নিউইয়র্ক ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

প্রথম তদন্ত ভুল, দ্বিতীয় তদন্তে পাল্টাল সব

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:১১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জুলাই ২০১৬
  • / ৭৬৬ বার পঠিত

ঢাকা: পুলিশের কনস্টেবল মো. সহিদুল ইসলামের একমাত্র ছেলে রিয়াজুল ইসলাম মারা যান ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর। গোপালগঞ্জ থানার পুলিশ ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করে বলে, রিয়াজ নেশা করতে গিয়ে নেশাদ্রব্যের বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশে পাঁচ বছর পর ঘটনাটি আবার তদন্ত করে পুলিশ বলছে, রিয়াজকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছে তাঁরই বন্ধুরা।
তদন্ত করেছে পুলিশের নতুন একটি তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত শেষে মোট ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে তারা। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।
পিবিআই বলছে, ২০১৫ সালের জুন থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত দেশের ২০টি জেলায় অন্তত ১৮২টি হত্যা মামলায় পুলিশের আগের তদন্ত প্রতিবেদন ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সব কটিই আগের তদন্তে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল পুলিশ। বলা হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা
পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালের ১০ জুন থেকে পৃথক তদন্ত সংস্থা হিসেবে মামলার তদন্তকাজ শুরু করা পিবিআই বর্তমানে দেশের ২৭টি জেলায় কাজ করছে। একজন অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জেলা পর্যায়ে পিবিআই কার্যালয়গুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
যেসব মামলার বাদীপক্ষ পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হতে না পেরে আদালতে নারাজি আবেদন করেছে, সেসব মামলার অনেকগুলোই নতুন করে তদন্তের ভার নিচ্ছে পিবিআই। ২০ জেলায় গত এক বছরে এ রকম ৩ হাজার ৭১১টি মামলা তদন্ত করেছে পিবিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে, ১৮২টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আমূল পাল্টে গেছে। এর মধ্যে শুধু ঢাকা জেলাতেই এ রকম মামলা পাওয়া গেছে ২৯টি।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা প্রথম আলোকে বলেন, এই চিত্র থেকে এটাই বোঝা যাচ্ছে যে থানা-পুলিশের তদন্ত হচ্ছে ভাসা ভাসা। ঠিকমতো তত্ত্বাবধান হচ্ছে না। পুলিশে সঠিক লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। তাদের প্রশিক্ষণও হচ্ছে না ঠিকমতো।
নুরল হুদা বলেন, আগের তদন্তে ভুল পেলে ওই তদন্তকারীর ইউনিট প্রধানের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা প্রয়োজন। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পিবিআইর তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমূল বদলে যাওয়া তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়াও অনেক মামলার তদন্তে নানান মাত্রার ভুলত্রুটি বেরিয়ে এসেছে। অনেক মামলায় তাদের অধিকতর তদন্তে আসামির সংখ্যা বেড়েছে বা কমেছে। অনেক ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগের ধারাও বদলাতে হয়েছে।
