নিউইয়র্ক ০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : দুই মিডিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের গ্রুপিং

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০১৫
  • / ৮১৮ বার পঠিত

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত দেড় ডজনাধিক বাংলা প্রিন্ট মিডিয়ার দুই মিডিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলীয় বিভাজন, বিভক্তি, নেতৃত্বের কোন্দল প্রভৃতি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলের অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং চরম পর্যায়ে পৌছেছে। আর আওয়ামী লীগের গ্রুপিং কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক সুবিধার স্বার্থে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে মিডিয়া দু’টির সাংবাদিকতার পেশাগত নীতি, নৈতিকতা। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও আইটি বিষয়ক অবৈতনিক উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সজিব ওয়াজেদ জয়-কে ঘিরে সাপ্তাহিক ঠিকানায় একটি রিপোর্ট প্রকাশের ফলে ঠিকানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা (মামলা) গ্রহণ ও বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। ঠিকানায় প্রকাশিত ‘জয়ের ব্যাংক ব্যালেন্সেসহ ৩০০ মিলিয়ন ডলারের তথ্য এফবিআই ও বিএনপি’র হাতে’ শিরোনামে জয় সম্পর্কিত খবরটি মিথ্যা ও বানোয়াট দাবী করে গত ১৫ মার্চ দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ঐ ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর দলের অপরাংশ প্রশ্ন তুলেছে ইতিপূর্বে জয় ও তার স্ত্রীর ডিফোর্স সংক্রান্ত খবর সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশের পর এই পত্রিকার বিরুদ্ধে তখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়নি বা আইনগত ব্যবস্থা বা বয়কটের সিদ্ধান্ত হয়নি। সচেতন মহলের মতে এমনটির নেপথ্যে রয়েছে দলীয় গ্রুপিং। মিডিয়া দুটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ যদি এক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়, অরেক গ্রুপ আপর পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়। অতীতে যুক্তরাষ্ট্রে কোন কেন্দ্রীয় নেতার আগমন ঘটলে আওয়ামী লীগের এক গ্রুপ তাকে এক পত্রিকা অফিসে হাজির কারানোর প্রতিযোগিতায় নামতো, ঠিক একইভাবে বর্তমানে অপর পত্রিকাও অফিসে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাজির করানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, কয়েক বছর পূর্বে দু’টি পত্রিকায় একে অপরকে জামায়াতের সহযোগী ও দালাল বলে প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছিলো। এক পত্রিকা যদি এক গ্রুপের পক্ষে বা অপর গ্রুপের বিপক্ষে রিপোর্ট করে তো আরেক পত্রিকা পাল্টা রিপোর্ট করে। বিষয়টি আর সচেতন পাঠকদের বুঝার বাকী নেই। এতে সাংবাদিকতার মান-মর্যাদা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে, তেমনী কমিউনিটিতে মিডিয়াগুলোর প্রতি পাঠকদের নেগেটিভ ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে। অতীতে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক এক সাধারণ সম্পাদকের একটি মিডিয়া প্রীতির কারণে দলীয় গ্রুপিং-এর শিকার হয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে পদ-পদবী হারাতে হয়েছে। দলীয় স্বার্থে মিডিয়াকেও ব্যবহার করা যেমন সমীচিন নয়, তেমনী মিডিয়াগুলোর দলীয় কোন্দলকে পুঁজি করাও মিডিয়াগুলোর উচিৎ নয়।
২.
অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনে ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও ‘জাতীয় শিশু দিবস’ পালন উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পীকার ড. শিরীন শরমিন চৌধুরী। এই অনুষ্ঠান সম্পর্কিত সচিত্র খবর মিশন থেকে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে। মিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে: ‘……….স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ১৬ মার্চ আয়োজিত এ আলোচনা সভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় ব্রাজিলে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজারুল কায়েস, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব জামাল উদ্দিন হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, ড. প্রদীপ কর ও আমেরিকা প্রেসক্লাবের হাকিকুল ইসলাম খোকন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তৃতা করেন।’
মূলত: আমেরিকা প্রেসক্লাব নামে নিউইয়র্কে কোন প্রেসক্লাব নেই। আর হাকিকুল ইসলাম খোকন স্বঘোষিত তথাকথিত যে প্রেসক্লাবের সভাপতির দাবীদার সেই প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের প্রেসক্লাব নয়। স্বঘোষিত অনেক সংগঠনের নেতা খোকন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাদেরও একজন। তিনি পেশাগতভাবে সাংবাদিক নন। কমিউনিটিতে তার তথাকথিত সাংবাদিকতা প্রশ্নবিদ্ধও বটে। তাই মিশনের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে তার মতো প্রবাসীর পদ-পদবী, অবস্থান, গ্রহণযোগ্যতা অবশ্যই বিচেনার দাবী রাখে। শুধু খোকন নয়, পুরো কমিউনিটি সম্পর্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন, বাংলাদেশ দুতাবাস ও কনস্যুলেটের পুরো ধারণা থাকা বাঞ্ছনীয়।
৩.
চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কের উল্লেখযোগ্য পত্রিকাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয়-এর ‘যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের সাংবাদিক সম্মেলন : জয়ের আয়ের উৎস নিয়ে নানা প্রশ্ন’, ‘মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের নিউইয়র্ক সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন’ ও ‘নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগে বাংলাদেশী সেলসপার্সন গ্রেফতার’, সাপ্তাহিক বাঙালীর ‘এফবিআইকে ঘুষের নেপথ্যে’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র ‘জয়ের বিরুদ্ধে সিজারের ষড়যন্ত্র : মুখোমুখি আওয়ামী লীগ-বিএনপি’ ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি বহুদা বিভক্ত, চলছে বাবা মা’হীনভাবে’, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ-এর ‘জয় থ্রি হানড্রেড মিলিয়ন ডলারম্যান’, সাপ্তাহিক প্রবাস-এর এফবিআইকে ঘুষ প্রদান মামলার অভিযোগপত্রে চাঞ্চল্যকর তথ্য : জয়কে অপহরণ ও ৩’শ মিলিয়ন ডলার নিয়ে তোলপাড়’ শীর্ষক খবর/প্রতিবেদন পাঠক মহলে আলোচিত হয়েছে। ২০ মার্চ’২০১৫(সাপ্তাহিক পরিচয়)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

