নিউইয়র্ক ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : বাংলাদেশ মিশনের প্রেস মিনিস্টার মামুনের বিদায়

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৫
  • / ৬১১ বার পঠিত

জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রেস মিনিস্টার (প্রথম সচিব প্রেস) মামুন-অর রশীদ কর্মস্থলে তার তিন বছর মেয়াদ শেষে ঢাকায় ফিরে গেলেন। তিনি ৩০ ডিসেম্বর ডাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন। তার বিদায় উপলক্ষ্যে গত ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মিশনের ‘বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন’-এ দু’টি বিদায় সভার আয়োজন করা হয়। প্রথমে মিশনের পক্ষ থেকে এবং পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সাথে মামুন-অর রশীদের বিদায়ী সভা হয়। সাংবাদিকদের সাথে তার সভাকালে মিশন প্রধান রাষ্ট্রদূত ড. একে আব্দুল মোমেন বিদায়ী প্রেস মিনিস্টার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। ড. মোমেন তার বক্তব্যে মামুন-অর রশীদের কর্মকান্ডের প্রশংসার পাশাপাশি তার ভবিষ্যত আরো উজ্জল করার লক্ষ্যে রাগ, ক্ষোভ, ক্রোধ দমনের পাশাপাশি নিয়মানুবর্তিতা (কর্মস্থলের সময়) মেলে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। ড. মোমেন আরো বলেছেন, মামুন ইংরেজীতে দূর্বল থাকলেও দায়িত্বপালনে কোন ত্রুটি করেননি। প্রয়োজনে মধ্য রাতেও তিনি মিশনের জন্য কাজ করেছেন, তার সময়ে মিশনের ৩৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দুটি গ্রন্থ (মিশনের রেকর্ড সম্বলিত) প্রকাশিত হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। অপরদিকে মামুন-অর রশীদ স্থায়ী প্রতিনিধি মোমেনকে পিতৃতুল্য একজন অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তিনি (ড. মোমেন) আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছেন। ড. মোমেনের বক্তব্যে বিদায়ী প্রেস মিনিস্টার মামুন সম্পর্কে অজানা অনেক কথাই প্রকাশ পাওয়ায় কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। কেননা, ঐ সভার কথা মিডিয়ায় প্রকাশ না পেলেও এক কান, দুই কান করে অনেকের কানেই চলে গেছে। এদিকে তিন বছরের দায়িত্বপানকালে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোন সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বা কমিউনিটিসহ মূলধারার কোন মিডিয়া অফিস পরিদর্শক করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এনিয়ে চাপা ক্ষোভও রয়েছে কোন কোন সাংবাদিকের মধ্যে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ মর্যাদায় দৈনিক জনকন্ঠের সিনিয়র সাংবাদিক মামুন-অর রশীদকে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগে তিন বছরের জন্য জাতিংঘের বাংলাদেশ মিশনে প্রেস মিনিস্টার নিয়োগ করা হয়। নতুন দায়িত্বে যোগ দেয়ার পর থেকেই তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিরবে-নিভৃতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে পাক্ষিক ‘গণ জাগরণ’ (অনিয়মিত) পত্রিকা প্রকাশের পিছনে তার বিশেষ ভূমিকা ছিলো এবং এই পত্রিকা প্রকাশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা সহ অনেকের কাছ থেকেই আর্থিক চাঁদা নিয়েছেন। সর্বশেষ গত বছর রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ নিউইয়র্ক সফরকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত রাষ্ট্রপতির সর্বজনীন সম্বর্ধনা সভা বাতিল হওয়ায় এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশে মিশন প্রধান ড. মোমেনের সাথে দ্বিধা-দ্বন্ধ আর সেই সময়ে মিশনের পক্ষ থেকে ‘বিতর্কিত’ বিবৃতি প্রদানের নেপথ্যেও তার ভূমিকা ছিলো বলে জানা যায়। সব মিলিয়ে তার কর্মকান্ড নিয়ে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী সাংবাদিক সমাজ আর কমিউনিটিতে নানা প্রশ্ন ছিলো। সবর্মশেষ তার বিদায়কালে যে কথা উঠে এসেছে তাতে কমিউনিটির সচেতন সমাজের প্রশ্ন ‘ইংরেজীতে দূর্বল ব্যক্তি’ কি করে জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে গুরুত্তপূর্ণ পদ পেলেন? তিনি কি যথাযথভাবে তার দায়িত্ব পালন করেছেন? এমন ব্যক্তি কি মিশনে নিয়োগ পেতে পারেন? প্রেস মিনিস্টারের কাজ কি মিশনের কিছু প্রেস বিজ্ঞপ্তি বাংলা টাইপ করে বাংলা মিডিয়াগুলোতে প্রেরণ করা? না কি আরো অন্য কোন কাজ থাকে!