পটুয়াখালী পিবিআইয়ের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রাহমান প্রথম আলোকে বলেন, ছয়টি ঘটনায় থানা-পুলিশ ঘটনার সত্যতা পায়নি বলে প্রতিবেদন দিলেও নতুন করে তদন্তে তাঁরা সুনির্দিষ্ট আসামি চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দিয়েছেন। এ ছাড়া ১১টি মামলায় ২৮ জনকে আসামি করেছিল পুলিশ। তাঁদের নতুন তদন্তে সেটি ৯০ জনে উত্তীর্ণ হয়েছে।
পিবিআই-প্রধান ও পুলিশের উপমহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, মামলা তদন্ত করতে যে পরিমাণ মেধা ও সময় দেওয়া প্রয়োজন ছিল, তা পূর্ববর্তী তদন্তকারী কর্মকর্তারা দেননি বা দিতে পারেননি বলে মনে হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা প্রভাবিত হয়ে তদন্তে গাফিলতি করেছেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে বনজ কুমার বলেন, সেটা প্রমাণ করা কঠিন। তবে একটি মামলায় একজন তদন্তকারী কর্মকর্তার গাফিলতির ব্যাপারে তিনি নিজেই পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করেছেন বলে জানান।
পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের অনেকে বলেছেন, কিছু মামলায় ময়নাতদন্তের ভুল প্রতিবেদনের কারণে ভুলভাবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।
২০১২ সালের ১০ জানুয়ারি বগুড়ার শেরপুর উপজেলার একটি ইউক্যালিপটাসগাছের বাগান থেকে ছবের আলীর নামের এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ছবেরের স্ত্রী মর্জিনা বিবি আদালতে হত্যা মামলা করেন। প্রথমে শেরপুর থানার পুলিশ ও পরে একজন সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাটি তদন্ত করেন। দুটি প্রতিবেদনেই বলা হয়, ছবের আলী আত্মহত্যা করেছেন।
আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি আবার তদন্ত করে বগুড়া পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুর রউফ মণ্ডল যে প্রতিবেদন দিয়েছেন, তাতে বলা হয়েছে, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আপন বোন, দুলাভাই ও ভাগনের হাতে খুন হয়েছেন ছবের আলী। গলায় মাফলার পেঁচিয়ে গাছে ঝুলিয়ে পরিকল্পিতভাবে ছবেরকে হত্যা করা হয়। আসামিদের তিনজনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বগুড়া পিবিআইয়ের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন আগের তদন্তে মূল বিষয়টি উঠে না আসার বিষয়ে বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ছবের আলী আত্মহত্যা করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ বিষয়টিই তদন্ত প্রতিবেদনে প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া অধিক মামলার চাপের কারণে থানা-পুলিশও হয়তো বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে পারেনি।
আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, বাংলাদেশে ১৫ শতাংশের বেশি মামলায় দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া যায় না। আর এটা সম্ভব হয় না শুধু তদন্তে গাফিলতির জন্য। পুলিশ হয় অদক্ষতার কারণে তদন্ত প্রমাণ করতে পারে না, অথবা প্রভাবিত হয়ে বলে কিছু পায়নি।
পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (অপরাধ ব্যবস্থাপনা) মো. হুমায়ুন কবীর প্রথম আলোকে বলেন, পিআইবির তদন্তই যে সঠিক, তা কিন্তু এখনই বলা যাচ্ছে না। আদালত এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তা ছাড়া মামলার তদন্ত ছাড়াও থানা-পুলিশের আরও নানামুখি কাজ থাকে, যা অনেক সময় তদন্ত-প্রক্রিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার কাজ বিঘ্নিত করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

