নিউইয়র্ক ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

ইকুয়েডরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৩৫

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ১০:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৬
  • / ৫৯৫ বার পঠিত

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের উপকূলীয় অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে। আহত হয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ ঘটনায় ছয়টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮। বিবিসি জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল রাজধানী কিটো থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরের মুইসন শহর। ভূমিকম্পে রাজধানী ভয়ংকরভাবে কেঁপে ওঠে। সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজধানীর কিছু অংশ বিদ্যুৎহীন রয়েছে। মানতা শহরের বিমানবন্দরের টাওয়ারও বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেরা ছয়টি প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করে ন্যাশনাল গার্ডকে উদ্ধার কাজে পাঠিয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা ৫৮৮ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। দুর্গতদের জন্য খোলা হয়েছে পাঁচটি আশ্রয় কেন্দ্র। এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানায়, প্রবল ঝাঁকুনি শুরু হলে রাজধানী কিটোর বাসিন্দারা আতংকে বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। গুয়ায়াকিল শহরে একটি ওভারপাস ধসে পড়ে।    কিটোর বাসিন্দা জোলিয়া ভিলেনা বিবিসিকে বলেন, ‘আমার বাড়ি নড়ছিল, জিনিসপত্র ছিটকে পড়ছিল আর বাচ্চারা কাঁদছিল। আমরা আতংকের মধ্যে আছি।’ এ ভূমিকম্পের পর প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার ও প্রতিবেশী দেশ পেরু সুনামি সতর্কতা জারি করে। খবরে বলা হয়, সন্ধ্যার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দফায় দফায় মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে সেখানে। বহু মানুষকে রাত কাটাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। দু’দিন আগেই জাপানে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

ইকুয়েডরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৩৫

প্রকাশের সময় : ১০:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৬

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের উপকূলীয় অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে। আহত হয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ ঘটনায় ছয়টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮। বিবিসি জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল রাজধানী কিটো থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরের মুইসন শহর। ভূমিকম্পে রাজধানী ভয়ংকরভাবে কেঁপে ওঠে। সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজধানীর কিছু অংশ বিদ্যুৎহীন রয়েছে। মানতা শহরের বিমানবন্দরের টাওয়ারও বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেরা ছয়টি প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করে ন্যাশনাল গার্ডকে উদ্ধার কাজে পাঠিয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা ৫৮৮ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। দুর্গতদের জন্য খোলা হয়েছে পাঁচটি আশ্রয় কেন্দ্র। এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানায়, প্রবল ঝাঁকুনি শুরু হলে রাজধানী কিটোর বাসিন্দারা আতংকে বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। গুয়ায়াকিল শহরে একটি ওভারপাস ধসে পড়ে।    কিটোর বাসিন্দা জোলিয়া ভিলেনা বিবিসিকে বলেন, ‘আমার বাড়ি নড়ছিল, জিনিসপত্র ছিটকে পড়ছিল আর বাচ্চারা কাঁদছিল। আমরা আতংকের মধ্যে আছি।’ এ ভূমিকম্পের পর প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার ও প্রতিবেশী দেশ পেরু সুনামি সতর্কতা জারি করে। খবরে বলা হয়, সন্ধ্যার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দফায় দফায় মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে সেখানে। বহু মানুষকে রাত কাটাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। দু’দিন আগেই জাপানে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।