Ek Slip

 
 

এক স্লিপ

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশী সংগঠনের যেমন অভাব নেই, তেমনী সভা-সমাবেশ আর অনুষ্ঠানাদীরও তেমন অভাব নেই। অভাব নেই বক্তারও। গেলো সপ্তাহের উইকেন্ডে এক অনুষ্ঠানে দেখা গেলো এক অনুষ্ঠানে অতিথিসহ প্রায় এক ডজন বক্তা। একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠানে অধিকাংশ বক্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখার চেয়ে অপ্রাসঙ্গকি বিষয়াদী তুলে ধরে বক্তব্য রাখছেন। এতে যেমন বিব্রত আয়োজকবৃন্দ, তেমনী বিব্রত হতে দেখা যায় দর্শক-শ্রোতাদেরও। শুধু বিব্রত হলেন না বক্তা। কারণ তিনি তো সম্মানিত বক্তা! এমনি অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এক সহকর্মী সাংবাদিক বন্ধু। তার কথায় আশ্চর্য না হয়ে বললাম এমন কমন সেন্সের অভাব প্রায়ইবিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের বাংলা সাংবাদিকতা মূলত: কমিউনিটি সাংবাদিকতা। এই সাংবাদিকতায় অনেক চুলচেরা বিশ্লেষন করতে হয়। পেশাগত সাংবাদিকতার অনেক অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করতে হয়। তা নাহলে অনেক সমস্যার মুখোমুখি পড়তে হয় সংশ্লিষ্টদের। যেমন কোন খবরে কারো নাম (সাংবাদিকের বিবেচনায় প্রকাশের যোগ্য হোক বা না হোক) বাদ পড়লে তার অভিযোগের অন্ত নেই। আবার কোন ছবিতে কারো ছবি না থাকলে ‘আমার ছবি কই’-এর মতো নানা অভিযোগ। কোন খবরে সঙ্গতকারণে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হলে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ‘আমজনতা’ উপস্থিতির নাম খবরে নেই কেনো তার অভিযোগ। এমন কত অভিযোগ প্রতিনিয়তই সাংবাদিকদের শুনতে হচ্ছে।বিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

নিউইয়র্ক: সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ভাই আবারো স্মরণ করলেন। একজন মিডিয়াকর্মী হিসেবে জানি-বুঝি বার্তা সম্পাদক হিসেবে তার দায়-দায়িত্ব অনেক। মানে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন। একটি খবরে একটু আধটু ভুল-ক্রটি থাকলে কি হয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। হাবিব ভাই’র সাথে দীর্ঘ দিনের পরিচয়ের সুবাদে একজন সাংবাদিক হিসেবে খুব কাছে থেকে নানাভাবে তাকে দেখার সুযোগ হয়েছে। তার সম্পাদনার হাত খুব ভালো বলেই আমি জানি। অতি সম্প্রতি একটি ই-মেইলের খবর ও ছবি দেখিয়ে বললেন, দেখন তো খবর আর ছবিটি। খবর যাই হোক খবর সংশ্লিস্ট ছবিটি দেখে তো আমিবিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

নিউইয়র্ক: সম্প্রতি কয়েকজন বন্ধু-সহকর্মী সাংবাদিক ভাইদের সাথে আড্ডা হচ্ছিলো। আড্ডা মানে একটি অনুষ্ঠান কভার করতে গিয়ে দেখা যায় অনুষ্ঠানটি শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে। আর তাই সময় কাটাতে চা খেতে খেতে নিজস্ব আড্ডা। প্রসঙ্গত এই আড্ডাতেই উঠে এলো নিউইয়র্কের বাংলা মিডিয়াগুলোর নানা প্রসঙ্গ। কেউ বললেন, নিউইয়র্কের বাংলা মিডিয়াগুলোতে ক্রমশ: পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন ঘটছে মিডিয়াগুলোর বেঁচে থাকার জন্যই। কেননা, এই নিউইয়র্ক থেলেই প্রায় দুই ডজনের মতো নিয়মিত-অনিয়মিত বাংলা প্রিন্ট মিডিয়া প্রকাশিত হচ্ছে। এরমধ্যে ঠিকানা আর বাংলা পত্রিকা নামের মাত্র দু’টি পত্রিকা পেইড পত্রিকা হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে পাঠক মহলবিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের অ্যাওয়ার্ড বাণিজ্য নিয়ে সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকাসহ একাধিক মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশের পর কমিউনিটিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কমিউনিটির সভা-সমাবেশ থেকে শুরু করে হোটেল-রেস্তোরায় চায়ের আড্ডায় পর্যন্ত জমে উঠেছে অ্যাওয়ার্ড বাণিজ্যের খবর। এই খবরের সমালোচনার পাশাপাশি সাধুবাদই শুনা যাচ্ছে সচেতন প্রবাসী মহলে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটসের এক আড্ডায় আমার উপস্থিতি দেখে একাধিক প্রবাসী রিপোর্টটি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, নিউইয়র্কের দু’একটি মিডিয়ায় এনিয়ে লেখালেখি হলে সমস্যার সমাধান হবে না। সকল মিডিয়াকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই অনৈতিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। আরেকজন বললেন, কোন কোন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে দু’একজন নামধারী সাংবাদিকদেরও দেখা যায়বিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

