নিউইয়র্ক ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

সিসিইউতে মান্না : মেডিক্যাল বোর্ড গঠন

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০১৫
  • / ৪২৮ বার পঠিত

ঢাকা: ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তিনি। আগে থেকেই ছিল পিঠের ব্যথা। ডিবি পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি। হাসপাতালে ভর্তির পর ইসিজিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ইনজেকশন দেয়া হয়েছে মান্নাকে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানান তিনি।
রিমান্ডে থাকা মাহমুদুর রহমান মান্নার অসুস্থ হয়ে পড়ার খবরে উদ্বিগ্ন স্বজনেরা মঙ্গলবার রাতেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান। তারা তার সঙ্গেও কথা বলেন। তার সঙ্গে দেখা করা একটি সূত্র জানিয়েছে, মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার মতো কিছু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নেই। অযথাই তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। ১৪ দিনের রিমান্ডে তাকে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে- কোন সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে তার কোন বৈঠক হয়েছে কি-না? এছাড়াও বিএনপিসহ সরকারের বাইরে থাকা অন্যান্য দলের নেতৃবৃন্দের বিশেষ কোন পরিকল্পনা আছে কি-না এসব বিষয়েও তাকে প্রশ্ন করা হয়েছে। মান্না বলেছেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার কোন বৈঠক দূরে থাক, কোন কথা হয়নি। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে অনেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে ফোনে কথা বলেন। তারা জানতে চান, এই অচলাবস্থার অবসান হবে কবে, শিগগিরই এর সমাধান হবে কি-না? ঠিক সেভাবেই একজন লোক তাকে ফোন দিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তি কে মান্না তা জানেন না। ওই ব্যক্তিই সামরিক বাহিনীর কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন। নিজেই নানা প্রস্তাব দিয়েছেন। সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করিয়ে দেয়ার কথা বলেছেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে মান্না তার কথাগুলো শুনেছেন।
এ বিষয়ে তিনি ডিবি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে সবার সঙ্গেই আলোচনার সুযোগ রয়েছে। সেনাবাহিনীর কোন কোন কর্মকর্তা আমার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী হলে, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলবো কিনা সে সম্পর্কে অজ্ঞাত ব্যক্তি জানতে চাইলে আমি বলেছি, কথা বলতে রাজি আছি। আমি রাজনীতি করি। তাই সবার সঙ্গেই আমাকে কথা বলতে হয়। এটা থেকে সামরিক ক্যু-এর ষড়যন্ত্রের আবিষ্কার হয় কীভাবে? প্রশ্ন রেখে তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার এ সবই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। সর্বশেষ ঢাকা সিটি করপোরেশন আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেয়ায় এই ষড়যন্ত্র ডাল-পালা বিস্তার করে। ডিবি কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বারবার বলেছেন, সেনাবাহিনীর কারও সঙ্গে তার কোন বৈঠক হয়নি। এমনকি টেলিফোনেও কথা হয়নি। এই বাহিনীর সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নেই। যে কোন সময় টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের খবরে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মান্না। মান্না তার ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছেন, টিএফআই সেল কি? কেন তারা সেখানে আমাকে নেবে আমি জানি না। তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
গত ২৪ ফেব্রয়ারী রাজধানীর বনানীতে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে মান্নাকে আটক করা হয়। পরদিন গভীর রাতে সেনাবাহিনীতে বিদ্রোহে উস্কানি ও প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা গুলশান থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই রাতে তাকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তারের পর গত ২৫ ফেব্রুয়ারী প্রথম দফা ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয় মান্নাকে। গত ৭ মার্চ দ্বিতীয় দফা ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হলে তিনি মঙ্গলবার রাতে অসুস্থ হয়ে যান। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, মান্নাকে মানসিক বা শারীরিক কোন নির্যাতন করা হয়নি। আইনানুগভাবে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় সে প্রক্রিয়াতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এদিকে মাহমুদুর রহমান মান্নার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আজ এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে। (দৈনিক মানজমিন)
মান্নার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন
এদিকে দৈনিক নয়া দিগন্তের এক খবরে বলা হয়েছে: নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার চিকিৎসার জন্য ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম-কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। বুধবার দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে মান্নাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
মান্নাকে রিমান্ডে কোনো ধরনের শারীরিক অথবা মানসিক নির্যাতন করা হয়নি উল্লেখ করে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘যে কোনো সময় যে কেউ অসুস্থ হতে পারেন। তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী, এটা আগেই আদালতে বলা হয়েছিল। তিনি মঙ্গলবার রাতে হাইপার টেনশনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার জন্য ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এখন বিশ্রামে রয়েছেন।’
ডিবির যুগ্ম-কমিশনার আরো বলেন, ‘মাহমুদুর রহমান মান্না গ্রেফতার হওয়ার পর তার একটি কনভারসেশন (আলাপচারিতা) পাওয়া যায়। তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী একজনের সাথে কথা বলেন। তবে ওই প্রবাসী কে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ঢামেক হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. ওয়াদুদ আহমেদের অধীনে মাহমুদুর রহমান মান্নার চিকিৎসা চলছে। মান্নার সুগার বেড়েছে বলে রক্ত পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া হার্টের সমস্যাও আছে। একারণে মান্নার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

