নিউইয়র্ক ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র লুতফুর বরখাস্ত : অভিযোগ- দূর্নীতি, অনৈতিক কর্মকান্ড ভোট জালিয়াতি : নির্বাচন বাতিল

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৫
  • / ৯২৯ বার পঠিত

লন্ডন: বাংলাদেশী অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র লুতফুর রহমান নির্বাচনী আদালতে দুর্নীতি, অনৈতিক কর্মকান্ড ও ভোট জালিয়াতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আদালতে বিচারক রায় ঘোষণাকালে বলেন, ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল নির্বাচনে মি. রহমান মেয়র পদে বিজয়ী হতে ছলচাতুরি ও অসৎ উপায় অবলম্বন করেছেন- তা সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ওই নির্বাচন বাতিল করা হলো।
লন্ডন হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োজিত নির্বাচন কমিশনার রিচার্ড মাওরে বলেন, লুতফুর রহমান ভোটারদেরকে পক্ষে টানতে ‘জাতিগোষ্ঠী ও ধর্ম’ প্রীতিকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করার পাশাপাশি দুর্নীতিও করেছেন। বিচারপতি তার রায়ে বলেন, একজন নিষ্ঠুর উচ্চাকাংক্ষী মানুষের হাতে টাওয়ার হ্যামলেটস পরিচালিত হওয়া রাষ্ট্রের জন্য এটা ঝুঁকিপূর্ণ-বিপদজনক।
মি. মাওরে আদালতে বলেন, রহমান স্থানীয় প্রসাশনিক আইনকে ব্যবহার করে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলকে ‘গাড়ি-ঘোড়া’র মতো পরিচালনা করেছেন। অর্থাৎ আইন-কানুন, নিয়ম-শৃঙ্খলা, বৈধ-অবৈধ কিছুই তিনি তোয়াক্কা করেননি। তার কাছে সবকিছু ছিল উপেক্ষিত। অতএব ২০১৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বাতিল করে তা পুনরায় আয়োজনের ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে রায়ে বলা হয় রহমানকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।
লুতফুর রহমান যুক্তরাজ্যে প্রথম ব্রিটিশ-বাংলাদেশী হিসেবে ২০১০ সালে নির্বাহী মেয়র নির্বাচিত হন। এটা ছিল তার দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচন। লুতফুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং লন্ডন অ্যাসেম্বলি রাজনীতিক জন বিগস বলেন, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়-নীতিবান ও সৎ রাজনীতির বিজয় হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে ১৩ জন ইন্ডাপেনডেন্ট নির্বাহী মেয়র রয়েছেন। তার মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। দেশটিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ব্যানারে হয়ে থাকে। লুতফুর রহমান একজন বামপন্থি চিন্তাধারার ব্যক্তি হিসেবে একসময়ে পরিচিত ছিলেন। এজন্য তিনি রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে বেছে নেন লেবার পার্টিকে। তিনি সারা জীবন যুক্তরাজ্য লেবার পার্টির সদস্য। ২০১০ সালে দলের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে পার্টির শীর্ষ পর্যায়ে থেকে তার বিরুদ্ধে মৌলবাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয়েছিল।
ওয়েস্টমিনিস্টার প্রথানুযায়ী জাতীয়-স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দলের মনোনয়ন পেতে প্রথমে দলীয় সদস্যদের সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হতে হয়। লুতফুর রহমান টাওয়ার হ্যামলেটস নির্বাচনে এই পূর্ব আনুষ্ঠানিকতার ধাপে বিজয়ী হলেও নানা অভিযোগের ভিত্তিতে লেবার পার্টির হাই কমান্ডের ইচ্ছায় তাকে বাদ দিয়ে লেবার পার্টির অপর উদীয়মান নেতা হেলাল আব্বাসকে প্রার্থী ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদে তিনি আদালতের দ্বারস্ত হয়েও কাঙ্খিত ফল পাননি। তাই লুতফুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। সেই থেকেই তিনি ঘরে-বাইরে নানা আলোচনা-সমালোচনার মাঝে প্রথম মেয়াদে মেয়র অব টাওয়ার হ্যামলেটস‘র দায়িত্ব পালন সমাপ্ত করেন।
লুতফুর রহমান বাংলাদেশের সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তবে বাল্যকালে লন্ডনে আসেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। একজন ফ্যামিলি ল আইনজীবী হিসেবে সুপরিচিত।