দৈনিক মানব জমিন-এর উপর সম্পাদক, সাংবাদিক মনির হায়দার যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেছেন। নির্যাতিত সাংবাদিক হিসেবে গত সপ্তাহে তিনি এই আশ্রয় লাভ করেন করেন বলে জানা গেছে। সাংবাদিক স্ত্রী মনিজা রহমান আর দুই পুত্র নিয়ে তিনি বর্তমানে নিউইয়র্কে বসবাস করছেন। দৈনিক মানব জমিন-এ যোগদানের আগে সাংবাদিক মনির হায়দার দৈনিক ইত্তেফাক-এর সিনিয়র রিপোর্টার ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের টক শো’র আলোচক হিসেবে তিনি সরকার ও দৈনিক ইত্তেফাক কর্তৃপক্ষের রোষানলে পড়েন। ফলশ্রুতিতে তাকে দৈনিক ইত্তেফাক ত্যাগ করার পাশাপাশি পরবর্তীতে দেশও ত্যাগ করতে হয়।
৩.
আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি হয়েছে। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রেসক্লাবেরর সাধারণ সভায় আগামী দুই বছরের জন্য (২০১৫-২০১৬) কমিটি হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যথাক্রমে সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান ও এটিএন নিউজ ইউএসএ’র বার্তা সম্পাদক দর্পণ কবীর পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের সহ নবনির্বাচিত সকল কর্মকর্তার জন্য রইল অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
৪.
শুরু হলো নতুন বছর। বিদায় ইংরেজী ২০১৪, স্বাগতম ২০১৫। নতুন বছর সবার জন্য সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই প্রত্যাশা রইল। সেই সাথে নিউইয়র্কের প্রেসনোট-এর সকল পাঠকের জন্য রইল নতুন বছরের শুভেচ্ছা। ০২ ডিসেম্বর’২০১৪ (সাপ্তাহিক পরিচয়)

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : বাংলাদেশ মিশনের প্রেস মিনিস্টার মামুনের বিদায়