প্রথম তদন্ত ভুল, দ্বিতীয় তদন্তে পাল্টাল সব

প্রকাশের সময় : ১১:১১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জুলাই ২০১৬

ঢাকা: পুলিশের কনস্টেবল মো. সহিদুল ইসলামের একমাত্র ছেলে রিয়াজুল ইসলাম মারা যান ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর। গোপালগঞ্জ থানার পুলিশ ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করে বলে, রিয়াজ নেশা করতে গিয়ে নেশাদ্রব্যের বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশে পাঁচ বছর পর ঘটনাটি আবার তদন্ত করে পুলিশ বলছে, রিয়াজকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছে তাঁরই বন্ধুরা।
তদন্ত করেছে পুলিশের নতুন একটি তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত শেষে মোট ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে তারা। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।
পিবিআই বলছে, ২০১৫ সালের জুন থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত দেশের ২০টি জেলায় অন্তত ১৮২টি হত্যা মামলায় পুলিশের আগের তদন্ত প্রতিবেদন ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সব কটিই আগের তদন্তে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল পুলিশ। বলা হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা
পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালের ১০ জুন থেকে পৃথক তদন্ত সংস্থা হিসেবে মামলার তদন্তকাজ শুরু করা পিবিআই বর্তমানে দেশের ২৭টি জেলায় কাজ করছে। একজন অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জেলা পর্যায়ে পিবিআই কার্যালয়গুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
যেসব মামলার বাদীপক্ষ পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হতে না পেরে আদালতে নারাজি আবেদন করেছে, সেসব মামলার অনেকগুলোই নতুন করে তদন্তের ভার নিচ্ছে পিবিআই। ২০ জেলায় গত এক বছরে এ রকম ৩ হাজার ৭১১টি মামলা তদন্ত করেছে পিবিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে, ১৮২টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আমূল পাল্টে গেছে। এর মধ্যে শুধু ঢাকা জেলাতেই এ রকম মামলা পাওয়া গেছে ২৯টি।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা প্রথম আলোকে বলেন, এই চিত্র থেকে এটাই বোঝা যাচ্ছে যে থানা-পুলিশের তদন্ত হচ্ছে ভাসা ভাসা। ঠিকমতো তত্ত্বাবধান হচ্ছে না। পুলিশে সঠিক লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। তাদের প্রশিক্ষণও হচ্ছে না ঠিকমতো।
নুরল হুদা বলেন, আগের তদন্তে ভুল পেলে ওই তদন্তকারীর ইউনিট প্রধানের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা প্রয়োজন। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পিবিআইর তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমূল বদলে যাওয়া তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়াও অনেক মামলার তদন্তে নানান মাত্রার ভুলত্রুটি বেরিয়ে এসেছে। অনেক মামলায় তাদের অধিকতর তদন্তে আসামির সংখ্যা বেড়েছে বা কমেছে। অনেক ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগের ধারাও বদলাতে হয়েছে।
পটুয়াখালী পিবিআইয়ের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রাহমান প্রথম আলোকে বলেন, ছয়টি ঘটনায় থানা-পুলিশ ঘটনার সত্যতা পায়নি বলে প্রতিবেদন দিলেও নতুন করে তদন্তে তাঁরা সুনির্দিষ্ট আসামি চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দিয়েছেন। এ ছাড়া ১১টি মামলায় ২৮ জনকে আসামি করেছিল পুলিশ। তাঁদের নতুন তদন্তে সেটি ৯০ জনে উত্তীর্ণ হয়েছে।
পিবিআই-প্রধান ও পুলিশের উপমহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, মামলা তদন্ত করতে যে পরিমাণ মেধা ও সময় দেওয়া প্রয়োজন ছিল, তা পূর্ববর্তী তদন্তকারী কর্মকর্তারা দেননি বা দিতে পারেননি বলে মনে হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা প্রভাবিত হয়ে তদন্তে গাফিলতি করেছেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে বনজ কুমার বলেন, সেটা প্রমাণ করা কঠিন। তবে একটি মামলায় একজন তদন্তকারী কর্মকর্তার গাফিলতির ব্যাপারে তিনি নিজেই পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করেছেন বলে জানান।
পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের অনেকে বলেছেন, কিছু মামলায় ময়নাতদন্তের ভুল প্রতিবেদনের কারণে ভুলভাবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।
২০১২ সালের ১০ জানুয়ারি বগুড়ার শেরপুর উপজেলার একটি ইউক্যালিপটাসগাছের বাগান থেকে ছবের আলীর নামের এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ছবেরের স্ত্রী মর্জিনা বিবি আদালতে হত্যা মামলা করেন। প্রথমে শেরপুর থানার পুলিশ ও পরে একজন সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাটি তদন্ত করেন। দুটি প্রতিবেদনেই বলা হয়, ছবের আলী আত্মহত্যা করেছেন।
আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি আবার তদন্ত করে বগুড়া পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুর রউফ মণ্ডল যে প্রতিবেদন দিয়েছেন, তাতে বলা হয়েছে, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আপন বোন, দুলাভাই ও ভাগনের হাতে খুন হয়েছেন ছবের আলী। গলায় মাফলার পেঁচিয়ে গাছে ঝুলিয়ে পরিকল্পিতভাবে ছবেরকে হত্যা করা হয়। আসামিদের তিনজনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বগুড়া পিবিআইয়ের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন আগের তদন্তে মূল বিষয়টি উঠে না আসার বিষয়ে বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ছবের আলী আত্মহত্যা করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ বিষয়টিই তদন্ত প্রতিবেদনে প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া অধিক মামলার চাপের কারণে থানা-পুলিশও হয়তো বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে পারেনি।
আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, বাংলাদেশে ১৫ শতাংশের বেশি মামলায় দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া যায় না। আর এটা সম্ভব হয় না শুধু তদন্তে গাফিলতির জন্য। পুলিশ হয় অদক্ষতার কারণে তদন্ত প্রমাণ করতে পারে না, অথবা প্রভাবিত হয়ে বলে কিছু পায়নি।
পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (অপরাধ ব্যবস্থাপনা) মো. হুমায়ুন কবীর প্রথম আলোকে বলেন, পিআইবির তদন্তই যে সঠিক, তা কিন্তু এখনই বলা যাচ্ছে না। আদালত এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তা ছাড়া মামলার তদন্ত ছাড়াও থানা-পুলিশের আরও নানামুখি কাজ থাকে, যা অনেক সময় তদন্ত-প্রক্রিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার কাজ বিঘ্নিত করে।