নিউইয়র্ক ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড বহাল : কারাগারে পরিবার : বিচলিত নন জামায়াত নেতা

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৫:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০১৫
  • / ১০০৫ বার পঠিত

ঢাকা: যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামানের করা রিভিউ আবেদন খারিজ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল রইল। ৬ এপ্রিল সোমবার সকাল ৯ টায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার কামারুজ্জামানের আবেদনের ওপর প্রায় দুই ঘণ্টা শুনানি হয়। শুনানিতে অংশ নেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলাম। এদিকে রায় ঘোষণার পর মাহবুবে আলম বলেন, কামারুজ্জামান নিয়ম অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চাইতে পারবেন। এ বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে সরকার দন্ড কার্যকর করবে। কামারুজ্জামানের আইনজীবী শিশির মুহাম্মদ মনির রায়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আজই উনার সঙ্গে দেখা করার উদ্যোগ নেব। কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব। তার সঙ্গে পরামর্শ করে দিক নির্দশনা নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। গত বছর ৩ নভেম্বর আপিল বিভাগের এই বেঞ্চই কামারুজ্জামানকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির রায় বহাল রাখে। ২০১৩ সালের ৯ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল। এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। এটিই ছিল যুদ্ধাপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত কারও প্রথম ফাঁসি।
Kamaruzzaman Famillyকারাগারে কামারুজ্জামানের সাথে পরিবারের সাক্ষাৎ: মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তারা কারাগারে প্রবেশ করেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কামারুজ্জামানের স্ত্রী নুরুন্নাহার, দুই ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামি ও হাসান ইমাম ওয়াফি, মেয়ে আতিয়া নূর ও ভাগ্নি রোকসানা জেরিনসহ ১২ জন। এর আগে দুপুরে কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার নির্দেশনা দিয়ে পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। সকাল ৯ টায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ কামারুজ্জামানের করা রিভিউ আবেদন খারিজ করেন। ফলে কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল থাকে। নিয়ম অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইতে পারবেন। এ বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে সরকার দন্ড কার্যকর করবে। গত বছর ৩রা নভেম্বর আপিল বিভাগের এই বেঞ্চই কামারুজ্জামানকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির রায় বহাল রাখে। ২০১৩ সালের ৯ই মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল।
kmaruzzaman Sonসাক্ষাতের পর ছেলে : বিচলিত নন কামারুজ্জামান
ফাঁসির রায় বহাল থাকায় বিচলিত নন জামায়াত নেতা কামারুজ্জামান। কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামী জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্য কামারুজ্জামানকে হাসিমুখে বিদায় জানিয়েছেন। তিনি তাদের সৎ পথে থাকার এবং সৎ উপার্জনের পরামর্শ দিয়েছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কামারুজ্জামানের স্ত্রী নুরুন্নাহার, মেয়ে আছিয়া নূর, দুই ছেলে হাসান ইকবাল ইয়ামি ও হাসান ইমাম ওয়াফি, ভাগ্নি রুকসানা জেরিনসহ ১২ জন কারাফটকের সামনে যান। সন্ধ্যায় ৬টা ৪৫ মিনিটে একজন বাদে বাকিরা কারাগারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এক ঘণ্টা পর রাত পৌনে ৮টায় তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন।
