নিউইয়র্ক ১০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

২২৮ বছর পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০১৬
  • / ৮০৪ বার পঠিত

ঢাকা: কারাগারের ভেতর ঢুকে অনেক বন্দি তাদের কষ্টের কথামালা লিখেছে দেয়ালে। সংরক্ষণ করা হবে সেই লেখাগুলো। দুটি সেলে থাকা এসব লেখাসহ বন্দিদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে তৈরি করা হবে একটি কারা জাদুঘরও। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ১০ এপ্রিল রোববার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বুড়িগঙ্গার ওপারে কেরানীগঞ্জে। এরপর পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডের এই ঐতিহাসিক স্থাপনা ঘিরে এমন পরিকল্পনা কারা কর্তৃপক্ষের।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্ম হয়েছিল ১৭৮৮ সালে। দীর্ঘ ২২৮ বছর পর এটি স্থানান্তর হচ্ছে। রোববার সকালে কেরানীগঞ্জে নবনির্মিত কারাগার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর নাজিমুদ্দীন রোডের কারাগারের জায়গাটিতে থাকছে বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর। কারাগার স্থানান্তরের পর জাদুঘর দুটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি কারা কর্তৃপক্ষ: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে প্রায় আট হাজার বন্দি রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে দুর্ধষ সন্ত্রাসী, জঙ্গিসহ ভয়ংকর অপরাধীও। তাদের একসঙ্গেই স্থানান্তরের পরিকল্পনা কারা কর্তৃপক্ষের। দেশের ইতিহাসে একসঙ্গে এতসংখ্যক বন্দি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা এই প্রথম। এ নিয়ে এক নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি কারা কর্তৃপক্ষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার কারাগার উদ্বোধনের পর কারা কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যৌথ বৈঠক করবে। একজন কারা কর্মকর্তা বলেন, এতসংখ্যক বন্দি স্থানান্তর দেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম। প্রিজন ভ্যান দিয়ে দুর্ধষ বন্দিদের সরিয়ে নেওয়া যেতে পারে আর অন্যদের পুলিশ পাহারায় বাসে করে নেওয়া যেতে পারে। তবে বন্দি সরানোর প্রক্রিয়া নির্ধারণের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বন্দিদের থাকা দুটি সেল হবে জাদুঘর: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ১৭ একর জায়গা নিয়ে চলছে ব্যাপক গবেষণা। একটি কমিটিও গঠন করেছে সরকার। এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, একটি পার্ক গড়ে তোলা হবে। আধুনিক ভবনে নির্মাণ করা হবে কনভেনশন সেন্টার, সিনেপ্লেক্স আর শপিং মল। ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থাকছে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর। পুরো অঙ্গন কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে উন্মুক্ত করা হবে সাধারণ মানুষের জন্য। এ ছাড়া ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দুটি সেল না ভেঙে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে ধরে রাখা হবে। এর একটির নাম হবে আমদানি সেল। এই দুটি সেলের দেয়ালে অনেক বন্দি তাদের মনের কথা লিখে গেছে। লেখাগুলো সংরক্ষণ করা হবে।
