নিউইয়র্ক ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে আলোড়িত হন জয়

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০১৫
  • / ৫৭৫ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ একটি ঐতিহাসিক ভাষণ। এই ভাষণ শুনে আজো অনেকইে আবেক প্রবণ হয়ে পড়েন, অনেকেই উদ্দীপ্ত হন। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ও ৭ মার্চের ভাষণ শুনে আলোড়িত হয়েছেন। জয় বলেছেন, যতবারই তিনি এই ভাষণ শুনেন, ততবারই প্রচন্ড আবেগে আলোড়িত হয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। গত ৬ মার্চ শুক্রবার মধ্যরাতে ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসে জয় এভাবেই প্রকাশ করেছেন তার নানার সেই বিখ্যাত ভাষণের অনুভূতি।
ফেসবুক টাইম লাইনে সজিব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ‘আগামীকাল (শনিবার) ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের জাতিকে পাকিস্তানী অবিচার, অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জনে আন্দোলিত করেছিলো। প্রতিবার যখন আমি এই ভাষণটি শুনি তখন তা আমাকে প্রচন্ড আবেগে আলোড়িত করে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে আলোড়িত হন জয়

প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০১৫

নিউইয়র্ক: স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ একটি ঐতিহাসিক ভাষণ। এই ভাষণ শুনে আজো অনেকইে আবেক প্রবণ হয়ে পড়েন, অনেকেই উদ্দীপ্ত হন। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ও ৭ মার্চের ভাষণ শুনে আলোড়িত হয়েছেন। জয় বলেছেন, যতবারই তিনি এই ভাষণ শুনেন, ততবারই প্রচন্ড আবেগে আলোড়িত হয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। গত ৬ মার্চ শুক্রবার মধ্যরাতে ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসে জয় এভাবেই প্রকাশ করেছেন তার নানার সেই বিখ্যাত ভাষণের অনুভূতি।
ফেসবুক টাইম লাইনে সজিব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ‘আগামীকাল (শনিবার) ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের জাতিকে পাকিস্তানী অবিচার, অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জনে আন্দোলিত করেছিলো। প্রতিবার যখন আমি এই ভাষণটি শুনি তখন তা আমাকে প্রচন্ড আবেগে আলোড়িত করে।’