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৫

জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রেস মিনিস্টার (প্রথম সচিব প্রেস) মামুন-অর রশীদ কর্মস্থলে তার তিন বছর মেয়াদ শেষে ঢাকায় ফিরে গেলেন। তিনি ৩০ ডিসেম্বর ডাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন। তার বিদায় উপলক্ষ্যে গত ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মিশনের ‘বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন’-এ দু’টি বিদায় সভার আয়োজন করা হয়। প্রথমে মিশনের পক্ষ থেকে এবং পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সাথে মামুন-অর রশীদের বিদায়ী সভা হয়। সাংবাদিকদের সাথে তার সভাকালে মিশন প্রধান রাষ্ট্রদূত ড. একে আব্দুল মোমেন বিদায়ী প্রেস মিনিস্টার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। ড. মোমেন তার বক্তব্যে মামুন-অর রশীদের কর্মকান্ডের প্রশংসার পাশাপাশি তার ভবিষ্যত আরো উজ্জল করার লক্ষ্যে রাগ, ক্ষোভ, ক্রোধ দমনের পাশাপাশি নিয়মানুবর্তিতা (কর্মস্থলের সময়) মেলে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। ড. মোমেন আরো বলেছেন, মামুন ইংরেজীতে দূর্বল থাকলেও দায়িত্বপালনে কোন ত্রুটি করেননি। প্রয়োজনে মধ্য রাতেও তিনি মিশনের জন্য কাজ করেছেন, তার সময়ে মিশনের ৩৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দুটি গ্রন্থ (মিশনের রেকর্ড সম্বলিত) প্রকাশিত হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। অপরদিকে মামুন-অর রশীদ স্থায়ী প্রতিনিধি মোমেনকে পিতৃতুল্য একজন অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তিনি (ড. মোমেন) আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছেন। ড. মোমেনের বক্তব্যে বিদায়ী প্রেস মিনিস্টার মামুন সম্পর্কে অজানা অনেক কথাই প্রকাশ পাওয়ায় কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। কেননা, ঐ সভার কথা মিডিয়ায় প্রকাশ না পেলেও এক কান, দুই কান করে অনেকের কানেই চলে গেছে। এদিকে তিন বছরের দায়িত্বপানকালে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোন সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বা কমিউনিটিসহ মূলধারার কোন মিডিয়া অফিস পরিদর্শক করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এনিয়ে চাপা ক্ষোভও রয়েছে কোন কোন সাংবাদিকের মধ্যে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ মর্যাদায় দৈনিক জনকন্ঠের সিনিয়র সাংবাদিক মামুন-অর রশীদকে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগে তিন বছরের জন্য জাতিংঘের বাংলাদেশ মিশনে প্রেস মিনিস্টার নিয়োগ করা হয়। নতুন দায়িত্বে যোগ দেয়ার পর থেকেই তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিরবে-নিভৃতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে পাক্ষিক ‘গণ জাগরণ’ (অনিয়মিত) পত্রিকা প্রকাশের পিছনে তার বিশেষ ভূমিকা ছিলো এবং এই পত্রিকা প্রকাশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা সহ অনেকের কাছ থেকেই আর্থিক চাঁদা নিয়েছেন। সর্বশেষ গত বছর রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ নিউইয়র্ক সফরকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত রাষ্ট্রপতির সর্বজনীন সম্বর্ধনা সভা বাতিল হওয়ায় এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশে মিশন প্রধান ড. মোমেনের সাথে দ্বিধা-দ্বন্ধ আর সেই সময়ে মিশনের পক্ষ থেকে ‘বিতর্কিত’ বিবৃতি প্রদানের নেপথ্যেও তার ভূমিকা ছিলো বলে জানা যায়। সব মিলিয়ে তার কর্মকান্ড নিয়ে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী সাংবাদিক সমাজ আর কমিউনিটিতে নানা প্রশ্ন ছিলো। সবর্মশেষ তার বিদায়কালে যে কথা উঠে এসেছে তাতে কমিউনিটির সচেতন সমাজের প্রশ্ন ‘ইংরেজীতে দূর্বল ব্যক্তি’ কি করে জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে গুরুত্তপূর্ণ পদ পেলেন? তিনি কি যথাযথভাবে তার দায়িত্ব পালন করেছেন? এমন ব্যক্তি কি মিশনে নিয়োগ পেতে পারেন? প্রেস মিনিস্টারের কাজ কি মিশনের কিছু প্রেস বিজ্ঞপ্তি বাংলা টাইপ করে বাংলা মিডিয়াগুলোতে প্রেরণ করা? না কি আরো অন্য কোন কাজ থাকে!

দৈনিক মানব জমিন-এর উপর সম্পাদক, সাংবাদিক মনির হায়দার যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেছেন। নির্যাতিত সাংবাদিক হিসেবে গত সপ্তাহে তিনি এই আশ্রয় লাভ করেন করেন বলে জানা গেছে। সাংবাদিক স্ত্রী মনিজা রহমান আর দুই পুত্র নিয়ে তিনি বর্তমানে নিউইয়র্কে বসবাস করছেন। দৈনিক মানব জমিন-এ যোগদানের আগে সাংবাদিক মনির হায়দার দৈনিক ইত্তেফাক-এর সিনিয়র রিপোর্টার ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের টক শো’র আলোচক হিসেবে তিনি সরকার ও দৈনিক ইত্তেফাক কর্তৃপক্ষের রোষানলে পড়েন। ফলশ্রুতিতে তাকে দৈনিক ইত্তেফাক ত্যাগ করার পাশাপাশি পরবর্তীতে দেশও ত্যাগ করতে হয়।
৩.
আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি হয়েছে। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রেসক্লাবেরর সাধারণ সভায় আগামী দুই বছরের জন্য (২০১৫-২০১৬) কমিটি হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যথাক্রমে সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান ও এটিএন নিউজ ইউএসএ’র বার্তা সম্পাদক দর্পণ কবীর পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের সহ নবনির্বাচিত সকল কর্মকর্তার জন্য রইল অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
৪.
শুরু হলো নতুন বছর। বিদায় ইংরেজী ২০১৪, স্বাগতম ২০১৫। নতুন বছর সবার জন্য সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই প্রত্যাশা রইল। সেই সাথে নিউইয়র্কের প্রেসনোট-এর সকল পাঠকের জন্য রইল নতুন বছরের শুভেচ্ছা। ০২ ডিসেম্বর’২০১৪ (সাপ্তাহিক পরিচয়)