সূত্র জানায়, জাদুঘরটির নাম হবে কারা জাদুঘর। সেল দুটির দেয়ালে লেখা ছাড়াও কারাবন্দিদের ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্রও এখানে রাখা হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইজি প্রিজনস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, ‘অনেক কিছুই করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
যা থাকছে নতুন কারাগারে: কেরানীগঞ্জে ১৯৪ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার। কারাগারটিতে থাকছে তিন হাজার বন্দির জন্য ছয়টি ওয়ার্ড। সাজাপ্রাপ্ত এক হাজার বন্দির জন্য থাকছে দুটি ওয়ার্ড। বিপজ্জনক বন্দির জন্য থাকছে চারটি সেল। প্রতিটি সেলে রাখা হবে ১০০ বন্দিকে। কিশোর বন্দিদের জন্য থাকছে একটি ওয়ার্ড। সেখানে ১০০ কিশোরকে রাখা যাবে। মানসিক ভারসাম্যহীন বন্দিদের জন্য করা হয়েছে একটি ওয়ার্ড, যাতে ৩০ জনকে রাখা যাবে। ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য রাখা হয়েছে একটি ভবন, যাতে ৬০ জন বন্দিকে রাখার সুযোগ থাকছে। একটি এমআই (মেট্রিয়াল ইনফেকশন) ইউনিট এবং একটি ফাঁসির মঞ্চ রয়েছে, যাতে একসঙ্গে দুজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা যাবে।
নবনির্মিত কারাগারে আরো থাকছে জেল স্কুল অ্যান্ড লাইব্রেরি একটি, রান্নাঘর আটটি, ডে-টাইম লেট্রিন আট সেট, ডে-টাইম বাথিং ১৬টি, ওয়ার্ক শেড একটি, সেলুন একটি, আটার কল একটি, পানির রিজার্ভার ১০টি (প্রতিটি ১০ হাজার গ্যালন ধারণক্ষমতার), পাম্প হাউস ১০টি, সিসিটিভি সিস্টেম ৪৮টি, কেস টেবিল একটি ও ইলেকট্রিফায়েড বারবেড ওয়্যার ফেন্সিং। পেরিমিটার দেয়ালের বাইরে রাখা হয়েছে চারটি প্রশাসনিক ভবন, আটটি সাক্ষাৎকার ভবন ও ৯৪টি আবাসিক কোয়ার্টার। ৩৮৪ জন কারারক্ষীর জন্য রয়েছে একটি ব্যারাক। একটি জেনারেটর, তিনটি গুদাম, একটি সাবস্টেশন, চারটি অবজারভেশন টাওয়ার, সেন্ট্রি বক্স দুটি ও একটি মসজিদ থাকছে।
এ ছাড়া ২৭০ জন বন্দি ধারণক্ষমতার মহিলা কারাগার নির্মাণকাজ চলছে। পুরুষ কারাগার-১-এর মতো পুরুষ কারাগার-২ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। তিনটি কারাগারের পেরিমিটার দেয়ালের বাইরে তবে কারা সীমানায় ২০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও কারা কর্মকর্তারা জানান।
কেরানীগঞ্জ থেকে আলতাফ হোসেন মিন্টু জানান, ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার রোববার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ নিয়ে এলাকায় এখন সাজ সাজ রব। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের তোরণে ছেয়ে গেছে কেরানীগঞ্জের সড়ক-মহাসড়কগুলো। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বাবুবাজার ও পোস্তগোলা থেকে নবনির্মিত কেন্দ্রীয় কারগারে যাওয়ার পথে সড়কের দুই পাশ ব্যানার ও তোরণে ছেয়ে ফেলা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে কারা কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানস্থলে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তিনি অনুষ্ঠানে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা অবস্থন করবেন। এ সময় তিনি কারাগারের ফলক উন্মোচন, কারা অভ্যন্তরে বৃক্ষরোপণ ও সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেবেন। (দৈনিক কালের কন্ঠ)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

