নিউইয়র্ক ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, শুনানি ৩১ মার্চ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ মার্চ ২০২২
  • / ০ বার পঠিত

বাংলাদেশ ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে দুদকের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।
একইসাথে মামলাটি অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৩১ মার্চ দিন ধার্য করে বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বদলির আদেশ দেন। এছাড়া সম্রাটের জামিন শুনানির জন্য ৩১ মার্চ দিন ধার্য করেন।
আজ মঙ্গলবার (২২ মার্চ) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত সম্রাটের উপস্থিতিতে চার্জশিট গ্রহণ করেন।
পরে সম্রাটের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেন, মামলাটি চার্জশিট গ্রহণ ও ইতোপূর্বে দাখিলকৃত জামিন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। আদালত এদিন সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন। মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বদলির আদেশ দিয়েছেন। সেখানে ৩১ মার্চ চার্জ শুনানি ও জামিন শুনানির দিন ধার্য করে দিয়েছেন আদালত।
এর আগে গত ৭ মার্চ সম্রাটের আইনজীবী আদালতে জামিন আবেদন করেন। আদালত চার্জশিট গ্রহণ ও জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য ২২ মার্চ তারিখ ধার্য করেন।
এর আগে আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সম্রাটকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। শুনানিকালে তাকে এজলাসে তোলা হয়।
গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর কারাগারে থাকা সম্রাটকে আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (হাজতি পরোয়ানা) জারি করেন আদালত।
২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সম্রাট বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ আছে তিনি মতিঝিল ও ফকিরাপুল এলাকায় ১৭টি ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং সেগুলোতে লোক বসিয়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নিতেন। অনেক সময় ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তিনি অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ দিয়ে ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও উত্তরাসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট কিনেছেন ও বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এছাড়া তার সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই ও যুক্তরাষ্ট্রে নামে-বেনামে এক হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।
মামলাটি তদন্ত করে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। খবর সাম্প্রতিক দেশকাল
হককথা/এমউএ

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, শুনানি ৩১ মার্চ

প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশ ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে দুদকের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।
একইসাথে মামলাটি অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৩১ মার্চ দিন ধার্য করে বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বদলির আদেশ দেন। এছাড়া সম্রাটের জামিন শুনানির জন্য ৩১ মার্চ দিন ধার্য করেন।
আজ মঙ্গলবার (২২ মার্চ) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত সম্রাটের উপস্থিতিতে চার্জশিট গ্রহণ করেন।
পরে সম্রাটের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেন, মামলাটি চার্জশিট গ্রহণ ও ইতোপূর্বে দাখিলকৃত জামিন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। আদালত এদিন সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন। মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বদলির আদেশ দিয়েছেন। সেখানে ৩১ মার্চ চার্জ শুনানি ও জামিন শুনানির দিন ধার্য করে দিয়েছেন আদালত।
এর আগে গত ৭ মার্চ সম্রাটের আইনজীবী আদালতে জামিন আবেদন করেন। আদালত চার্জশিট গ্রহণ ও জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য ২২ মার্চ তারিখ ধার্য করেন।
এর আগে আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সম্রাটকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। শুনানিকালে তাকে এজলাসে তোলা হয়।
গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর কারাগারে থাকা সম্রাটকে আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (হাজতি পরোয়ানা) জারি করেন আদালত।
২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সম্রাট বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ আছে তিনি মতিঝিল ও ফকিরাপুল এলাকায় ১৭টি ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং সেগুলোতে লোক বসিয়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নিতেন। অনেক সময় ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তিনি অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ দিয়ে ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও উত্তরাসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট কিনেছেন ও বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এছাড়া তার সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই ও যুক্তরাষ্ট্রে নামে-বেনামে এক হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।
মামলাটি তদন্ত করে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। খবর সাম্প্রতিক দেশকাল
হককথা/এমউএ