নিউইয়র্ক ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

এক স্লিপ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • / ১০১৮ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের বাংলা সাংবাদিকতা মূলত: কমিউনিটি সাংবাদিকতা। এই সাংবাদিকতায় অনেক চুলচেরা বিশ্লেষন করতে হয়। পেশাগত সাংবাদিকতার অনেক অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করতে হয়। তা নাহলে অনেক সমস্যার মুখোমুখি পড়তে হয় সংশ্লিষ্টদের। যেমন কোন খবরে কারো নাম (সাংবাদিকের বিবেচনায় প্রকাশের যোগ্য হোক বা না হোক) বাদ পড়লে তার অভিযোগের অন্ত নেই। আবার কোন ছবিতে কারো ছবি না থাকলে ‘আমার ছবি কই’-এর মতো নানা অভিযোগ। কোন খবরে সঙ্গতকারণে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হলে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ‘আমজনতা’ উপস্থিতির নাম খবরে নেই কেনো তার অভিযোগ। এমন কত অভিযোগ প্রতিনিয়তই সাংবাদিকদের শুনতে হচ্ছে। আবার শুধু অভিযোগই নয়, বিভিন্ন সময় বিজ্ঞাপন না দেয়ারও হুমকী দেন কেউ কেউ। যা রীতিমত বিব্রতকর। আবার দেখা যাচ্ছে কোন কোন সংগঠনের সভা-সমাবেশ শেষে কেউ কেউ নামের লিষ্ট ফ্যাক্স বা ই-মেইলে প্রেরণ করে। খোঁজ নিয়ে দেখা এসব নামের তালিকা প্রেরণকারী ব্যক্তি তার অনুসারী বা ঘনিষ্টদের নামের তালিকাই পাঠাচ্ছেন। ‘কমিউনিটি সাংবাদিকতা’ কারণে অনেক মিডিয়ায় নামগুলো (সঙ্গতকারণেই যাচাই-বাছাই সম্ভব নয়) প্রকাশিত হওয়ার পর নানা বিপত্তি দেখা যায়। এসব অভিযোগ, আপত্তি, বিব্রতকর পরিস্থিতি বা বিপত্তি থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন সকল মহলের সততা, দায়িত্বশীলতা, নিজের সম্পর্কে নিজের যোগতার মূল্যায়ণ। বিষয়টি কি সংশ্লিষ্টরা ভেবে দেখবেন কি? ১৫ ফেব্রুয়ারী’২০১৫ (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

এক স্লিপ

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের বাংলা সাংবাদিকতা মূলত: কমিউনিটি সাংবাদিকতা। এই সাংবাদিকতায় অনেক চুলচেরা বিশ্লেষন করতে হয়। পেশাগত সাংবাদিকতার অনেক অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করতে হয়। তা নাহলে অনেক সমস্যার মুখোমুখি পড়তে হয় সংশ্লিষ্টদের। যেমন কোন খবরে কারো নাম (সাংবাদিকের বিবেচনায় প্রকাশের যোগ্য হোক বা না হোক) বাদ পড়লে তার অভিযোগের অন্ত নেই। আবার কোন ছবিতে কারো ছবি না থাকলে ‘আমার ছবি কই’-এর মতো নানা অভিযোগ। কোন খবরে সঙ্গতকারণে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হলে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ‘আমজনতা’ উপস্থিতির নাম খবরে নেই কেনো তার অভিযোগ। এমন কত অভিযোগ প্রতিনিয়তই সাংবাদিকদের শুনতে হচ্ছে। আবার শুধু অভিযোগই নয়, বিভিন্ন সময় বিজ্ঞাপন না দেয়ারও হুমকী দেন কেউ কেউ। যা রীতিমত বিব্রতকর। আবার দেখা যাচ্ছে কোন কোন সংগঠনের সভা-সমাবেশ শেষে কেউ কেউ নামের লিষ্ট ফ্যাক্স বা ই-মেইলে প্রেরণ করে। খোঁজ নিয়ে দেখা এসব নামের তালিকা প্রেরণকারী ব্যক্তি তার অনুসারী বা ঘনিষ্টদের নামের তালিকাই পাঠাচ্ছেন। ‘কমিউনিটি সাংবাদিকতা’ কারণে অনেক মিডিয়ায় নামগুলো (সঙ্গতকারণেই যাচাই-বাছাই সম্ভব নয়) প্রকাশিত হওয়ার পর নানা বিপত্তি দেখা যায়। এসব অভিযোগ, আপত্তি, বিব্রতকর পরিস্থিতি বা বিপত্তি থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন সকল মহলের সততা, দায়িত্বশীলতা, নিজের সম্পর্কে নিজের যোগতার মূল্যায়ণ। বিষয়টি কি সংশ্লিষ্টরা ভেবে দেখবেন কি? ১৫ ফেব্রুয়ারী’২০১৫ (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)