালো হয়েছে। তবে আন্দোলনের কথা চিন্তা করে কমিটি দিয়েছে বলে মনে হয়নি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকিদের আন্দোলনে কি ভূমিকা ছিল তা বিচার-বিশ্লেষণ করা উচিত ছিল। বেশ কয়েকজন রাজপথের ভালো নেতা ছিলেন, তারা যথাযথ মূল্যায়ন পাননি। এসব নেতা ক্ষোভ নিয়ে রাজনীতিবিমুখ হলে তৃণমূলে খারাপ বার্তা যায়। এতে সংগঠন দুর্বল হয়। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে এখন দরকার সাহসী ও যার কর্মীবাহিনী আছে সেসব নেতা।

নয়াপল্টনে আনন্দ মিছিল : এদিন বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবদলের নতুন কমিটির নেতারা গেলে তাদের স্বাগত জানান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। পরে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির প্রমুখ। এতে নতুন কমিটির নেতারাসহ সাবেক কয়েকজন নেতাও ছিলেন। সূত্র: যুগান্তর।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

যুবদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটিতে সভাপতি মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নয়ন

প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ছয় সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল ও দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে নুরুল ইসলাম সোহেলকে। মঙ্গলবার সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বলা হয়, পরে পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত হবে।

আব্দুল মোনায়েম মুন্না সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে ১১ মাস কারাগারে ছিলেন। এর আগে ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তৃণমূল থেকে ওঠে আসা মুন্না মাঠের নেতা হিসাবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত। নুরুল ইসলাম নয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ক্লিন ইমেজের এ নেতাও ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনের পাশাপাশি সব আন্দোলনে তিনিও রাজপথে ছিলেন।

মুন্না ও নয়ন যুগান্তরের কাছে অভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তারা জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের ওপর আস্থা রেখে যে নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন-তার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

ক্ষোভ, হেভিওয়েটদের রাজনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা : নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি পদে ‘অতি মূল্যায়নে’ সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সংগঠনের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির প্রভাবশালী জ্যেষ্ঠ নেতাদের রাজনীতি করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।

যুবদলের সাবেক একাধিক সহসভাপতি যুগান্তরকে জানান, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্য ও দক্ষদের রাখা হয়েছে। যে কারণে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু বাকি চার পদে যাদের রাখা হয়েছে সেই পদের জন্য তারা ততটা যোগ্য নন। এ চার নেতা অতীতে যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পদে থাকলেও তাদের নেই কোনো নিজস্ব কর্মীবাহিনী। অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন নেতা থাকলেও সিনিয়র সহসভাপতি, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক ও দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের কেন রাখা হয়েছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।

সাবেক নেতারা জানান, বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি হিসাবে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন পল। ওই কমিটিতে তার আগে ১৬ জন সহসভাপতি ছিলেন। এর মধ্যে মামুন হাসানের মতো রাজপথের নেতাকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এখন পলের নিচে সাবেক সহসভাপতি যারা ছিলেন তারা কেউ রাজনীতি করতে চাইবেন না। তাছাড়া কোনো কারণে সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান সিনিয়র সহসভাপতি। আগের কমিটিতে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে থাকা পল কিভাবে সারা দেশ সামলাবেন? আর ১৬ জন সাবেক সহসভাপতিকে রাজনীতি করার জন্য কোথায় জায়গা দেওয়া হবে?

একইভাবে বিল্লাল হোসেন তারেককে প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এই নেতা আগের কমিটিতে ১২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার আগে শফিকুল ইসলাম মিল্টন (১১ মাস ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন), গোলাম মাওলা শাহীন, আনোয়ারুল হক রয়েল, কামাল আনোয়ারের মতো হেভিওয়েট নেতা ছিলেন, তাদের কোথায় পদ দেওয়া হবে? এ ছাড়া আগের কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। অথচ আগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারের বিরুদ্ধে সাড়ে তিনশ মামলা রয়েছে, তাকে মূল্যায়ন করা হয়নি।

একইভাবে আগের কমিটির হেভিওয়েট নেতা সাঈদ ইকবাল টিটু, আসাদুজ্জামান পলাশ, আব্দুল করিম সরকার, মহানগর দক্ষিণের খন্দকার এনামুল হক এনামসহ আরও অন্তত ৩০ জন নেতা আছেন, তাদের কীভাবে মূল্যায়ন করবে-এমন প্রশ্ন নেতাকর্মীদের।

যুবদলের নতুন কমিটি নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় দুই নেতার মূল্যায়ন জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিটি ভালো হয়েছে। তবে আন্দোলনের কথা চিন্তা করে কমিটি দিয়েছে বলে মনে হয়নি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকিদের আন্দোলনে কি ভূমিকা ছিল তা বিচার-বিশ্লেষণ করা উচিত ছিল। বেশ কয়েকজন রাজপথের ভালো নেতা ছিলেন, তারা যথাযথ মূল্যায়ন পাননি। এসব নেতা ক্ষোভ নিয়ে রাজনীতিবিমুখ হলে তৃণমূলে খারাপ বার্তা যায়। এতে সংগঠন দুর্বল হয়। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে এখন দরকার সাহসী ও যার কর্মীবাহিনী আছে সেসব নেতা।

নয়াপল্টনে আনন্দ মিছিল : এদিন বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবদলের নতুন কমিটির নেতারা গেলে তাদের স্বাগত জানান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। পরে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির প্রমুখ। এতে নতুন কমিটির নেতারাসহ সাবেক কয়েকজন নেতাও ছিলেন। সূত্র: যুগান্তর।