গত শনিবার কথা হচ্ছিল এক সাংবাদিক সহকর্মীর সাথে। কথা প্রসঙ্গে তিনি বললেন, কমিউনিটিতে সাংবাদিকতা পেশায় থাকা সমস্যাই হয়ে যাচ্ছে। জানতে চাইলাম কেন? উত্তরে বললেন, কোন নিউজ করতে গিয়ে একটু এদিক-ওদিক হয়ে গেলেই সমস্যা। সংশ্লিস্ট ব্যক্তিবর্গের কথা কথা, কত অভিযোগ। আবার আজ যদি আওয়ামী লীগের একটি নিউজ ভালো করে কভার করি তো বিএনপি’র লোকজন বলেন ‘আপনি তো আওয়ামী লীগার হয়ে গেছেন’। আবার যদি বিএনপির একটি নিউজ ভালো করে কভার করি তো আওয়ামীওয়ালারা বলেন, ‘আপনি তো বিএনপির লোক হয়ে গেছেন’। আবার যদি কোন কারণে জামায়াতে ইসলামীর কোন নিউজ করি তখন আওয়ামীওয়ালারা বলেনবিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস্থ একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা অফিসে কথা হচ্ছিলো ঐ পত্রিকার এক সাংবাদিক বন্ধুর সাথে। প্রবাসের বাংলা সাংবাদিকতা, বাংলা মিডিয়ার অবস্থান, মিডিয়ার বিজ্ঞাপন, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে বেশ কথা হলো। কথা প্রসঙ্গে সাংবাদিক বন্ধুটি জানালেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটির নানা অভিজ্ঞতার কথা। জানালেন কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতাও। বললেন, বিজ্ঞাপন ছাড়া মিডিয়াগুলো চলবে কি করে? তার মতে বিজ্ঞাপন না পাওয়ার কারণে অচিরেই একাধিক বাংলা প্রিন্ট মিডিয়া বন্ধ হয়ে যাবে। আমি বললাম, যুক্তি সঙ্গত কথা। বন্ধুটি আরো বললেন, সমস্যা এখানে নয়। সমস্যা হচ্ছে বিজ্ঞাপন প্রকাশ নিয়ে। একটি বিজ্ঞাপন কোন মিডিয়ায়বিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

আবারো হাবিব ভাই স্মরণ করলেন। মানে হাবিবুর রহমান হাবিব। সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করছেন। আর দায়িত্ব পালনের সুবাদে কমিউনিটির নানা খবরাখবর, নানা অভিজ্ঞতার স্বাক্ষী তিনি। গত সপ্তাহে বাংলা পত্রিকা অফিসে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে একটি ফ্যাক্স বার্তা হাতে পেয়েই ফোন করলেন আমাকে। জানালেন, এই মাত্র একটি ফ্যাক্স বার্তায় একটি অনুষ্ঠানের প্রেস বিজ্ঞপ্তি পেলাম। আপনি তো এক সিøপ লিখেন, হয়তো আপনার কাজে লাগবে। হাবিব ভাই বললেন, নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠান হবে তার প্রস্তুতি সভা হবে আগামী সপ্তাহে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তার কথা জানিয়ে বলা হয়েছে: খবরটি (প্রস্তুুতি সভারবিস্তারিত পড়ুন


এক স্লিপ

শিবলী চৌধুরী কায়েস। সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভি’র সিনিয়র সাংবাদিক। ঢাকায় কাজ করেছেন বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), দিগন্ত টিভিসহ বিভিন্ন মিডিয়ায়। সাংবাদিক কায়েস নিউইয়র্কে নবীন অভিবাসী হলেও কাজে, কর্মে, দায়িত্ব আর মেধায় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ক্রিয়েটিভ মানুষ। আমার দৃষ্টিতে তিনি আপাদমস্তক একজন সাংবাদিক, লেখক। ৩১ অক্টোবর শুক্রবার তার সাথে দেখা হতেই অভিযোগ করলেন তার রিপোর্ট নাকি হবহু নিউইয়র্কের কোন কোন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে তার বিনানুমতিতে এবং কোন প্রকার ক্রেডিট লাইন ছাড়াই। কায়েসের ভাষায় ‘কাট এন্ড পেস্ট’। তার প্রশ্ন এটা কেমন সাংবাদিকতা! শুধু কায়েস নন। এমন অভিযোগ, প্রশ্ন আরো অনেকেরই। যারাবিস্তারিত পড়ুন