নিউইয়র্ক ০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

বিজয় দিবসে ছায়ানটের ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯
  • / ২১৯ বার পঠিত

ঢাকা ডেস্ক: হাজারো কণ্ঠে গাওয়া হবে জাতীয় সংগীত। মহান বিজয় দিবস উদযাপনের ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই আয়োজন করেছে দেশের শীর্ষ সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছায়ানট। ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’ নামের এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে চারটায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এই নৃত্যগীতানুষ্ঠান। ১৯৭১ সালে যে সময় ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, ঠিক সেই বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে আবারও গাওয়া হবে হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত। এই পুরো আয়োজনে অংশ নেবে ছায়ানটের সব শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এমনকি সেখানে আসা সাধারণ মানুষজনও।
এছাড়া গাওয়া হবে ৮টি সম্মেলক গান, সাথে সম্মেলক নৃত্য। একক গান পরিবেশন করবেন বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও সেঁজুতি বড়ুয়া এবং আবৃত্তি করবেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠান বিকেল পৌনে চারটায় শুরু হয়ে ৪টা ৩১ মিনিটে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হবে। পুরো অনুষ্ঠানটি দীপ্ত টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। (সারাবাংলা.নেট)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

About Author Information

বিজয় দিবসে ছায়ানটের ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’

প্রকাশের সময় : ০২:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

ঢাকা ডেস্ক: হাজারো কণ্ঠে গাওয়া হবে জাতীয় সংগীত। মহান বিজয় দিবস উদযাপনের ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই আয়োজন করেছে দেশের শীর্ষ সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছায়ানট। ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’ নামের এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে চারটায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এই নৃত্যগীতানুষ্ঠান। ১৯৭১ সালে যে সময় ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, ঠিক সেই বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে আবারও গাওয়া হবে হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত। এই পুরো আয়োজনে অংশ নেবে ছায়ানটের সব শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এমনকি সেখানে আসা সাধারণ মানুষজনও।
এছাড়া গাওয়া হবে ৮টি সম্মেলক গান, সাথে সম্মেলক নৃত্য। একক গান পরিবেশন করবেন বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও সেঁজুতি বড়ুয়া এবং আবৃত্তি করবেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠান বিকেল পৌনে চারটায় শুরু হয়ে ৪টা ৩১ মিনিটে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হবে। পুরো অনুষ্ঠানটি দীপ্ত টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। (সারাবাংলা.নেট)