নিউইয়র্ক ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০ : ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে জো বাইডেন নির্বাচিত

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০
  • / ৬৫ বার পঠিত

July 31, 2019 - Detroit, Michigan, U.S. - JOE BIDEN and KAMALA HARRIS pose for the photo spray during a commercial break at the second of two Democratic Debates in Detroit hosted by CNN and sanctioned by the DNC.(Credit Image: © Brian Cahn/ZUMA Wire)

হককথা ডেস্ক: জো বাইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের আগে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে নিজের বিজয় নিশ্চিত করতে হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। গত ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জো বাইডেন ৩০৬-২৩২ ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন ট্রাম্পকে। ফলে ওইসব ইলেকটোরাল কলেজগুলো সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট দিয়ে জো বাইডেনকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছে। চার বছর আগে একই ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের নির্বাচকরা যখন তাদের ভোট দিতে নিজ নিজ রাজ্যে জড়ো হন, তখন বেশ কয়েকটি রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। করোনা মহামারীর কারণে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা একত্রিত হয়েছিলেন। এখন এই ফল রাজধানী ওয়াশিংটনে পাঠানো হবে। পরে আগামী ৬ জানুয়ারীতে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশেনে তা হিসাব করা হবে। ওই অধিবেশেনের সভাপতিত্ব করবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।
যদিও এবারের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা। তবে বাইডেন ও ট্রাম্পকে যে ইলেকটোরাল কলেজ ভোট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, তাতে পরিবর্তন আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।
জনপ্রিয়তার হিসাবেও ট্রাম্পের চেয়ে ৭০ লাখ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ৫৫টি ভোট ডেমোক্র্যাটদলীয় প্রার্থীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
তবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে নিয়ে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো মন্তব্য না করলেও অল্প পরেই তিনি আইন মন্ত্রণালয় থেকে এটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার বিদায় নিচ্ছেন বলে টুইট করেছেন। ট্রাম্প যখন নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপির অভিযোগ করছেন, তখন তার বিপরীতে গিয়ে উইলিয়াম বার বলেছেন, তারা নির্বাচনে ভোট কারচুপির কোনো তথ্যপ্রমাণ পাননি। এ নিয়ে উইলিয়াম বার-এর সঙ্গে ট্রাম্পের দ্ব›দ্ব প্রকট হয়। গত সপ্তাহে এ নিয়ে হোয়াইট হাউজে বৈঠক করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়।
আনুষ্ঠানিকভাবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর জো বাইডেন বলেছেন, আবারও আমেরিকা, আইনের শাসন, সংবিধান ও জনগণের ইচ্ছার জয় হয়েছে। আমাদের পরীক্ষিত গণতন্ত্র তার সক্ষমতা দেখিয়েছে। জনগণের আকাঙ্খার বিজয় হয়েছে। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রকে থামিয়ে রাখা হয়েছিল, পরীক্ষা চালানো হয়েছিল এবং হুমকিতে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু এটা যে প্রানবন্ত, সত্য ও শক্তিশালী তা প্রমাণিত হয়েছে। গত ৩ নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর এখন পর্যন্ত ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তিনি বা তার পক্ষে নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একের পর এক মামলা করা হয়েছে। সেদিকে ইঙ্গিত করে জো বাইডেন বলেছেন, সময় এসেছে সেই অধ্যায়টাকে উল্টে দেয়ার। নিজের রাজ্য দিলাওয়ারে তিনি বক্তব্য রাখেন। তিনি সাধারণ নারী-পুরুষদের প্রশংসা করেন, যারা ধমক উপেক্ষা করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০ : ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে জো বাইডেন নির্বাচিত

প্রকাশের সময় : ০৩:১৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

হককথা ডেস্ক: জো বাইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের আগে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে নিজের বিজয় নিশ্চিত করতে হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। গত ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জো বাইডেন ৩০৬-২৩২ ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন ট্রাম্পকে। ফলে ওইসব ইলেকটোরাল কলেজগুলো সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট দিয়ে জো বাইডেনকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছে। চার বছর আগে একই ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের নির্বাচকরা যখন তাদের ভোট দিতে নিজ নিজ রাজ্যে জড়ো হন, তখন বেশ কয়েকটি রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। করোনা মহামারীর কারণে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা একত্রিত হয়েছিলেন। এখন এই ফল রাজধানী ওয়াশিংটনে পাঠানো হবে। পরে আগামী ৬ জানুয়ারীতে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশেনে তা হিসাব করা হবে। ওই অধিবেশেনের সভাপতিত্ব করবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।
যদিও এবারের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা। তবে বাইডেন ও ট্রাম্পকে যে ইলেকটোরাল কলেজ ভোট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, তাতে পরিবর্তন আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।
জনপ্রিয়তার হিসাবেও ট্রাম্পের চেয়ে ৭০ লাখ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ৫৫টি ভোট ডেমোক্র্যাটদলীয় প্রার্থীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
তবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে নিয়ে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো মন্তব্য না করলেও অল্প পরেই তিনি আইন মন্ত্রণালয় থেকে এটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার বিদায় নিচ্ছেন বলে টুইট করেছেন। ট্রাম্প যখন নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপির অভিযোগ করছেন, তখন তার বিপরীতে গিয়ে উইলিয়াম বার বলেছেন, তারা নির্বাচনে ভোট কারচুপির কোনো তথ্যপ্রমাণ পাননি। এ নিয়ে উইলিয়াম বার-এর সঙ্গে ট্রাম্পের দ্ব›দ্ব প্রকট হয়। গত সপ্তাহে এ নিয়ে হোয়াইট হাউজে বৈঠক করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়।
আনুষ্ঠানিকভাবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর জো বাইডেন বলেছেন, আবারও আমেরিকা, আইনের শাসন, সংবিধান ও জনগণের ইচ্ছার জয় হয়েছে। আমাদের পরীক্ষিত গণতন্ত্র তার সক্ষমতা দেখিয়েছে। জনগণের আকাঙ্খার বিজয় হয়েছে। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রকে থামিয়ে রাখা হয়েছিল, পরীক্ষা চালানো হয়েছিল এবং হুমকিতে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু এটা যে প্রানবন্ত, সত্য ও শক্তিশালী তা প্রমাণিত হয়েছে। গত ৩ নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর এখন পর্যন্ত ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তিনি বা তার পক্ষে নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একের পর এক মামলা করা হয়েছে। সেদিকে ইঙ্গিত করে জো বাইডেন বলেছেন, সময় এসেছে সেই অধ্যায়টাকে উল্টে দেয়ার। নিজের রাজ্য দিলাওয়ারে তিনি বক্তব্য রাখেন। তিনি সাধারণ নারী-পুরুষদের প্রশংসা করেন, যারা ধমক উপেক্ষা করেছেন।