নিউইয়র্ক ০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

খালেদা জিয়া জনতার রুদ্ররোষেই পড়েছিলেন, উনি কীসের প্রতিশোধ নেবেন? সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৫
  • / ৬৭৩ বার পঠিত

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লক্ষ্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কীসের প্রতিশোধ, কার উপর প্রতিশোধ? কোথায় নেবে? উনি কার ওপরে প্রতিশোধ নেবেন? এগুলো ভেবে দেখতে হবে। তিনি বলেন, দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে খালেদা জিয়া এখন প্রতিশোধের কথা বলছেন। নির্বাচনে নীল নকশা করে কিভাবে জিততে হয় তা খালেদা জিয়া ভালো জানেন বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। ২৬ এপ্রিল রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সিটি নির্বাচনের নিয়ে খালেদা জিয়ার সাংবাদিক সম্মেলনের দুই ঘণ্টা পর সাংবাদিক সম্মেলন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজের সাংবাদি সম্মেলনে ‘মিথ্যার ফুলঝুরি’ তুলে ধরেছেন। খালেদা জিয়া দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এখন প্রতিশোধের কথা বলছেন। ২০০৯ সরকার গঠন করার পরে যেভাবে দেশকে বিশ্বের কাছে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গেছি এর আগে কি অবস্থা ছিল ? খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডায় ভাঙচুর করা হয়। দুর্নীতির কারণে দেশে বিনিয়োগ বন্ধ ছিলো।
শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন। তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার চালালেও তা গণমাধ্যমে আসেনি। এমনকি তার গাড়িবহরের নিচে একজনের চাপা পড়লেও গণমাধ্যমে সেই ছবি আসেনি। এই ছবি তো আপনারা দেখাননি। খালেদা জিয়া জনতার রুদ্ররোষেই পড়েছিলেন বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। উনি যে মানুষকে পোড়ালেন তিনি আবার মানুষের কাছে ভোট চান কীভাবে? কোন মুখে ভোট চান? পেট্রোল বোমাবাজদের ইন্ধনদাতাদেরও ধরা হবে। খালেদা জিয়া আন্দোলনের নামে মানুষ যেভাবে পোড়াল, বিশ্বে কোথাও কি কেউ দেখেছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমি ফোন করেছিলাম, উনি ছয় ঘণ্টা পর ফোন ধরলেন। উনার যে কথা, আমার এই জীবনে এই রকম মুখ ঝামটা, ঝাড়ি আর খাইনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনার ছেলে মারা গেল, আমি গেলাম সহানুভূতি জানাতে। আমি গেলাম, আমি নামতে পারলাম না, উনার গেটে তালা। আমাকে ঢুকতে দিলেন না, ভেতরে অনেক লোকজন ছিল, একটুকু ভদ্রতাও তো দেখায়নি। খালেদা জিয়ার কথাকে বিশ্বাস করা যায় না। শেখ হাসিনা বলেন, তার নির্দেশে কত মায়ের কোল খালি হয়েছে। এখন প্রতিশোধ যদি জনগণ নেয়, তা কার ওপর নেবে, সেটা তার ভেবে দেখা উচিত।
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা আরো বলেন, তিনি যখনই ক্ষমতায় এসেছেন জনগণের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছেন। মানুষ খুন করে এখন মানুষকেই যখন প্রতিশোধ নিতে বলেন, এর চেয়ে হাস্যকর আর কিছুই নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা রানা প্লাজার অনুদানের হিসাব চায় তারা কয় টাকা সাহায্য করেছে। এই এতো জ্বালানি খরচ হলো এটা কে দেবে?(দৈনিক যুগান্তর)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

খালেদা জিয়া জনতার রুদ্ররোষেই পড়েছিলেন, উনি কীসের প্রতিশোধ নেবেন? সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লক্ষ্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কীসের প্রতিশোধ, কার উপর প্রতিশোধ? কোথায় নেবে? উনি কার ওপরে প্রতিশোধ নেবেন? এগুলো ভেবে দেখতে হবে। তিনি বলেন, দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে খালেদা জিয়া এখন প্রতিশোধের কথা বলছেন। নির্বাচনে নীল নকশা করে কিভাবে জিততে হয় তা খালেদা জিয়া ভালো জানেন বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। ২৬ এপ্রিল রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সিটি নির্বাচনের নিয়ে খালেদা জিয়ার সাংবাদিক সম্মেলনের দুই ঘণ্টা পর সাংবাদিক সম্মেলন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজের সাংবাদি সম্মেলনে ‘মিথ্যার ফুলঝুরি’ তুলে ধরেছেন। খালেদা জিয়া দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এখন প্রতিশোধের কথা বলছেন। ২০০৯ সরকার গঠন করার পরে যেভাবে দেশকে বিশ্বের কাছে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গেছি এর আগে কি অবস্থা ছিল ? খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডায় ভাঙচুর করা হয়। দুর্নীতির কারণে দেশে বিনিয়োগ বন্ধ ছিলো।
শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন। তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার চালালেও তা গণমাধ্যমে আসেনি। এমনকি তার গাড়িবহরের নিচে একজনের চাপা পড়লেও গণমাধ্যমে সেই ছবি আসেনি। এই ছবি তো আপনারা দেখাননি। খালেদা জিয়া জনতার রুদ্ররোষেই পড়েছিলেন বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। উনি যে মানুষকে পোড়ালেন তিনি আবার মানুষের কাছে ভোট চান কীভাবে? কোন মুখে ভোট চান? পেট্রোল বোমাবাজদের ইন্ধনদাতাদেরও ধরা হবে। খালেদা জিয়া আন্দোলনের নামে মানুষ যেভাবে পোড়াল, বিশ্বে কোথাও কি কেউ দেখেছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমি ফোন করেছিলাম, উনি ছয় ঘণ্টা পর ফোন ধরলেন। উনার যে কথা, আমার এই জীবনে এই রকম মুখ ঝামটা, ঝাড়ি আর খাইনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনার ছেলে মারা গেল, আমি গেলাম সহানুভূতি জানাতে। আমি গেলাম, আমি নামতে পারলাম না, উনার গেটে তালা। আমাকে ঢুকতে দিলেন না, ভেতরে অনেক লোকজন ছিল, একটুকু ভদ্রতাও তো দেখায়নি। খালেদা জিয়ার কথাকে বিশ্বাস করা যায় না। শেখ হাসিনা বলেন, তার নির্দেশে কত মায়ের কোল খালি হয়েছে। এখন প্রতিশোধ যদি জনগণ নেয়, তা কার ওপর নেবে, সেটা তার ভেবে দেখা উচিত।
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা আরো বলেন, তিনি যখনই ক্ষমতায় এসেছেন জনগণের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছেন। মানুষ খুন করে এখন মানুষকেই যখন প্রতিশোধ নিতে বলেন, এর চেয়ে হাস্যকর আর কিছুই নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা রানা প্লাজার অনুদানের হিসাব চায় তারা কয় টাকা সাহায্য করেছে। এই এতো জ্বালানি খরচ হলো এটা কে দেবে?(দৈনিক যুগান্তর)