২০০২ সালে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিটালফিল্ডস-বাংলাটাউন ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ডেভালপমেন্ট প্যানেলের চেয়ার নিয়োজিত হন। ২০০৩-২০০৫ সাল পর্যন্ত অ্যাডুকেশন অ্যান্ড ইয়্যুথ সার্ভিসের লিড মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মে, ২০০৮-মে,২০১০ পর্যন্ত কাউন্সিল লিডার, ১৯৮২-১৯৮৬ পর্যন্ত ফনিক্স ইয়্যুথ প্রজেক্ট অ্যান্ড দ্যা বো কমিউনিটি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ১৯৯০ সালে কীন স্টুডেন্ট স্কুল (কেএসএস)’র ট্রেজারার, ২০০৩-২০০৫ সাল পর্যন্ত টাওয়ার হ্যামলেট অ্যান্ড ক্যানারিওয়ার্ফ অ্যাডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি, ১৯৮৮ সালে টাওয়ার হ্যামলেটসে পুলিশের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি অ্যালায়েন্স (সিএপিএ)’র জেনারেল সেক্রেটারি ও মেম্বার, ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত টাওয়ার হ্যামলেটস ল’ সেন্টারের চেয়ারম্যান, ২০০১-২০০২ সালে পপলার অ্যান্ড লেডিস রিজেনারেসন (এসআরবি৬)’র বোর্ড মেম্বার এবং ২০০১ পর্যন্ত বার্টস অ্যান্ড দ্যা রয়েল লন্ডন এনএইচএস ট্রাস্ট বোর্ডের নন-অ্যাক্সিকিউটিভ পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। লন্ডনে বাংলাদেশী কমিউনিটির কাছে মেয়র লুতফুর রহমান এক আশা জাগানিয়া স্বপ্নের নাম ছিল।
বলা বাহুল্য- টাওয়ার হ্যামলেটস বারায় জনসংখ্যার আনুপাতিক হার বিবেচনায় বাংলাদেশী কমিউনিটি অনেকটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। লুতফুর রহমানের কাছে সঙ্গত কারণে এই কমিউনিটির মানুষের প্রত্যাশা একটু বেশি থাকাটা অবাস্তব নয়। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।
যুক্তরাজ্যের আইন-সংস্কৃতি অনুযায়ী সকলের প্রত্যাশাই সমগুরুত্বপূর্ণ। এখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ কিংবা গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলেই সমান। এই সাম্য-সততা এবং আইন ও নৈতিকতার মানদন্ড বজায় রাখতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন আজকের রায় তাই প্রমাণিত।(দৈনিক ইত্তেফাক)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র লুতফুর বরখাস্ত : অভিযোগ- দূর্নীতি, অনৈতিক কর্মকান্ড ভোট জালিয়াতি : নির্বাচন বাতিল

প্রকাশের সময় : ১১:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৫

লন্ডন: বাংলাদেশী অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র লুতফুর রহমান নির্বাচনী আদালতে দুর্নীতি, অনৈতিক কর্মকান্ড ও ভোট জালিয়াতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আদালতে বিচারক রায় ঘোষণাকালে বলেন, ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল নির্বাচনে মি. রহমান মেয়র পদে বিজয়ী হতে ছলচাতুরি ও অসৎ উপায় অবলম্বন করেছেন- তা সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ওই নির্বাচন বাতিল করা হলো।
লন্ডন হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োজিত নির্বাচন কমিশনার রিচার্ড মাওরে বলেন, লুতফুর রহমান ভোটারদেরকে পক্ষে টানতে ‘জাতিগোষ্ঠী ও ধর্ম’ প্রীতিকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করার পাশাপাশি দুর্নীতিও করেছেন। বিচারপতি তার রায়ে বলেন, একজন নিষ্ঠুর উচ্চাকাংক্ষী মানুষের হাতে টাওয়ার হ্যামলেটস পরিচালিত হওয়া রাষ্ট্রের জন্য এটা ঝুঁকিপূর্ণ-বিপদজনক।
মি. মাওরে আদালতে বলেন, রহমান স্থানীয় প্রসাশনিক আইনকে ব্যবহার করে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলকে ‘গাড়ি-ঘোড়া’র মতো পরিচালনা করেছেন। অর্থাৎ আইন-কানুন, নিয়ম-শৃঙ্খলা, বৈধ-অবৈধ কিছুই তিনি তোয়াক্কা করেননি। তার কাছে সবকিছু ছিল উপেক্ষিত। অতএব ২০১৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বাতিল করে তা পুনরায় আয়োজনের ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে রায়ে বলা হয় রহমানকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।
