নিউইয়র্ক ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কের প্রেসনোট

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৪
  • / ৭৫৫ বার পঠিত

সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি ইন্্ক নিউইয়র্ক-এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনের জন্য সোসাইটির নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ইস্যুকৃত আইডি’র তালিকায় নিউইয়র্কের কোন কোন সাংবাদিক বা সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার নামে আইডি ইস্যু ছিলো না। আবার নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ইস্যু তালিকায় এমন মিডিয়ার নামে আইডি দেখা দেখা গেছে যে মিডিয়া প্রকাশিত হচ্ছে না। এ নিয়ে নিউইয়র্ক ভিত্তিক বার্তা সংস্থা ইউএনএ পরিবেশিত এক খবরে বলা হয়েছে: সোসাইটির নির্বাচন কভার করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত আইডি সঙ্কট দেখা যায়। কেন্দ্রে গিয়ে জানা গেলো বিভিন্ন মিডিয়ার সামে দু’টি করে আইডি ইস্যু করা হয়েছে। এরমধ্যে এমন অনেক মিডিয়ার নামে আইডি ইস্যু করা হয়েছে যে মিডিয়াগুলো এখন আর প্রকাশিত হচ্ছে না। আবার আইডিগুলোতে নাম না থাকায় শুধু মিডিয়ার নাম থাকায় কিছুটা সমস্যাও দেখা দেয়। আইডি ইস্যু ছিলো না সাংবাদিক শিহাবউদ্দীন কিসলু, আকবর হায়দার কিরণ, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দকী প্রমুখ সাংবাদিকের নামে। তাছাড়া আগে থেকে সংশ্লিষ্ট মিডিয়াগুলোতে আইডি প্রেরণ না করায় অনেককেই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হয়। এব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের ভুল হয়েছে। দুই বছর পর তো তাই অনেক ভুল হয়ে যায়’। খবরটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় নির্বাচন কমিশন বিশেষ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক নিউইয়র্কের মিডিয়া তথা সংবাদপত্র ও সাংবাদিক সম্পর্কে ‘আপগ্রেড’ নন। নিউইয়র্ক থেকে এখন কয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে বা কয়টি টিভি রয়েছে বা ঢাকার মিডিয়াগুলোর কয়জন প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করছেন তার তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে নেই বা ছিলো না। এমনটি হওয়া উচিৎ নয়। তাছাড়া ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক এবারই প্রথম নন, তিনি পরপর তিন তিনবার সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করলেন। কমিশনের অপর সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনরও একাধিকবার নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারপরও নির্বাচন কমিশনে নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের তালিকার ‘আপগ্রেড’ নেই! বিষয়টি দু:খজনক ছাড়া আর কি? জানা গেছে, মিডিয়া বা সাংবাদিকদের জন্য ইন্যুকৃত আইডিগুলো ভোট কেন্দ্র থেকে সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার সম্পাদক/সাংবাদিক বা প্রতিনিধির গ্রহণ করতে হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সঠিক হয়নি। বরং এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মিডিয়াগুলোকে ছোট করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ছিলো যেসব মিডিয়াগুলোর অফিস রয়েছে সেসব অফিসে আগে-ভাগেই আইগুলো পৌছে দেয়া আর যাদের পাওয়া যায়নি তাদের আইট ভোট কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করা হলেই বোধকরি ভালো এবং শোভনীয় হতো। নির্বাচন কমিশনের মনে রাখা উচিৎ নির্বাচন সফল করতে মিডিয়াগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই ভবিষ্যতে এমনটি না হলেই ভালো।
গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে ইতিমধ্যেই নিউইয়র্কের একাধিক মিডিয়ায় ফলাও করে খবর প্রকাশিত হয়েছে। কোন কোন মিডিয়া খবরটি লীড আইটেম অর্থাৎ শীর্ষ খবর সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত সোসাইটির খবরের শিরোনাম ছিলো ‘ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কামাল-সানী প্যানেলের আপত্তি : একটি পদে সমান ভোট ॥ বাংলাদেম সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহীম প্যানেলের বিজয়ের চমক’, সাপ্তাহিক দর্পণ-এর শিরোনাম ছিলো ‘কুনু-রহিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় : বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র শিরোনাম ছিলো ‘বাংলাদেশ সোসাইটির শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন : নেতৃত্বে কুনু-রহিম : কামাল-সানির কারচুপির অভিযোগ : কমিশন বললেন অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়’, সাপ্তাহিক রানার-এর শিরোনাম ছিলো ‘নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন : নিরঙ্কুশ বিজয় ছিনিয়ে নিলো কুনু-রহিম পরিষদ’, সাপ্তাহিক বর্ণমালা’র শিরোনাম ‘বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহিম প্যানেলের চমক লাগানো জয়’, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ’র শিরোনাম ছিলো ‘কামাল-সানী পরিষদের ৮জন নির্বাচিত ॥ আপত্তি উত্থাপন : বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহিম প্যানেলের জয়’, সাপ্তাহিক জন্মভূমি’র শিরোনাম ছিলো ‘কামাল-সানি পরিষদ কর্তৃক অনিয়মের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন পাত্তা দেয়নি ॥ কুনু-রহিম পরিষদের ঐতিহাসিক বিজয়’, সাপ্তাহিক আজকাল’র শিরোনাম ‘বাংলাদেশ সোসাইটির নয়া সভাপতি কুনু, সম্পাদক পদে পুন:নির্বাচিত রহিম’, সাপ্তাহিক প্রবাস’র শিরোনাম ছিলো ‘বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহীম প্যানেলেরই সিংহভাগ আসন’। প্রশ্ন হচ্ছে শিরোনামটিতে ‘নিরঙ্কুশ বিজয়’ নিয়ে। এই শব্দটি কি আদৌ সঠিক? কেননা, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী পরিষদের ১৯টি পদের মধ্যে ‘কুনু-রহীম’ প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ সহ ১০টি পদে এবং ‘কামাল-সানী’ প্যানেল সিনিয়র সহ সভাপতির পদসহ ৮টি পদে জয়লাভ করেছেন। একটি পদে উভয় প্যানেলের দুই প্রার্থী সমান সমান ভোট পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন ঐ পদটির ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি। রিপোর্টটির জন্য ‘নিরঙ্কুশ’ এর স্থলে ‘সংখ্যাগরিষ্ট’ শব্দটি সঠিক নয় কি? সংশ্লিষ্ট মিডিয়াগুলোর সম্পাদনা বিভাগ বিষয়টি ভেবে দেখবেন কি?