নিউইয়র্কের প্রেসনোট : দুই মিডিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের গ্রুপিং

প্রকাশের সময় : ০১:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০১৫

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত দেড় ডজনাধিক বাংলা প্রিন্ট মিডিয়ার দুই মিডিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলীয় বিভাজন, বিভক্তি, নেতৃত্বের কোন্দল প্রভৃতি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলের অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং চরম পর্যায়ে পৌছেছে। আর আওয়ামী লীগের গ্রুপিং কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক সুবিধার স্বার্থে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে মিডিয়া দু’টির সাংবাদিকতার পেশাগত নীতি, নৈতিকতা। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও আইটি বিষয়ক অবৈতনিক উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সজিব ওয়াজেদ জয়-কে ঘিরে সাপ্তাহিক ঠিকানায় একটি রিপোর্ট প্রকাশের ফলে ঠিকানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা (মামলা) গ্রহণ ও বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। ঠিকানায় প্রকাশিত ‘জয়ের ব্যাংক ব্যালেন্সেসহ ৩০০ মিলিয়ন ডলারের তথ্য এফবিআই ও বিএনপি’র হাতে’ শিরোনামে জয় সম্পর্কিত খবরটি মিথ্যা ও বানোয়াট দাবী করে গত ১৫ মার্চ দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ঐ ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর দলের অপরাংশ প্রশ্ন তুলেছে ইতিপূর্বে জয় ও তার স্ত্রীর ডিফোর্স সংক্রান্ত খবর সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশের পর এই পত্রিকার বিরুদ্ধে তখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়নি বা আইনগত ব্যবস্থা বা বয়কটের সিদ্ধান্ত হয়নি। সচেতন মহলের মতে এমনটির নেপথ্যে রয়েছে দলীয় গ্রুপিং। মিডিয়া দুটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ যদি এক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়, অরেক গ্রুপ আপর পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়। অতীতে যুক্তরাষ্ট্রে কোন কেন্দ্রীয় নেতার আগমন ঘটলে আওয়ামী লীগের এক গ্রুপ তাকে এক পত্রিকা অফিসে হাজির কারানোর প্রতিযোগিতায় নামতো, ঠিক একইভাবে বর্তমানে অপর পত্রিকাও অফিসে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাজির করানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, কয়েক বছর পূর্বে দু’টি পত্রিকায় একে অপরকে জামায়াতের সহযোগী ও দালাল বলে প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছিলো। এক পত্রিকা যদি এক গ্রুপের পক্ষে বা অপর গ্রুপের বিপক্ষে রিপোর্ট করে তো আরেক পত্রিকা পাল্টা রিপোর্ট করে। বিষয়টি আর সচেতন পাঠকদের বুঝার বাকী নেই। এতে সাংবাদিকতার মান-মর্যাদা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে, তেমনী কমিউনিটিতে মিডিয়াগুলোর প্রতি পাঠকদের নেগেটিভ ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে। অতীতে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক এক সাধারণ সম্পাদকের একটি মিডিয়া প্রীতির কারণে দলীয় গ্রুপিং-এর শিকার হয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে পদ-পদবী হারাতে হয়েছে। দলীয় স্বার্থে মিডিয়াকেও ব্যবহার করা যেমন সমীচিন নয়, তেমনী মিডিয়াগুলোর দলীয় কোন্দলকে পুঁজি করাও মিডিয়াগুলোর উচিৎ নয়।