সাক্ষাৎ শেষে ওয়ামি বলেন, যে রায় সরকার দিয়েছে তা ঐতিহাসিকভাবে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। তার (কামারুজ্জামান) ওপর জুলুম করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে এই রায়ে যারা জড়িত, আল্লাহ তাদের বিচার করবেন।
কারাগার থেকে বেরোনোর সময় কামারুজ্জামানের মেয়ে আছিয়া নূর সবার উদ্দেশ্যে ‘ভি’ চিহ্ন দেখান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাসান ইকবাল বলেন, এ ঘটনায় আমরা বিচলিত নই। হাসিমুখে আমরা তাকে বিদায় জানাতে এসেছি এবং হাসিমুখে চলে যাচ্ছি।
হাসান জানান, ফ্যামিলির উদ্দেশ্যে তার বাবা বলেছেন, ‘সৎ পথে থেকো, সৎ উপার্জন করো। তিনি বলেন, আব্বা কোনও অপরাধ করেননি। সোহাগপুরের যে ঘটনার জন্য তাকে দায়ী করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। আব্বা সুস্থ ও মানসিকভাবে শক্ত রয়েছেন। এটা শেষ দেখা কিনা সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে হাসান ইকবাল বলেন, এটা শেষ দেখা না। শেষ দেখা হলে একান্তভাবে কথা বলার সুযোগ দেয়া হতো। তা দেয়া হয়নি। এটা শেষ দেখা না বলেই আমরা মনে করি। ক্ষমাপ্রার্থনা প্রসঙ্গে হাসান ইকবাল বলেন, কেন ক্ষমা চাইবেন? তিনি কি অপরাধ করেছেন? হাসান বলেন, তরুণ প্রজন্ম্র প্রহসনের এই রায়ের সমুচিত জবাব দেবে। কারাগার থেকে কামারুজ্জামানের ছেলে বেরিয়ে আসার আগেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়ার জেলসুপার ফরমান আলী সাংবাদিকদের বলেন, আমি এখন পর্যন্ত আদালতের রায়ের কপি পাইনি। রায়ের কপি না পেয়ে রায় সংক্রান্ত কোনও কার্যক্রম করা যাবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনজীবিদের সঙ্গে তার (কামারুজ্জামান) দেখা করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যরা রায়ের পর দেখা করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। সেজন্য তারা দেখা করেছেন। তিনি বলেন, জেলকোড অনুযায়ী যে সুবিধা দেয়ার কথা তাই তাকে (কামারুজ্জামান) দেয়া হচ্ছে। বিধি-বিধান মেনেই আমরা আমাদের কাজ করছি। (দৈনিক মানবজমিন)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড বহাল : কারাগারে পরিবার : বিচলিত নন জামায়াত নেতা

প্রকাশের সময় : ১১:৪৫:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা: যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামানের করা রিভিউ আবেদন খারিজ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল রইল। ৬ এপ্রিল সোমবার সকাল ৯ টায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার কামারুজ্জামানের আবেদনের ওপর প্রায় দুই ঘণ্টা শুনানি হয়। শুনানিতে অংশ নেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলাম। এদিকে রায় ঘোষণার পর মাহবুবে আলম বলেন, কামারুজ্জামান নিয়ম অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চাইতে পারবেন। এ বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে সরকার দন্ড কার্যকর করবে। কামারুজ্জামানের আইনজীবী শিশির মুহাম্মদ মনির রায়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আজই উনার সঙ্গে দেখা করার উদ্যোগ নেব। কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব। তার সঙ্গে পরামর্শ করে দিক নির্দশনা নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। গত বছর ৩ নভেম্বর আপিল বিভাগের এই বেঞ্চই কামারুজ্জামানকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির রায় বহাল রাখে। ২০১৩ সালের ৯ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল। এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। এটিই ছিল যুদ্ধাপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত কারও প্রথম ফাঁসি।
