নিউইয়র্ক ১১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

এক স্লিপ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৪
  • / ১২১৪ বার পঠিত

গত শনিবার একটি সেমিনার কভার করছিলাম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আয়োজিত সেমিনারটির আয়োজন ছিলো ত্রুটিমুক্ত। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীর উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্য করার মতো। তবে প্রতিকূলতার জন্য সেমিনারের আলোচনা বিলম্বে শুরু হওয়ায় নির্ধারিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে হয়। নির্ধারিত আলোচকদের বাইরেও একাধিক বক্তাকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে দেখা যায় সেমিনারে। ফলে যখন বক্তারা বক্তব্য রাখছিলেন তখন অনেক বক্তার জন্য তিন মিনিট সময় বেঁধে দেয়া হয়। এই নির্ধারিত সময়ে কোন বক্তাই তার কথা ভালোভাবে শেষ করতে পারেননি। এমন কি পূর্ব নির্ধারিত আলোচকগণকেও তাদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে হয়। এরমধ্যে ‘ বক্তব্য সংক্ষিপ্ত রাখার সিøপ’। কবির ভাষায়, ‘শেষ হয়েও হইলো না শেষ’। এই যখন অবস্থা তখন পাশ থেকে একজন ‘ক্ষুব্ধ স্বরে’ বললেন- যেহেতু সময় কম সেহেতু নির্ধারিত বক্তাদের কথা বলতে দিলেই ভালো হতো। আমরা কষ্ট করে প্রতিকূল পরিবেশে এসে তাদের কথা শুনতে পারলাম না। তার কথার সাথে আমি দ্বি-মত করতে পারলাম না। পারলাম না কোন মন্তব্য করতেও। শুধু এই সেমিনার নয়। কমিউনিটির প্রায় সকল অনুষ্ঠানেই এতো বক্তার লিষ্ট থাকে যে ‘আসল বক্তা’দের মূল বক্তব্য শুনতে গিয়ে সময়ই থাকে না। এব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সজাগ হওয়া জরুরী নয় কি? ০৭ ডিসেম্বর’২০১৪। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

এক স্লিপ

প্রকাশের সময় : ১১:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৪

গত শনিবার একটি সেমিনার কভার করছিলাম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আয়োজিত সেমিনারটির আয়োজন ছিলো ত্রুটিমুক্ত। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীর উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্য করার মতো। তবে প্রতিকূলতার জন্য সেমিনারের আলোচনা বিলম্বে শুরু হওয়ায় নির্ধারিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে হয়। নির্ধারিত আলোচকদের বাইরেও একাধিক বক্তাকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে দেখা যায় সেমিনারে। ফলে যখন বক্তারা বক্তব্য রাখছিলেন তখন অনেক বক্তার জন্য তিন মিনিট সময় বেঁধে দেয়া হয়। এই নির্ধারিত সময়ে কোন বক্তাই তার কথা ভালোভাবে শেষ করতে পারেননি। এমন কি পূর্ব নির্ধারিত আলোচকগণকেও তাদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে হয়। এরমধ্যে ‘ বক্তব্য সংক্ষিপ্ত রাখার সিøপ’। কবির ভাষায়, ‘শেষ হয়েও হইলো না শেষ’। এই যখন অবস্থা তখন পাশ থেকে একজন ‘ক্ষুব্ধ স্বরে’ বললেন- যেহেতু সময় কম সেহেতু নির্ধারিত বক্তাদের কথা বলতে দিলেই ভালো হতো। আমরা কষ্ট করে প্রতিকূল পরিবেশে এসে তাদের কথা শুনতে পারলাম না। তার কথার সাথে আমি দ্বি-মত করতে পারলাম না। পারলাম না কোন মন্তব্য করতেও। শুধু এই সেমিনার নয়। কমিউনিটির প্রায় সকল অনুষ্ঠানেই এতো বক্তার লিষ্ট থাকে যে ‘আসল বক্তা’দের মূল বক্তব্য শুনতে গিয়ে সময়ই থাকে না। এব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সজাগ হওয়া জরুরী নয় কি? ০৭ ডিসেম্বর’২০১৪। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)