নিউইয়র্ক ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

এক স্লিপ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • / ৮১৯ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে সংগঠনের শেষ নেই। জনশ্রুতি আছে যে, বাংলাদেশের গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলার নামে এই নিউইয়র্কে সংগঠন রয়েছে। এর বাইরেও রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন। নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রে সংগঠন করা খুবই সহজ ব্যাপার। যে কেউ নিজস্ব লোকজন নিয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন মেনে ষ্টেটের নির্ধারিত ফি দিয়ে একটি সংগঠন রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন। আরো জনশ্রুতি রয়েছে, এই নিউইর্য়কেই তিন শতাধিক সংগঠন রয়েছে। এর মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি সংগঠন সক্রিয়। আর অন্য সংগঠনগুলো কালে-ভদ্রে অনুষ্ঠান করে থাকে। কমিউনিটিতে যত বেশী সংগঠন গড়ে উঠেছে, তত ভাঙ্গনও দেখা দিয়েছে। আর এই ভাঙ্গনের নেপথ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত ক্রোধ-হিংসা, নেতৃত্বের কোন্দল, রাজনৈতিক মত পার্থক্য প্রভৃতি। এমনি জানা গেলো সহকর্মীদের এক আড্ডায়। আর এই আড্ডায় এক সিনিয়র সাংবাদিক জানালেন, নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকার এক পরিচিত মুখ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট নিজে তো সংগঠন গড়ে চেয়ারম্যান/সভাপতি পদ ধরে রাখার পাশাপাশি আরো অনেক সংগঠনের সাথে নানাভাবে জড়িত। সেই নেতা নাকি কমিউনিটিতে তার আধিপত্য বজায় রাখতে শ্যালক এবং পরবর্তীতে স্বীয় পতœী’র নেতৃত্বে পৃথক আরো দু’টি সংগঠন গড়ে তুলেছেন। এমন অভিযোগ কমিউনিটির অনেক পরিচিত জনের বিরুদ্ধে। এসব কথার পর এক সহকর্মী জানতে চাইলেন, নিজের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এমন সংগঠন কি অন্য কোন কমিউনিটিতে আছে? হায়রে কমিউনটি নেতা! আড্ডার আলোচনাগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে যাওয়ার আগেই বিষয়টি আর এগুতে দেয়া সমিচিন নয় বলে অভিমত প্রকাশ করায়, আমার সাথে অনেকেই একমত পোষণ করলেন। আমাদের আড্ডা সেদিনের মতো শেষ হলো। ০৭ ফেব্রুয়ারী’২০১৬ (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

এক স্লিপ

প্রকাশের সময় : ১১:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে সংগঠনের শেষ নেই। জনশ্রুতি আছে যে, বাংলাদেশের গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলার নামে এই নিউইয়র্কে সংগঠন রয়েছে। এর বাইরেও রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন। নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রে সংগঠন করা খুবই সহজ ব্যাপার। যে কেউ নিজস্ব লোকজন নিয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন মেনে ষ্টেটের নির্ধারিত ফি দিয়ে একটি সংগঠন রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন। আরো জনশ্রুতি রয়েছে, এই নিউইর্য়কেই তিন শতাধিক সংগঠন রয়েছে। এর মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি সংগঠন সক্রিয়। আর অন্য সংগঠনগুলো কালে-ভদ্রে অনুষ্ঠান করে থাকে। কমিউনিটিতে যত বেশী সংগঠন গড়ে উঠেছে, তত ভাঙ্গনও দেখা দিয়েছে। আর এই ভাঙ্গনের নেপথ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত ক্রোধ-হিংসা, নেতৃত্বের কোন্দল, রাজনৈতিক মত পার্থক্য প্রভৃতি। এমনি জানা গেলো সহকর্মীদের এক আড্ডায়। আর এই আড্ডায় এক সিনিয়র সাংবাদিক জানালেন, নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকার এক পরিচিত মুখ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট নিজে তো সংগঠন গড়ে চেয়ারম্যান/সভাপতি পদ ধরে রাখার পাশাপাশি আরো অনেক সংগঠনের সাথে নানাভাবে জড়িত। সেই নেতা নাকি কমিউনিটিতে তার আধিপত্য বজায় রাখতে শ্যালক এবং পরবর্তীতে স্বীয় পতœী’র নেতৃত্বে পৃথক আরো দু’টি সংগঠন গড়ে তুলেছেন। এমন অভিযোগ কমিউনিটির অনেক পরিচিত জনের বিরুদ্ধে। এসব কথার পর এক সহকর্মী জানতে চাইলেন, নিজের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এমন সংগঠন কি অন্য কোন কমিউনিটিতে আছে? হায়রে কমিউনটি নেতা! আড্ডার আলোচনাগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে যাওয়ার আগেই বিষয়টি আর এগুতে দেয়া সমিচিন নয় বলে অভিমত প্রকাশ করায়, আমার সাথে অনেকেই একমত পোষণ করলেন। আমাদের আড্ডা সেদিনের মতো শেষ হলো। ০৭ ফেব্রুয়ারী’২০১৬ (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)