নিউইয়র্ক ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

এক স্লিপ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৮:২৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০১৫
  • / ১১১৮ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশী সংগঠনের যেমন অভাব নেই, তেমনী সভা-সমাবেশ আর অনুষ্ঠানাদীরও তেমন অভাব নেই। অভাব নেই বক্তারও। গেলো সপ্তাহের উইকেন্ডে এক অনুষ্ঠানে দেখা গেলো এক অনুষ্ঠানে অতিথিসহ প্রায় এক ডজন বক্তা। একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠানে অধিকাংশ বক্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখার চেয়ে অপ্রাসঙ্গকি বিষয়াদী তুলে ধরে বক্তব্য রাখছেন। এতে যেমন বিব্রত আয়োজকবৃন্দ, তেমনী বিব্রত হতে দেখা যায় দর্শক-শ্রোতাদেরও। শুধু বিব্রত হলেন না বক্তা। কারণ তিনি তো সম্মানিত বক্তা! এমনি অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এক সহকর্মী সাংবাদিক বন্ধু। তার কথায় আশ্চর্য না হয়ে বললাম এমন কমন সেন্সের অভাব প্রায়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায়। অনেক বক্তার কান্ড-জ্ঞান বিশেষ করে সময় জ্ঞান উপস্থিত সকলকে বিব্রত না করে পারে না। আবার অনেক অনুষ্ঠানে বক্তার সংখ্যা এতো দীর্ঘ হয় যে তখন বক্তাদেরকে বলে দেয়া হয় এক মিনিটে বা দুই/তিন মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার। তখন বক্তারা বিব্রত না হয়ে পারেন না। আসলে এক, দুই বা তিন মিনিটে কি বক্তব্য দেয়া যায়, বা বক্তব্য শেষ করা যায়! কিন্তু তারপরও বক্তাদের নামের তালিকা শেষ হয় না এবং মেষ পর্যন্ত সময়ের অভাবে অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বা প্রধান অতিথি নিজের মতো করে বক্তব্য দিতে পারেন না। কমিউনিটি থেকে ‘এমন কালচার’ দূর হবে কি? ০৮ মার্চ’২০১৫ (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

এক স্লিপ

প্রকাশের সময় : ০৮:২৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০১৫

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশী সংগঠনের যেমন অভাব নেই, তেমনী সভা-সমাবেশ আর অনুষ্ঠানাদীরও তেমন অভাব নেই। অভাব নেই বক্তারও। গেলো সপ্তাহের উইকেন্ডে এক অনুষ্ঠানে দেখা গেলো এক অনুষ্ঠানে অতিথিসহ প্রায় এক ডজন বক্তা। একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠানে অধিকাংশ বক্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখার চেয়ে অপ্রাসঙ্গকি বিষয়াদী তুলে ধরে বক্তব্য রাখছেন। এতে যেমন বিব্রত আয়োজকবৃন্দ, তেমনী বিব্রত হতে দেখা যায় দর্শক-শ্রোতাদেরও। শুধু বিব্রত হলেন না বক্তা। কারণ তিনি তো সম্মানিত বক্তা! এমনি অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এক সহকর্মী সাংবাদিক বন্ধু। তার কথায় আশ্চর্য না হয়ে বললাম এমন কমন সেন্সের অভাব প্রায়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায়। অনেক বক্তার কান্ড-জ্ঞান বিশেষ করে সময় জ্ঞান উপস্থিত সকলকে বিব্রত না করে পারে না। আবার অনেক অনুষ্ঠানে বক্তার সংখ্যা এতো দীর্ঘ হয় যে তখন বক্তাদেরকে বলে দেয়া হয় এক মিনিটে বা দুই/তিন মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার। তখন বক্তারা বিব্রত না হয়ে পারেন না। আসলে এক, দুই বা তিন মিনিটে কি বক্তব্য দেয়া যায়, বা বক্তব্য শেষ করা যায়! কিন্তু তারপরও বক্তাদের নামের তালিকা শেষ হয় না এবং মেষ পর্যন্ত সময়ের অভাবে অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বা প্রধান অতিথি নিজের মতো করে বক্তব্য দিতে পারেন না। কমিউনিটি থেকে ‘এমন কালচার’ দূর হবে কি? ০৮ মার্চ’২০১৫ (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)