নিউইয়র্ক ০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

বাণিজ্যের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০১৫
  • / ৯৮২ বার পঠিত

ঢাকা: বাংলাদেশ আউট। বিশ্বকাপ শেষ। লক্ষ্য পূরণ করেই দেশে ফিরছে বাংলাদেশ দল। তবুও চারদিকে ক্ষোভ আর হতাশা। সমালোচনার ঝড় ক্রিকেটবিশ্বে। দায় চাপছে ক্রিকেটের শীর্ষ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের ওপর। অভিযোগ আইসিসি’র ইশারাতেই হচ্ছে সব। তাদের অর্থের লোভেই ক্রিকেট তার শ্রী হারাচ্ছে। বলি হচ্ছে ছোট ছোট দলগুলো। আগামী বিশ্বকাপে ছোটদের ছেঁটে ফেলার উদ্যোগও নিয়েছে তারা। আয়ারল্যান্ডের অধিনায়কতো দেশে ফেরার আগে বলেই গেছেন, আইসিসি কারও একার সম্পত্তি নয়। ক্রিকেট এখন আর নিছক কোন খেলা নয়। ক্রিকেটও আজ পণ্য। অর্থ আয়ের মেশিন। মানুষের আগ্রহকে পুঁজি করে ক্রিকেটের সব আজ বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়েছে। সোয়াশ’ কোটি লোকের দেশ ভারত বিশ্বের সব বড় বড় প্রতিষ্ঠানের উত্তম বাজার। আর এ সুযোগটা তারা নিচ্ছে ভালভাবেই। ক্রিকেটকে এখন তিন মোড়লের সংগঠনে দাঁড় করানো হয়েছে। আইসিসি’র বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশের আ হ ম মুস্তফা কামাল হলেও ক্ষমতাধর চেয়ারম্যান ভারতের শিল্পপতি এন শ্রীনিবাসন। দেশে তিনি ম্যাচ গড়াপেটার আসামি। আইপিএল-এ ইন্ডিয়ান সিমেন্টের এই কর্ণধারের দল চেন্নাই সুপার কিংস। আর এই দলের অধিনায়কও মহেন্দ্র সিং ধোনি। শ্রী নিবাসনের জামাতা মিয়াপ্পান এই দলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়। বিশ্বজুড়ে বিশ্বকাপের সরাসরি সমপ্রচার হচ্ছে যে স্টার স্পোর্টস-এ তারাই ভারতীয় দলের পৃষ্ঠপোষক। ধারা বিবরণীতেও ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটারদের অধিপত্য। ভারত যদি বিদায় হয়ে যায় তবে কি ক্ষতি হয় তা আইসিসি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে ২০০৭-এ। ৫০ শতাংশের কম আয় হয় তাদের। সেবার বাংলাদেশের কাছেই হেরে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয় ২০০৩-এর রানার্স আপ ভারত। ২০১১ এর চ্যাম্পিয়ন বিদায় নিলে ক্ষতির পরিমানটা সব অনুমান ছাড়িয়ে যেত। অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসাতেও নামতো ধস। সেখানে দর্শকই নেমে আসবে অর্ধেকে যদি ভারত না থাকে। এ বাস্তবতা উপেক্ষার কি উপায়? কর্তাদের মর্জির বলি আম্পায়াররা হতেই পারে।
কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারাতেই দারুণ আনন্দিত ছিল বাংলাদেশের আপামর ক্রিকেটপ্রেমী। কিন্তু ১৯ মার্চ সেই কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা বাংলাদেশের মানুষকে যেমন করেছে হতাশ, তেমনি করেছে ক্ষুব্ধ। আম্পায়ারদের কিছু সিদ্ধান্ত এমন দৃষ্টিকটু ছিল যে, পরম শত্রুও বিস্মিত হয়েছে। খোদ ভারতীয় অনেক সাবেক ক্রিকেটারও সমালোচনা করেছেন। টক অব দ্য ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড ছিল পাকিস্তান আর ইংল্যান্ডের দুই আম্পায়ারের নেয়া সিদ্ধান্ত। প্রথমে ইংল্যান্ডের আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড রোহিত শর্মাকে বাঁচিয়ে দেন তার ৯০ রানের সময়। রুবেল হোসেনের করা বলে ক্যাচ আউট হয়েছিলেন এই ওপেনার। কিন্তু কোমর উচ্চতার বল কাঁধ উচ্চতার হিসেবে তিনি নো বল ঘোষণা করেন। জীবন পাওয়া রোহিত আউট হন তাসকিনের বলে ১৩৭ রান করে। তার সেঞ্চুরি ভারতকে ৩০২ রানের ইনিংসের ভিত গড়ে দেয়। আর পরে বাংলাদেশের ইনিংসে এ আসরের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে আউট দেন তৃতীয় আম্পায়ার অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ ডেভিস। মাত্র ২১ রান করেছিলেন তিনি। তার আগে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস আউট হয়ে যাওয়ায় বেশ চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মনে হয় হতাশাও পেয়ে বসে ক্রিকেটারদের। তাদের খেলায় আন্তরিকতা আর নিষ্ঠারও অভাব দেখা যায়। জেতার মতো স্পৃহা হারিয়ে ফেলেছিলেন তারা। ব্যাটসম্যানরা আন্তরিক হলে হারের ব্যবধান ১০৯ রান না হয়ে আরও কম হতে পারতো। বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৯৩ না হয়ে অন্তত ২৫০ হতে পারতো। হয়তো অলআউটও হতো না তারা। ৫ ওভার তখনও বাকি ছিল খেলার। এবার ভারত টানা ৭ খেলাতেই তাদের প্রতিপক্ষের সব ব্যাটসম্যানকে সাজ ঘরে ফিরিয়েছে। এটি তাদের বিরল সাফল্য। বিদেশের মাটিতে ভারতের বোলারদের বদনাম পুরোপুরি ঘুচিয়েছেন তারা। সেমিফাইনালে ভারত মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা চাপে ছিলেন না বলেই হয়তো ফিল্ডিং কিছুটা গা ছাড়া ছিল। একটু সচেষ্ট হলে অন্তত ২৫-৩০টি রান কম হতে পারতো ভারতের সংগ্রহ। আর জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশ তাদের স্বাভাবিক খেলাটাও হারিয়ে ফেলে। মেলবোর্নে কখনও কোন দল ৩০০ রান তাড়া করে জিততে পারেনি। সর্বোচ্চ সাফল্য ২৯৫-এ। তামিম অনেকদিন পর আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। যে জন্য ২৫ বলে ২৫ রান করেও তাকে অফের বল খোঁচা দিয়েই বিদায় নিতে হয়। এরপর আগের দুই খেলার ধারা বজায় রেখে ইমরুল কায়েস তার ওপর আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হন। এরপর তার ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। সাত ইনিংসে কোন দুই অংকের রান নেই তার। এরপর সাকিবের খেলা দেখেও মনে হয়েছে তিনি যেন ফেরার জন্যই খেলছেন। কেমন যেন অস্থির, সব বলেই হাঁকানোর চেষ্টা। সৌম্য, মুশফিক আর নাসির-সাব্বিরের খেলা কিছুটা প্রশংসা কুড়িয়েছে সবার। তবে তা খুব কমই অবদান রেখেছে বড় সংগ্রহে। কোন ফিফটি ছাড়া ইনিংসে সমাপ্তি ঘটে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের। তার আগে টসে হারা বাংলাদেশের বোলাররাও মোটের ওপর সমীহ জাগানো বল করতে পারেননি। বিশেষ করে পেস বোলাররা। উইকেট পেলেও মাশরাফি রুবেল, এমনকি সাকিবও ছিলেন খরুচে। তাসকিনও বেশি রান দিয়েছেন তবে উইকেট নিয়েছেন তিনটি। সবচেয়ে সমীহ পেয়েছেন নাসির হোসেন, তবে উইকেট পাননি। দিন শেষে এ সব পরিসংখ্যানে নজর ছিল না কারও। সব ছাপিয়ে বুকের মধ্যে শেল হয়ে বিঁধতে থাকে আম্পায়ারদের ওই খেয়ালি সিদ্ধান্ত। (দৈনিক মানবজমিন)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