২.
অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনে ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও ‘জাতীয় শিশু দিবস’ পালন উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পীকার ড. শিরীন শরমিন চৌধুরী। এই অনুষ্ঠান সম্পর্কিত সচিত্র খবর মিশন থেকে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে। মিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে: ‘……….স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ১৬ মার্চ আয়োজিত এ আলোচনা সভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় ব্রাজিলে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজারুল কায়েস, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব জামাল উদ্দিন হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, ড. প্রদীপ কর ও আমেরিকা প্রেসক্লাবের হাকিকুল ইসলাম খোকন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তৃতা করেন।’
মূলত: আমেরিকা প্রেসক্লাব নামে নিউইয়র্কে কোন প্রেসক্লাব নেই। আর হাকিকুল ইসলাম খোকন স্বঘোষিত তথাকথিত যে প্রেসক্লাবের সভাপতির দাবীদার সেই প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের প্রেসক্লাব নয়। স্বঘোষিত অনেক সংগঠনের নেতা খোকন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাদেরও একজন। তিনি পেশাগতভাবে সাংবাদিক নন। কমিউনিটিতে তার তথাকথিত সাংবাদিকতা প্রশ্নবিদ্ধও বটে। তাই মিশনের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে তার মতো প্রবাসীর পদ-পদবী, অবস্থান, গ্রহণযোগ্যতা অবশ্যই বিচেনার দাবী রাখে। শুধু খোকন নয়, পুরো কমিউনিটি সম্পর্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন, বাংলাদেশ দুতাবাস ও কনস্যুলেটের পুরো ধারণা থাকা বাঞ্ছনীয়।
৩.
চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কের উল্লেখযোগ্য পত্রিকাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক পরিচয়-এর ‘যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের সাংবাদিক সম্মেলন : জয়ের আয়ের উৎস নিয়ে নানা প্রশ্ন’, ‘মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের নিউইয়র্ক সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন’ ও ‘নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগে বাংলাদেশী সেলসপার্সন গ্রেফতার’, সাপ্তাহিক বাঙালীর ‘এফবিআইকে ঘুষের নেপথ্যে’, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র ‘জয়ের বিরুদ্ধে সিজারের ষড়যন্ত্র : মুখোমুখি আওয়ামী লীগ-বিএনপি’ ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি বহুদা বিভক্ত, চলছে বাবা মা’হীনভাবে’, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ-এর ‘জয় থ্রি হানড্রেড মিলিয়ন ডলারম্যান’, সাপ্তাহিক প্রবাস-এর এফবিআইকে ঘুষ প্রদান মামলার অভিযোগপত্রে চাঞ্চল্যকর তথ্য : জয়কে অপহরণ ও ৩’শ মিলিয়ন ডলার নিয়ে তোলপাড়’ শীর্ষক খবর/প্রতিবেদন পাঠক মহলে আলোচিত হয়েছে। ২০ মার্চ’২০১৫(সাপ্তাহিক পরিচয়)