সিসিইউতে মান্না : মেডিক্যাল বোর্ড গঠন

প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০১৫

ঢাকা: ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তিনি। আগে থেকেই ছিল পিঠের ব্যথা। ডিবি পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি। হাসপাতালে ভর্তির পর ইসিজিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ইনজেকশন দেয়া হয়েছে মান্নাকে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানান তিনি।
রিমান্ডে থাকা মাহমুদুর রহমান মান্নার অসুস্থ হয়ে পড়ার খবরে উদ্বিগ্ন স্বজনেরা মঙ্গলবার রাতেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান। তারা তার সঙ্গেও কথা বলেন। তার সঙ্গে দেখা করা একটি সূত্র জানিয়েছে, মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার মতো কিছু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নেই। অযথাই তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। ১৪ দিনের রিমান্ডে তাকে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে- কোন সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে তার কোন বৈঠক হয়েছে কি-না? এছাড়াও বিএনপিসহ সরকারের বাইরে থাকা অন্যান্য দলের নেতৃবৃন্দের বিশেষ কোন পরিকল্পনা আছে কি-না এসব বিষয়েও তাকে প্রশ্ন করা হয়েছে। মান্না বলেছেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার কোন বৈঠক দূরে থাক, কোন কথা হয়নি। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে অনেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে ফোনে কথা বলেন। তারা জানতে চান, এই অচলাবস্থার অবসান হবে কবে, শিগগিরই এর সমাধান হবে কি-না? ঠিক সেভাবেই একজন লোক তাকে ফোন দিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তি কে মান্না তা জানেন না। ওই ব্যক্তিই সামরিক বাহিনীর কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন। নিজেই নানা প্রস্তাব দিয়েছেন। সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করিয়ে দেয়ার কথা বলেছেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে মান্না তার কথাগুলো শুনেছেন।
এ বিষয়ে তিনি ডিবি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে সবার সঙ্গেই আলোচনার সুযোগ রয়েছে। সেনাবাহিনীর কোন কোন কর্মকর্তা আমার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী হলে, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলবো কিনা সে সম্পর্কে অজ্ঞাত ব্যক্তি জানতে চাইলে আমি বলেছি, কথা বলতে রাজি আছি। আমি রাজনীতি করি। তাই সবার সঙ্গেই আমাকে কথা বলতে হয়। এটা থেকে সামরিক ক্যু-এর ষড়যন্ত্রের আবিষ্কার হয় কীভাবে? প্রশ্ন রেখে তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার এ সবই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। সর্বশেষ ঢাকা সিটি করপোরেশন আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেয়ায় এই ষড়যন্ত্র ডাল-পালা বিস্তার করে। ডিবি কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বারবার বলেছেন, সেনাবাহিনীর কারও সঙ্গে তার কোন বৈঠক হয়নি। এমনকি টেলিফোনেও কথা হয়নি। এই বাহিনীর সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নেই। যে কোন সময় টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের খবরে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মান্না। মান্না তার ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছেন, টিএফআই সেল কি? কেন তারা সেখানে আমাকে নেবে আমি জানি না। তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
গত ২৪ ফেব্রয়ারী রাজধানীর বনানীতে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে মান্নাকে আটক করা হয়। পরদিন গভীর রাতে সেনাবাহিনীতে বিদ্রোহে উস্কানি ও প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা গুলশান থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই রাতে তাকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তারের পর গত ২৫ ফেব্রুয়ারী প্রথম দফা ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয় মান্নাকে। গত ৭ মার্চ দ্বিতীয় দফা ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হলে তিনি মঙ্গলবার রাতে অসুস্থ হয়ে যান। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, মান্নাকে মানসিক বা শারীরিক কোন নির্যাতন করা হয়নি। আইনানুগভাবে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় সে প্রক্রিয়াতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এদিকে মাহমুদুর রহমান মান্নার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আজ এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে। (দৈনিক মানজমিন)
মান্নার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন
এদিকে দৈনিক নয়া দিগন্তের এক খবরে বলা হয়েছে: নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার চিকিৎসার জন্য ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম-কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। বুধবার দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে মান্নাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
মান্নাকে রিমান্ডে কোনো ধরনের শারীরিক অথবা মানসিক নির্যাতন করা হয়নি উল্লেখ করে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘যে কোনো সময় যে কেউ অসুস্থ হতে পারেন। তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী, এটা আগেই আদালতে বলা হয়েছিল। তিনি মঙ্গলবার রাতে হাইপার টেনশনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার জন্য ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এখন বিশ্রামে রয়েছেন।’
ডিবির যুগ্ম-কমিশনার আরো বলেন, ‘মাহমুদুর রহমান মান্না গ্রেফতার হওয়ার পর তার একটি কনভারসেশন (আলাপচারিতা) পাওয়া যায়। তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী একজনের সাথে কথা বলেন। তবে ওই প্রবাসী কে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ঢামেক হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. ওয়াদুদ আহমেদের অধীনে মাহমুদুর রহমান মান্নার চিকিৎসা চলছে। মান্নার সুগার বেড়েছে বলে রক্ত পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া হার্টের সমস্যাও আছে। একারণে মান্নার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।