বাণিজ্যের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০১৫

ঢাকা: বাংলাদেশ আউট। বিশ্বকাপ শেষ। লক্ষ্য পূরণ করেই দেশে ফিরছে বাংলাদেশ দল। তবুও চারদিকে ক্ষোভ আর হতাশা। সমালোচনার ঝড় ক্রিকেটবিশ্বে। দায় চাপছে ক্রিকেটের শীর্ষ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের ওপর। অভিযোগ আইসিসি’র ইশারাতেই হচ্ছে সব। তাদের অর্থের লোভেই ক্রিকেট তার শ্রী হারাচ্ছে। বলি হচ্ছে ছোট ছোট দলগুলো। আগামী বিশ্বকাপে ছোটদের ছেঁটে ফেলার উদ্যোগও নিয়েছে তারা। আয়ারল্যান্ডের অধিনায়কতো দেশে ফেরার আগে বলেই গেছেন, আইসিসি কারও একার সম্পত্তি নয়। ক্রিকেট এখন আর নিছক কোন খেলা নয়। ক্রিকেটও আজ পণ্য। অর্থ আয়ের মেশিন। মানুষের আগ্রহকে পুঁজি করে ক্রিকেটের সব আজ বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়েছে। সোয়াশ’ কোটি লোকের দেশ ভারত বিশ্বের সব বড় বড় প্রতিষ্ঠানের উত্তম বাজার। আর এ সুযোগটা তারা নিচ্ছে ভালভাবেই। ক্রিকেটকে এখন তিন মোড়লের সংগঠনে দাঁড় করানো হয়েছে। আইসিসি’র বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশের আ হ ম মুস্তফা কামাল হলেও ক্ষমতাধর চেয়ারম্যান ভারতের শিল্পপতি এন শ্রীনিবাসন। দেশে তিনি ম্যাচ গড়াপেটার আসামি। আইপিএল-এ ইন্ডিয়ান সিমেন্টের এই কর্ণধারের দল চেন্নাই সুপার কিংস। আর এই দলের অধিনায়কও মহেন্দ্র সিং ধোনি। শ্রী নিবাসনের জামাতা মিয়াপ্পান এই দলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়। বিশ্বজুড়ে বিশ্বকাপের সরাসরি সমপ্রচার হচ্ছে যে স্টার স্পোর্টস-এ তারাই ভারতীয় দলের পৃষ্ঠপোষক। ধারা বিবরণীতেও ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটারদের অধিপত্য। ভারত যদি বিদায় হয়ে যায় তবে কি ক্ষতি হয় তা আইসিসি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে ২০০৭-এ। ৫০ শতাংশের কম আয় হয় তাদের। সেবার বাংলাদেশের কাছেই হেরে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয় ২০০৩-এর রানার্স আপ ভারত। ২০১১ এর চ্যাম্পিয়ন বিদায় নিলে ক্ষতির পরিমানটা সব অনুমান ছাড়িয়ে যেত। অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসাতেও নামতো ধস। সেখানে দর্শকই নেমে আসবে অর্ধেকে যদি ভারত না থাকে। এ বাস্তবতা উপেক্ষার কি উপায়? কর্তাদের মর্জির বলি আম্পায়াররা হতেই পারে।
কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারাতেই দারুণ আনন্দিত ছিল বাংলাদেশের আপামর ক্রিকেটপ্রেমী। কিন্তু ১৯ মার্চ সেই কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা বাংলাদেশের মানুষকে যেমন করেছে হতাশ, তেমনি করেছে ক্ষুব্ধ। আম্পায়ারদের কিছু সিদ্ধান্ত এমন দৃষ্টিকটু ছিল যে, পরম শত্রুও বিস্মিত হয়েছে। খোদ ভারতীয় অনেক সাবেক ক্রিকেটারও সমালোচনা করেছেন। টক অব দ্য ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড ছিল পাকিস্তান আর ইংল্যান্ডের দুই আম্পায়ারের নেয়া সিদ্ধান্ত। প্রথমে ইংল্যান্ডের আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড রোহিত শর্মাকে বাঁচিয়ে দেন তার ৯০ রানের সময়। রুবেল হোসেনের করা বলে ক্যাচ আউট হয়েছিলেন এই ওপেনার। কিন্তু কোমর উচ্চতার বল কাঁধ উচ্চতার হিসেবে তিনি নো বল ঘোষণা করেন। জীবন পাওয়া রোহিত আউট হন তাসকিনের বলে ১৩৭ রান করে। তার সেঞ্চুরি ভারতকে ৩০২ রানের ইনিংসের ভিত গড়ে দেয়। আর পরে বাংলাদেশের ইনিংসে এ আসরের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে আউট দেন তৃতীয় আম্পায়ার অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ ডেভিস। মাত্র ২১ রান করেছিলেন তিনি। তার আগে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস আউট হয়ে যাওয়ায় বেশ চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মনে হয় হতাশাও পেয়ে বসে ক্রিকেটারদের। তাদের খেলায় আন্তরিকতা আর নিষ্ঠারও অভাব দেখা যায়। জেতার মতো স্পৃহা হারিয়ে ফেলেছিলেন তারা। ব্যাটসম্যানরা আন্তরিক হলে হারের ব্যবধান ১০৯ রান না হয়ে আরও কম হতে পারতো। বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৯৩ না হয়ে অন্তত ২৫০ হতে পারতো। হয়তো অলআউটও হতো না তারা। ৫ ওভার তখনও বাকি ছিল খেলার। এবার ভারত টানা ৭ খেলাতেই তাদের প্রতিপক্ষের সব ব্যাটসম্যানকে সাজ ঘরে ফিরিয়েছে। এটি তাদের বিরল সাফল্য। বিদেশের মাটিতে ভারতের বোলারদের বদনাম পুরোপুরি ঘুচিয়েছেন তারা। সেমিফাইনালে ভারত মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা চাপে ছিলেন না বলেই হয়তো ফিল্ডিং কিছুটা গা ছাড়া ছিল। একটু সচেষ্ট হলে অন্তত ২৫-৩০টি রান কম হতে পারতো ভারতের সংগ্রহ। আর জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশ তাদের স্বাভাবিক খেলাটাও হারিয়ে ফেলে। মেলবোর্নে কখনও কোন দল ৩০০ রান তাড়া করে জিততে পারেনি। সর্বোচ্চ সাফল্য ২৯৫-এ। তামিম অনেকদিন পর আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। যে জন্য ২৫ বলে ২৫ রান করেও তাকে অফের বল খোঁচা দিয়েই বিদায় নিতে হয়। এরপর আগের দুই খেলার ধারা বজায় রেখে ইমরুল কায়েস তার ওপর আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হন। এরপর তার ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। সাত ইনিংসে কোন দুই অংকের রান নেই তার। এরপর সাকিবের খেলা দেখেও মনে হয়েছে তিনি যেন ফেরার জন্যই খেলছেন। কেমন যেন অস্থির, সব বলেই হাঁকানোর চেষ্টা। সৌম্য, মুশফিক আর নাসির-সাব্বিরের খেলা কিছুটা প্রশংসা কুড়িয়েছে সবার। তবে তা খুব কমই অবদান রেখেছে বড় সংগ্রহে। কোন ফিফটি ছাড়া ইনিংসে সমাপ্তি ঘটে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের। তার আগে টসে হারা বাংলাদেশের বোলাররাও মোটের ওপর সমীহ জাগানো বল করতে পারেননি। বিশেষ করে পেস বোলাররা। উইকেট পেলেও মাশরাফি রুবেল, এমনকি সাকিবও ছিলেন খরুচে। তাসকিনও বেশি রান দিয়েছেন তবে উইকেট নিয়েছেন তিনটি। সবচেয়ে সমীহ পেয়েছেন নাসির হোসেন, তবে উইকেট পাননি। দিন শেষে এ সব পরিসংখ্যানে নজর ছিল না কারও। সব ছাপিয়ে বুকের মধ্যে শেল হয়ে বিঁধতে থাকে আম্পায়ারদের ওই খেয়ালি সিদ্ধান্ত। (দৈনিক মানবজমিন)