নিউইয়র্ক ০৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বর্ণিল নববর্ষ উদযাপন

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০২:০২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৫
  • / ৯৮৮ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: বাংলা নতুন বছরকে আবাহন করতে পহেলা বৈশাখে, ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার বাঙালী জাতির চিরন্তন ঐতিহ্যে সাজে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন। লোকায়ত সংস্কৃতির ডালা সাজিয়ে বর্ণিল উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে মিশন বরণ করে নিয়েছে ১৪২২ বঙ্গাব্দকে।
একতারা, কুলা, বেলুন, ফেস্টুন, গ্রামবাংলার চিত্র, নকশী কাঁথা এবং রং-বেরং ফুল দিয়ে সুশোভিত মিশনের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠান শুরু হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা। অগ্নি¯œানে শুচি হোক ধরা” ধারণ করে।
নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বাঙালীরা জড়ো হন মিশনের এই নববর্ষের মনোরম আয়োজনে। কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, মিডিয়া প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বাঙালী সমবেত হন অনুষ্ঠানে।
BD Mission Sobo Nobobarsha-3জাতিসংঘে ফিজির স্থায়ী প্রতিনিধি পিটার থমসন, নেপাল, মায়ানমার, ভূটান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকও মিশনের এই বর্ষবরণের আয়োজন উপভোগ করেন। অতিথিদের মধ্যে নিউইয়র্ক সফররত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাঙালী সাজে যোগ দেয়া অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, অশুভকে বিদায় দিয়ে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে একটি সুখী, সুন্দর ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই হবে আমাদের নতুন বছরের প্রত্যাশা। যেখানে গণতন্ত্রের অযুহাতে জ্বালাও-পোড়াও থাকবে না, ধর্মান্ধতা বিদায় নেবে।
BD Mission Sobo Nobobarsha-2ফিজির স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাতের বিচারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল বিশ্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রাও প্রশংসিত হচ্ছে।
BD Mission Sobo Nobobarsha-4স্থায়ী মিশনের নববর্ষ উদযাপনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস এর মনোজ্ঞ গীতি-আলেখ্য “বৈশেখিতে রং মাখাবি”। সেলিনা আশরাফের পরিচালনায় এই শিল্পীগোষ্ঠী নববর্ষের সঙ্গীত, আবৃতি, নৃত্য পরিবেশন করে নতুন বছরকে স্বাগত জানান।
মুড়ি-মুড়কি, বিভিন্ন ধরনের পিঠা, পান্তা-ইলিশ, মশলাযুক্ত বাঙালী খাবার, মিষ্টান্ন পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রাণবন্ত নববর্ষ উৎসব আয়োজন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বর্ণিল নববর্ষ উদযাপন

প্রকাশের সময় : ০২:০২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৫

নিউইয়র্ক: বাংলা নতুন বছরকে আবাহন করতে পহেলা বৈশাখে, ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার বাঙালী জাতির চিরন্তন ঐতিহ্যে সাজে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন। লোকায়ত সংস্কৃতির ডালা সাজিয়ে বর্ণিল উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে মিশন বরণ করে নিয়েছে ১৪২২ বঙ্গাব্দকে।
একতারা, কুলা, বেলুন, ফেস্টুন, গ্রামবাংলার চিত্র, নকশী কাঁথা এবং রং-বেরং ফুল দিয়ে সুশোভিত মিশনের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠান শুরু হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা। অগ্নি¯œানে শুচি হোক ধরা” ধারণ করে।
নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বাঙালীরা জড়ো হন মিশনের এই নববর্ষের মনোরম আয়োজনে। কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, মিডিয়া প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বাঙালী সমবেত হন অনুষ্ঠানে।
BD Mission Sobo Nobobarsha-3জাতিসংঘে ফিজির স্থায়ী প্রতিনিধি পিটার থমসন, নেপাল, মায়ানমার, ভূটান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকও মিশনের এই বর্ষবরণের আয়োজন উপভোগ করেন। অতিথিদের মধ্যে নিউইয়র্ক সফররত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাঙালী সাজে যোগ দেয়া অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, অশুভকে বিদায় দিয়ে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে একটি সুখী, সুন্দর ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই হবে আমাদের নতুন বছরের প্রত্যাশা। যেখানে গণতন্ত্রের অযুহাতে জ্বালাও-পোড়াও থাকবে না, ধর্মান্ধতা বিদায় নেবে।
BD Mission Sobo Nobobarsha-2ফিজির স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাতের বিচারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল বিশ্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রাও প্রশংসিত হচ্ছে।
BD Mission Sobo Nobobarsha-4স্থায়ী মিশনের নববর্ষ উদযাপনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস এর মনোজ্ঞ গীতি-আলেখ্য “বৈশেখিতে রং মাখাবি”। সেলিনা আশরাফের পরিচালনায় এই শিল্পীগোষ্ঠী নববর্ষের সঙ্গীত, আবৃতি, নৃত্য পরিবেশন করে নতুন বছরকে স্বাগত জানান।
মুড়ি-মুড়কি, বিভিন্ন ধরনের পিঠা, পান্তা-ইলিশ, মশলাযুক্ত বাঙালী খাবার, মিষ্টান্ন পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রাণবন্ত নববর্ষ উৎসব আয়োজন।