নিউইয়র্ক ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

সারদা-জামায়াত সংযোগ খুঁজতে ভারতকে চিঠি

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৪
  • / ১২০৫ বার পঠিত

সারদার টাকা জামায়াতে ইসলামির কাছে পাচার হয়েছে কি-না তা জানতে চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করে শিগগিরই বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠাবে মোদি সরকার। এ জন্যই বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার কাছে এ ব্যাপারে রিপোর্ট চাওয়া হচ্ছে।

আর সেই চিঠির ভিত্তিতেই সারদার টাকা বাংলাদেশে পাচার নিয়ে এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরটের (ইডি) কাছে রিপোর্ট চেয়েছে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালায়। এর আগেই সারদা কেলেঙ্কারির আর এক তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের কাছেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন আনন্দবাজার।

দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, টাকা বিদেশে পাচার হওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই কিছু তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গুরুতর জালিয়াতি তদন্তকারী সংস্থার (এসএফআইও) রিপোর্টেও সারদার টাকা বাংলাদেশে পাচারের ইঙ্গিত রয়েছে। তবে এ নিয়ে আরো বিস্তারিতভাবে ইডির কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ওই রিপোর্টে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য দিতে বলেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

ইডি সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের কাছে জানতে চেয়েছে সারদার টাকা বিদেশে গিয়েছে কি-না? নির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশে জামায়াতের কাছে গিয়েছে কি-না? বাংলাদেশে টাকা পাচার হয়ে থাকলে তার সঙ্গে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য আহমেদ হাসান ইমরানের কী যোগ রয়েছে?

এদিকে সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে জামায়াতের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ ইমরানের যোগাযোগর কথা উঠে আসে। বাংলাদেশের গোয়েন্দাদেরও দাবি, দেশে অস্থিরতা তৈরিতে জামায়াতকে সারদার টাকা দিয়ে সাহায্য করা হয়েছিল। তার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ ইমরান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই তদন্ত শুরু করে বাংলাদেশও। তারপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে ইডির তদন্তকারীরা ইমরানকে কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বাংলাদেশের চিঠি পৌঁছতেই সে ব্যাপারে রিপোর্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নির্দেশ দিয়েছেন, এ ব্যাপারে বাংলাদেশের কাছে যেন কোনো তথ্য গোপন না করা হয়। তার ভিত্তিতেই তড়িঘড়ি করে তদন্তকারীদের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হচ্ছে।

শুধু সারদাই নয়, বাকি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলোর টাকাও বাংলাদেশে পাচার হয়েছে কি-না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে তদন্ত। ইতিমধ্যেই ইডি ও সিবিআই রোজ ভ্যালি সংস্থা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। বাকি সংস্থাগুলো নিয়েও তদন্ত শুরু হবে শিগগিরই।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

সারদা-জামায়াত সংযোগ খুঁজতে ভারতকে চিঠি

প্রকাশের সময় : ০২:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৪

সারদার টাকা জামায়াতে ইসলামির কাছে পাচার হয়েছে কি-না তা জানতে চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করে শিগগিরই বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠাবে মোদি সরকার। এ জন্যই বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার কাছে এ ব্যাপারে রিপোর্ট চাওয়া হচ্ছে।

আর সেই চিঠির ভিত্তিতেই সারদার টাকা বাংলাদেশে পাচার নিয়ে এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরটের (ইডি) কাছে রিপোর্ট চেয়েছে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালায়। এর আগেই সারদা কেলেঙ্কারির আর এক তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের কাছেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন আনন্দবাজার।

দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, টাকা বিদেশে পাচার হওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই কিছু তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গুরুতর জালিয়াতি তদন্তকারী সংস্থার (এসএফআইও) রিপোর্টেও সারদার টাকা বাংলাদেশে পাচারের ইঙ্গিত রয়েছে। তবে এ নিয়ে আরো বিস্তারিতভাবে ইডির কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ওই রিপোর্টে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য দিতে বলেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

ইডি সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের কাছে জানতে চেয়েছে সারদার টাকা বিদেশে গিয়েছে কি-না? নির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশে জামায়াতের কাছে গিয়েছে কি-না? বাংলাদেশে টাকা পাচার হয়ে থাকলে তার সঙ্গে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য আহমেদ হাসান ইমরানের কী যোগ রয়েছে?

এদিকে সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে জামায়াতের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ ইমরানের যোগাযোগর কথা উঠে আসে। বাংলাদেশের গোয়েন্দাদেরও দাবি, দেশে অস্থিরতা তৈরিতে জামায়াতকে সারদার টাকা দিয়ে সাহায্য করা হয়েছিল। তার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ ইমরান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই তদন্ত শুরু করে বাংলাদেশও। তারপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে ইডির তদন্তকারীরা ইমরানকে কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বাংলাদেশের চিঠি পৌঁছতেই সে ব্যাপারে রিপোর্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নির্দেশ দিয়েছেন, এ ব্যাপারে বাংলাদেশের কাছে যেন কোনো তথ্য গোপন না করা হয়। তার ভিত্তিতেই তড়িঘড়ি করে তদন্তকারীদের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হচ্ছে।

শুধু সারদাই নয়, বাকি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলোর টাকাও বাংলাদেশে পাচার হয়েছে কি-না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে তদন্ত। ইতিমধ্যেই ইডি ও সিবিআই রোজ ভ্যালি সংস্থা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। বাকি সংস্থাগুলো নিয়েও তদন্ত শুরু হবে শিগগিরই।