লুতফুর রহমান যুক্তরাজ্যে প্রথম ব্রিটিশ-বাংলাদেশী হিসেবে ২০১০ সালে নির্বাহী মেয়র নির্বাচিত হন। এটা ছিল তার দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচন। লুতফুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং লন্ডন অ্যাসেম্বলি রাজনীতিক জন বিগস বলেন, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়-নীতিবান ও সৎ রাজনীতির বিজয় হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে ১৩ জন ইন্ডাপেনডেন্ট নির্বাহী মেয়র রয়েছেন। তার মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। দেশটিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ব্যানারে হয়ে থাকে। লুতফুর রহমান একজন বামপন্থি চিন্তাধারার ব্যক্তি হিসেবে একসময়ে পরিচিত ছিলেন। এজন্য তিনি রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে বেছে নেন লেবার পার্টিকে। তিনি সারা জীবন যুক্তরাজ্য লেবার পার্টির সদস্য। ২০১০ সালে দলের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে পার্টির শীর্ষ পর্যায়ে থেকে তার বিরুদ্ধে মৌলবাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয়েছিল।
ওয়েস্টমিনিস্টার প্রথানুযায়ী জাতীয়-স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দলের মনোনয়ন পেতে প্রথমে দলীয় সদস্যদের সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হতে হয়। লুতফুর রহমান টাওয়ার হ্যামলেটস নির্বাচনে এই পূর্ব আনুষ্ঠানিকতার ধাপে বিজয়ী হলেও নানা অভিযোগের ভিত্তিতে লেবার পার্টির হাই কমান্ডের ইচ্ছায় তাকে বাদ দিয়ে লেবার পার্টির অপর উদীয়মান নেতা হেলাল আব্বাসকে প্রার্থী ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদে তিনি আদালতের দ্বারস্ত হয়েও কাঙ্খিত ফল পাননি। তাই লুতফুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। সেই থেকেই তিনি ঘরে-বাইরে নানা আলোচনা-সমালোচনার মাঝে প্রথম মেয়াদে মেয়র অব টাওয়ার হ্যামলেটস‘র দায়িত্ব পালন সমাপ্ত করেন।
লুতফুর রহমান বাংলাদেশের সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তবে বাল্যকালে লন্ডনে আসেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। একজন ফ্যামিলি ল আইনজীবী হিসেবে সুপরিচিত।
২০০২ সালে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিটালফিল্ডস-বাংলাটাউন ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ডেভালপমেন্ট প্যানেলের চেয়ার নিয়োজিত হন। ২০০৩-২০০৫ সাল পর্যন্ত অ্যাডুকেশন অ্যান্ড ইয়্যুথ সার্ভিসের লিড মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মে, ২০০৮-মে,২০১০ পর্যন্ত কাউন্সিল লিডার, ১৯৮২-১৯৮৬ পর্যন্ত ফনিক্স ইয়্যুথ প্রজেক্ট অ্যান্ড দ্যা বো কমিউনিটি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ১৯৯০ সালে কীন স্টুডেন্ট স্কুল (কেএসএস)’র ট্রেজারার, ২০০৩-২০০৫ সাল পর্যন্ত টাওয়ার হ্যামলেট অ্যান্ড ক্যানারিওয়ার্ফ অ্যাডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি, ১৯৮৮ সালে টাওয়ার হ্যামলেটসে পুলিশের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি অ্যালায়েন্স (সিএপিএ)’র জেনারেল সেক্রেটারি ও মেম্বার, ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত টাওয়ার হ্যামলেটস ল’ সেন্টারের চেয়ারম্যান, ২০০১-২০০২ সালে পপলার অ্যান্ড লেডিস রিজেনারেসন (এসআরবি৬)’র বোর্ড মেম্বার এবং ২০০১ পর্যন্ত বার্টস অ্যান্ড দ্যা রয়েল লন্ডন এনএইচএস ট্রাস্ট বোর্ডের নন-অ্যাক্সিকিউটিভ পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। লন্ডনে বাংলাদেশী কমিউনিটির কাছে মেয়র লুতফুর রহমান এক আশা জাগানিয়া স্বপ্নের নাম ছিল।
বলা বাহুল্য- টাওয়ার হ্যামলেটস বারায় জনসংখ্যার আনুপাতিক হার বিবেচনায় বাংলাদেশী কমিউনিটি অনেকটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। লুতফুর রহমানের কাছে সঙ্গত কারণে এই কমিউনিটির মানুষের প্রত্যাশা একটু বেশি থাকাটা অবাস্তব নয়। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।
যুক্তরাজ্যের আইন-সংস্কৃতি অনুযায়ী সকলের প্রত্যাশাই সমগুরুত্বপূর্ণ। এখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ কিংবা গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলেই সমান। এই সাম্য-সততা এবং আইন ও নৈতিকতার মানদন্ড বজায় রাখতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন আজকের রায় তাই প্রমাণিত।(দৈনিক ইত্তেফাক)