Kamaruzzaman Famillyকারাগারে কামারুজ্জামানের সাথে পরিবারের সাক্ষাৎ: মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তারা কারাগারে প্রবেশ করেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কামারুজ্জামানের স্ত্রী নুরুন্নাহার, দুই ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামি ও হাসান ইমাম ওয়াফি, মেয়ে আতিয়া নূর ও ভাগ্নি রোকসানা জেরিনসহ ১২ জন। এর আগে দুপুরে কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার নির্দেশনা দিয়ে পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। সকাল ৯ টায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ কামারুজ্জামানের করা রিভিউ আবেদন খারিজ করেন। ফলে কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল থাকে। নিয়ম অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইতে পারবেন। এ বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে সরকার দন্ড কার্যকর করবে। গত বছর ৩রা নভেম্বর আপিল বিভাগের এই বেঞ্চই কামারুজ্জামানকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির রায় বহাল রাখে। ২০১৩ সালের ৯ই মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল।
kmaruzzaman Sonসাক্ষাতের পর ছেলে : বিচলিত নন কামারুজ্জামান
ফাঁসির রায় বহাল থাকায় বিচলিত নন জামায়াত নেতা কামারুজ্জামান। কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামী জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্য কামারুজ্জামানকে হাসিমুখে বিদায় জানিয়েছেন। তিনি তাদের সৎ পথে থাকার এবং সৎ উপার্জনের পরামর্শ দিয়েছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কামারুজ্জামানের স্ত্রী নুরুন্নাহার, মেয়ে আছিয়া নূর, দুই ছেলে হাসান ইকবাল ইয়ামি ও হাসান ইমাম ওয়াফি, ভাগ্নি রুকসানা জেরিনসহ ১২ জন কারাফটকের সামনে যান। সন্ধ্যায় ৬টা ৪৫ মিনিটে একজন বাদে বাকিরা কারাগারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এক ঘণ্টা পর রাত পৌনে ৮টায় তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন।
সাক্ষাৎ শেষে ওয়ামি বলেন, যে রায় সরকার দিয়েছে তা ঐতিহাসিকভাবে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। তার (কামারুজ্জামান) ওপর জুলুম করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে এই রায়ে যারা জড়িত, আল্লাহ তাদের বিচার করবেন।
কারাগার থেকে বেরোনোর সময় কামারুজ্জামানের মেয়ে আছিয়া নূর সবার উদ্দেশ্যে ‘ভি’ চিহ্ন দেখান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাসান ইকবাল বলেন, এ ঘটনায় আমরা বিচলিত নই। হাসিমুখে আমরা তাকে বিদায় জানাতে এসেছি এবং হাসিমুখে চলে যাচ্ছি।
হাসান জানান, ফ্যামিলির উদ্দেশ্যে তার বাবা বলেছেন, ‘সৎ পথে থেকো, সৎ উপার্জন করো। তিনি বলেন, আব্বা কোনও অপরাধ করেননি। সোহাগপুরের যে ঘটনার জন্য তাকে দায়ী করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। আব্বা সুস্থ ও মানসিকভাবে শক্ত রয়েছেন। এটা শেষ দেখা কিনা সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে হাসান ইকবাল বলেন, এটা শেষ দেখা না। শেষ দেখা হলে একান্তভাবে কথা বলার সুযোগ দেয়া হতো। তা দেয়া হয়নি। এটা শেষ দেখা না বলেই আমরা মনে করি। ক্ষমাপ্রার্থনা প্রসঙ্গে হাসান ইকবাল বলেন, কেন ক্ষমা চাইবেন? তিনি কি অপরাধ করেছেন? হাসান বলেন, তরুণ প্রজন্ম্র প্রহসনের এই রায়ের সমুচিত জবাব দেবে। কারাগার থেকে কামারুজ্জামানের ছেলে বেরিয়ে আসার আগেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়ার জেলসুপার ফরমান আলী সাংবাদিকদের বলেন, আমি এখন পর্যন্ত আদালতের রায়ের কপি পাইনি। রায়ের কপি না পেয়ে রায় সংক্রান্ত কোনও কার্যক্রম করা যাবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনজীবিদের সঙ্গে তার (কামারুজ্জামান) দেখা করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যরা রায়ের পর দেখা করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। সেজন্য তারা দেখা করেছেন। তিনি বলেন, জেলকোড অনুযায়ী যে সুবিধা দেয়ার কথা তাই তাকে (কামারুজ্জামান) দেয়া হচ্ছে। বিধি-বিধান মেনেই আমরা আমাদের কাজ করছি। (দৈনিক মানবজমিন)