নিউইয়র্ক ০৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

ফুটবলার বাবার সন্তানরা ক্রিকেট বিশ্বকাপের মঞ্চে

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • / ১১২২ বার পঠিত

ঢাকা: বাবা ছিলেন ফুটবলার। সন্তানরা মাতালেন ক্রিকেটমঞ্চ। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেলবোর্ন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিলেন সাবেক তারকা ফুটবলার বাদল রায়ের একমাত্র মেয়ে গঙ্গোত্রি রায় বৃষ্টি। ছিলেন আরেক সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে কারিনা কায়সার ও ছেলে মোস্তফা হামিদ। ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত গায়ক হাবিবের কণ্ঠে ‘চলো বাংলাদেশ… বিশ্ব উঠোনে চলো’ গানে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের ১৫ জন ছেলে-মেয়ে। কোরিওগ্রাফার ছিলেন বৃষ্টি। অনুষ্ঠানে আফগানিস্তানের পরেই বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা মঞ্চে আসেন। গানের তালে তালে তাদের নৃত্য দর্শকদের আনন্দ দিয়েছে। অবাক করা বিষয়, তাদের কেউই পেশাদার শিল্পী নন। সবাই মেলবোর্নে পড়াশোনা করেন। বৃষ্টি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন। অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি দেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার কাজ কাঁধে তুলে নেন। বৃষ্টির সঙ্গে যোগাযোগ হয় কায়সার হামিদের মেয়ে কারিনা হামিদ ও ছেলে মোস্তফার। কারিনা মনাস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্রী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে এ-লেভেলে পড়ছেন মোস্তফা। পারফরমারদের মধ্যে আরও ছিলেন তাহসিনুর রহমান, হাসনাত জাহান মহুয়া, মৌসুমী আক্তার, ঋতুপূর্ণা দাস, নিরালী তালাতি, খোস তালাতি, রুইয়া আক্তার, রেজাউল ইসলাম, কৃশ মল্লিকা, সোনালিনী,তাপসী মুখার্জি ও ওয়ারিজ বেদি।
অস্ট্রেলিয়া থেকে মুঠোফোনে বৃষ্টি যুগান্তরকে জানান, ‘আমার ভীষণ ভালো লাগছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মঞ্চে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি। আমার সঙ্গে বাংলাদেশের যেসব ছেলে-মেয়ে কাজ করেছেন, তাদের প্রত্যেকের মধ্যে ছিল আন্তরকতা ও দেশপ্রেম। আমরা কেউ কিন্তু পেশাদার শিল্পী নই। কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে দেশের জন্য, দেশের সম্মানের জন্য কিছু একটা করতে হবে। গত কয়েক মাস ধরে আমরা পড়াশোনার বাইরে অবসর সময়ে রিহার্সাল করেছি। আমাদের চেষ্টা ছিল যতটুকু সম্ভব পেশাদারিত্ব আনা।’ বৃষ্টির কথা, ‘অনুষ্ঠানে আমাদের পারফরম্যান্সের পরে যখন আয়োজকরা অভিনন্দিত করেছেন, তখন আমি আনন্দে কেঁদে ফেলি। ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি বাবা একজন নাম করা ফুটবলার ছিলেন। ফুটবলার বাবার সন্তান হিসেবে আমরা যে ক্রিকেটের আঙিনায় পারফর্ম করতে পেরেছি তাতে আমি খুশি। বাংলাদেশে মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি আমাদের অনুষ্ঠান দেখেছেন। কিন্তু কাজের ব্যস্ততার জন্য বাবা অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। তাই মন কিছুটা খারাপ।’ কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানান, ‘খুবই ভালো লাগছে। আমার ছেলে-মেয়ে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মঞ্চে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছে। এটা আমাদের জন্য সম্মান ও গর্বের বিষয়।’ (দৈনিক যুগান্তর)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

ফুটবলার বাবার সন্তানরা ক্রিকেট বিশ্বকাপের মঞ্চে

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

ঢাকা: বাবা ছিলেন ফুটবলার। সন্তানরা মাতালেন ক্রিকেটমঞ্চ। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেলবোর্ন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিলেন সাবেক তারকা ফুটবলার বাদল রায়ের একমাত্র মেয়ে গঙ্গোত্রি রায় বৃষ্টি। ছিলেন আরেক সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে কারিনা কায়সার ও ছেলে মোস্তফা হামিদ। ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত গায়ক হাবিবের কণ্ঠে ‘চলো বাংলাদেশ… বিশ্ব উঠোনে চলো’ গানে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের ১৫ জন ছেলে-মেয়ে। কোরিওগ্রাফার ছিলেন বৃষ্টি। অনুষ্ঠানে আফগানিস্তানের পরেই বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা মঞ্চে আসেন। গানের তালে তালে তাদের নৃত্য দর্শকদের আনন্দ দিয়েছে। অবাক করা বিষয়, তাদের কেউই পেশাদার শিল্পী নন। সবাই মেলবোর্নে পড়াশোনা করেন। বৃষ্টি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন। অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি দেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার কাজ কাঁধে তুলে নেন। বৃষ্টির সঙ্গে যোগাযোগ হয় কায়সার হামিদের মেয়ে কারিনা হামিদ ও ছেলে মোস্তফার। কারিনা মনাস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্রী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে এ-লেভেলে পড়ছেন মোস্তফা। পারফরমারদের মধ্যে আরও ছিলেন তাহসিনুর রহমান, হাসনাত জাহান মহুয়া, মৌসুমী আক্তার, ঋতুপূর্ণা দাস, নিরালী তালাতি, খোস তালাতি, রুইয়া আক্তার, রেজাউল ইসলাম, কৃশ মল্লিকা, সোনালিনী,তাপসী মুখার্জি ও ওয়ারিজ বেদি।
অস্ট্রেলিয়া থেকে মুঠোফোনে বৃষ্টি যুগান্তরকে জানান, ‘আমার ভীষণ ভালো লাগছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মঞ্চে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি। আমার সঙ্গে বাংলাদেশের যেসব ছেলে-মেয়ে কাজ করেছেন, তাদের প্রত্যেকের মধ্যে ছিল আন্তরকতা ও দেশপ্রেম। আমরা কেউ কিন্তু পেশাদার শিল্পী নই। কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে দেশের জন্য, দেশের সম্মানের জন্য কিছু একটা করতে হবে। গত কয়েক মাস ধরে আমরা পড়াশোনার বাইরে অবসর সময়ে রিহার্সাল করেছি। আমাদের চেষ্টা ছিল যতটুকু সম্ভব পেশাদারিত্ব আনা।’ বৃষ্টির কথা, ‘অনুষ্ঠানে আমাদের পারফরম্যান্সের পরে যখন আয়োজকরা অভিনন্দিত করেছেন, তখন আমি আনন্দে কেঁদে ফেলি। ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি বাবা একজন নাম করা ফুটবলার ছিলেন। ফুটবলার বাবার সন্তান হিসেবে আমরা যে ক্রিকেটের আঙিনায় পারফর্ম করতে পেরেছি তাতে আমি খুশি। বাংলাদেশে মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি আমাদের অনুষ্ঠান দেখেছেন। কিন্তু কাজের ব্যস্ততার জন্য বাবা অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। তাই মন কিছুটা খারাপ।’ কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানান, ‘খুবই ভালো লাগছে। আমার ছেলে-মেয়ে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মঞ্চে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছে। এটা আমাদের জন্য সম্মান ও গর্বের বিষয়।’ (দৈনিক যুগান্তর)