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন প্রত্রিকাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয়’র ‘ব্রঙ্কসে নির্বাচনী কেন্দ্র ও আজিজের গডফাদার স্বীকারোক্তিতে উত্তপ্ত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত ‘প্রসঙ্গ : যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটি ॥ মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের প্রশ্ন : নেতা এলেন কি দিয়ে গেলেন’ ও ‘ব্যবধান মাত্র দুই ভোটের : পুনরায় ভোট গণনার দাবী মোশারফ মিয়ার’, সাপ্তাহিক ঠিকানায় প্রকাশিত ‘কষ্ট হলেও আমেরিকায় আসার উত্তম রুট ক্যালিফোর্নিয়া সীমান্ত : কনস্যুলেট সহযোগিতা করছে না ॥ ৩০ বাংলাদেশী ডিটেনশন সেন্টারে’, সাপ্তাহিক আজকাল’র ‘পার্কচেস্টার জামে মসজিদের অর্থ আতœসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতি ময়েজ উদ্দিন (লুলু) গ্রেফতার’ শীর্ষক খবর পাঠক মহলে আলোচিত হয়েছে। (সাপ্তাহিক পরিচয়)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কের প্রেসনোট

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৪

সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি ইন্্ক নিউইয়র্ক-এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনের জন্য সোসাইটির নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ইস্যুকৃত আইডি’র তালিকায় নিউইয়র্কের কোন কোন সাংবাদিক বা সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার নামে আইডি ইস্যু ছিলো না। আবার নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ইস্যু তালিকায় এমন মিডিয়ার নামে আইডি দেখা দেখা গেছে যে মিডিয়া প্রকাশিত হচ্ছে না। এ নিয়ে নিউইয়র্ক ভিত্তিক বার্তা সংস্থা ইউএনএ পরিবেশিত এক খবরে বলা হয়েছে: সোসাইটির নির্বাচন কভার করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত আইডি সঙ্কট দেখা যায়। কেন্দ্রে গিয়ে জানা গেলো বিভিন্ন মিডিয়ার সামে দু’টি করে আইডি ইস্যু করা হয়েছে। এরমধ্যে এমন অনেক মিডিয়ার নামে আইডি ইস্যু করা হয়েছে যে মিডিয়াগুলো এখন আর প্রকাশিত হচ্ছে না। আবার আইডিগুলোতে নাম না থাকায় শুধু মিডিয়ার নাম থাকায় কিছুটা সমস্যাও দেখা দেয়। আইডি ইস্যু ছিলো না সাংবাদিক শিহাবউদ্দীন কিসলু, আকবর হায়দার কিরণ, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দকী প্রমুখ সাংবাদিকের নামে। তাছাড়া আগে থেকে সংশ্লিষ্ট মিডিয়াগুলোতে আইডি প্রেরণ না করায় অনেককেই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হয়। এব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের ভুল হয়েছে। দুই বছর পর তো তাই অনেক ভুল হয়ে যায়’। খবরটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় নির্বাচন কমিশন বিশেষ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক নিউইয়র্কের মিডিয়া তথা সংবাদপত্র ও সাংবাদিক সম্পর্কে ‘আপগ্রেড’ নন। নিউইয়র্ক থেকে এখন কয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে বা কয়টি টিভি রয়েছে বা ঢাকার মিডিয়াগুলোর কয়জন প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করছেন তার তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে নেই বা ছিলো না। এমনটি হওয়া উচিৎ নয়। তাছাড়া ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক এবারই প্রথম নন, তিনি পরপর তিন তিনবার সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করলেন। কমিশনের অপর সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনরও একাধিকবার নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারপরও নির্বাচন কমিশনে নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের তালিকার ‘আপগ্রেড’ নেই! বিষয়টি দু:খজনক ছাড়া আর কি? জানা গেছে, মিডিয়া বা সাংবাদিকদের জন্য ইন্যুকৃত আইডিগুলো ভোট কেন্দ্র থেকে সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার সম্পাদক/সাংবাদিক বা প্রতিনিধির গ্রহণ করতে হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সঠিক হয়নি। বরং এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মিডিয়াগুলোকে ছোট করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ছিলো যেসব মিডিয়াগুলোর অফিস রয়েছে সেসব অফিসে আগে-ভাগেই আইগুলো পৌছে দেয়া আর যাদের পাওয়া যায়নি তাদের আইট ভোট কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করা হলেই বোধকরি ভালো এবং শোভনীয় হতো। নির্বাচন কমিশনের মনে রাখা উচিৎ নির্বাচন সফল করতে মিডিয়াগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই ভবিষ্যতে এমনটি না হলেই ভালো।
গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে ইতিমধ্যেই নিউইয়র্কের একাধিক মিডিয়ায় ফলাও করে খবর প্রকাশিত হয়েছে। কোন কোন মিডিয়া খবরটি লীড আইটেম অর্থাৎ শীর্ষ খবর সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত সোসাইটির খবরের শিরোনাম ছিলো ‘ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কামাল-সানী প্যানেলের আপত্তি : একটি পদে সমান ভোট ॥ বাংলাদেম সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহীম প্যানেলের বিজয়ের চমক’, সাপ্তাহিক দর্পণ-এর শিরোনাম ছিলো ‘কুনু-রহিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় : বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র শিরোনাম ছিলো ‘বাংলাদেশ সোসাইটির শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন : নেতৃত্বে কুনু-রহিম : কামাল-সানির কারচুপির অভিযোগ : কমিশন বললেন অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়’, সাপ্তাহিক রানার-এর শিরোনাম ছিলো ‘নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন : নিরঙ্কুশ বিজয় ছিনিয়ে নিলো কুনু-রহিম পরিষদ’, সাপ্তাহিক বর্ণমালা’র শিরোনাম ‘বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহিম প্যানেলের চমক লাগানো জয়’, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ’র শিরোনাম ছিলো ‘কামাল-সানী পরিষদের ৮জন নির্বাচিত ॥ আপত্তি উত্থাপন : বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহিম প্যানেলের জয়’, সাপ্তাহিক জন্মভূমি’র শিরোনাম ছিলো ‘কামাল-সানি পরিষদ কর্তৃক অনিয়মের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন পাত্তা দেয়নি ॥ কুনু-রহিম পরিষদের ঐতিহাসিক বিজয়’, সাপ্তাহিক আজকাল’র শিরোনাম ‘বাংলাদেশ সোসাইটির নয়া সভাপতি কুনু, সম্পাদক পদে পুন:নির্বাচিত রহিম’, সাপ্তাহিক প্রবাস’র শিরোনাম ছিলো ‘বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহীম প্যানেলেরই সিংহভাগ আসন’। প্রশ্ন হচ্ছে শিরোনামটিতে ‘নিরঙ্কুশ বিজয়’ নিয়ে। এই শব্দটি কি আদৌ সঠিক? কেননা, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী পরিষদের ১৯টি পদের মধ্যে ‘কুনু-রহীম’ প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ সহ ১০টি পদে এবং ‘কামাল-সানী’ প্যানেল সিনিয়র সহ সভাপতির পদসহ ৮টি পদে জয়লাভ করেছেন। একটি পদে উভয় প্যানেলের দুই প্রার্থী সমান সমান ভোট পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন ঐ পদটির ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি। রিপোর্টটির জন্য ‘নিরঙ্কুশ’ এর স্থলে ‘সংখ্যাগরিষ্ট’ শব্দটি সঠিক নয় কি? সংশ্লিষ্ট মিডিয়াগুলোর সম্পাদনা বিভাগ বিষয়টি ভেবে দেখবেন কি?
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন প্রত্রিকাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয়’র ‘ব্রঙ্কসে নির্বাচনী কেন্দ্র ও আজিজের গডফাদার স্বীকারোক্তিতে উত্তপ্ত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন’, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত ‘প্রসঙ্গ : যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটি ॥ মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের প্রশ্ন : নেতা এলেন কি দিয়ে গেলেন’ ও ‘ব্যবধান মাত্র দুই ভোটের : পুনরায় ভোট গণনার দাবী মোশারফ মিয়ার’, সাপ্তাহিক ঠিকানায় প্রকাশিত ‘কষ্ট হলেও আমেরিকায় আসার উত্তম রুট ক্যালিফোর্নিয়া সীমান্ত : কনস্যুলেট সহযোগিতা করছে না ॥ ৩০ বাংলাদেশী ডিটেনশন সেন্টারে’, সাপ্তাহিক আজকাল’র ‘পার্কচেস্টার জামে মসজিদের অর্থ আতœসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতি ময়েজ উদ্দিন (লুলু) গ্রেফতার’ শীর্ষক খবর পাঠক মহলে আলোচিত হয়েছে। (সাপ্তাহিক পরিচয়)