২২৮ বছর পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে

প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০১৬

ঢাকা: কারাগারের ভেতর ঢুকে অনেক বন্দি তাদের কষ্টের কথামালা লিখেছে দেয়ালে। সংরক্ষণ করা হবে সেই লেখাগুলো। দুটি সেলে থাকা এসব লেখাসহ বন্দিদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে তৈরি করা হবে একটি কারা জাদুঘরও। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ১০ এপ্রিল রোববার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বুড়িগঙ্গার ওপারে কেরানীগঞ্জে। এরপর পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডের এই ঐতিহাসিক স্থাপনা ঘিরে এমন পরিকল্পনা কারা কর্তৃপক্ষের।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্ম হয়েছিল ১৭৮৮ সালে। দীর্ঘ ২২৮ বছর পর এটি স্থানান্তর হচ্ছে। রোববার সকালে কেরানীগঞ্জে নবনির্মিত কারাগার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর নাজিমুদ্দীন রোডের কারাগারের জায়গাটিতে থাকছে বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর। কারাগার স্থানান্তরের পর জাদুঘর দুটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি কারা কর্তৃপক্ষ: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে প্রায় আট হাজার বন্দি রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে দুর্ধষ সন্ত্রাসী, জঙ্গিসহ ভয়ংকর অপরাধীও। তাদের একসঙ্গেই স্থানান্তরের পরিকল্পনা কারা কর্তৃপক্ষের। দেশের ইতিহাসে একসঙ্গে এতসংখ্যক বন্দি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা এই প্রথম। এ নিয়ে এক নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি কারা কর্তৃপক্ষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার কারাগার উদ্বোধনের পর কারা কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যৌথ বৈঠক করবে। একজন কারা কর্মকর্তা বলেন, এতসংখ্যক বন্দি স্থানান্তর দেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম। প্রিজন ভ্যান দিয়ে দুর্ধষ বন্দিদের সরিয়ে নেওয়া যেতে পারে আর অন্যদের পুলিশ পাহারায় বাসে করে নেওয়া যেতে পারে। তবে বন্দি সরানোর প্রক্রিয়া নির্ধারণের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বন্দিদের থাকা দুটি সেল হবে জাদুঘর: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ১৭ একর জায়গা নিয়ে চলছে ব্যাপক গবেষণা। একটি কমিটিও গঠন করেছে সরকার। এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, একটি পার্ক গড়ে তোলা হবে। আধুনিক ভবনে নির্মাণ করা হবে কনভেনশন সেন্টার, সিনেপ্লেক্স আর শপিং মল। ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থাকছে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর। পুরো অঙ্গন কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে উন্মুক্ত করা হবে সাধারণ মানুষের জন্য। এ ছাড়া ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দুটি সেল না ভেঙে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে ধরে রাখা হবে। এর একটির নাম হবে আমদানি সেল। এই দুটি সেলের দেয়ালে অনেক বন্দি তাদের মনের কথা লিখে গেছে। লেখাগুলো সংরক্ষণ করা হবে।
সূত্র জানায়, জাদুঘরটির নাম হবে কারা জাদুঘর। সেল দুটির দেয়ালে লেখা ছাড়াও কারাবন্দিদের ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্রও এখানে রাখা হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইজি প্রিজনস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, ‘অনেক কিছুই করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
যা থাকছে নতুন কারাগারে: কেরানীগঞ্জে ১৯৪ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার। কারাগারটিতে থাকছে তিন হাজার বন্দির জন্য ছয়টি ওয়ার্ড। সাজাপ্রাপ্ত এক হাজার বন্দির জন্য থাকছে দুটি ওয়ার্ড। বিপজ্জনক বন্দির জন্য থাকছে চারটি সেল। প্রতিটি সেলে রাখা হবে ১০০ বন্দিকে। কিশোর বন্দিদের জন্য থাকছে একটি ওয়ার্ড। সেখানে ১০০ কিশোরকে রাখা যাবে। মানসিক ভারসাম্যহীন বন্দিদের জন্য করা হয়েছে একটি ওয়ার্ড, যাতে ৩০ জনকে রাখা যাবে। ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য রাখা হয়েছে একটি ভবন, যাতে ৬০ জন বন্দিকে রাখার সুযোগ থাকছে। একটি এমআই (মেট্রিয়াল ইনফেকশন) ইউনিট এবং একটি ফাঁসির মঞ্চ রয়েছে, যাতে একসঙ্গে দুজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা যাবে।
নবনির্মিত কারাগারে আরো থাকছে জেল স্কুল অ্যান্ড লাইব্রেরি একটি, রান্নাঘর আটটি, ডে-টাইম লেট্রিন আট সেট, ডে-টাইম বাথিং ১৬টি, ওয়ার্ক শেড একটি, সেলুন একটি, আটার কল একটি, পানির রিজার্ভার ১০টি (প্রতিটি ১০ হাজার গ্যালন ধারণক্ষমতার), পাম্প হাউস ১০টি, সিসিটিভি সিস্টেম ৪৮টি, কেস টেবিল একটি ও ইলেকট্রিফায়েড বারবেড ওয়্যার ফেন্সিং। পেরিমিটার দেয়ালের বাইরে রাখা হয়েছে চারটি প্রশাসনিক ভবন, আটটি সাক্ষাৎকার ভবন ও ৯৪টি আবাসিক কোয়ার্টার। ৩৮৪ জন কারারক্ষীর জন্য রয়েছে একটি ব্যারাক। একটি জেনারেটর, তিনটি গুদাম, একটি সাবস্টেশন, চারটি অবজারভেশন টাওয়ার, সেন্ট্রি বক্স দুটি ও একটি মসজিদ থাকছে।
এ ছাড়া ২৭০ জন বন্দি ধারণক্ষমতার মহিলা কারাগার নির্মাণকাজ চলছে। পুরুষ কারাগার-১-এর মতো পুরুষ কারাগার-২ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। তিনটি কারাগারের পেরিমিটার দেয়ালের বাইরে তবে কারা সীমানায় ২০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও কারা কর্মকর্তারা জানান।
কেরানীগঞ্জ থেকে আলতাফ হোসেন মিন্টু জানান, ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার রোববার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ নিয়ে এলাকায় এখন সাজ সাজ রব। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের তোরণে ছেয়ে গেছে কেরানীগঞ্জের সড়ক-মহাসড়কগুলো। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বাবুবাজার ও পোস্তগোলা থেকে নবনির্মিত কেন্দ্রীয় কারগারে যাওয়ার পথে সড়কের দুই পাশ ব্যানার ও তোরণে ছেয়ে ফেলা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে কারা কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানস্থলে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তিনি অনুষ্ঠানে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা অবস্থন করবেন। এ সময় তিনি কারাগারের ফলক উন্মোচন, কারা অভ্যন্তরে বৃক্ষরোপণ ও সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেবেন। (দৈনিক কালের কন্ঠ)